Skip to main content

Posts

Showing posts with the label ভূগোল সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-বায়ুমণ্ডল, সেট-৭

বায়ুমণ্ডল প্রশ্ন:১ হ্যারিকেন কী ? উত্তর:  পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ সংলগ্ন ক্যারিবিয়ান সমুদ্রে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘হ্যারিকেন’ নামে পরিচিত। সমুদ্রের জলরাশি উষ্ণ হলে (২৭° বা তার বেশি) তার ওপর গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হয় এবং ঘূর্ণিঝড়ের উৎপত্তি হয়। নিম্নচাপ কেন্দ্রের ব্যাস হয় ২০০-৬০০ কিমি এবং বাতাসের গতিবেগ হয় ঘণ্টায় প্রায় ১৫০-২০০ কিমি। হ্যারিকেন খুবই বিধ্বংসী ঝড়। এই ঝড়ের প্রভাবে মেক্সিকো ও পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জে প্রচুর পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি হয়। এর প্রভাবে প্রবল বৃষ্টিপাতও ঘটে। তবে নিম্নচাপ কেন্দ্রের ঠিক মাঝখানে ১০-৫০ কিমি ব্যাসযুক্ত একটি শান্ত ও বৃষ্টিহীন অঞ্চল অবস্থান করে। অঞ্চলটিকে ‘ঝড়ের চোখ’ বলে।

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-বায়ুমণ্ডল, সেট-৬

বায়ুমণ্ডল প্রশ্ন:১ বায়ুমণ্ডলের অস্থায়ী বা পরিবর্তনশীল উপাদান বলতে কী বােঝায় ? উত্তর:  গ্যাসীয় উপাদান ছাড়াও বায়ুমণ্ডলে রয়েছে সামান্য পরিমাণ জলীয়বাষ্প এবং কঠিন কণিকাসমূহ, যেমন—সূক্ষ্ম ধূলিকণা, খনিজ লবণকণা, কয়লার গুঁড়াে, ছাই ইত্যাদি। বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরেই এই সকল উপাদানের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। ঋতু, স্থান ও উচ্চতাভেদে এই সকল উপাদানের পরিমাণ ও কার্যকারিতা পরিবর্তিত হয়। বায়ুমণ্ডলের সর্বত্র এই ধরনের উপাদান উপস্থিত থাকে না বলে এদের অস্থায়ী উপাদান বলা হয়। প্রশ্ন:২ বায়ুমণ্ডলের কোন্ কোন্ গ্যাস ওজোনস্তর ধ্বংসের জন্য দায়ী ? উত্তর:  প্রধানত ক্লোরােফ্লুরােকার্বন (CFC) গ্যাস। তা ছাড়া মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড প্রভৃতি গ্যাসও ওজোনস্তর ধ্বংসের জন্য দায়ী।

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-বায়ুমণ্ডল, সেট-৫

বায়ুমণ্ডল প্রশ্ন:১ সমােষ্ণরেখা কাকে বলে ? উত্তর:  বছরের নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত জানুয়ারি ও জুলাই মাসে) যে কাল্পনিক রেখার সাহায্যে কোনাে অঞ্চলের আবহাওয়া মানচিত্রে ভূপৃষ্ঠের গড় সমতাপবিশিষ্ট স্থানগুলিকে যুক্ত করা হয়, সেই রেখাকে সমােষ্ণরেখা বলে। সমােষ্ণরেখাগুলি অক্ষরেখার প্রায় সমান্তরালে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে থাকে। প্রশ্ন:২ বায়ুচাপ কাকে বলে ? উত্তর:  আবহাওয়া ও জলবায়ুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল বায়ুচাপ। নির্দিষ্ট উষ্ণতায়, কোনাে একক ক্ষেত্রফল (এক বর্গ ইঞ্চি বা এক বর্গ সেমি) স্থানের উপরিস্থিত বায়ুস্তম্ভ মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে ওই স্থানের ওপর যে বল বা চাপ প্রয়ােগ করে তাকে ওই উষ্ণতায় ওই স্থানের বায়ুচাপ বলে। সাধারণভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠ এলাকায় প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে বায়ুর চাপ ১.০৩ কেজি।

