Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নির্বাচিত উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নির্বাচিত উক্তি 



১. "সত্য যে কঠিন, কঠিনেরে ভালবাসিলাম।" 

২. "আপনার জীবন পাতার ডগায় শিশিরের মতো সময়ের প্রান্তে হালকাভাবে নাচতে দিন।" 

৩. "আমরা পৃথিবীতে বাস করি যখন আমরা এটি ভালবাসি।" 

৪. "মেঘ আমার জীবনে ভেসে আসে, আর বৃষ্টি বা ঝড় বয়ে আনতে নয়, আমার সূর্যাস্তের আকাশে রঙ যোগ করতে।" 

৫. "যা তুমি দিতে পারো না, তা চাইতে এসো না।" 

৬. "জীবনকে গভীর থেকে উপলব্ধি করো, তার সৌন্দর্য ও রহস্য উন্মোচন হবে।" 

৭. "আলো যখন নিভে যায়, তখন তারাগুলো জ্বলে ওঠে।" 

৮. "আমার শেষ খেয়া পারের সাথী আমি নিজে।" 

৯. "ফুল যদি ঝরে যায়, তবে তার বীজ থেকেই আবার নতুন জীবনের শুরু।" 

১০. "যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো রে।"

১১. "বন্ধুত্বের গভীরতা পরিচয়ের দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে না।" 

১২. "সোহাগের সঙ্গে রাগ না মিশিলে ভালবাসার স্বাদ থাকে না - তরকারীতে লঙ্কামরিচের মত।" 

১৩. "প্রেম আর বন্ধুত্ব দুটিই হৃদয়ের গভীরতম অনুভূতি।" 

১৪. "যখন তুমি ছোট, তখন তোমাকে আদর করা হয়; যখন তুমি বড় হও, তখন তোমাকে বিচার করা হয়।" 

১৫. "ভালোবাসা হল দুটি মানব হৃদয়ের মিলন উৎসব।" 

১৬. "যে প্রেমের বাঁধন মানে না, তার জন্য কোনো মুক্তি নেই।" 

১৭. "প্রেমিকারাই জানে যে ভালোবাসা পাওয়ার অধিকারের চেয়ে ভালোবাসা দেওয়ার আনন্দ অনেক বেশি।" 

১৮. "কাউকে সম্পূর্ণ জানতে হলে তাকে ভালোবাসতে হয়।" 

১৯. "তুমি আমার কাছে সেই অন্ধকারে তারার মতো।" 

২০. "হৃদয়ের গভীরতম সত্যটি হলো ভালোবাসা।"

২১. "অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, তব ঘৃণা তারে যেন তৃণসম দহে।" 

২২. "এ জগতে, হায়, সেই বেশি চায় আছে যার ভূরি ভূরি - রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি।" 

২৩. "যে মানুষ দেশের চেয়ে কিছুতেই বড় নয়, সে কেমন করে দেশ শাসন করবে?" 

২৪. "মানুষের ওপর বিশ্বাস হারানো পাপ।" 

২৫. "সত্যকে যারা খুব সহজে প্রকাশ করে, তারা বিপদকে ভয় পায় না।" 

২৬. "মুক্তি পেতে হলে তোমাকে সাহস নিয়ে বাঁচতে হবে।" 

২৭. "যে জাতি নিত্য নব সৃষ্টি করে না, সে মৃত।" 

২৮. "যেখানে মনের ভয় নেই এবং মাথা উঁচু থাকে, সেটাই মুক্তির স্বর্গ।" 

২৯. "মানুষের ধর্মই হলো মানুষের প্রতি সহানুভূতি।" 

৩০. "সর্বত্রই আলো জ্বালাবার আগে নিজের ঘরে আলো জ্বালাও।"

৩১. "একটি শিশুকে আপনার নিজের শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ করবেন না, কারণ সে অন্য সময়ে জন্মগ্রহণ করেছে।" 

৩২. "মনুষ্যত্বের শিক্ষাটাই চরম শিক্ষা আর সমস্তই তার অধীন।" 

৩৩. "শিক্ষা হলো আলোকের পথ যা অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায় না।" 

৩৪. "জ্ঞান হলো সেই পাখা, যা মানুষকে উড়তে সাহায্য করে।" 

৩৫. "সবচেয়ে বড়ো শিক্ষক হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি আমাদের জীবনের পথ দেখান।" 

৩৬. "আমরা জানার জন্য বাঁচি না, বাঁচার জন্যই জানি।" 

৩৭. "চিন্তা করা একধরনের নীরব আলাপ।" 

