Skip to main content

Posts

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী - জীবনবিজ্ঞান - জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় - উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা এবং সাড়াপ্রদান - 'সদৃশ জোড়' (Analogous Pair)

দশম শ্রেণী - জীবনবিজ্ঞান - জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় - উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা এবং সাড়াপ্রদান - 'সদৃশ জোড়' (Analogous Pair) 'সদৃশ জোড়' (Analogous Pair) বা প্রথম জোড়ার সম্পর্ক বুঝে দ্বিতীয় জোড়াটি পূরণ : ১. জগদীশচন্দ্র বসু : ক্রেস্কোগ্রাফ :: উদ্ভিদের কাণ্ডের আলোকবৃত্তি : ❓ অক্সিন ২. তীব্র আলোক : ফটোন্যাস্টিক :: আলোক উৎসের গতিপথ : ❓ ফটোট্রপিক ৩. সিসমোন্যাস্টিক : লজ্জাবতী :: প্রকরণ চলন : ❓ বনচাঁড়াল ৪. অনুকূল জিওট্রপিক : উদ্ভিদের মূল :: প্রতিকূল জিওট্রপিক : ❓ সুন্দরী গাছের শ্বাসমূল ৫. সূর্যমুখী : ফটোন্যাস্টিক :: টিউলিপ : ❓ থার্মোন্যাস্টিক

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

[VSQ]সকল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ইতিহাস VSQ||সেট–১৪৮

সকল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ইতিহাস VSQ  প্রশ্ন:১ ‘চিত্রকথা’ গ্রন্থটি কে রচনা করেন? উত্তর:  ‘ চিত্রকথা’ গ্রন্থটি বিনোদবিহারী মুখোপাধ্যায় রচনা করেন। প্রশ্ন:২ বাংলা চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদান রেখেছেন এমন কয়েকজন পরিচালকের নাম লেখো। উত্তর: বাংলা চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদান রেখেছেন এমন কয়েকজন পরিচালক হলেন সত্যজিৎ রায়, ঋত্বিক ঘটক, মৃণাল সেন, তপন সিংহ প্রমুখ। প্রশ্ন:৩ ‘বাংলার মন্দির’ গ্রন্থটি কার লেখা ?  উত্তর:  ‘বাংলার মন্দির’ গ্রন্থটি হিতেশরঞ্জন সান্যালের লেখা।

[VSQ]সকল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ইতিহাস VSQ||সেট–১৪৭

সকল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ইতিহাস VSQ প্রশ্ন:১ ‘ইকো ফেমিনিজম’-এর প্রবক্তা কে ? উত্তর:  ‘ইকো ফেমিনিজম’-এর প্রবক্তা ফ্রাঁসোয়া দেবান। প্রশ্ন:২ আধুনিক শিল্পের ইতিহাসচর্চার প্রধান কয়েকটি শাখা বা বিষয়ের নাম লেখো। উত্তর:  আধুনিক শিল্পের ইতিহাসচর্চার প্রধান কয়েকটি শাখা বা বিষয় হল—সংগীত, নৃত্য, নাটক ও চলচ্চিত্র। প্রশ্ন:৩ ভারতের প্রথম শব ব্যবচ্ছেদকারী চিকিৎসক কে ছিলেন? উত্তর:  ভারতের প্রথম শব ব্যবচ্ছেদকারী চিকিৎসক ছিলেন মধুসূদন গুপ্ত।

[VSQ]সকল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ইতিহাস VSQ||সেট–১৪৬

সকল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ইতিহাস VSQ প্রশ্ন:১ ভারতে কবে ক্যামেরা বা ফোটো তোলার যন্ত্র আসে ? উত্তর:  ভারতে ১৮৫০-এর দশকের প্রথমদিকে ক্যামেরা বা ফোটো তোলার যন্ত্র আসে। প্রশ্ন:২ ভারতে প্রথম কবে, কোথায় রেলপথ চালু হয় ? উত্তর:  ১৮৫৩ খ্রিস্টাব্দের বোম্বাই থেকে থানে পর্যন্ত ভারতে প্রথম রেলপথ চালু হয়। প্রশ্ন:৩ কলকাতায় জাতীয় নাট্যশালা কবে প্রতিষ্ঠিত হয় ? উত্তর:  কলকাতায় জাতীয় নাট্যশালা (ন্যাশনাল থিয়েটার) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে।

