Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

          সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে।



মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—


(১) জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ :

          উচ্চ-পর্বত শ্রেণির অবস্থানের ফলে জলবায়ু নিয়ন্ত্রিত হয়। পর্বতের প্রতিবাত ঢালে মেঘ বাধা পেয়ে বৃষ্টি ঘটায়। আবার উল্টো দিকে অনুবাত ঢালে জলীয় বাস্প কম হওয়ায় বৃষ্টিপাত হয় না বললেই চলে। ভারতের পশ্চিমঘাট পর্বতের অবস্থানের ফলে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাধা পেয়ে প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত ঘটায়। পর্বত কনকনে ঠান্ডা বায়ুকে আটকে মানুষকে স্বস্তি দেয়। যেমন - উত্তরে হিমালয় পর্বতের অবস্থানের জন্য সাইবেরিয়া থেকে আগত শীতল বাতাস ভারতে প্রবেশ করতে পারে না। 

(২) কৃষিকাজ ও পানীয় জলের যোগান :

          বেশিরভাগ বড়ো বড়ো নদীরই উৎপত্তি হয়েছে পর্বতে। এই নদীগুলি চিরপ্রবাহী, অর্থাৎ এই নদীগুলিতে সারা বছর জল থাকে। একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যায় বড়ো বড়ো সব শহরে পানীয় জলের একমাত্র ভরসা এই নদীগুলি। এছাড়া কৃষিকাজের জন্য যে ব্যাপক পরিমানে জলের প্রয়োজন হয় তা আসে এই সব নদীগুলি থেকে। পর্বতের গা বেয়ে নেমে আসা এই নদীগুলির জলে নানারকম উপকারী পদার্থ মিশে থাকে যা কৃষিকাজে প্রভূত সাহায্য করে। 

(৩) প্রাকৃতিক সীমানা : 

            পর্বত যেমন দুটি দেশের সীমানা নির্দিষ্ট করে ঠিক তেমনি কোনো দেশকে বিদেশি শত্রুর হাত থেকে রক্ষাও করে।  যেমন ভারত চীন সীমারেখা অনেকটাই পর্বত দ্বারা চিহ্নিত। দেশের সীমান্তে উঁচু পর্বত অবস্থান করলে দেশটি বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে রেহাই পায়।

(৪) পর্যটনকেন্দ্র :

           দৈনন্দিন জীবনের একঘেয়েমি কাটাতে বেশির ভাগ মানুষ ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, তাদের মধ্যে অনেকেরই প্রিয় হচ্ছে পাহাড়।  স্বাস্থ্যকর জলবায়ু ও নৈসর্গিক সৌন্দর্যের জন্য পার্বত্য অঞ্চলে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে ওঠে। এতে প্রচুর মানুষের কাজের সুযোগ বাড়ে। 

(৫) বনভূমি :

           উঁচু পর্বতের ঢালে সরলবর্গীয় অরণ্য এবং নিম্ন পার্বত্য অঞ্চলে সাধারণত চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমির সৃষ্টি হয়। এই সকল উদ্ভিদের ওপর ভিত্তি করেই নানানরকম আসবাবপত্র, দেশলাই, প্লাইউড, কাগজ শিল্প গড়ে উঠেছে।

(৬) শুপালন :

             সুউচ্চ পর্বতের ঢালে যেখানে গাছপালা কম থাকে এবং চাষবাস হয় না সেই সব অঞ্চলে প্রচুর ঘাস থাকে যার ফলে সেখানে পশুপালন করা হয়। কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ প্রভৃতি অঞ্চলে অনেক উপজাতিদের পশুপালনই একমাত্র পেশা।

(৭) হোটেল ব্যবসা :

            মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্যের জন্য সারা বছর ধরে প্রচুর মানুষ পার্বত্য অঞ্চলে বেড়াতে আসেন। পর্যটক দের থাকা খাওয়ার সুব্যবস্থার জন্য এই সব অঞ্চলে তৈরী হয়েছে অনেক ছোট বড়ো হোটেল। 

(৮) মূল্যবান কৃষিজ ফসল চাষ / বাগিচা ফসল :

            পার্বত্য অঞ্চলে চা, কফি, কোকো প্রভৃতি মূল্যবান কৃষিজ ফসল ও আপেল, আঙুর, কমলালেবু, নাসপাতি ইত্যাদি ফল জন্মায় ৷ এছাড়াও পর্বতের গায়ে ধাপ কেটে বিভিন্ন ফসলের চাষ হয়। পার্বত্য অঞ্চলে নানান মূল্যবান ভেষজেরও চাষ হয়ে থাকে। 

