Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ভারত-ইতিহাসে সমুদ্রের প্রভাব আলোচনা করো।

ভারত-ইতিহাসে সমুদ্রের প্রভাব



          ভারত-ইতিহাসে সমুদ্রের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সুদূরপ্রসারী। সমুদ্র ভারতের কেবল ভৌগোলিক সীমানাই নির্ধারণ করেনি, বরং এর সংস্কৃতি, অর্থনীতি, রাজনীতি এবং বিশ্ব-সম্পর্কের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। ভারতবর্ষের তিনদিক সমুদ্রবেষ্টিত। তাই, ভারত-ইতিহাসে সমুদ্রের প্রভাব থাকাটাই স্বাভাবিক ঘটনা। 

(১) তিনদিক সমুদ্রবেষ্টিত হওয়ায় তিন দিকের সীমান্ত বেশ সুরক্ষিত। 
(২) আবার এই সমুদ্রপথ ধরেই আমাদের দেশের সঙ্গে চিন, রোম, মালয়, সুমাত্রা, জাভা, সিংহল ও পূর্ব ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জের বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। 
(৩) এমনকি এই জলপথের মাধ্যমেই রাজনৈতিক প্রাধান্য স্থাপিত হয়েছে।

ভারত মহাসাগরের প্রভাব: 

          বাণিজ্যিক যোগাযোগ ছাড়াও বৈদেশিক আধিপত্য স্থাপনে ভারত মহাসাগর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। ভারত মহাসাগরের আর্দ্র বাতাস পূর্বঘাট পর্বতমালায় বাধাপ্রাপ্ত হয়ে চেন্নাই অঞ্চলের ভূমিকে সিক্ত করে ওই স্থানকে শস্য-শ্যামলা করেছে।

বঙ্গোপসাগরের প্রভাব: 

          'পেরিপ্লাস অফ দি ইরিথ্রিয়ান সি' নামক গ্রন্থ থেকে খ্রিস্টীয় প্রথম শতকের ভারতীয় সামুদ্রিক বাণিজ্যের তথ্য পাই। এসময় 'তাম্রলিপ্ত বন্দর' (বর্তমানে মেদিনীপুর জেলায়) বৈদেশিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। চোলগণ তাঁদের নৌ-আধিপত্যের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরকে 'চোল হ্রদ'-এ পরিণত করেছিলেন।

অর্থনীতি ও বাণিজ্য (Trade and Economy)

          প্রাচীনকাল থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত সমুদ্র ভারতের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি।

অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য: 

          ভারতের সুদীর্ঘ উপকূলরেখা (প্রায় 7500 কিলোমিটার) অসংখ্য বন্দর গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে। এই বন্দরগুলি দিয়ে পূর্ব ও পশ্চিম উভয় দিকেই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চলত।

পশ্চিম উপকূল: 

          এখানে লোথাল (প্রাচীন), সুরাট, ক্যাম্বে, কোচিন এবং আধুনিক মুম্বাইয়ের মতো বন্দরগুলি দিয়ে রোম, মেসোপটেমিয়া, আরব ও আফ্রিকার সঙ্গে মসলা, বস্ত্র, রত্নপাথর ইত্যাদির বাণিজ্য হতো।

পূর্ব উপকূল: 

          তাম্রলিপ্ত (প্রাচীন), আরিকামেডু, এবং পরে চেন্নাইয়ের মতো বন্দর দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া (সুবর্ণভূমি বা ইন্দোনেশিয়া), চীন ও শ্রীলঙ্কার সাথে বাণিজ্য চলত।

সম্পদ আহরণ: 

          সমুদ্র মৎস্য, মুক্তা এবং লবণ আহরণের মতো জীবিকার উৎস সরবরাহ করেছে।

সাংস্কৃতিক বিস্তার ও ধর্মীয় প্রভাব (Cultural Expansion and Religion) 

          সমুদ্রপথ ভারতীয় সংস্কৃতি, ধর্ম ও ভাষার বিস্তারে সহায়ক হয়েছিল। এই প্রক্রিয়াকে সাধারণত বৃহত্তর ভারত (Greater India) বলা হয়।

ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিস্তার: 

         ভারতীয় বণিক, ধর্মপ্রচারক এবং ভ্রমণকারীরা সমুদ্রপথ ব্যবহার করে বৌদ্ধধর্ম, হিন্দুধর্ম, সংস্কৃত ভাষা ও ভারতীয় শিল্পকলা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলিতে (যেমন ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া) ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। উদাহরণস্বরূপ, কম্বোডিয়ার আঙ্করভাট এবং ইন্দোনেশিয়ার বোরোবুদুর স্তূপ ভারতীয় স্থাপত্য ও ধর্মের প্রভাব বহন করে।

