Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তনে নদনদীর প্রভাব আলোচনা করো। অথবা, ভারতীয় ইতিহাসে এবং জনজীবনে নদনদীর প্রভাব আলোচনা করো

  ভারতীয় ইতিহাসে এবং জনজীবনে নদনদীর প্রভাব



           ভারত-একটি নদীমাতৃক দেশ। ভারতীয় সভ্যতার সূচনা ঘটে নদী-অববাহিকা অঞ্চল থেকে। ভারতীয় ইতিহাসের ওপরও সিন্ধু, গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, গোদাবরী, যমুনা প্রভৃতি নদনদীর যথেষ্ট প্রভাব বর্তমান। নদনদীগুলি ভারতের উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলিকে সিক্ত করেছে, পলি মৃত্তিকায় উর্বর করেছে, আর শস্য-শ্যামলা করে ভারতীয় কৃষি-অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে। অন্য দিকে নদী-উপকূলবর্তী অঞ্চলেই গড়ে উঠেছে জনপদ, নগর, বাণিজ্যকেন্দ্র বা তীর্থস্থান।

(১) সভ্যতার বিকাশ: 

সিন্ধুনদের অববাহিকাতেই জন্ম নেয় পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন সভ্যতা। পঞ্চনদীর তীরে বিকাশ ঘটে বৈদিক সভ্যতার। পরবর্তীকালে গঙ্গা-অববাহিকা ধরে বৈদিক সভ্যতার বিকাশ ঘটে।

সিন্ধু সভ্যতা: 

ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীনতম এবং অন্যতম উন্নত সভ্যতা সিন্ধু নদ এবং তার উপনদীগুলির তীরে গড়ে উঠেছিল। হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোর মতো শহরগুলি নদীর উর্বর পলিমাটি এবং জল সরবরাহকে কাজে লাগিয়ে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলেছিল।

গঙ্গা সভ্যতা: 

গঙ্গা নদী এবং তার অববাহিকা বরাবর পরবর্তীকালে বৈদিক সভ্যতা, মহাজনপদ এবং মৌর্য, গুপ্ত সাম্রাজ্যের মতো বৃহৎ সাম্রাজ্যগুলি বিকশিত হয়েছিল। গঙ্গার উর্বর সমভূমি কৃষি উৎপাদন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং সাংস্কৃতিক বিকাশের জন্য আদর্শ পরিবেশ প্রদান করেছিল।

(২) নগরায়ণঃ 

ভারতীয় নদনদীগুলির তীরেই গড়ে উঠেছে দিল্লি, আগ্রা, এলাহাবাদ, পাটলিপুত্র, কনৌজ প্রভৃতি নগর। বাণিজ্যিক ও সুলভ পরিবহনের জন্যই নদী-তীরবর্তী অঞ্চলে এ-ধরনের গুরুত্বপূর্ণ শহর গড়ে উঠেছে।

পানীয় জল: 

মানব বসতির জন্য পানীয় জলের মূল উৎস নদী। তাই অধিকাংশ প্রাচীন শহর ও গ্রাম নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল।

উর্বর জমি: 

নদীর পলি দ্বারা গঠিত উর্বর জমি কৃষি কাজের জন্য উপযুক্ত হওয়ায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বসতি স্থাপন সহজ হয়েছিল।

(৩) তীর্থক্ষেত্র: 

নদীর জলে পবিত্র হয়ে উপাসনা করার পরিপ্রেক্ষিতেই বেশিরভাগ তীর্থক্ষেত্র নদী-তীরবর্তী অঞ্চলে গড়ে উঠেছে। আর এই তীর্থক্ষেত্রকে কেন্দ্র করে হরিদ্বার, কাশী, মথুরা, প্রয়াগ, বৃন্দাবন প্রভৃতি তীর্থস্থান ও জনপদ গড়ে উঠেছে।

পবিত্রতা: 

ভারতের সংস্কৃতিতে নদীগুলিকে পবিত্র মনে করা হয়। গঙ্গা, যমুনা, সরস্বতী (পৌরাণিক), গোদাবরী, কাবেরী, নর্মদা - এই নদীগুলি তীর্থস্থান এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের কেন্দ্র।