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-বায়ুমণ্ডল, সেট-৪

বায়ুমণ্ডল প্রশ্ন:১ চরম আর্দ্রতা কাকে বলে ? উত্তর:  নির্দিষ্ট উষ্ণতায় নির্দিষ্ট আয়তন বায়ুতে উপস্থিত জলীয়বাষ্পের মােট পরিমাণকে ওই উষ্ণতায়, ওই পরিমাণ বায়ুর চরম আদ্রর্তা বলে। চরম আদ্রর্তা গ্রাম এককে প্রকাশ করা হয়। প্রশ্ন:২ প্রতীপ ঘূর্ণবাত বলতে কী বােঝাে ? উত্তর:  শীতল নাতিশীতােষ্ণ ও হিমমণ্ডলের স্বল্প পরিসর স্থানে উচ্চচাপকেন্দ্রিক, ঘূর্ণন গতিযুক্ত, অপেক্ষাকৃত ধীর গতির ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুপ্রবাহকে প্রতীপ ঘূর্ণবাত বলা হয়। সাধারণত উত্তর গােলার্ধে ৭০°-৮০° অক্ষরেখার মধ্যবর্তী অঞ্চলে প্রতীপ ঘূর্ণবাতের সৃষ্টি হয়। বায়ু উত্তর গােলার্ধে ঘড়ির কাঁটার দিকে এবং দক্ষিণ গােলার্ধে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে বেঁকে উচ্চচাপ কেন্দ্র থেকে বাইরের দিকে প্রবাহিত হয়। প্রবাহের দিক ও বৈশিষ্ট্য ঘূর্ণবাতের বিপরীত হয় বলে একে প্রতীপ ঘূর্ণবাত বলা হয়।

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-বায়ুমণ্ডল, সেট-৩

বায়ুমণ্ডল প্রশ্ন:১ বায়ুমণ্ডলে কঠিন কণিকার পরিমাণ বাড়লে উত্তাপ বৃদ্ধি পায় কেন ? উত্তর:  বায়ুমণ্ডলে ভাসমান সূক্ষ্ম ধূলিকণা, কয়লার গুঁড়াে, ছাই, বালুকণা, খনিজ লবণের পরিমাণ বাড়লে বাতাসের উত্তাপ বৃদ্ধি পায় কারণ—(ক) ভাসমান কঠিন কণিকাসমূহ তাপশােষণ পদ্ধতিতে সরাসরি তাপশােষণ করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করতে পারে এবং (খ) বায়ুমণ্ডলের কঠিন কণিকাসমূহ বায়ুমণ্ডলকে অস্বচ্ছ করে তােলে এবং পৃথিবীর গড় উত্তাপ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। প্রশ্ন:২ স্ট্রাটোপজ কী ? উত্তর:  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরের ঊর্ধ্বসীমায় অর্থাৎ, ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০ কিমি উচ্চতার পর, ২-৩ কিমি পুরু উষ্ণতার পরিবর্তনহীন বায়ুমণ্ডলীয় স্তরকে স্ট্রাটোপজ বলে। এই স্তরে বায়ুর উষ্ণতা প্রায় ০° সেন্টিগ্রেড।

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-বায়ুমণ্ডল, সেট-২

বায়ুমণ্ডল প্রশ্ন:১ ‘ফন’ কী ? উত্তর:  ‘ফন’ একপ্রকার পার্বত্য স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ। ইউরােপের আল্পস পার্বত্য অঞ্চলে রাত্রিবেলায় পর্বতের ঢাল বেয়ে নেমে আসা শীতল বায়ু উষ্ণ হয়ে ওঠে। আল্পস অঞ্চলের উষ্ণ, শুষ্ক স্থানীয় বায়ুপ্রবাহই জার্মানির রাইন উপত্যকায় ‘ফন’ নামে পরিচিত। প্রশ্ন:২ নিম্ন, মধ্য ও উচ্চ অক্ষাংশীয় অঞ্চলে কোন্ কোন্ নিয়ত বায়ু প্রবাহিত হয় ? উত্তর:  নিম্ন অক্ষাংশ অঞ্চলে আয়ন বায়ু, মধ্য অক্ষাংশ অঞ্চলে পশ্চিমাবায়ু এবং উচ্চ অক্ষাংশ অঞ্চলে মেরু বায়ু প্রবাহিত হয়। প্রশ্ন:৩ ‘মিস্ট্রাল’ কী ?