বিদেশী সংস্কৃতির আগমন: 

          সমুদ্রপথ দিয়েই বিদেশী সংস্কৃতিও ভারতে এসেছে। আরব বণিকদের মাধ্যমে ইসলাম ধর্মের প্রাথমিক বিস্তার ঘটেছিল পশ্চিম উপকূলের বন্দরগুলিতে, যা ভারতের সাংস্কৃতিক মিশ্রণে অবদান রাখে।

রাজনীতি ও প্রতিরক্ষা (Politics and Defence)

         সমুদ্র প্রাচীন ও মধ্যযুগে ভারতকে সুরক্ষা দিলেও আধুনিক যুগে তা আক্রমণকারীদের প্রবেশপথ হয়ে ওঠে।

প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা: 

          স্থলভাগের মতো সরাসরি বৃহৎ আক্রমণ থেকে সমুদ্র একসময় ভারতের উপদ্বীপীয় অংশকে সুরক্ষা দিত।

সামুদ্রিক শক্তি: 

          বিভিন্ন ভারতীয় রাজবংশ, যেমন চোল রাজারা, শক্তিশালী নৌ-বাহিনী গড়ে তুলেছিলেন। চোলরা সমুদ্রপথে শ্রীলঙ্কা, মালয় ও সুমাত্রার মতো অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে সামুদ্রিক আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন।

ঔপনিবেশিক শাসন: 

          আধুনিক যুগে সমুদ্র ছিল ইউরোপীয় শক্তির (পর্তুগিজ, ওলন্দাজ, ইংরেজ, ফরাসি) ভারতে প্রবেশের প্রধান পথ। ইংরেজদের শক্তিশালী নৌ-বাহিনী (Royal Navy) সমুদ্রপথে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেই ভারতে ঔপনিবেশিক শাসন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিল।

ভূ-কৌশলগত গুরুত্ব (Geo-Strategic Importance) 

          ভারত মহাসাগরের কেন্দ্রে ভারতের অবস্থান ভূ-রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উপদ্বীপীয় অবস্থান: 

         ভারত মহাসাগরের উপর ভারতের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার সুবিধা রয়েছে, যা এই অঞ্চলকে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।

আধুনিক নিরাপত্তা: 

          বর্তমানে ভারতের নৌ-বাহিনী দেশের সামুদ্রিক স্বার্থ এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (EEZ) রক্ষা করার পাশাপাশি ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


          এই সমুদ্রপথেই এসেছিল পোর্তুগিজ, ওলন্দাজ, দিনেমার, ফরাসি ও ইংরেজ জাতি। তাদের আগমনে ভারতবর্ষে যেমন আধুনিকতার মুক্ত হাওয়া বয়ে গিয়েছিল, তেমনি প্রায় ২০০ বছরের ইংরেজদের অধীনে পরাধীনতার গ্লানিও ভারতীয়দের সহ্য করতে হয়েছিল।







READ MORE👇














Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।           ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির প্রামাণ্য দলিল। কিন্তু প্রাচীন ভারতে হেরোডোটাস বা থুকিডিডিসের মতো কোনো প্রথাগত ঐতিহাসিক ছিলেন না। এ কারণেই একসময় আল-বিরুনি মন্তব্য করেছিলেন যে, "ভারতীয়দের কোনো ইতিহাস চেতনা নেই।" কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ সত্য নয়। প্রাচীন ভারতের মুনি-ঋষি এবং কবিরা সরাসরি ইতিহাস না লিখলেও, তাঁদের রচিত বিপুল সাহিত্যরাশির মধ্যে ছড়িয়ে আছে ইতিহাসের মহামূল্যবান উপাদান। এই উপাদানগুলিকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে বিশ্লেষণ করলেই প্রাচীন ভারতের লুপ্ত ইতিহাস পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

হিমানী সম্প্ৰপাত

হিমানী সম্প্ৰপাত           পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পার্বত্য অঞ্চলে তুষারক্ষেত্রের জমাট বাঁধা বরফ অত্যন্ত ধীরগতিতে পর্বতের ঢাল বেয়ে নীচের দিকে নেমে আসতে থাকে। সময় সময় পাহাড়ের ঢালে চলমান এইরকম হিমবাহ থেকে বিশাল বরফের স্তূপ ভেঙে বিপুলবেগে নীচের দিকে পড়তে দেখা যায়, একে হিমানী সম্প্রপাত বলে।