ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়— উত্তরঃ ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে— উত্তরঃ ২৮০ নং ধারা।
আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য
| Sl. No. | আবহবিকার | ক্ষয়ীভবন |
|---|---|---|
| 1 | আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন—উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, জলীয় বাষ্প, তুষারপাত ও বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান দ্বার শিলাসমূহের চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া বা বিয়োজনকে আবহবিকার বলে। | বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ, ইত্যাদি দ্বারা আবহবিকারপ্রাপ্ত চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহের অপসারণকে ক্ষয়ীভবন বলে। |
| 2 | আবহবিকারের ফলে মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের (গঠন, আকৃতি, খনিজের আণবিক সজ্জা প্রভৃতি) পরিবর্তন ঘটে । | ক্ষয়ীভবনের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয়। কিন্তু মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন সাধন হয় না। |
| 3 | আবহবিকার কোনোভাবে ক্ষয়ীভবনের ওপর নির্ভরশীল নয়। | ক্ষয়ীভবন সম্পূর্ণরূপে আবহবিকারের ওপর নির্ভরশীল। আবহবিকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে না। |
| 4 | আবহবিকারের ফলে চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহ শিলাস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে। | ক্ষয়ীভবনের ফলে আবহবিকার প্রাপ্ত শিলাচূর্ণ স্থানান্তরিত বা অপসারিত হয়। |
| 5 | আবহবিকারের ফলে অভ্যন্তরভাগের শিলাস্তর ভূপৃষ্ঠে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হয়ে পড়ে না। | ক্ষয়ীভবনের ফলে অভ্যন্তরভাগের মূল শিলাস্তর ভূপৃষ্ঠে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। |
| 6 | সাধারণত আবহবিকারের প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীরে ধীরে সম্পন্ন হয়। | ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া অনেক দ্রুত সম্পন্ন হয়। |
| 7 | আবহবিকার একটি ধীর ও স্থায়ী প্রক্রিয়া–এর সঙ্গে অপসারণ যুক্ত নয়। | ক্ষয়ীভবন অস্থায়ী প্রক্রিয়া। কারণ এর সঙ্গে অপসারণ যুক্ত। |
Comments
Post a Comment