বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রার তালিকা ১. এশিয়া (Asia) দেশ (Country) রাজধানী (Capital) মুদ্রা (Currency) আফগানিস্তান (Afghanistan) কাবুল (Kabul) আফগান আফগানি আর্মেনিয়া (Armenia) ইয়েরেভান (Yerevan) আর্মেনিয়ান ড্র্যাম আজারবাইজান (Azerbaijan) বাকু (Baku) আজারবাইজানি মানাত বাহরাইন (Bahrain) মানামা (Manama) বাহরাইনি দিনার বাংলাদেশ (Bangladesh) ঢাকা (Dhaka) টাকা ভুটান (Bhutan) থিম্পু (Thimphu) ভুটানিজ গূল্ট্রুম ব্রুনেই (Brunei) বন্দর সেরি বেগাওয়ান ব্রুনেই ডলার কম্বোডিয়া (Cambodia) নমপেন (Phnom Penh) কম্বোডিয়ান রিয়েল চীন (China) বেইজিং (Beijing) রেনমিনবি / ইউয়ান সাইপ্রাস (Cyprus) নিকোশিয়া (Nicosia) ইউরো জর্জিয়া (Georgia) তিবিলিসি (Tbilisi) লারি ...
ক্ষয়জাত পর্বত
ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ, হিমবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ক্ষয় কাজের ফলে সবসময় ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। এইভাবে অনেক সময় শক্ত শিলায় গঠিত জায়গা কম ক্ষয় পেয়ে যখন আশপাশের বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া নরম শিলায় গঠিত জায়গা থেকে আলাদা হয়ে উঁচুতে থেকে যায়, তখন তাকে ক্ষয়জাত পর্বত বলে। কম ক্ষয় হওয়া অবশিষ্ট অংশ পর্বতে পরিণত হয় বলে একে অবশিষ্ট পর্বত-ও বলা হয়।
ক্ষয়জাত পর্বতের বৈশিষ্ট্য—
(১) বিভিন্ন রকম প্রাকৃতিক শক্তির ঘাতপ্রতিঘাতে ক্ষয়জাত পর্বতের সৃষ্টি হয়।
(২) ক্রমাগত ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার ফলে ক্ষয়জাত পর্বতের মাথা চ্যাপ্টা হয়।
(৩) ভঙ্গিল, স্তূপ, আগ্নেয় সবরকম পর্বত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ক্ষয়জাত পর্বতে পরিণত হয়।
(৪) ক্ষয়জাত পর্বতের ঢাল খুব বেশি নয়।
(৫) ক্ষয়জাত পর্বতগুলির উচ্চতা ক্রমহ্রাসমান।
(৬) ক্ষয়জাত পর্বতগুলির বন্ধুরতা কম হয়।
(৭) ক্ষয়জাত পর্বতের উচ্চতা অন্যান্য পর্বত অপেক্ষা কম হয়।
(৮) এই পর্বতের উপরিভাগ খুব বেশি উঁচু-নীচু বা অসমতল হয় না।
(৯) ভূপৃষ্ঠের অতি প্রাচীন অংশে ক্ষয়জাত পর্বত দেখা যায়।
(১০) মূলত ক্ষয়জাত পর্বতগুলি কঠিন ও কোমল শিলার সমন্বয়ে গঠিত।
উদাহরণ—
ভারতের আরাবল্লী, নীলগিরি, পশ্চিমঘাট, রাজমহল প্রভৃতি পর্বতগুলো ক্ষয়জাত পর্বতের নিদর্শন।
Comments
Post a Comment