Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

জনপ্রিয় বিভিন্ন খেলার সাথে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ শব্দ - Important for all government jobs in West Bengal

আপনার খেলাধুলার সাধারণ জ্ঞান এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির সুবিধার্থে এখানে জনপ্রিয় খেলাগুলোর প্রধান প্রধান শব্দ, তাদের বাংলা অর্থ এবং সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হলো: 🏏 ক্রিকেট (Cricket) Toss (টস): ম্যাচ শুরুর আগে দুই অধিনায়কের মধ্যে কয়েন ছুঁড়ে ব্যাটিং বা বোলিং নির্ধারণ করার প্রক্রিয়া। Wicket (উইকেট): তিনটি স্টাম্প এবং দুটি বেল নিয়ে গঠিত কাঠামো, অথবা পিচের মূল অংশ। Pitch (পিচ): দুই উইকেটের মধ্যবর্তী ২২ গজের আয়তক্ষেত্রাকার মাটি বা টার্ফ। Stump (স্টাম্প): উইকেটের তিনটি খাড়া কাঠ। Bails (বেল): স্টাম্প দুটির উপরে আড়াআড়িভাবে রাখা ছোট কাঠের টুকরো। Crease (ক্রিজ): পিচে দাগ কাটা নির্দিষ্ট রেখা, যা ব্যাটসম্যান ও বোলারের সীমানা নির্দেশ করে। Pavilion (প্যাভিলিয়ন): খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের বসার বা বিশ্রামের ঘর। Wicket Keeper (উইকেট কিপার): ব্যাটসম্যানের পেছনে স্টাম্পের ঠিক পেছনে অবস্থানকারী ফিল্ডার।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীবনে সফল হতে এই পাঁচটি কথা মাথায় রাখুন

জীবনে সফল হতে এই পাঁচটি কথা মাথায় রাখুন 


     জীবনে সফল হতে গেলে আমাদের কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। সেই সবের মধ্যে আত্মবিশ্বাস অর্থাৎ নিজের ওপরে বিশ্বাস এক বিশেষ জায়গা দখল করে আছে। শুধুমাত্র আত্মবিশ্বাসের অভাবেই বহু মানুষ অসফল হয়ে পরে।

     আজ আমরা আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কিছু পদ্ধতি জেনে নেব।

     নিজের প্রতি বিশ্বাস বাড়ালেই আপনার গতানুগতিক জীবন রূপান্তরিত হয়ে যাবে ব্যতিক্রমী জীবনে। বিশ্বাস বাড়ানাের জন্য প্রথমেই নিজের মনকে ভালো রাখতে হবে। মনকে ভালো রাখতে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়াতে যে সমস্ত পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় তা হল – 
 

১। অবসাদ দূর করুন

      অবসাদ মানুষের সফলতার পিছনে এক বড়ো বাধা হয়ে দাড়ায়। অবসাদে ভুগলে না আপনি কোনো কাজ ঠিক করে করতে পারবেন, না আপনার মানসিক শান্তি বজায় থাকবে। অবসাদ কে দূরে ছুড়ে ফেলতে নিয়মিত ধ্যানাভ্যাস করতে হবে। নিয়মিত ধ্যানাভ্যাসের মাধ্যমে ‘ অবসাদ ’ নামক শব্দকে চিরতরে বিদায় দিন আপনার জীবন থেকে।

২। মানসিক দৃঢ়তা বৃদ্ধি করুন

      নিজের মনকে দৃঢ় করবার জন্য ছােট ছােট পদক্ষেপ নিন। ছােট পদক্ষেপগুলি সম্পূর্ণ করুন। দেখবেন ক্রমশ মানসিক দৃঢ়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে । ধরুন আপনি আপনার এক বিশেষ লক্ষ্যে পৌঁছাতে চান। তাহলে আপনার সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য যেগুলো করণীয় সেগুলো করে ফেলুন। আপনার লক্ষ্য সম্বন্ধে একটা স্বচ্ছ ধারণা আপনার থাকা দরকার।

৩। কর্মক্ষমতা বাড়ান

      আপনি প্রথমে ঠিক করুন যে আপনি ঠিক কোন বিষয়ে সফলতা পেতে চান। তারপর সেই বিষয়ের ওপরে আপনার কর্মদক্ষতা বাড়ান। আমাদের কর্মক্ষমতা বাড়াতে গেলে প্রথমে আমাদের শরীরের খেয়াল রাখতে হবে, নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে, কারণ শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়ালেই মনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৪। ইতিবাচক দৃষ্টি 

      যারা জীবনের প্রতিটি ঘটনাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে নিয়েছেন তারা প্রত্যেকেই সফল হয়েছেন । আপনি আপনার স্বপ্ন গুলোকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখুন এবং সেগুলোকে বাস্তব রূপ দিতে দিন রাত পরিশ্রম করুন। বলুন 'হ্যাঁ আমি পারবো, পারতে আমাকে হবেই।'
এই ‘ হ্যাঁ ’ বলার সঙ্গে সঙ্গে আপনার সফলতা প্রাপ্তি আরম্ভ হয়ে গেল । এগিয়ে চলুন ইতিবাচকদৃষ্টি নিয়ে দেখবেন সফলতা আপনাকে বরণ করতে বাধ্য হবে । 

৫।  স্বপ্ন দেখুন

      আপনার কাঙ্খিত লক্ষ্যটি নিয়ে স্বপ্ন দেখুন । স্বপ্ন দেখুন লক্ষ্যটি আপনি পূরণ করেছেন । আনন্দ উপভােগ করুন লক্ষ্য পূরণের জন্য । এক্ষেত্রে আমাদের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি Dr. A P J Abdul Kalam এর একটি উক্তি অবশ্যই স্মরণ করতে হবে তা হল “ লক্ষ্যপূরণের স্বপ্নটি জাগ্রত অবস্থাতেই দেখতে হবে, অনুভব করতে হবে । ” লক্ষ্যপূরণের জন্য স্বপ্ন দেখার মধ্যে আপনার বিশ্বাস ক্রমশ দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর হয়ে উঠবে । আত্মবিশ্বাসে ভরপুর হয়ে উঠবেন আপনি।

      এছাড়াও নিজের প্রতি বিশ্বাস বাড়ানাের আরাে অনেক পদ্ধতি আছে । আমরা মূলত লক্ষ্যপূরণ করবার জন্য সাধারণত যে সকল পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকি তা নিয়ে আলোচনা করলাম ।  সফলতার কোন ‘ আরম্ভ নেই ’ অথবা ‘ শেষ নেই । সফলতার জন্য কাজ শুরু করাটাই সফলতার প্রথম সােপান । নিশ্চল হয়ে বসে না থেকে কাজ শুরু করে দিন । দেখবেন ক্রমশ আত্মবিশ্বাস জাগ্রত হচ্ছে । জীবনে ঝুঁকি নিতে শিখুন । পৃথিবীতে যাঁরা - সফল হয়েছেন প্রত্যেকেই জীবনে ঝুঁকি নিয়েছেন । গড়েছেন নিজের ভাগ্য । আপনিও পারবেন এই বিশ্বাস রাখুন । এগিয়ে চলুন সাফল্য প্রাপ্তির দিকে।


Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...