Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 10

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে—   উত্তরঃ  সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন?    উত্তরঃ  ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন?    উত্তরঃ  নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন?    উত্তরঃ  রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন?    উত্তরঃ  অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন—   উত্তরঃ  লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি?    উত্তরঃ  চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ভারত-ইতিহাসে সমুদ্রের প্রভাব আলোচনা করো।

ভারত-ইতিহাসে সমুদ্রের প্রভাব



          ভারত-ইতিহাসে সমুদ্রের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সুদূরপ্রসারী। সমুদ্র ভারতের কেবল ভৌগোলিক সীমানাই নির্ধারণ করেনি, বরং এর সংস্কৃতি, অর্থনীতি, রাজনীতি এবং বিশ্ব-সম্পর্কের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। ভারতবর্ষের তিনদিক সমুদ্রবেষ্টিত। তাই, ভারত-ইতিহাসে সমুদ্রের প্রভাব থাকাটাই স্বাভাবিক ঘটনা। 

(১) তিনদিক সমুদ্রবেষ্টিত হওয়ায় তিন দিকের সীমান্ত বেশ সুরক্ষিত। 
(২) আবার এই সমুদ্রপথ ধরেই আমাদের দেশের সঙ্গে চিন, রোম, মালয়, সুমাত্রা, জাভা, সিংহল ও পূর্ব ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জের বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। 
(৩) এমনকি এই জলপথের মাধ্যমেই রাজনৈতিক প্রাধান্য স্থাপিত হয়েছে।

ভারত মহাসাগরের প্রভাব: 

          বাণিজ্যিক যোগাযোগ ছাড়াও বৈদেশিক আধিপত্য স্থাপনে ভারত মহাসাগর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। ভারত মহাসাগরের আর্দ্র বাতাস পূর্বঘাট পর্বতমালায় বাধাপ্রাপ্ত হয়ে চেন্নাই অঞ্চলের ভূমিকে সিক্ত করে ওই স্থানকে শস্য-শ্যামলা করেছে।

বঙ্গোপসাগরের প্রভাব: 

          'পেরিপ্লাস অফ দি ইরিথ্রিয়ান সি' নামক গ্রন্থ থেকে খ্রিস্টীয় প্রথম শতকের ভারতীয় সামুদ্রিক বাণিজ্যের তথ্য পাই। এসময় 'তাম্রলিপ্ত বন্দর' (বর্তমানে মেদিনীপুর জেলায়) বৈদেশিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। চোলগণ তাঁদের নৌ-আধিপত্যের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরকে 'চোল হ্রদ'-এ পরিণত করেছিলেন।

অর্থনীতি ও বাণিজ্য (Trade and Economy)

          প্রাচীনকাল থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত সমুদ্র ভারতের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি।

অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য: 

          ভারতের সুদীর্ঘ উপকূলরেখা (প্রায় 7500 কিলোমিটার) অসংখ্য বন্দর গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে। এই বন্দরগুলি দিয়ে পূর্ব ও পশ্চিম উভয় দিকেই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চলত।

পশ্চিম উপকূল: 

          এখানে লোথাল (প্রাচীন), সুরাট, ক্যাম্বে, কোচিন এবং আধুনিক মুম্বাইয়ের মতো বন্দরগুলি দিয়ে রোম, মেসোপটেমিয়া, আরব ও আফ্রিকার সঙ্গে মসলা, বস্ত্র, রত্নপাথর ইত্যাদির বাণিজ্য হতো।

পূর্ব উপকূল: 

          তাম্রলিপ্ত (প্রাচীন), আরিকামেডু, এবং পরে চেন্নাইয়ের মতো বন্দর দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া (সুবর্ণভূমি বা ইন্দোনেশিয়া), চীন ও শ্রীলঙ্কার সাথে বাণিজ্য চলত।

সম্পদ আহরণ: 

          সমুদ্র মৎস্য, মুক্তা এবং লবণ আহরণের মতো জীবিকার উৎস সরবরাহ করেছে।

সাংস্কৃতিক বিস্তার ও ধর্মীয় প্রভাব (Cultural Expansion and Religion) 

          সমুদ্রপথ ভারতীয় সংস্কৃতি, ধর্ম ও ভাষার বিস্তারে সহায়ক হয়েছিল। এই প্রক্রিয়াকে সাধারণত বৃহত্তর ভারত (Greater India) বলা হয়।

ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিস্তার: 

         ভারতীয় বণিক, ধর্মপ্রচারক এবং ভ্রমণকারীরা সমুদ্রপথ ব্যবহার করে বৌদ্ধধর্ম, হিন্দুধর্ম, সংস্কৃত ভাষা ও ভারতীয় শিল্পকলা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলিতে (যেমন ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া) ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। উদাহরণস্বরূপ, কম্বোডিয়ার আঙ্করভাট এবং ইন্দোনেশিয়ার বোরোবুদুর স্তূপ ভারতীয় স্থাপত্য ও ধর্মের প্রভাব বহন করে।

বিদেশী সংস্কৃতির আগমন: 

          সমুদ্রপথ দিয়েই বিদেশী সংস্কৃতিও ভারতে এসেছে। আরব বণিকদের মাধ্যমে ইসলাম ধর্মের প্রাথমিক বিস্তার ঘটেছিল পশ্চিম উপকূলের বন্দরগুলিতে, যা ভারতের সাংস্কৃতিক মিশ্রণে অবদান রাখে।

রাজনীতি ও প্রতিরক্ষা (Politics and Defence)

         সমুদ্র প্রাচীন ও মধ্যযুগে ভারতকে সুরক্ষা দিলেও আধুনিক যুগে তা আক্রমণকারীদের প্রবেশপথ হয়ে ওঠে।

প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা: 

