ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে— উত্তরঃ সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন? উত্তরঃ ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন? উত্তরঃ নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন? উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন? উত্তরঃ অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন— উত্তরঃ লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি? উত্তরঃ চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...
জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল
ভারতীয় জাতীয় রাজনীতিতে জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল মূলত ভারতবাসীর আশা–আকাঙ্ক্ষা পূরণ ও ব্রিটিশবিরোধী ক্ষোভের হাত থেকে ব্রিটিশ শাসনকে রক্ষা করার জন্যই।
জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য
(১) কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন—
উদ্দেশ্য ঘোষণা—বোম্বাইয়ের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজ হল জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে (১৮৮৫ খ্রি., ২৮ ডিসেম্বর) সভাপতির ভাষণে উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে চারটি মূল উদ্দেশ্যের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এগুলি হল—
(i) ভাষাগত ও ধর্মীয় বৈচিত্রে ভরা ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের দেশপ্রেমীদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও একাত্মতা গড়ে তোলা,
(ii) সম্প্রীতির দ্বারা জাতি, ধর্ম, প্রাদেশিকতার তুচ্ছ সংকীর্ণতা দূর করে জাতীয় সংহতির পথ প্রশস্ত করা,
(iii) শিক্ষিতদের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ করে সামাজিক ও অন্যান্য সমস্যা সমাধানের উপায় নির্ণয় করা,
(iv) ভারতের রাজনৈতিক অগ্রগতির জন্য ভবিষ্যৎ কর্মসূচি গ্রহণ করা।
(২) হিউমের উদ্দেশ্য—
রজনী পামদত্ত, বিপান চন্দ্র ও ওয়েডারবার্ন প্রমুখের ধারণায় হিউমের উদ্দেশ্য ছিল—
(i) ব্রিটিশ শাসনের প্রতি ভারতবাসীর মনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের প্রতিরোধরূপে (safety valve) ভারতীয়দের নেতৃত্বেই একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠা করা।
(ii) শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়কে রাজনৈতিক আন্দোলনগুলির সামনের সারিতে নিয়ে আসা এবং তাদের দ্বারাই এক সর্বভারতীয় দল প্রতিষ্ঠা করা।
(iii) ভারতবাসীর আশা–আকাঙ্ক্ষা সাংবিধানিক পদ্ধতিতে রূপায়িত করার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করা।
(৩) ডাফরিনের উদ্দেশ্য—
লালা লাজপত রায়, উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখের মতে, কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ডাফরিনের উদ্দেশ্যগুলি ছিল—
(i) এক সর্বভারতীয় রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান গঠনের মাধ্যমে ভারতবাসীর সমস্যাগুলি সরকারের গোচরে আনা।
(ii) ব্রিটিশ শাসনের প্রতি অনুগতদের ব্রিটিশবিরোধীদের থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া।
🔗🔗🔗
Read More ::

Comments
Post a Comment