Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নির্বাচিত উক্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নির্বাচিত উক্তি 



১. "সত্য যে কঠিন, কঠিনেরে ভালবাসিলাম।" 

২. "আপনার জীবন পাতার ডগায় শিশিরের মতো সময়ের প্রান্তে হালকাভাবে নাচতে দিন।" 

৩. "আমরা পৃথিবীতে বাস করি যখন আমরা এটি ভালবাসি।" 

৪. "মেঘ আমার জীবনে ভেসে আসে, আর বৃষ্টি বা ঝড় বয়ে আনতে নয়, আমার সূর্যাস্তের আকাশে রঙ যোগ করতে।" 

৫. "যা তুমি দিতে পারো না, তা চাইতে এসো না।" 

৬. "জীবনকে গভীর থেকে উপলব্ধি করো, তার সৌন্দর্য ও রহস্য উন্মোচন হবে।" 

৭. "আলো যখন নিভে যায়, তখন তারাগুলো জ্বলে ওঠে।" 

৮. "আমার শেষ খেয়া পারের সাথী আমি নিজে।" 

৯. "ফুল যদি ঝরে যায়, তবে তার বীজ থেকেই আবার নতুন জীবনের শুরু।" 

১০. "যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো রে।"

১১. "বন্ধুত্বের গভীরতা পরিচয়ের দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে না।" 

১২. "সোহাগের সঙ্গে রাগ না মিশিলে ভালবাসার স্বাদ থাকে না - তরকারীতে লঙ্কামরিচের মত।" 

১৩. "প্রেম আর বন্ধুত্ব দুটিই হৃদয়ের গভীরতম অনুভূতি।" 

১৪. "যখন তুমি ছোট, তখন তোমাকে আদর করা হয়; যখন তুমি বড় হও, তখন তোমাকে বিচার করা হয়।" 

১৫. "ভালোবাসা হল দুটি মানব হৃদয়ের মিলন উৎসব।" 

১৬. "যে প্রেমের বাঁধন মানে না, তার জন্য কোনো মুক্তি নেই।" 

১৭. "প্রেমিকারাই জানে যে ভালোবাসা পাওয়ার অধিকারের চেয়ে ভালোবাসা দেওয়ার আনন্দ অনেক বেশি।" 

১৮. "কাউকে সম্পূর্ণ জানতে হলে তাকে ভালোবাসতে হয়।" 

১৯. "তুমি আমার কাছে সেই অন্ধকারে তারার মতো।" 

২০. "হৃদয়ের গভীরতম সত্যটি হলো ভালোবাসা।"

২১. "অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, তব ঘৃণা তারে যেন তৃণসম দহে।" 

২২. "এ জগতে, হায়, সেই বেশি চায় আছে যার ভূরি ভূরি - রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি।" 

২৩. "যে মানুষ দেশের চেয়ে কিছুতেই বড় নয়, সে কেমন করে দেশ শাসন করবে?" 

২৪. "মানুষের ওপর বিশ্বাস হারানো পাপ।" 

২৫. "সত্যকে যারা খুব সহজে প্রকাশ করে, তারা বিপদকে ভয় পায় না।" 

২৬. "মুক্তি পেতে হলে তোমাকে সাহস নিয়ে বাঁচতে হবে।" 

২৭. "যে জাতি নিত্য নব সৃষ্টি করে না, সে মৃত।" 

২৮. "যেখানে মনের ভয় নেই এবং মাথা উঁচু থাকে, সেটাই মুক্তির স্বর্গ।" 

২৯. "মানুষের ধর্মই হলো মানুষের প্রতি সহানুভূতি।" 

৩০. "সর্বত্রই আলো জ্বালাবার আগে নিজের ঘরে আলো জ্বালাও।"

৩১. "একটি শিশুকে আপনার নিজের শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ করবেন না, কারণ সে অন্য সময়ে জন্মগ্রহণ করেছে।" 

৩২. "মনুষ্যত্বের শিক্ষাটাই চরম শিক্ষা আর সমস্তই তার অধীন।" 

৩৩. "শিক্ষা হলো আলোকের পথ যা অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায় না।" 

৩৪. "জ্ঞান হলো সেই পাখা, যা মানুষকে উড়তে সাহায্য করে।" 