৩৮. "তুমি যা হতে চাও, সেদিকেই তোমার মনকে পরিচালিত করো।" 

৩৯. "বই হলো অতীতের বর্তমান এবং বর্তমানের ভবিষ্যৎ।" 

৪০. "সত্যকে জানার জন্য প্রশ্ন করা অপরিহার্য।"

৪১. "আমাকে বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রার্থনা করি না, বরং তাদের মোকাবেলায় নির্ভীক হতে চাই। আমার বেদনাকে স্তব্ধ করার জন্য আমি ভিক্ষা করি না, কিন্তু হৃদয়কে জয় করতে চাই।" 

৪২. "বিশ্বাস হল সেই পাখি যে ভোরের অন্ধকারে আলো অনুভব করে।" 

৪৩. "আগুনকে যে ভয় পায়, সে আগুনকে ব্যবহার করতে পারে না।" 

৪৪. "আশা এমন এক জিনিস, যা পৃথিবীর সব বিষাদের মধ্যেও বেঁচে থাকে।" 

৪৫. "সাহস হলো সন্দেহের অনুপস্থিতি নয়, বরং তাকে জয় করার ইচ্ছা।" 

৪৬. "যদি তুমি তোমার স্বপ্ন দেখতে পারো, তবে তুমি সেটিকে পূরণও করতে পারো।" 

৪৭. "মানুষের আত্মবিশ্বাস তার সবচেয়ে বড়ো সম্পদ।" 

৪৮. "যে কষ্টকে বরণ করতে পারে, সে জীবনে সফল হয়।" 

৪৯. "যখন তোমার হৃদয় কান্নায় পূর্ণ, তখন তোমার দৃষ্টি উঁচুতে রাখো।" 

৫০. "তোমাকে শক্তি খুঁজতে হবে নিজের ভেতরেই।"

৫১. "ওরে নতুন যুগের ভোরে আলোর রথে এসো।" 

৫২. "আকাশ ভরা সূর্য-তারা, বিশ্বভরা প্রাণ।" 

৫৩. "সৌন্দর্য হলো প্রেমের প্রতীক যা মনকে আনন্দ দেয়।" 

৫৪. "ফুল তার সৌন্দর্যে কথা বলে।" 

৫৫. "শিল্প হলো মানুষের মনের আনন্দময় প্রকাশ।" 

৫৬. "যেখানে প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের মিলন ঘটে, সেখানেই শান্তি।" 

৫৭. "সূর্যাস্ত আমাকে মনে করিয়ে দেয় যে শেষও সুন্দর হতে পারে।" 

৫৮. "পৃথিবী তার কবিদের কাছ থেকে গান শুনতে চায়।" 

৫৯. "আমার কবিতা হলো আমার জীবনের চিত্র।" 

৬০. "প্রকৃতির নীরবতা নিজেই এক বিশাল কথা।"

৬১. "আনন্দকে ভাগ করে নিলে তবেই তা পূর্ণতা পায়।" 

৬২. "সময় কারও জন্য অপেক্ষা করে না।" 

৬৩. "অন্ধকারে আলো জ্বেলে দাও, কারণ সেটাই মুক্তির পথ।" 

৬৪. "আঘাত করলে তোমাকে আরও শক্ত হতে হবে।" 

৬৫. "মানুষের কর্মই তার পরিচয়।" 

৬৬. "তোমার নিয়তি তোমার হাতে।" 

৬৭. "অহংকার মানুষকে একাকী করে দেয়।" 

৬৮. "সরলতাই সৌন্দর্যের শ্রেষ্ঠ রূপ।" 

৬৯. "মানুষের মনের ভেতরের আলো সবচেয়ে মূল্যবান।" 

৭০. "বিপদ আসে বলেই আমরা সাবধান হই।" 

৭১. "যে পরিবর্তন করতে ভয় পায়, সে জীবনকে উপভোগ করতে পারে না।" 

৭২. "আমরা যা দেখি, তার চেয়েও বড় কিছু লুকিয়ে থাকে।" 

৭৩. "তুমি যা দাও, তাই ফিরে আসে।" 

৭৪. "দুঃখকে জয় করার শক্তি তোমার ভেতরেই আছে।" 

৭৫. "শান্তি আসে কেবল ভালোবাসা থেকে।" 

৭৬. "সফলতা হলো ধৈর্য ও পরিশ্রমের ফল।" 

৭৭. "ভবিষ্যৎ হলো সেই ক্যানভাস যেখানে তুমি তোমার স্বপ্ন আঁকো।" 

৭৮. "জীবনে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো কোনো ঝুঁকি না নেওয়া।" 