          স্থলভাগের মতো সরাসরি বৃহৎ আক্রমণ থেকে সমুদ্র একসময় ভারতের উপদ্বীপীয় অংশকে সুরক্ষা দিত।

সামুদ্রিক শক্তি: 

          বিভিন্ন ভারতীয় রাজবংশ, যেমন চোল রাজারা, শক্তিশালী নৌ-বাহিনী গড়ে তুলেছিলেন। চোলরা সমুদ্রপথে শ্রীলঙ্কা, মালয় ও সুমাত্রার মতো অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে সামুদ্রিক আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন।

ঔপনিবেশিক শাসন: 

          আধুনিক যুগে সমুদ্র ছিল ইউরোপীয় শক্তির (পর্তুগিজ, ওলন্দাজ, ইংরেজ, ফরাসি) ভারতে প্রবেশের প্রধান পথ। ইংরেজদের শক্তিশালী নৌ-বাহিনী (Royal Navy) সমুদ্রপথে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেই ভারতে ঔপনিবেশিক শাসন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিল।

ভূ-কৌশলগত গুরুত্ব (Geo-Strategic Importance) 

          ভারত মহাসাগরের কেন্দ্রে ভারতের অবস্থান ভূ-রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উপদ্বীপীয় অবস্থান: 

         ভারত মহাসাগরের উপর ভারতের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার সুবিধা রয়েছে, যা এই অঞ্চলকে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।

আধুনিক নিরাপত্তা: 

          বর্তমানে ভারতের নৌ-বাহিনী দেশের সামুদ্রিক স্বার্থ এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (EEZ) রক্ষা করার পাশাপাশি ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


          এই সমুদ্রপথেই এসেছিল পোর্তুগিজ, ওলন্দাজ, দিনেমার, ফরাসি ও ইংরেজ জাতি। তাদের আগমনে ভারতবর্ষে যেমন আধুনিকতার মুক্ত হাওয়া বয়ে গিয়েছিল, তেমনি প্রায় ২০০ বছরের ইংরেজদের অধীনে পরাধীনতার গ্লানিও ভারতীয়দের সহ্য করতে হয়েছিল।







READ MORE👇














Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

[MCQ]।।ভারতের ইতিহাস।।ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৫৬ খ্রি.)।। সেট ১

  ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৫৬ খ্রি.) 👉প্রশ্ন:১ অমৃতসরের সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়— (a) ১৮০৬ খ্রিস্টাব্দে (b) ১৮০৭ খ্রিস্টাব্দে (c) ১৮০৮ খ্রিস্টাব্দে (d) ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে

বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল

বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল            আর্দ্রবায়ু পাহাড়ে বাধা পেয়ে প্রতিবাত ঢালে বৃষ্টিপাত করার পর তাতে আর জলীয় বাষ্প থাকে না। জলীয়বাষ্পহীন ওই শুকনো বাতাস পাহাড় অতিক্রম করে পাহাড়ের অপর দিকে (অনুবাত ঢালে) গেলে সেখানে আর বৃষ্টিপাত হয় না। পাহাড়ের বায়ুমুখী ঢালের বিপরীত দিকের প্রায় বৃষ্টিহীন অনুবাত ঢালকে “বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল” বলা হয়।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের চিরস্মরণীয় কিছু উক্তি

          বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। অগ্নিবীণা হাতে তার প্রবেশ, ধূমকেতুর মতো তার প্রকাশ। যেমন লেখাতে বিদ্রোহী, তেমনই জীবনে – কাজেই "বিদ্রোহী কবি"

[MCQ]reproduction।।জনন।। জীবনবিজ্ঞান এর প্রশ্নোত্তর।।SOLVE

প্রশ্ন ১ সংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় জনন সম্পন্ন করে এরূপ একটি উদ্ভিদ হল ( a ) ইস্ট ( b ) মিউকর ( c ) স্পাইরােগাইরা ( d ) টেরিস

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

শল্কমোচন বা এক্সফোলিয়েশন

শল্কমোচন বা এক্সফোলিয়েশন            উষ্ণ মরু অঞ্চলে দিন ও রাত্রির মধ্যে উষ্ণতার প্রসর অধিক হওয়ায় শিলা দিনে প্রসারিত ও রাত্রে সংকুচিত হয়। শিলা তাপের কুপরিবাহী বলে এই সংকোচন ও প্রসারণ শিলার উপরিস্তরেই সীমাবদ্ধ থাকে। এর ফলে শিলার উপরিস্তর ও নিম্নস্তরের মধ্যে সংকোচন ও প্রসারণের তারতম্য ঘটে এবং উভয় স্তরের মধ্যে একটি তাপীয় ঢালের সৃষ্টি করে। তখন অধিক সংকোচন ও প্রসারণযুক্ত শিলার উপরিস্তর কম সংকোচন ও প্রসারণযুক্ত নিম্নস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং পেঁয়াজের খোসার মতো একের পর এক খুলে যায়। এই প্রক্রিয়াকে বলে শল্কমোচন। শল্কমোচনের ফলে শিলার টুকরোগুলি গোলাকার বা উপগোলাকার হয়ে পড়ে। 👉 ভূগোলের MCQs, VSQs এবং সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর গুলি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।  👈            একই জাতীয় খনিজ পদার্থে গঠিত সমপ্রকৃতির শিলায় শল্কমোচন বেশি হয়। সাধারণত গ্রানাইট শিলা গঠিত হয় খাড়া ও অপ্রশস্ত পার্বত্য অঞ্চলে, যেখানে উষ্মতার পার্থক্য বেশি, সেখানে গোলাকার বিচূর্ণীভবন বেশি দেখা যায়।  আফ্রিকার মোজাম্বিকে, কালাহারি মরুভূমিতে এইরূপ ...

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...