উৎসব ও মেলা: 

নদীর তীরে বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব, মেলা এবং স্নান পর্ব অনুষ্ঠিত হয়, যা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংহতির প্রতীক। কুম্ভমেলার মতো বৃহৎ অনুষ্ঠানগুলি নদীর তীরে আয়োজিত হয়।

শিল্প ও সাহিত্য: 

নদীগুলি ভারতীয় শিল্পকলা, সঙ্গীত, সাহিত্য এবং লোককথার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। বহু কবিতা, গান এবং কাহিনী নদীর মহিমা বর্ণনা করে।

( ৪) কৃষি-অর্থনীতি ও বাণিজ্যের বিকাশঃ 

উর্বর শস্য-শ্যামলা নদী-উপত্যকা ভারতীয় কৃষি-অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে। আর জলপথে পরিবহনের সুবিধার জন্যই নদী-তীরবর্তী অঞ্চলে বাণিজ্যকেন্দ্রগুলি গড়ে উঠেছে; যেমন- তাম্রলিপ্ত, পাটলিপুত্র, সপ্তগ্রাম প্রভৃতি নগর।

সেচ: 

নদীগুলি ভারতের কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে সেচের প্রধান উৎস। ধান, গম, ডাল এবং অন্যান্য ফসলের চাষের জন্য নদীর জল অপরিহার্য। বাঁধ ও খাল নির্মাণ করে নদীর জলকে সেচের কাজে ব্যবহার করা হয়।

পরিবহন: 

প্রাচীনকাল থেকেই নদীগুলি পণ্য ও মানুষের পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি বাণিজ্যিক লেনদেন এবং সংস্কৃতির আদান-প্রদানে সহায়তা করেছে।

মৎস্য আহরণ: 

নদীগুলি মৎস্যজীবীদের জীবিকার উৎস এবং পুষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

(৫) বিভিন্ন রাজশক্তির উদ্ভব: 

ভারতীয় নদী-উপত্যকাগুলিতেই বিভিন্ন রাজবংশের উদ্ভব লক্ষ করা যায়। গোদাবরী, তুঙ্গাভদ্রা, কাবেরী প্রভৃতি নদী-উপত্যকায় চোল, পল্লব, রাষ্ট্রকূট প্রভৃতি রাজশক্তিগুলির উদ্ভব ঘটে।

(৬) ঐক্যের বন্ধনঃ 

নদনদীগুলি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে অঞ্চলগুলিকে ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ করেছে। আর, তাই কোনো কোনো ভারতবাসীর ঈশ্বর-আরাধনার ক্ষেত্রে আচমন মন্ত্রে গঙ্গা, যমুনা, সিন্ধু, কাবেরী, গোদাবরী প্রভৃতি নদনদীর নাম একত্রে উচ্চারিত হয়।

চ্যালেঞ্জ ও আধুনিক প্রভাব:

বন্যা: 

যদিও নদীগুলি জীবন দেয়, তেমনি বর্ষাকালে তাদের প্লাবন ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞও ঘটায়, যা প্রতি বছর অসংখ্য মানুষের জীবন ও সম্পদ কেড়ে নেয়।

দূষণ: 

নগরায়ন, শিল্পায়ন এবং কৃষি রাসায়নিকের কারণে নদীগুলি মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।

জলবিরোধ: 

বিভিন্ন রাজ্য বা দেশের মধ্যে নদী জলের ভাগাভাগি নিয়ে প্রায়শই বিবাদ দেখা যায়, যা রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করে।

       এভাবে বহু ছোটো-বড়ো নদনদী ভারতের কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্য বিকাশে প্রাচীনকাল থেকে আজ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। সমৃদ্ধ হয়েছে ভারতের কৃষি ও শিল্প অর্থনীতি, আর উন্নত হয়েছে ভারতীয় শিল্প-সংস্কৃতি।

      এভাবে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের মধ্যে এক মৈত্রীভাব গড়ে তুলেছে ভারতের নদনদীসমূহ।