৩৫. "সবচেয়ে বড়ো শিক্ষক হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি আমাদের জীবনের পথ দেখান।" 

৩৬. "আমরা জানার জন্য বাঁচি না, বাঁচার জন্যই জানি।" 

৩৭. "চিন্তা করা একধরনের নীরব আলাপ।" 

৩৮. "তুমি যা হতে চাও, সেদিকেই তোমার মনকে পরিচালিত করো।" 

৩৯. "বই হলো অতীতের বর্তমান এবং বর্তমানের ভবিষ্যৎ।" 

৪০. "সত্যকে জানার জন্য প্রশ্ন করা অপরিহার্য।"

৪১. "আমাকে বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রার্থনা করি না, বরং তাদের মোকাবেলায় নির্ভীক হতে চাই। আমার বেদনাকে স্তব্ধ করার জন্য আমি ভিক্ষা করি না, কিন্তু হৃদয়কে জয় করতে চাই।" 

৪২. "বিশ্বাস হল সেই পাখি যে ভোরের অন্ধকারে আলো অনুভব করে।" 

৪৩. "আগুনকে যে ভয় পায়, সে আগুনকে ব্যবহার করতে পারে না।" 

৪৪. "আশা এমন এক জিনিস, যা পৃথিবীর সব বিষাদের মধ্যেও বেঁচে থাকে।" 

৪৫. "সাহস হলো সন্দেহের অনুপস্থিতি নয়, বরং তাকে জয় করার ইচ্ছা।" 

৪৬. "যদি তুমি তোমার স্বপ্ন দেখতে পারো, তবে তুমি সেটিকে পূরণও করতে পারো।" 

৪৭. "মানুষের আত্মবিশ্বাস তার সবচেয়ে বড়ো সম্পদ।" 

৪৮. "যে কষ্টকে বরণ করতে পারে, সে জীবনে সফল হয়।" 

৪৯. "যখন তোমার হৃদয় কান্নায় পূর্ণ, তখন তোমার দৃষ্টি উঁচুতে রাখো।" 

৫০. "তোমাকে শক্তি খুঁজতে হবে নিজের ভেতরেই।"

৫১. "ওরে নতুন যুগের ভোরে আলোর রথে এসো।" 

৫২. "আকাশ ভরা সূর্য-তারা, বিশ্বভরা প্রাণ।" 

৫৩. "সৌন্দর্য হলো প্রেমের প্রতীক যা মনকে আনন্দ দেয়।" 

৫৪. "ফুল তার সৌন্দর্যে কথা বলে।" 

৫৫. "শিল্প হলো মানুষের মনের আনন্দময় প্রকাশ।" 

৫৬. "যেখানে প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের মিলন ঘটে, সেখানেই শান্তি।" 

৫৭. "সূর্যাস্ত আমাকে মনে করিয়ে দেয় যে শেষও সুন্দর হতে পারে।" 

৫৮. "পৃথিবী তার কবিদের কাছ থেকে গান শুনতে চায়।" 

৫৯. "আমার কবিতা হলো আমার জীবনের চিত্র।" 

৬০. "প্রকৃতির নীরবতা নিজেই এক বিশাল কথা।"

৬১. "আনন্দকে ভাগ করে নিলে তবেই তা পূর্ণতা পায়।" 

৬২. "সময় কারও জন্য অপেক্ষা করে না।" 

৬৩. "অন্ধকারে আলো জ্বেলে দাও, কারণ সেটাই মুক্তির পথ।" 

৬৪. "আঘাত করলে তোমাকে আরও শক্ত হতে হবে।" 

৬৫. "মানুষের কর্মই তার পরিচয়।" 

৬৬. "তোমার নিয়তি তোমার হাতে।" 

৬৭. "অহংকার মানুষকে একাকী করে দেয়।" 

৬৮. "সরলতাই সৌন্দর্যের শ্রেষ্ঠ রূপ।" 

৬৯. "মানুষের মনের ভেতরের আলো সবচেয়ে মূল্যবান।" 

৭০. "বিপদ আসে বলেই আমরা সাবধান হই।" 

৭১. "যে পরিবর্তন করতে ভয় পায়, সে জীবনকে উপভোগ করতে পারে না।" 