WBCS সহ অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান, সেট ৩২ - ভূগোল

WBCS সহ অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান প্রশ্ন ১ সঞ্জয় গান্ধী জাতীয় উদ্দ্যান কোন রাজ্যে অবস্থিত ? (a) বিহার  (b) গুজরাট  (c) ছত্তিসগড়  (d) উড়িষ্যা  উত্তর : C প্রশ্ন ২ বক্সা জাতীয় উদ্দ্যান কোন রাজ্যে অবস্থিত ? (a) উত্তর প্রদেশ  (b) পশ্চিমবঙ্গ  (c) সিকিম  (d) বিহার  উত্তর : B প্রশ্ন ৩ দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম কি ? (a) কলসুবাই  (b) আন্নামালাই   (c) আনাইমুদি  (d) কোনোটিই নয়  উত্তর : C

WBCS সহ অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান, সেট ৩১ - ভূগোল

WBCS সহ অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান প্রশ্ন ১ নিচের কোনটি গ্রস্ত উপত্যকা ? (a) কাবেরী  (b) গোদাবরী  (c) কোশি  (d) নর্মদা  উত্তর : D  প্রশ্ন ২ কুড্ডাপা পর্বতশ্রেণী  অবস্থিত ? (a) পলাশ ও কাবেরীর মধ্যে  (b) সাতপুরা ও মহাদেওর মধ্যে  (c) পালকোন্ডা ও গোদাবরীর মধ্যে  (d) আরাবল্লী ও চম্বলের মধ্যে  উত্তর : C  প্রশ্ন ৩ "ওঙ্গি" নামক উপজাতি কোন অঞ্চলে বাস করে ? (a) আন্দামান-নিকোবর  (b) অরুণাচল প্রদেশ  (c) মনিপুর  (d) ঝাড়খন্ড  উত্তর : A 

উত্তর ভারতের নদনদী এবং দক্ষিণ ভারতের নদনদীগুলির মধ্যে পার্থক্য

উত্তর ভারতের নদনদী এবং দক্ষিণ ভারতের নদনদীগুলির মধ্যে পার্থক্য S. No উত্তর ভারতের নদনদী দক্ষিণ ভারতের নদনদী 1 উত্তর ভারতের অধিকাংশ নদীগুলি সুউচ্চ হিমালয় পর্বতের বিভিন্ন হিমবাহ থেকে সৃষ্ট। দক্ষিণ ভারতের অধিকাংশ নদীগুলি ক্ষয়জাত পশ্চিমঘাট পর্বত ও দাক্ষিণাত্য মালভূমি থেকে উৎপন্ন। 2 উত্তর ভারতের নদনদীগুলি প্রধানত হিমালয়ের বিভিন্ন হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে বলে উত্তর ভারতের অধিকাংশ নদী বরফগলা জলে পুষ্ট। দক্ষিণ ভারতের নদনদীগুলি কোনো হিমবাহ থেকে উৎপন্ন না হওয়ায় তারা বৃষ্টির জল বা ঝরণার জলে পুষ্ট। 3 উত্তর ভারতের নদীগুলি বরফগলা জলে পুষ্ট হওয়ায় সারাবছর নদীতে জল থাকে। দক্ষিণ ভারতের নদীগুলি বৃষ্টির জলে পুষ্ট বলে শুষ্ক ঋতুতে বেশির ভাগ সময় নদীতে জল থাকে না। 4 উত্তর ভারতের নদীগুলিতে সারাবছর জল থাকে বলে জলসেচের সুবিধা পাওয়া যায়। শুষ্ক ঋতুতে নদীগুলিতে জলের পরিমাণ খুব কমে যাওয়ায় সারা বছর জলসেচের স...