READ MORE👇















Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠনগত অঙ্গসংস্থান, সেট-১০

উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠনগত অঙ্গসংস্থান প্রশ্ন:১ বালব্ বা কন্দ কাকে বলে ? উত্তর:  যে সব মৃদগত কাণ্ড সর্বাপেক্ষা ছােটো চাকতির মতাে এবং সঞ্চিত খাদ্যবিহীন, কাণ্ডে পর্ব ও সংকুচিত পর্বমধ্য থাকে এবং রসালাে শল্কপত্রযুক্ত হয়, কাণ্ডের নীচে অসংখ্য গুচ্ছমূল থাকে এবং অনুকূল ঋতুতে ভৌমপুষ্পদণ্ড সৃষ্টি হয়, তাদের বালব্ বা কন্দ বলে। পেয়াজ, রসুন ইত্যাদির কাণ্ড এই রকমের। প্রশ্ন:২ পর্ণকাণ্ড বা ফাইলােক্ল্যাড কাকে বলে ? উত্তর:  যেসব কাণ্ড খর্ব, স্থূল, রসালাে এবং পাতার মতাে চ্যাপটা ও সবুজ, তাদের পর্ণকাণ্ড বলে। ফণীমনসা উদ্ভিদে পর্ণকাণ্ড দেখা যায়।

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন(The Evolution of Indian Civilization)

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন: প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে আধুনিক কাল পর্যন্ত এক মহাকাব্যিক যাত্রা           ভারতীয় সভ্যতা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং নিরন্তর প্রবাহমান সভ্যতা। এর বিবর্তন একটি বিশাল মহাকাব্যিক যাত্রা, যা প্রায় দশ হাজার বছর ধরে বহু যুগ, সংস্কৃতি, ধর্ম, সাম্রাজ্য এবং মতাদর্শের উত্থান-পতনের সাক্ষী। এই বিবর্তন শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, বরং মানুষের জীবনযাত্রা, প্রযুক্তি, শিল্পকলা, দর্শন এবং আধ্যাত্মিক চেতনার নিরবচ্ছিন্ন রূপান্তরকেও নির্দেশ করে।

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

গ্রিনহাউস গ্যাস ও গ্রিনহাউস প্রভাব

গ্রিনহাউস গ্যাস ও গ্রিনহাউস প্রভাব          গ্রিনহাউস প্রভাব হল দূষিত পরিবেশের অন্যতম ফল। বায়ুমণ্ডলে মূলত কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের ঘনত্ব বৃদ্ধির জন্য পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির ঘটনাকে গ্রিনহাউস প্রভাব বলে। কাচঘরের কাচ যেমন ঘরের ভিতরের তাপকে বিকিরিত হয়ে বাইরে নির্গত হতে বাধা দেয়, বায়ুমণ্ডলীয় কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড ইত্যাদি গ্যাসগুলিও পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপকে শোষণ করে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি করে। এই ঘটনাটিকেই গ্রিনহাউস এফেক্ট বা সবুজ ঘর প্রভাব বলে।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

সমভূমির বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করো।

সমভূমির বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করো। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অল্প উঁচু এবং সামান্য ঢালযুক্ত বিস্তৃত সমতল ক্ষেত্রকে সমভূমি বলে। তবে পৃথিবীর অধিকাংশ সমভূমিই সমুদ্র সমতল থেকে ৩০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থান করে। সমভূমির বৈশিষ্ট্য—

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

চিনুক

চিনুক           চিনুক একপ্রকার স্থানীয় বায়ু। বসন্তকালে উত্তর আমেরিকার রকি পার্বত্য অঞ্চল থেকে প্রেইরি অঞ্চলের দিকে এক রকমের উষ্ণ ও শুষ্ক বায়ু প্রবাহিত হতে থাকে, একে চিনুক বলে। উত্তর আমেরিকায় রকি পর্বতের পূর্বঢালে প্রবাহিত উষ্ণ শুষ্ক পার্বত্য বায়ুপ্রবাহ বা ক্যাটাবেটিক বায়ুপ্রবাহ চিনুক নামে পরিচিত।

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।