৭৯. "আমাদের সবচেয়ে বড় ভুল হলো ভুল স্বীকার না করা।" 

৮০. "মানুষের হৃদয়ে যে ক্ষমা আছে, সেটাই তার শ্রেষ্ঠ সম্পদ।" 

৮১. "প্রত্যেক ভোরের আগমনই নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসে।" 

৮২. "যে অন্ধকারেও চলতে পারে, সে আলোর মূল্য জানে।" 

৮৩. "মানুষকে তার কাজের ফল অবশ্যই ভোগ করতে হয়।" 

৮৪. "তোমার ভেতরের শিশুটি যেন কখনোই হারিয়ে না যায়।" 

৮৫. "যে আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, সে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।" 

৮৬. "ভালো কাজের জন্য সময় কখনও বেশি হয় না।" 

৮৭. "আমাদের সকলের মধ্যেই ঈশ্বর বাস করেন।" 

৮৮. "কথা কম বলে কাজ বেশি করো।" 

৮৯. "জীবনের সবথেকে বড় উপহার হলো অভিজ্ঞতা।" 

৯০. "যে নিজেকে চেনে, সে পৃথিবীকে চেনে।" 

৯১. "মানুষের স্বপ্ন তাকে বাঁচিয়ে রাখে।" 

৯২. "হতাশা হলো অস্থায়ী, কিন্তু আশা চিরস্থায়ী।" 

৯৩. "আমাদের ছোট্ট ভুলগুলো বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে।" 

৯৪. "যা তোমার নয়, তা ছেড়ে দাও।" 

৯৫. "যে সংগ্রাম করে, সেই জয়ী হয়।" 

৯৬. "বিনয় হলো জ্ঞানের অলংকার।" 

৯৭. "তোমার নিজের পথ খুঁজে নাও।" 

৯৮. "ভয়কে জয় করার মধ্য দিয়েই জীবনের পূর্ণতা।" 

৯৯. "প্রতিটি মুহূর্তই মূল্যবান।" 

১০০. "মানুষের সবথেকে বড় সম্পদ তার বিবেক।"


Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য

  নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য Sl. No. নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকা 1 মেরু প্রদেশের বরফাবৃত অঞ্চল এবং উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কেবলমাত্র বরফে ঢাকা উঁচু পার্বত্য অঞ্চল এবং হিমশীতল মেরু অঞ্চলেই হিমবাহ উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। 2 পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকা প্রধানত ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো হয়। হিমবাহ উপত্যকা ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়। 3 পার্বত্য ও উচ্চ সমভূমি অঞ্চলে নদী স্রোতের গতিবেগ প্রবল হয়, নিম্নভূমিতে নদী স্রোতের গতি ধীরে ধীরে কমে আসে। বেশিরভাগ সময়েই হিমবাহ অত্যন্ত ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। 4 নদী উপত্যকা আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়। হিমবাহ উপত্যকা সোজা পথে অগ্রসর হয়। 5 সাধারণত নদী উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য বেশি হয়। হিমবাহ উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য কম হয়। 6 নদীর সঞ্চয় কাজের ফলে নদী উপত্যকায় প্লাবনভূমি, স্বাভাবিক বাঁধ, বদ্বীপ প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। ...

গিরিখাত এবং ক্যানিয়নের মধ্যে পার্থক্য

  গিরিখাত এবং ক্যানিয়নের মধ্যে পার্থক্য Sl. No. গিরিখাত ক্যানিয়ন 1 গিরিখাত আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্টি হয় বলে বহু উপনদী গিরিখাতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদীর সঙ্গে মিলিত হয়। ফলে নদীখাত সামান্য প্রশস্ত হয়। ক্যানিয়ন শুষ্ক পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্টি হয় বলে ক্যানিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদীর সঙ্গে কোনো উপনদী মিলিত হয় না। ফলে নদীখাত একদম সংকীর্ণ হয়। 2 আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত নদীতে গিরিখাতের সৃষ্টি হয়। শুষ্ক মরু ও মরুপ্রায় উচ্চভূমিতে প্রবাহিত নদীতে ক্যানিয়নের সৃষ্টি হয়। 3 গিরিখাত গঠনের সময় অধিক নিম্নক্ষয়ের সঙ্গে সঙ্গে সামান্য পার্শ্বক্ষয়ও হয়ে থাকে। ক্যানিয়ন গঠনের সময় পার্শ্বক্ষয় একদম হয় না শুধু নদীর নিম্নক্ষয়ই হয়ে থাকে। 4 গিরিখাতের আকৃতি অনেকটা ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো। ক্যানিয়নের আকৃতি অনেকটা ইংরেজি ‘I’ অক্ষরের মতো। 5 যেহেতু আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলে গিরিখাত সৃষ্টি হয়, সেহেতু বৃষ্টিপাতের জন্য নদীর দুই পাড়ের ক্ষয় সামা...