(৯) লোকবসতি :

               বন্ধুর ভূপ্রকৃতি, প্রতিকূল জলবায়ু, কৃষিজমি র অভাব, অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিল্পে অনগ্রসরতা প্রভৃতি কারণে পার্বত্য অঞ্চলে লোকবসতি কম।

(১০) জলবিদ্যুৎ উৎপাদন :

              পার্বত্য অঞ্চলের বন্ধুর ভূপ্রকৃতির মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত নদীগুলি খরস্রোতা হওয়ায় বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। হিমালয় পর্বতে অসংখ্য বড়ো বড়ো জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। 

(১১) খনিজ সম্পদ : 

             নবীন ভঙ্গিল পার্বত্য অঞ্চল ছাড়া আর অন্যান্য প্রকার পর্বতে বিভিন্ন মূল্যবান ও প্রয়োজনীয় খনিজ সম্পদ পাওয়া যায়। প্রাচীন ও ক্ষয়প্রাপ্ত পর্বতগুলিতে লোহা, কয়লা, তামা ইত্যাদি বহু মূল্যবান খনিজ সম্পদ সঞ্চিত থাকে।








আরও পড়ুন::




































































































































Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

চিনুক

চিনুক           চিনুক একপ্রকার স্থানীয় বায়ু। বসন্তকালে উত্তর আমেরিকার রকি পার্বত্য অঞ্চল থেকে প্রেইরি অঞ্চলের দিকে এক রকমের উষ্ণ ও শুষ্ক বায়ু প্রবাহিত হতে থাকে, একে চিনুক বলে। উত্তর আমেরিকায় রকি পর্বতের পূর্বঢালে প্রবাহিত উষ্ণ শুষ্ক পার্বত্য বায়ুপ্রবাহ বা ক্যাটাবেটিক বায়ুপ্রবাহ চিনুক নামে পরিচিত।

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন(The Evolution of Indian Civilization)

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন: প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে আধুনিক কাল পর্যন্ত এক মহাকাব্যিক যাত্রা           ভারতীয় সভ্যতা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং নিরন্তর প্রবাহমান সভ্যতা। এর বিবর্তন একটি বিশাল মহাকাব্যিক যাত্রা, যা প্রায় দশ হাজার বছর ধরে বহু যুগ, সংস্কৃতি, ধর্ম, সাম্রাজ্য এবং মতাদর্শের উত্থান-পতনের সাক্ষী। এই বিবর্তন শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, বরং মানুষের জীবনযাত্রা, প্রযুক্তি, শিল্পকলা, দর্শন এবং আধ্যাত্মিক চেতনার নিরবচ্ছিন্ন রূপান্তরকেও নির্দেশ করে।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ুর মধ্যে পার্থক্য

  স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ুর মধ্যে পার্থক্য Sl. No. স্থলবায়ু সমুদ্রবায়ু 1 স্থলবায়ু মূলত শীতল ও শুষ্ক প্রকৃতির হয়। সমুদ্রবায়ু মূলত উষ্ণ ও আর্দ্র প্রকৃতির হয়। 2 স্থলবায়ু প্রধানত রাত্রিবেলায় প্রবাহিত হয়। সমুদ্রবায়ু প্রধানত দিনেরবেলায় প্রবাহিত হয়। 3 সূর্যাস্তের পরবর্তী সময়ে এই বায়ুর প্রবাহ শুরু হয় ও রাত্রির শেষদিকে বায়ুপ্রবাহের বেগ বৃদ্ধি পায়। সূর্যোদয়ের পরবর্তী সময়ে এই বায়ুরপ্রবাহ শুরু হয় ও অপরাহ্নে বায়ুপ্রবাহে বেগ বৃদ্ধি পায়। 4 স্থলবায়ু উচ্চচাযুক্ত স্থলভাগ থেকে নিম্নচাপযুক্ত জলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। এই কারণে স্থলবায়ুকে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর সঙ্গে তুলনা করা হয়। সমুদ্রবায়ু উচ্চচাপযুক্ত সমুদ্র থেকে নিম্নচাপযুক্ত স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। এই কারণে সমুদ্রবায়ুকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর সঙ্গে তুলনা করা হয়। 5 স্থলভাগের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হবার দরুন বেগ তুলনামূলক কম হয়ে থাকে। উন্মুক্ত সমুদ্রের ওপর দিয়ে দীর্ঘপথ প্রবাহিত হ...