ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে— উত্তরঃ সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন? উত্তরঃ ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন? উত্তরঃ নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন? উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন? উত্তরঃ অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন— উত্তরঃ লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি? উত্তরঃ চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...
মানুষের জীবনধারণ ও জীবিকা অর্জনের ক্ষেত্রে মালভূমি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমন—
(১) মালভূমি সাধারণত স্বাভাবিক উদ্ভিদে সমৃদ্ধ হয়। যেমন—ছোটোনাগপুর মালভূমিতে প্রচুর শাল ও সেগুন গাছ জন্মে থাকে।
(২) কোনোকোনো মালভূমির কঠিন শিলার ওপর উর্বর মৃত্তিকার আবরণ থাকলে সেই অঞ্চল কৃষিকার্যে উন্নতি লাভ করে। যেমন—ভারতের কৃষ্ণমৃত্তিকা অঞ্চল।
(৩) মালভূমি অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি বন্ধুর এবং ভূভাগ কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত বলে চাষ-আবাদ, রাস্তাঘাট ও শিল্পস্থাপনে প্রতিকূল পরিবেশের সৃষ্টি করে।
(৪) মালভূমিও জলবায়ুকে পর্বতের মতো প্রভাবিত করে। যেসব মালভূমি সমুদ্র সমতল থেকে অনেক উঁচুতে অবস্থিত সেইসব মালভূমির জলবায়ু উষ্ণ হয় না। আবার পর্বতবেষ্টিত মালভূমি জলীয়বাষ্পের অভাবে বৃষ্টিহীন থাকে।
(৫) উঁচু-নিচু ভূ-পকৃতির জন্য মালভূমি অঞ্চলে সড়কপথ ও রেলপথ নির্মাণ করা খুবই কষ্টসাধ্য ও ব্যয় সাপেক্ষ। তাই এখানকার পরিবহন ব্যবস্থাও অনুন্নত।
(৬) অধিকাংশ মালভূমি আবার খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ হয়। যেমন—ভারতের ছোটোনাগপুর মালভূমিতে কয়লা, চুনাপাথর, জিপসাম প্রভৃতি খনিজ প্রচুর পরিমাণে সঞ্চিত আছে। বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থ পাওয়া যায় বলে একে ভারতের ‘খনিজ ভান্ডার’ বলা হয়। এই সমস্ত খনিজ পদার্থ উত্তোলনের কাজে নিযুক্ত থেকে বহু মানুষের কর্মসংস্থান হয়।
(৭) প্রতিকূল পরিবেশের কারণে এখানকার জনবসতির ঘনত্ব তুলনামূলকভাবে কম হয়।
(৮) মালভূমি অঞ্চলের নদীগুলি তরঙ্গায়িত বন্ধুর ভূপ্রকৃতির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় বলে খরস্রোতা।এই খরস্রোতা নদী থেকে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুবিধা পাওয়া যায়।
(৯) মালভূমি অঞ্চলের স্বল্প বৃষ্টিপাত যুক্ত স্থানগুলিতে বিস্তীর্ণ তৃণভূমি সৃষ্টি হয়। এই তৃণভূমিগুলিতে পশুপালন করে বেশ কিছু মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে।
(১০) কোনোকোনো মালভূমি অঞ্চলে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে ওঠে। যেমন—জব্বলপুর, নেতারহাট, পাঁচমারি ইত্যাদি।
Comments
Post a Comment