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

জাতীয়তাবাদের বিকাশে বঙ্কিমচন্দ্রের অবদান কী ?

          বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮–৯৪ খ্রি.) ছিলেন ঊনবিংশ শতকের অগ্রণী ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার। বঙ্কিমচন্দ্রের অধিকাংশ উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল স্বদেশ ও দেশপ্রেম। বঙ্কিমচন্দ্রের সৃষ্টি ভারতীয় জাতীয়তাবোধের বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিল। তাঁর ‘বন্দেমাতরম্’–মন্ত্র ছিল বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র। অরবিন্দ ঘোষ তাই বঙ্কিমকে ‘জাতীয়তাবোধের ঋত্বিক’ বলেছেন।

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু                     পর্বত্য অঞ্চল থেকে সমভূমিতে প্রবেশ করলে নদীর গতিপথের ঢাল হ্রাস পায়। ফলে নদীর ক্ষমতাও কমে যায়। উচ্চপ্রবাহের ক্ষয়িত পদার্থসমূহ (শিলাখণ্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি) সমভূমিতে প্রবেশের মুখে পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে শঙ্কু আকৃতির ভূমিরূপ গঠন করে। একে পলিশঙ্কু বলে। দেখতে হাত পাখার মতো হয় বলে একে পলল পাখা বা পলল ব্যজনীও বলে। 

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ুর মধ্যে পার্থক্য

  স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ুর মধ্যে পার্থক্য Sl. No. স্থলবায়ু সমুদ্রবায়ু 1 স্থলবায়ু মূলত শীতল ও শুষ্ক প্রকৃতির হয়। সমুদ্রবায়ু মূলত উষ্ণ ও আর্দ্র প্রকৃতির হয়। 2 স্থলবায়ু প্রধানত রাত্রিবেলায় প্রবাহিত হয়। সমুদ্রবায়ু প্রধানত দিনেরবেলায় প্রবাহিত হয়। 3 সূর্যাস্তের পরবর্তী সময়ে এই বায়ুর প্রবাহ শুরু হয় ও রাত্রির শেষদিকে বায়ুপ্রবাহের বেগ বৃদ্ধি পায়। সূর্যোদয়ের পরবর্তী সময়ে এই বায়ুরপ্রবাহ শুরু হয় ও অপরাহ্নে বায়ুপ্রবাহে বেগ বৃদ্ধি পায়। 4 স্থলবায়ু উচ্চচাযুক্ত স্থলভাগ থেকে নিম্নচাপযুক্ত জলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। এই কারণে স্থলবায়ুকে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর সঙ্গে তুলনা করা হয়। সমুদ্রবায়ু উচ্চচাপযুক্ত সমুদ্র থেকে নিম্নচাপযুক্ত স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। এই কারণে সমুদ্রবায়ুকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর সঙ্গে তুলনা করা হয়। 5 স্থলভাগের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হবার দরুন বেগ তুলনামূলক কম হয়ে থাকে। উন্মুক্ত সমুদ্রের ওপর দিয়ে দীর্ঘপথ প্রবাহিত হ...

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য

  আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য Sl. No. আবহবিকার ক্ষয়ীভবন 1 আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন—উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, জলীয় বাষ্প, তুষারপাত ও বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান দ্বার শিলাসমূহের চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া বা বিয়োজনকে আবহবিকার বলে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ, ইত্যাদি দ্বারা আবহবিকারপ্রাপ্ত চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহের অপসারণকে ক্ষয়ীভবন বলে। 2 আবহবিকারের ফলে মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের (গঠন, আকৃতি, খনিজের আণবিক সজ্জা প্রভৃতি) পরিবর্তন ঘটে । ক্ষয়ীভবনের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয়। কিন্তু মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন সাধন হয় না। 3 আবহবিকার কোনোভাবে ক্ষয়ীভবনের ওপর নির্ভরশীল নয়। ক্ষয়ীভবন সম্পূর্ণরূপে আবহবিকারের ওপর নির্ভরশীল। আবহবিকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে না। 4 আবহবিকারের ফলে চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহ শিলাস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে। ক্ষয়ীভবনের ফলে আবহবিকার প্রাপ্ত শিলাচূর্ণ স্থানান্তরি...