Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও। 
অথবা, 
একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও। 
অথবা, 
নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।


            উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়। 

নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন:

(১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা: 
     পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের নীচের দিকে ক্ষয়কাজ বেশি করে বলে নদী-খাত প্রথমে '।' আকৃতির এবং পরে পার্শ্বক্ষয়ের ফলে ক্রমশ 'V' অক্ষরের আকার ধারণ করে।



 (২) গিরিখাত (Gorge):

    নদীর পার্বত্য পথে সরু V আকৃতির নদী উপত্যকা যখন খুব গভীর হয় তখন তাকে গিরিখাত (gorge) বলে। গিরিখাত যতটা গভীর ততটা চওড়া নয়। তবে গিরিখাত প্রধানত আদ্র জলবায়ু অঞ্চলেই সৃষ্টি হয়ে থাকে। 
উদাহরণ : শতদ্রু, সিন্ধু, তিস্তা প্রভৃতি নদীর হিমালয়ের পার্বত্য গতিপথে এইরকম গিরিখাত দেখতে পাওয়া যায়। এর মধ্যে হিমাদ্রির ওপর শতদ্রু নদী দ্বারা সৃষ্ট গিরিখাতটি ৫০০০ মিটার গভীর। 



(৩) ক্যানিয়ন বা সুগভীর নদী-খাত (Canyon): 
             শুষ্ক অঞ্চলের গিরিখাতকে ক্যানিয়ন বলা হয়। কোনও নদী দীর্ঘপথ ধরে বৃষ্টিহীন পার্বত্য মরু অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হলে নদীর জলের স্বল্পতার জন্য নদীখাতে শুধু নিম্নক্ষয়ই সম্ভব হয়, ফলে সুগভীর খাত বা ক্যানিয়নের সৃষ্টি হয়। 
উদাহরণ : উত্তর আমেরিকার কলোরাডো নদী পৃথিবী-বিখ্যাত গ্রান্ড ক্যানিয়ন সৃষ্টি করেছে।



(৪) জলপ্রপাত ও প্রপাতকূপ (Waterfalls):
        পার্বত্য প্রবাহে নদীর গতিপথে আড়আড়িভাবে কোনো কঠিন শিলা থাকলে, সেই কঠিন শিলা পাশের কোমল শিলা থেকে কম ক্ষয় পাওয়ায় উঁচু হয়ে থাকে এবং নদীস্রোত সেই খাড়া ঢাল থেকে বিপুল বেগে নীচের কোমল শিলায় পড়ে জলপ্রপাতের সৃষ্টি করে। নদীর গতিপথের যে অংশে জলপ্রপাতের জলধারা সজোরে এসে পড়ায় মন্থকূপের সৃষ্টি হয় তাকে প্রপাতকূপ বলে।
          জলপ্রপাতের উপস্থিতির ফলে নীচের কোমল শিলাস্তরের ভিতরের অংশের দ্রুত ক্ষয় হওয়ায় এই ধরনের জলপ্রপাতকে ধীরে ধীরে পিছনের দিকে সরে আসতে দেখা যায়, একে জলপ্রপাতের পশ্চাদপসরণ বলে। 
উদাহরণ : দক্ষিণ আমেরিকার ভেনিজুয়েলার এ্যাঞ্জেল জলপ্রপাতটি হল পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাত।




(৫) মন্থকূপ (Pot Holes):

        পার্বত্য-গতিতে নদীখাতের কোনো অংশের নরম শিলা থাকলে প্রবল জলস্রোতে তা ক্ষয় পেয়ে নদীখাতে গর্ত সৃষ্টি করে। প্রবল জলস্রোতের সঙ্গে সঙ্গে নদীবাহিত নানান আকৃতির শিলাখণ্ডগুলিও ঘুরতে থাকায় নদীখাতে গর্তের আকার ক্রমশ বেড়ে হাঁড়ির মতো হয়। পার্বত্য পথে নদীর ক্ষয়কাজের ফলে সৃষ্টি হওয়া এইসব গর্তকে মন্ত্রকূপ বা পটহোল বলে।







(৬) খরস্রোত (Rapid) :



         পার্বত্য অঞ্চলে নদী সিঁড়ির মতো ছোটো ছোটো ধাপের ওপর দিয়ে নিচে পতিত হলে তাদের বলা হয় খরস্রোত। নদীর উচ্চ প্রবাহে কঠিন ও কোমল শিলাস্তর যদি অনুভূমিক ভাবে অবস্থান না করে পাশাপাশি উল্লম্বভাবে অবস্থান করে, তাহলে কোমল শিলা দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং কঠিন শিলা কম ক্ষয় প্রাপ্ত হয় ফলে জলপ্রবাহ সিঁড়ির মতো ধাপে ধাপে নিচে নেমে আসে এবং খরস্রোতের সৃষ্টি হয়। 
উদাহরণ : আফ্রিকার জাইরে যদি বত্রিশটি খরস্রোত সৃষ্টি করে ২৭০ মিটার নিচে নেমে এসেছে। এদের একসঙ্গে লিভিংস্টোন জলপ্রপাত বলে। 



(৭)শৃঙ্খলিত বা আবদ্ধ শৈলশিরা: 
 