ফরাসী নিউটন।। একজন মহান বিজ্ঞানী

শুধুমাত্র  একটি  বিষয়ে  তাঁর  পান্ডিত্য  পরিলক্ষিত  হয়নি ; তাঁর  কাজ  ইঞ্জিনিয়ারিং , গণিত ,পরিসংখান , পদার্থবিজ্ঞান , জ্যোতিবিজ্ঞান  এবং  দর্শন  এর  বিকাশে  সাহায্য  করেছিল। এছাড়াও ১৮১৬ সালে  বাতাসে  শব্দের  গতিবেগের  ওপরে  একটি তত্ত্ব  নিয়ে  আসেন; তাতে দেখানো  হয়  বাতাসে  শব্দের  বেগ 'Heat  Capacity  Ratio' র  ওপরে  নির্ভর  করে।

জলাতঙ্ক রোগ কি? জানুন এই রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা

জলাতঙ্ক রােগের লক্ষণ ::              রােগ প্রকাশের প্রথম দিকে জ্বর , মাথাব্যাথা , বমির ভাব থাকে । অল্প কয়েকদিন পরে মুখ থেকে ঘন চটচটে লালা পড়ে । গলায় ব্যথা ও ঢােক গিলতে অসুবিধা হয় । খাদ্য নালীর সংকোচনের ফলে জল বা কোন কিছু খাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে । রােগী আলাে সহ্য করতে পারে না । রােগী প্রায়ই আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং শান্ত থাকতে থাকতে হঠাৎ হঠাৎ রেগে ওঠে । মৃত্যু এগিয়ে আসার সময় খিচুনি , ফিট ও পক্ষাঘাত হতে পারে ।

যক্ষ্মা রোগের লক্ষণ ও প্রতিরোধ

 যক্ষ্মা             যে সব সংক্রামক রােগ আমাদের দেশে শিশু মৃত্যু এবং অন্যদের অকাল মৃত্যুর জন্য দায়ী , তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান কারণ এই রােগ । মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবার কিউলােসিস নামক একপ্রকার ব্যাক্টেরিয়া এই রােগের কারণ। আরাে দুই প্রকার মাইকো ব্যাক্টেরিয়া আছে , যারা কম হলেও যক্ষ্মা সৃষ্টি করে ।

ডিপথেরিয়া।।রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

ডিপথেরিয়া এই রােগের জীবাণুর নাম করিণি ব্যাক্টোরিয়াম ডিপথেরি । আক্রমণস্থল শ্লেষ্মা ঝিল্লি ।  প্রধান লক্ষণ :: জ্বর , গলাব্যথা , ক্ষিদের অভাব , গলায় ঘা , শ্বাসের কষ্ট , নাক দিয়ে জল বা রক্ত পড়া । ক্রমশঃ নাকের ও গলার ভিতরে সাদা রঙের পর্দা দেখা যায় । রোগী ক্রমশঃ খুব দুর্বল হয়ে পড়ে । ক্ষতি :: প্রতি বছর পৃথিবীতে প্রায় আড়াই হাজার শিশু এই রােগে প্রান  হারায় । বড়দেরও এ অসুখ হয় , তবে সংখ্যা অনেক কম । রােগ জীবাণু নিঃসৃত টক্সিন দ্বারা হার্টের পেশী এবং স্নায়ুর প্রদাহ থেকে মৃত্যু হয় । প্রতিরােধ :: তালিকা অনুযায়ী টিকা প্রদান ।  চিকিৎসা  :: অসুখ হওয়ামাত্র রােগীকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে পথ্য :: তরল খাদ্য  সংক্রমণ :: নিঃশ্বাসের সঙ্গে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে এবং শ্বাসের সঙ্গে অন্যের শরীরে ঢোকে । বিড়ালের সঙ্গে এই রােগের আলাদা কোন সম্পর্ক নাই । খাদ্য দ্বারাও এই রােগের জীবাণু বাহিত হতে পারে ।