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-বায়ুমণ্ডল, সেট-১

বায়ুমণ্ডল প্রশ্ন:১ উষ্ণতার নিয়ন্ত্রক বলতে কী বােঝো ? উত্তর:  ভূপৃষ্ঠের সর্বত্র বায়ুর উষ্ণতা একই সময়ে একই রকম হয় না। পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে উষ্ণতার পার্থক্যের জন্য কতকগুলি কারণ প্রভাব বিস্তার করে। কতকগুলি প্রাকৃতিক ও কতকগুলি অপ্রাকৃতিক বা মনুষ্যসৃষ্ট বিষয় ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন অঞ্চলে উষ্ণতার হ্রাসবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। যেমন—উচ্চতা, অক্ষাংশ, বায়ুপ্রবাহ, সমুদ্রস্রোত, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, শিল্পায়ন ও নগরায়ন ইত্যাদি। এদের উষ্মতার নিয়ন্ত্রক বলে।

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-নদী হিমবাহ ও বায়ুর কাজ, সেট-৫

নদী হিমবাহ ও বায়ুর কাজ প্রশ্ন:১ আর্গ ও কুম কী ? উত্তর:  বিস্তীর্ণ ও প্রশস্ত বালুকাময় মরুভূমিকে সাহারা মরুভূমিতে আর্গ এবং এশিয়ার থর ও আরব মরুভূমিতে কুম বলে। প্রশ্ন:২ নদী ও হিমবাহের সঞ্চয়ের মধ্যে প্রকৃতিগত পার্থক্য কী ? উত্তর:  উৎস থেকে মােহানার দিকে নদী ক্রমান্বয়ে বড়াে থেকে ছােটো আকারের শিলাচূর্ণগুলিকে সঞ্চয় করে। অর্থাৎ, পর্বতের পাদদেশে বড়াে আকারের শিলাখণ্ড, পরে ছােটো নুড়ি, তারপর বালি এবং অবশেষে মােহানার কাছে সূক্ষ্ম পলি সঞ্চয় করে। অন্যদিকে, বিভিন্ন আকারের শিলাখণ্ড হিমবাহের মধ্যে আবদ্ধ অবস্থায় বাহিত হওয়ায় হিমবাহ গলতে শুরু করলে বিভিন্ন আকারের শিলাখণ্ড একত্রে সঞ্চিত হয়।

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-নদী হিমবাহ ও বায়ুর কাজ, সেট-৪

নদী হিমবাহ ও বায়ুর কাজ প্রশ্ন:১ শাখানদী কাকে বলে ? উদাহরণ দাও। উত্তর:  একটি নির্দিষ্ট ঢাল অনুসারে প্রধান নদী প্রবাহিত হওয়ার সময় যেসব জলধারা বা নদী প্রধান নদী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে প্রবাহিত হয় এবং পৃথক মােহানায় মিলিত হয় তাকে প্রধান নদীর শাখানদী বলে। উদাহরণ—গঙ্গার  প্রধান শাখানদী পদ্মা। প্রশ্ন:২ ষষ্ঠঘাতের সূত্র বলতে কী বােঝাে ? উত্তর:  কোনাে কারণে (অধিক বৃষ্টিপাতের ফলে, নদীতে বােঝার পরিমাণ কমে গেলে, ঢালের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে) নদীর গতিবেগ দ্বিগুণ হলে নদীর বহন ক্ষমতা ৬৪ গুণ বৃদ্ধি পায়। নদীর গতিবেগের সঙ্গে বহন ক্ষমতার এই অনুপাতকে নদীবিজ্ঞানে ‘ষষ্ঠঘাতের সূত্র’ বলে।

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-নদী হিমবাহ ও বায়ুর কাজ, সেট-৩

নদী হিমবাহ ও বায়ুর কাজ প্রশ্ন:১ থর মরু অঞ্চলে সিফ্ বালিয়াড়িগুলি দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে বিস্তৃত কেন ? উত্তর:  সিফ্ একপ্রকার অনুদৈর্ঘ্য বালিয়াড়ি অর্থাৎ, বালিয়াড়িগুলি বায়ুপ্রবাহের সমান্তরালে গড়ে ওঠে। থর মরু অঞ্চলে মৌসুমি বায়ু গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্বদিকে এবং শীতকালে উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়। স্বাভাবিকভাবেই বালিয়াড়িগুলি বায়ুপ্রবাহের সমান্তরালে দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব রেখা বরাবর গড়ে ওঠে। প্রশ্ন:২ বালুচর ও মগ্নচড়া পার্থক্য কী ? উত্তর:  নদীর সমভূমি প্রবাহে নদীগর্ভে সঞ্চয়ের ফলে গঠিত ভূমিরূপ হল বালুচর। উষ্ণ সমুদ্রে হিমশৈলবাহিত নুড়ি, পাথর সঞ্চয়ের ফলে গঠিত ভূমিরূপ হল মগ্নচড়া।

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-নদী হিমবাহ ও বায়ুর কাজ, সেট-২

