Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা :

১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :

               দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।

             এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 
             আবার কখনও দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ চাপের প্রভাবে খাড়াভাবে ওপরে উঠে এলে তার দুইপাশের অংশ নীচে বসে যায়। এই নীচে বসে যাওয়া অংশকেও গ্রস্ত উপত্যকা বলে। তবে দুটি স্তূপ পর্বতের মধ্যবর্তী গ্রস্ত উপত্যকাকে জার্মান ভাষায় গ্রাবেন বলে।

চ্যুতি (Fault) :

             মহীভাবক আলোড়নজনিত প্রসারণ বলের (Tensional Force) প্রভাবে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলাস্তরে যখন ফাটল সৃষ্টি হয় এবং সেই ফাটল রেখা বরাবর শিলাস্তর স্থানচ্যুত হয়, তখন তাকে চ্যুতি বলে। এই চ্যুতির মাধ্যমেই গ্রস্ত উপত্যকা গঠিত হয়।

গ্রস্ত উপত্যকার গঠন প্রক্রিয়া :

গ্রস্ত উপত্যকা প্রধানত দুটি প্রক্রিয়ায় সৃষ্টি হতে পারে:

ক) মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে (সাধারণ প্রক্রিয়া) :

  • ভূ-অভ্যন্তরে সৃষ্ট প্রসারণ বলের (Tensional Force) প্রভাবে যখন দুটি সাধারণ (Normal) চ্যুতি সৃষ্টি হয়, তখন চ্যুতির মাঝের শিলাখণ্ডটি পার্শ্ববর্তী শিলাখণ্ডগুলির তুলনায় খাড়াভাবে নিচের দিকে বসে যায়।

  • এই অবনমিত অংশটিই গ্রস্ত উপত্যকা হিসাবে পরিচিত হয়।

খ) পার্শ্ববর্তী অংশ উপরে উঠে গেলে (স্তূপ পর্বতের মধ্যবর্তী গ্রস্ত উপত্যকা) :

  • কখনও কখনও, ভূ-আলোড়নের ফলে দুটি সমান্তরাল চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশটি স্থির থাকে, কিন্তু তার উভয় পার্শ্বের অংশ মহীভাবক আলোড়নে উপরে উঠে স্তূপ পর্বতে পরিণত হয়।

  • তখন দুই উঁচু স্তূপ পর্বতের মাঝের অপেক্ষাকৃত নীচু অংশটি গ্রস্ত উপত্যকা রূপে অবস্থান করে।

  • দুটি স্তূপ পর্বতের মধ্যবর্তী এই গ্রস্ত উপত্যকাকে জার্মান ভাষায় গ্রাবেন (Graben) বলা হয়।

উদাহরণ :

  • আন্তর্জাতিক: জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট ও ফ্রান্সের ভোজ পর্বতের মধ্যবর্তী রাইন নদী উপত্যকা (গ্রাবেন)। বিশ্বের দীর্ঘতম গ্রস্ত উপত্যকা হল আফ্রিকার বৃহৎ গ্রস্ত উপত্যকা।

  • ভারতীয়: ভারতের নর্মদা নদী উপত্যকা এবং দামোদর নদী উপত্যকা গ্রস্ত উপত্যকার উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।








আরও পড়ুন::




































































































































Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 23

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ মূল সংবিধানে আঞ্চলিক ভাষা হিসাবে কতগুলি ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল—   উত্তরঃ  ১৪টি। প্রশ্নঃ ভারতের কোন রাজ্যের পৃথক সংবিধান আছে—   উত্তরঃ  জম্মু ও কাশ্মীর। (দ্রষ্টব্য: ২০১৯ সালে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর এটি এখন আর প্রযোজ্য নয়) প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানের প্রথম সংশোধনীটি ছিল—   উত্তরঃ  ভূমি সংস্কার সংক্রান্ত।

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 22

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত সমিতির সংখ্যা কত—   উত্তরঃ  ৩৪১ জন। প্রশ্নঃ ব্লক স্তরে পঞ্চায়েতী রাজ প্রতিষ্ঠানকে বলা হয়—   উত্তরঃ  পঞ্চায়েত সমিতি। প্রশ্নঃ সমাজ উন্নয়ন কর্মসূচী আরম্ভ হয়—  উত্তরঃ  ১৯৫২ সালে।

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 17

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্য আইন সভার সদস্যগণ জনস্বার্থে কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রাজ্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে?    উত্তরঃ  মুলতুবি প্রস্তাবের মাধ্যমে। প্রশ্নঃ ২০০৫ সালে সংসদ কোন রাজ্য বিধান পরিষদ স্থাপনের জন্য বিল অনুমোদন করেছে?    উত্তরঃ  অন্ধ্রপ্রদেশ।

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 16

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের অনুপস্থিতিতে লোকসভায় সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  লোকসভার অধ্যক্ষ কর্তৃক মনোনীত কোন সদস্য। প্রশ্নঃ বিধান পরিষদের মেয়াদ হল —  উত্তরঃ   অসীম (বা স্থায়ী কক্ষ)। প্রশ্নঃ প্রোটেম স্পিকারের কাজ হল—   উত্তরঃ  সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানো এবং অধ্যক্ষ নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করা।