৭২. "আমরা যা দেখি, তার চেয়েও বড় কিছু লুকিয়ে থাকে।" 

৭৩. "তুমি যা দাও, তাই ফিরে আসে।" 

৭৪. "দুঃখকে জয় করার শক্তি তোমার ভেতরেই আছে।" 

৭৫. "শান্তি আসে কেবল ভালোবাসা থেকে।" 

৭৬. "সফলতা হলো ধৈর্য ও পরিশ্রমের ফল।" 

৭৭. "ভবিষ্যৎ হলো সেই ক্যানভাস যেখানে তুমি তোমার স্বপ্ন আঁকো।" 

৭৮. "জীবনে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো কোনো ঝুঁকি না নেওয়া।" 

৭৯. "আমাদের সবচেয়ে বড় ভুল হলো ভুল স্বীকার না করা।" 

৮০. "মানুষের হৃদয়ে যে ক্ষমা আছে, সেটাই তার শ্রেষ্ঠ সম্পদ।" 

৮১. "প্রত্যেক ভোরের আগমনই নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসে।" 

৮২. "যে অন্ধকারেও চলতে পারে, সে আলোর মূল্য জানে।" 

৮৩. "মানুষকে তার কাজের ফল অবশ্যই ভোগ করতে হয়।" 

৮৪. "তোমার ভেতরের শিশুটি যেন কখনোই হারিয়ে না যায়।" 

৮৫. "যে আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, সে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।" 

৮৬. "ভালো কাজের জন্য সময় কখনও বেশি হয় না।" 

৮৭. "আমাদের সকলের মধ্যেই ঈশ্বর বাস করেন।" 

৮৮. "কথা কম বলে কাজ বেশি করো।" 

৮৯. "জীবনের সবথেকে বড় উপহার হলো অভিজ্ঞতা।" 

৯০. "যে নিজেকে চেনে, সে পৃথিবীকে চেনে।" 

৯১. "মানুষের স্বপ্ন তাকে বাঁচিয়ে রাখে।" 

৯২. "হতাশা হলো অস্থায়ী, কিন্তু আশা চিরস্থায়ী।" 

৯৩. "আমাদের ছোট্ট ভুলগুলো বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে।" 

৯৪. "যা তোমার নয়, তা ছেড়ে দাও।" 

৯৫. "যে সংগ্রাম করে, সেই জয়ী হয়।" 

৯৬. "বিনয় হলো জ্ঞানের অলংকার।" 

৯৭. "তোমার নিজের পথ খুঁজে নাও।" 

৯৮. "ভয়কে জয় করার মধ্য দিয়েই জীবনের পূর্ণতা।" 

৯৯. "প্রতিটি মুহূর্তই মূল্যবান।" 

১০০. "মানুষের সবথেকে বড় সম্পদ তার বিবেক।"


Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ুর মধ্যে পার্থক্য

  স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ুর মধ্যে পার্থক্য Sl. No. স্থলবায়ু সমুদ্রবায়ু 1 স্থলবায়ু মূলত শীতল ও শুষ্ক প্রকৃতির হয়। সমুদ্রবায়ু মূলত উষ্ণ ও আর্দ্র প্রকৃতির হয়। 2 স্থলবায়ু প্রধানত রাত্রিবেলায় প্রবাহিত হয়। সমুদ্রবায়ু প্রধানত দিনেরবেলায় প্রবাহিত হয়। 3 সূর্যাস্তের পরবর্তী সময়ে এই বায়ুর প্রবাহ শুরু হয় ও রাত্রির শেষদিকে বায়ুপ্রবাহের বেগ বৃদ্ধি পায়। সূর্যোদয়ের পরবর্তী সময়ে এই বায়ুরপ্রবাহ শুরু হয় ও অপরাহ্নে বায়ুপ্রবাহে বেগ বৃদ্ধি পায়। 4 স্থলবায়ু উচ্চচাযুক্ত স্থলভাগ থেকে নিম্নচাপযুক্ত জলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। এই কারণে স্থলবায়ুকে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর সঙ্গে তুলনা করা হয়। সমুদ্রবায়ু উচ্চচাপযুক্ত সমুদ্র থেকে নিম্নচাপযুক্ত স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। এই কারণে সমুদ্রবায়ুকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর সঙ্গে তুলনা করা হয়। 5 স্থলভাগের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হবার দরুন বেগ তুলনামূলক কম হয়ে থাকে। উন্মুক্ত সমুদ্রের ওপর দিয়ে দীর্ঘপথ প্রবাহিত হ...