    পার্বত্য প্রবাহে নদীপথের দু-পাশে শৈলশিরাগুলি পরপর এমনভাবে অবস্থান করে যে, নদী তাদের বাধা অতিক্রম করতে সামান্য এঁকেবেঁকে প্রবাহিত হয়। ফলে নদীর সম্পূর্ণ গতিপথ দেখা যায় না। গতিপথের কিছু অংশ শৈলশিরার আড়ালে চলে যায়। উভয়দিক থেকে এগিয়ে আসা শৈলশিরাগুলিকে পরস্পর আবদ্ধ বা শৃঙ্খলিত (Interlock) অবস্থায় রয়েছে বলে মনে হয়। এই প্রকার ভূমিরূপকে আবদ্ধ বা শৃঙ্খলিত শৈলশিরা বলে।



(৮) কর্তিত শৈলশিরা (Truncated Spur): 

     পার্বত্য অঞ্চলে নদীর গতিবেগ খুব বেশি থাকে। তাই ক্ষয় করার ক্ষমতাও খুব বেশি। এর ফলে নদী গতিপথে এগিয়ে থাকা অভিক্ষিপ্তাংশগুলির প্রান্তভাগ ক্ষয়িত হয় এবং নদী তখন বাঁকা পথে না গিয়ে সোজা পথে অগ্রসর হয়। আবার নদীর দু-পাশে ক্ষয়প্রাপ্ত অভিক্ষিপ্তাংশগুলিকে খাড়াঢালের সৃষ্টি করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এদেরকেই কর্তিত শৈলশিরা বলে

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল ?

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল      ভারতীয় জাতীয় রাজনীতিতে জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল মূলত ভারতবাসীর আশা–আকাঙ্ক্ষা পূরণ ও ব্রিটিশবিরোধী ক্ষোভের হাত থেকে ব্রিটিশ শাসনকে রক্ষা করার জন্যই।  জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য (১) কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন— উদ্দেশ্য ঘোষণা—বোম্বাইয়ের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজ হল জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে (১৮৮৫ খ্রি., ২৮ ডিসেম্বর) সভাপতির ভাষণে উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে চারটি মূল উদ্দেশ্যের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এগুলি হল—   (i) ভাষাগত ও ধর্মীয় বৈচিত্রে ভরা ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের দেশপ্রেমীদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও একাত্মতা গড়ে তোলা, (ii) সম্প্রীতির দ্বারা জাতি, ধর্ম, প্রাদেশিকতার তুচ্ছ সংকীর্ণতা দূর করে জাতীয় সংহতির পথ প্রশস্ত করা, (iii) শিক্ষিতদের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ করে সামাজিক ও অন্যান্য সমস্যা সমাধানের উপায় নির্ণয় করা, (iv) ভারতের রাজনৈতিক অগ্রগতির জন্য ভবিষ্যৎ কর্মসূচি গ্রহণ করা।

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু                     পর্বত্য অঞ্চল থেকে সমভূমিতে প্রবেশ করলে নদীর গতিপথের ঢাল হ্রাস পায়। ফলে নদীর ক্ষমতাও কমে যায়। উচ্চপ্রবাহের ক্ষয়িত পদার্থসমূহ (শিলাখণ্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি) সমভূমিতে প্রবেশের মুখে পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে শঙ্কু আকৃতির ভূমিরূপ গঠন করে। একে পলিশঙ্কু বলে। দেখতে হাত পাখার মতো হয় বলে একে পলল পাখা বা পলল ব্যজনীও বলে। 

সাধারণ জ্ঞান।।পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা প্রশ্ন ১ পশ্চিমবঙ্গের প্রথম কোন মহিলা অ্যাকাদেমি পুরস্কার পেয়েছিলেন? (ক) আরতি সাহা (খ) দূর্বা ব্যানার্জী   (গ) মৈত্রেয়ী দেবী   (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ মৈত্রেয়ী দেবী   প্রশ্ন  ২  পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা শহীদ কে? (ক) মাতঙ্গিনী হাজরা (খ) প্রীতিলতা ওয়াদেদার (গ) সরোজিনী নাইডু (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ মাতঙ্গিনী হাজরা প্রশ্ন ৩  পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা আই এ এস অফিসার কে? (ক) রিতু মহেশ্বরী (খ) রমা মজুমদার (গ) চন্দ্রমুখী বসু (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ রমা মজুমদার প্রশ্ন ৪ পশ্চিমবঙ্গের প্রথম কোন মহিলা ইংলিশ চ্যালেন পার করেছিলেন? (ক) আরতি সাহা (খ) বুলা চৌধুরি (গ) শ্রেয়া দত্ত (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ আরতি সাহা প্রশ্ন ৫ পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা জেলাশাসক কে? (ক) রমা মজুমদার   (খ) রানু ঘোষ (গ) বুলা চৌধুরি (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ রানু ঘোষ প্রশ্ন ৬ পশ্চিমবঙ্গের কোন মহিলা সর্বপ্রথম এভারেস্ট আরোহণ করেছিলেন? (ক) শিপ্রা মজুমদার (খ) দুর্বা ব্যানার্জী (গ) আরতী সাহা (ঘ) কেউই নয় উত্তরঃ শিপ্রা মজুমদার প্রশ্ন  ৭ পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা রাজ্য...

[MCQ]রাজনীতির বিবর্তন - শাসনতান্ত্রিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা।।সেট ৬

রাজনীতির বিবর্তন - শাসনতান্ত্রিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা ⮞ ⮞ ⮞ ⮞ প্রশ্ন:১ রামায়ণে কয়টি জনপদের উল্লেখ আছে ? (a) ১৬ টি (b) ১৮ টি (c) ২৫ টি (d) ২৭ টি

আন্ত্রিক কি? এর লক্ষণ ও প্রতিকার কি?

আন্ত্রিক কি? এর লক্ষণ ও প্রতিকার কি?