দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে? Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q. বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত? Α. ৭৮.০৯%. Q. বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত? Α. ২০.৯৫%. Q. বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত? Α. ০.৯৩%. Q. বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত? Α. ০.০৩%. Q. বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়? Α. ছয়টি. Q. ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত? Α. প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q. উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়? Α. বায়ুর চাপ কমে যায়. Q. ট্রপোপজ কাকে বলে? Α. ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত? Α. ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...
স্ত্রীশিক্ষা প্রসারে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়
স্ত্রীশিক্ষা প্রসারে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বিদ্যাসাগর মহাশয় বিশ্বাস করতেন যে, স্ত্রীজাতির উন্নতি ছাড়া দেশের ধর্ম, সমাজ ও জীবনধারার স্থায়ী বা প্রকৃত উন্নতি সম্ভব নয়।
(১) বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা–
সরকারি সাহায্য ছাড়াই নিজের উদ্যোগে তিনি ৩৫ টি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি গ্রামাঞ্চলে বালিকা বিদ্যালয় স্থাপনের ওপর জোর দেন। নারীদের পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত করার লক্ষ্যে তিনি ড্রিঙ্কওয়াটার বেথুনের সঙ্গে মিলিতভাবে বেথুন স্কুল তৈরি করেন।
(২) কলেজ প্রতিষ্ঠা–
নারীদের উচ্চশিক্ষার আলোয় নিয়ে আসার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বেথুন কলেজ, মেট্রোপলিটান কলেজ (যার এখন নাম ‘বিদ্যাসাগর কলেজ’)।
(৩) শিক্ষা সংগঠন প্রতিষ্ঠা–
স্ত্রীশিক্ষার সুষ্ঠু প্রসারের লক্ষ্যে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের মেদিনীপুর, হুগলি, বর্ধমান–সহ বিভিন্ন জেলায় ‘স্ত্রীশিক্ষা সম্মিলনী’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন।
মহাদেব গোবিন্দ রানাডে বিদ্যাসাগরের নারীকল্যাণকর ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেছেন— “ গবেষণা ও মৌলিকত্ব এবং জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় ও শ্রেষ্ঠ সম্পদ দিয়ে তাঁর দেশের স্ত্রীজাতির বন্ধনমুক্তির কাজ করে বিদ্যাসাগর আগামী দিনের ভারতের ঘরে ঘরে আদর্শ ব্যক্তি ও মানবকল্যাণের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন।”

Comments
Post a Comment