Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা



            ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।

           ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়। 
           পৃথিবীতে যত জীবন্ত ও সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে, তার প্রায় ৭০% আগ্নেয়গিরিই প্রশান্ত মহাসাগর সংলগ্ন দ্বীপগুলোর প্রধানত দুটি অঞ্চলে একটি আংটি বা বলয়ের আকারে অবস্থান করছে। এই অঞ্চলেই পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি আগ্নেয়গিরির অবস্থান। প্রশান্ত মহাসাগরকে বলয় বা মেখলার আকারে পূর্ব-পশ্চিমে ঘিরে থাকা এই আগ্নেয় গিরিমণ্ডলকেই ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা’ (Pacific Ring of Fire) বলা হয়। এই অঞ্চলটি পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল।

গঠন প্রক্রিয়া (পাত সঞ্চালন তত্ত্ব অনুসারে)

          এই আগ্নেয় মেখলা সৃষ্টি হওয়ার মূল কারণ হল পাতের সীমান্ত বরাবর ক্রমাগত সংঘর্ষ ও অধোগমন:

  • পাত সীমানা: এই মেখলাটি প্রধানত প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতটির সঙ্গে এর চারপাশের বেশ কয়েকটি মহাদেশীয় পাতের (যেমন: উত্তর আমেরিকা পাত, দক্ষিণ আমেরিকা পাত, ইউরেশীয় পাত, ইন্দো-অস্ট্রেলীয় পাত) অভিসারী পাত সীমান্ত বরাবর গঠিত হয়েছে।

  • অধোগমন (Subduction): অপেক্ষাকৃত ভারী ও ঘন প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতটি তার চারপাশের হালকা মহাদেশীয় পাতগুলির নিচে অধোগমন করে।

  • অগ্ন্যুৎপাত: এই অধোগমনের ফলে সৃষ্ট প্রবল ঘর্ষণ ও তাপে নিমজ্জিত পাতের শিলাস্তর গলে ম্যাগমা সৃষ্টি হয়। এই ম্যাগমা ফাটল বা দুর্বল অংশ (চ্যুতি) বরাবর ভূপৃষ্ঠের উপরে উঠে এসে অগ্ন্যুৎপাত ঘটায় এবং আগ্নেয়গিরি সৃষ্টি করে।


 বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব

  • আগ্নেয়গিরির সংখ্যা: পৃথিবীতে বর্তমানে যতগুলি সক্রিয় ও সুপ্ত আগ্নেয়গিরি আছে, তার প্রায় ৭০% থেকে ৭৫% এই বলয় বরাবর অবস্থিত। এই কারণেই এই অঞ্চলটিকে 'প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগুনের বলয়' বলা হয়।

  • ভূমিকম্প প্রবণতা: আগ্নেয় মেখলাটি একইসঙ্গে পৃথিবীর সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল। এই পাত সীমান্ত বরাবর প্রতিনিয়ত পাতগুলির সংঘর্ষ এবং সঞ্চালনের ফলেই এখানে প্রায়শই প্রবল ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

         এই মেখলার বিস্তার প্রায় ৪০,০০০ কিলোমিটারের বেশি এবং এর মধ্যে মাউন্ট ফুজি (জাপান), মাউন্ট সেন্ট হেলেন্স (আমেরিকা) সহ অসংখ্য বিখ্যাত আগ্নেয়গিরি রয়েছে।










আরও পড়ুন::





































































































































Comments