🗿 হরপ্পা সভ্যতার অধিবাসীদের সামাজিক জীবনের বিস্তারিত পরিচয় হরপ্পা সভ্যতা বা সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীদের সামাজিক জীবন সম্পর্কে জানার প্রধান উৎস হলো প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্যের ফলে প্রাপ্ত নগর পরিকল্পনা, সমাধিক্ষেত্র, মৃৎপাত্র, মূর্তি, অলংকার এবং অন্যান্য নিদর্শনসমূহ। এই নিদর্শনের ভিত্তিতে সমাজবিজ্ঞানীরা হরপ্পা সমাজের নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলি তুলে ধরেছেন:
শুধুমাত্র একটি বিষয়ে তাঁর পান্ডিত্য পরিলক্ষিত হয়নি ; তাঁর কাজ ইঞ্জিনিয়ারিং , গণিত ,পরিসংখান , পদার্থবিজ্ঞান , জ্যোতিবিজ্ঞান এবং দর্শন এর বিকাশে সাহায্য করেছিল। এছাড়াও ১৮১৬ সালে বাতাসে শব্দের গতিবেগের ওপরে একটি তত্ত্ব নিয়ে আসেন; তাতে দেখানো হয় বাতাসে শব্দের বেগ 'Heat Capacity Ratio' র ওপরে নির্ভর করে।
ইঞ্জিনিয়ারিং` গণিতে তাঁর বেশ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। যেমন - লাপ্লাস সমীকরণ , লাপ্লাস ট্রান্সফর্ম , লাপ্লাস ডিস্ট্রিবিউশন , লাপ্লাস নম্বর ,লাপ্লাস লিমিট , লাপ্লাস ফোর্স , লাপ্লাস মোশন ইত্যাদি.......
এই মহান বিজ্ঞানীকে সর্বকালের অন্যতম বিজ্ঞানী হিসেবে স্মরণ করা হয় , কখনো কখনো তিনি আবার ফ্রান্সের নিউটন বা ফরাসী নিউটন নামেও অভিহিত হন।
হ্যাঁ ইনি হলেন আমাদের সকলের সুপরিচিত মহান বিজ্ঞানী Pierre Simon Laplace.
Pierre Simon Laplace ছিলেন এ একজন ফরাসি পণ্ডিত। ২৩ মার্চ ১৭৪৯ সালে Pont I ' Eveque এর চার মাইল পশ্চিমে Beaumont -on - Auge ; Normandy নামক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এই মহান বিজ্ঞানী। তাঁর বাবার নাম Pierre de Laplace এবং মাতার নাম Marie Anne Sochon .
ইনি এক কৃষক পরিবার থেকে উঠে আসলেও পড়াশোনার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা এবং অসাধারণ মেধা তাকে সাফল্যের শিখরে নিয়ে যায়।
এই মহান বিজ্ঞানী তাঁর জীবনে বহু সন্মান অর্জন করেছিলেন -
তার মধ্যে কয়েকটি হলো:-
১. গ্রহাণু ৪৬২৮ এর নামকরণ Laplace এর নামে করা হয়েছে।
২. আইফেল টাওয়ার এ যে ৭২ টি নাম লেখা আছে তাদের মধ্যে তাঁর নাম ও আছে।
এছাড়াও তাঁর সম্মানার্থে বিভিন্ন স্থানের নামকরণ তাঁর নাম এ নামকরণ করা হয়েছে।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই মহান মনীষীর অবদান সত্যিই অপরিসীম। পরবর্তীতে আমরা ধাপে ধাপে এনার কর্মজীবন এবং আবিষ্কারের সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেবো , মাতৃভাষায় সেগুলি জেনে সত্যি আমাদের খুব ভালো লাগবে ।

Comments
Post a Comment