দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে? Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q. বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত? Α. ৭৮.০৯%. Q. বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত? Α. ২০.৯৫%. Q. বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত? Α. ০.৯৩%. Q. বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত? Α. ০.০৩%. Q. বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়? Α. ছয়টি. Q. ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত? Α. প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q. উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়? Α. বায়ুর চাপ কমে যায়. Q. ট্রপোপজ কাকে বলে? Α. ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত? Α. ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...
জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল
ভারতীয় জাতীয় রাজনীতিতে জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল মূলত ভারতবাসীর আশা–আকাঙ্ক্ষা পূরণ ও ব্রিটিশবিরোধী ক্ষোভের হাত থেকে ব্রিটিশ শাসনকে রক্ষা করার জন্যই।
জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য
(১) কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন—
উদ্দেশ্য ঘোষণা—বোম্বাইয়ের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজ হল জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে (১৮৮৫ খ্রি., ২৮ ডিসেম্বর) সভাপতির ভাষণে উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে চারটি মূল উদ্দেশ্যের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এগুলি হল—
(i) ভাষাগত ও ধর্মীয় বৈচিত্রে ভরা ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের দেশপ্রেমীদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও একাত্মতা গড়ে তোলা,
(ii) সম্প্রীতির দ্বারা জাতি, ধর্ম, প্রাদেশিকতার তুচ্ছ সংকীর্ণতা দূর করে জাতীয় সংহতির পথ প্রশস্ত করা,
(iii) শিক্ষিতদের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ করে সামাজিক ও অন্যান্য সমস্যা সমাধানের উপায় নির্ণয় করা,
(iv) ভারতের রাজনৈতিক অগ্রগতির জন্য ভবিষ্যৎ কর্মসূচি গ্রহণ করা।
(২) হিউমের উদ্দেশ্য—
রজনী পামদত্ত, বিপান চন্দ্র ও ওয়েডারবার্ন প্রমুখের ধারণায় হিউমের উদ্দেশ্য ছিল—
(i) ব্রিটিশ শাসনের প্রতি ভারতবাসীর মনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের প্রতিরোধরূপে (safety valve) ভারতীয়দের নেতৃত্বেই একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠা করা।
(ii) শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়কে রাজনৈতিক আন্দোলনগুলির সামনের সারিতে নিয়ে আসা এবং তাদের দ্বারাই এক সর্বভারতীয় দল প্রতিষ্ঠা করা।
(iii) ভারতবাসীর আশা–আকাঙ্ক্ষা সাংবিধানিক পদ্ধতিতে রূপায়িত করার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করা।
(৩) ডাফরিনের উদ্দেশ্য—
লালা লাজপত রায়, উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখের মতে, কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ডাফরিনের উদ্দেশ্যগুলি ছিল—
(i) এক সর্বভারতীয় রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান গঠনের মাধ্যমে ভারতবাসীর সমস্যাগুলি সরকারের গোচরে আনা।
(ii) ব্রিটিশ শাসনের প্রতি অনুগতদের ব্রিটিশবিরোধীদের থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া।
🔗🔗🔗
Read More ::

Comments
Post a Comment