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য

  আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য Sl. No. আবহবিকার ক্ষয়ীভবন 1 আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন—উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, জলীয় বাষ্প, তুষারপাত ও বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান দ্বার শিলাসমূহের চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া বা বিয়োজনকে আবহবিকার বলে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ, ইত্যাদি দ্বারা আবহবিকারপ্রাপ্ত চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহের অপসারণকে ক্ষয়ীভবন বলে। 2 আবহবিকারের ফলে মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের (গঠন, আকৃতি, খনিজের আণবিক সজ্জা প্রভৃতি) পরিবর্তন ঘটে । ক্ষয়ীভবনের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয়। কিন্তু মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন সাধন হয় না। 3 আবহবিকার কোনোভাবে ক্ষয়ীভবনের ওপর নির্ভরশীল নয়। ক্ষয়ীভবন সম্পূর্ণরূপে আবহবিকারের ওপর নির্ভরশীল। আবহবিকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে না। 4 আবহবিকারের ফলে চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহ শিলাস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে। ক্ষয়ীভবনের ফলে আবহবিকার প্রাপ্ত শিলাচূর্ণ স্থানান্তরি...

সমাজসংস্কাররূপে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান।।

সমাজসংস্কাররূপে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান             হুগলি জেলার রাধানগর গ্রামে রাজা রামমোহন রায় ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে (মতান্তরে ১৭৭৪ খ্রি.) জন্মগ্রহণ করেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ভারত পথিক বলে সম্মান জানিয়েছেন। ভারতের ধর্ম ও সমাজ সংস্কারের কাজে তাঁর নিরলস সাধনার কারণে তাঁকে আধুনিক ভারতের জনক বলে অভিহিত করা হয়। ড. বিপানচন্দ্রের মতে—“উনিশ শতকের প্রথম লগ্নে ভারতীয় আকাশে রামমোহন রায় উজ্জ্বলতম নক্ষত্ররূপে ভাস্বর ছিলেন”।

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-বারিমণ্ডল, সেট-৩

বারিমণ্ডল প্রশ্ন:১ উষ্ণ স্রোত কীভাবে জলবায়ুকে প্রভাবিত করে ? উত্তর:  নিম্ন অক্ষাংশ থেকে প্রবাহিত উষ্ণ স্রোত উচ্চ অক্ষাংশের শীতল অঞ্চলে সমুদ্রজলের উষ্ণতা বৃদ্ধি করে। উষ্ণ স্রোত যে উপকূলে প্রবাহিত হয় সেখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটাতে সাহায্য করে। কারণ—উষ্ণ স্রোতের উপরের বাতাস উষ্ণ ও আর্দ্র প্রকৃতির। উষ্ণ স্রোত নিরক্ষীয় অঞ্চল ও মেরু অঞ্চলের সমুদ্রের জলে উষ্ণতার সমতা বিধানে সাহায্য করে। তাছাড়া উষ্ণ স্রোত সংলগ্ন উপকূলের উষ্ণতাও বৃদ্ধি করে।

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।           ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির প্রামাণ্য দলিল। কিন্তু প্রাচীন ভারতে হেরোডোটাস বা থুকিডিডিসের মতো কোনো প্রথাগত ঐতিহাসিক ছিলেন না। এ কারণেই একসময় আল-বিরুনি মন্তব্য করেছিলেন যে, "ভারতীয়দের কোনো ইতিহাস চেতনা নেই।" কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ সত্য নয়। প্রাচীন ভারতের মুনি-ঋষি এবং কবিরা সরাসরি ইতিহাস না লিখলেও, তাঁদের রচিত বিপুল সাহিত্যরাশির মধ্যে ছড়িয়ে আছে ইতিহাসের মহামূল্যবান উপাদান। এই উপাদানগুলিকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে বিশ্লেষণ করলেই প্রাচীন ভারতের লুপ্ত ইতিহাস পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...