নদী হিমবাহ ও বায়ুর কাজ প্রশ্ন:১ হিমরেখা কাকে বলে ? উত্তর:  ভূপৃষ্ঠে যে সীমারেখার ঊর্ধ্বে সর্বদা বরফ জমে থাকে এবং যে সীমারেখার নীচে বরফ গলে যায় তাকে হিমরেখা বলে। ভূবিজ্ঞানী মঙ্খাউস-এর মতে, ‘সর্বদা বরফাচ্ছাদিত অঞ্চলের নিম্নতম প্রান্তকে হিমরেখা বলে।’ প্রশ্ন:২ প্যাটারনস্টার হ্রদ কাকে বলে ? উত্তর:  উপত্যকা হিমবাহের দ্বারা অসম ক্ষয়ের ফলে অনেকসময় পার্বত্য ঢালে সিঁড়ির মতাে ধাপের সৃষ্টি হয়। ধাপগুলির ঢাল পর্বতের পাদদেশের দিকে না হয়ে পর্বতচূড়ার দিকে হলে, ধাপগুলিতে বরফগলা জল জমে উল্লম্বভাবে সারিবদ্ধ হ্রদের সৃষ্টি করে। এরূপ সারিবদ্ধ হ্রদকেই প্যাটারনস্টার হ্রদ বলে। প্রশ্ন:৩

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-নদী হিমবাহ ও বায়ুর কাজ, সেট-১

নদী হিমবাহ ও বায়ুর কাজ প্রশ্ন:১ নেভে ও ফার্ন কাকে বলে ? উত্তর:  মেরু অঞ্চল বা উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে অধঃক্ষিপ্ত তুষারকণাগুলি প্রাথমিক অবস্থায় কম ঘনত্বযুক্ত ও পরস্পর বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকে। এরূপ তুষারকণাকে নেভে বলে। ক্রমাগত তুষারপাতের ফলে ওপরের তুষারের চাপে নীচের তুষারকণাগুলি দৃঢ়ভাবে পরস্পর সংযুক্ত হয়। একে ফার্ন বলে। প্রশ্ন:২ লােয়েস কাকে বলে ? উত্তর:  জার্মান শব্দ ‘লােয়েস’-এর অর্থ সূক্ষ্ম (০.০২—০.০৫ মিলিমিটার) পলিকণা। সূক্ষ্ম পলিকণা মরু অঞ্চল থেকে বায়ুর দ্বারা বাহিত হয়ে বহু দূরদেশে কোনাে নীচু স্থানে, বিশেষত নদী অববাহিকায় দীর্ঘদিন ধরে সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমি গঠন করে তাকে লােয়েস সমভূমি বলে।

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভূত্বকের আবহবিকার, সেট-২

ভূত্বকের আবহবিকার প্রশ্ন:১ যান্ত্রিক আবহবিকার কাকে বলে ? উত্তর:  বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি (জলপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ, সমুদ্রতরঙ্গ প্রভৃতি) আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান (উষ্ণতা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত, তুষারপাত প্রভৃতি) এবং প্রাণী ও উদ্ভিদজগতের প্রভাবে শিলাস্তর যখন চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে শিলাখণ্ডে পরিণত হয় এবং শিলাখণ্ডগুলি মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে তাকে যান্ত্রিক আবহবিকার বলে। এক্ষেত্রে শিলাস্তরের বাহ্যিক আকার ও আয়তনের পরিবর্তন হয়, রাসায়নিক ধর্মের কোনাে পরিবর্তন হয় না।

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভূত্বকের আবহবিকার, সেট-১

ভূত্বকের আবহবিকার প্রশ্ন:১ হাইড্রেশন বা জলযােজন কাকে বলে ? উত্তর:  শিলামধ্যস্থ খনিজের সঙ্গে জল যুক্ত হলে, মূল খনিজ গৌণ খনিজে পরিণত হয়, ফলে শিলাস্তর বিয়ােজিত হয়। রাসায়নিক আবহবিকারের এই প্রক্রিয়াকে হাইড্রেশন বা জলযােজন বলে। এই প্রক্রিয়ায় উৎকৃষ্ট হেমাটাইট আকরিক নিকৃষ্ট লিমােনাইট আকরিকে পরিণত হয়। প্রশ্ন:২ বৃষ্টিবহুল ও বৃষ্টিহীন অঞ্চলে কীভাবে আবহবিকার ঘটে ? উত্তর:  বৃষ্টিবহুল অঞ্চলে প্রচুর আর্দ্রতা ও জৈব পদার্থের উপস্থিতির জন্য রাসায়নিক আবহবিকার এবং বৃষ্টিহীন অঞ্চলে আর্দ্রতার অভাব, জৈব পদার্থের অভাব, উত্তাপের চরম তারতম্য প্রভৃতি কারণে যান্ত্রিক আবহবিকার বেশি কার্যকরী হয়।

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভূমিরূপ ও তার শ্রেণীবিভাগ, সেট-৩

ভূমিরূপ ও তার শ্রেণীবিভাগ প্রশ্ন:১ মহীখাত বা জিওসিনক্লাইন কী ? উত্তর:  পৃথিবীর আদি ভূভাগ দ্বারা বেষ্টিত ভূপৃষ্ঠের সংকীর্ণ, অবনমিত ও অগভীর সমুদ্রখাতকে মহীখাত বা জিওসিনক্লাইন বলে।  এই মহীখাতে সঞ্চিত কোমল পাললিক শিলা থেকেই ভঙ্গিল পর্বতের উৎপত্তি। বর্তমানে হিমালয় পর্বতমালার স্থানে টেথিস নামে একটি অগভীর সমুদ্র বা মহীখাত ছিল। পরবর্তীকালে গিরিজনি প্রক্রিয়ায় ওই মহীখাতে সঞ্চিত পাললিক শিলা থেকে হিমালয় পর্বতের সৃষ্টি হয়। প্রশ্ন:২ লাভা মালভূমি কাকে বলে ? উত্তর:  ভূপৃষ্ঠস্থ কোনাে ফাটল বা ছিদ্রপথ দিয়ে নির্গত ভূ-অভ্যন্তরস্থ ম্যাগমা দীর্ঘদিন ধরে ভূপৃষ্ঠের ওপরে সঞ্চিত হওয়ার ফলে যে মালভূমির সৃষ্টি হয় তাকে লাভাগঠিত মালভূমি বলে।  যেমন—ভারতের মহারাষ্ট্রের লাভা মালভূমি বা ডেকান ট্র্যাপ। প্রায় ১৫ কোটি বছর আগে (ক্রিটেশিয়াস যুগে) কোনাে রকম বিস্ফোরণ না ঘটিয়ে ভূপৃষ্ঠের ফাটল দিয়ে নিঃশব্দে লাভা নির্গত হয়ে মহারাষ্ট্রের লাভা মালভূমি গঠিত হয়।

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভূমিরূপ ও তার শ্রেণীবিভাগ, সেট-২

ভূমিরূপ ও তার শ্রেণীবিভাগ প্রশ্ন:১ দুটি মৃত আগ্নেয়গিরির নাম করাে। উত্তর:  মায়ানমারের মাউন্ট পােপা ও মেক্সিকোর কটোপ্যাক্সি হল দুটি মৃত আগ্নেয়গিরি। প্রশ্ন:২ মৃত আগ্নেয়পর্বত বলতে কী বোঝো ? উদাহরণ দাও। উত্তর:  যেসব আগ্নেয়গিরি থেকে অতীতে অগ্ন্যুৎপাত হত কিন্তু বর্তমানে বন্ধ আছে এবং ভবিষ্যতেও অগ্ন্যুৎপাত হওয়ার কোনাে সম্ভাবনা নেই, তাদের মৃত আগ্নেয়গিরি বলে।  যেমন—মায়ানমারের মাউন্ট পােপা, মেক্সিকোর কটোপ্যাক্সি প্রভৃতি।

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভূমিরূপ ও তার শ্রেণীবিভাগ, সেট-১

ভূমিরূপ ও তার শ্রেণীবিভাগ প্রশ্ন:১ ভারতে ও ভারতের বাইরে একটি করে গ্রস্ত উপত্যকার উদাহরণ দাও। উত্তর:  ভারতের নর্মদা নদী উপত্যকা ও  জার্মানির রাইন নদী উপত্যকা হল দুটি গ্ৰস্তু উপত্যকার উদাহরণ। প্রশ্ন:২ দুটি জীবন্ত আগ্নেয়গিরির নাম করাে। উত্তর:  ইটালির ভিসুভিয়াস ও ইন্দোনেশিয়ার ক্রাকাতােয়া হল দুটি জীবন্ত আগ্নেয়গিরি। প্রশ্ন:৩ ভারতে ও ভারতের বাইরে একটি করে ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ দাও। উত্তর:  ভারতের হিমালয় পর্বত ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশে রকি পর্বত হল দুটি ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।