Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নোত্তর

পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নোত্তর 1. দক্ষিণ ভারতের দীর্ঘতম নদী কোনটি? (Which is the longest river in South India?) (a) কাবেরী (b) কৃষ্ণা (c) গোদাবরী (d) নর্মদা 2. 'শেরশাহের' আসল নাম কী ছিল? (What was the real name of Sher Shah?) (a) জুনা খান (b) ফতেহ খান (c) ফরিদ খান (d) সেলিম খান

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন 

বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন

Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে? 
Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে.


Q. বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত? 
Α. ৭৮.০৯%.


Q. বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত? 
Α. ২০.৯৫%.


Q. বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত? 
Α. ০.৯৩%.


Q. বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত? 
Α. ০.০৩%.


Q. বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়? 
Α. ছয়টি.


Q. ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত? 
Α. প্রায় ১৬-১৮ কিমি.


Q. উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়? 
Α. বায়ুর চাপ কমে যায়.


Q. ট্রপোপজ কাকে বলে? 
Α. ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে.


Q. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত? 
Α. ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন্ত.


Q. কোন্ স্তরে বায়ুর পরিমাণ কম এবং ধূলিকণা বা জলীয় বাষ্প থাকে না? 
Α. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে.


Q. শান্তমণ্ডল কাকে বলা হয়? 
Α. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারকে.


Q. স্ট্র্যাটোপজ কাকে বলে? 
Α. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের শেষ সীমা বা সর্বোচ্চ স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে.


Q. মেসোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত? 
Α. ৫০ কিমি থেকে ৮০ কিমি পর্যন্ত.


Q. মেসোস্ফিয়ারের ঊর্ধ্বসীমায় তাপমাত্রা কত হয়? 
Α. প্রায় -93 Degree C.


Q. মেসোপজ কাকে বলে? 
Α. মেসোস্ফিয়ারের উপরের দিকে স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে.


Q. থার্মোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত? 
Α. ৮০ কিমি থেকে প্রায় ৫০০ কিমি পর্যন্ত.


Q. কোন্ স্তরে বাতাস না থাকায় আকাশকে কালো দেখায়? 
Α. থার্মোস্ফিয়ারে.


Q. থার্মোস্ফিয়ারের ঊর্ধ্বসীমার উষ্ণতা কত? 
Α. প্রায় 1250 Degree C.


Q. থার্মোপজ কাকে বলে? 
Α. থার্মোস্ফিয়ার ও এক্সোস্ফিয়ারের সংযোগকারী স্তরকে.

ওজোন স্তর ও তার ধ্বংস


Q. ওজোন স্তরের অপর নাম কী? 
Α. ওজোনোস্ফিয়ার.


Q. ওজোন স্তরের প্রধান কাজ কী? 
Α. সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি (UV) রশ্মি শোষণ করা.


Q. ওজোন গ্যাসের সংকেত কী?
Α. O3.


Q. ওজোন স্তর ধ্বংসের একটি প্রাকৃতিক কারণ কী? 
Α. অতিবেগুনি রশ্মি বা বজ্রপাত.


Q. CFC-এর পুরো নাম কী? 
Α. ক্লোরোফ্লুরোকার্বন.


Q. ওজোন গহ্বর বা ওজোন হোল কী? 
Α. ওজোন স্তর পাতলা হয়ে যাওয়াকে ওজোন গহ্বর বলে.


Q. হ্যালোন যৌগগুলি কী কী? 
Α. হ্যালোন-১২১১ ও হ্যালোন-১৩০১.


Q. জেট প্লেন থেকে নির্গত কোন গ্যাস ওজোন স্তর ধ্বংস করে? 
Α. নাইট্রোজেন অক্সাইড বা NOx.


Q. সৌরদগ্ধ বা সানবার্ন কী? 
Α. UV-B রশ্মি মানুষের কোষের DNA দ্বারা শোষিত হয়ে ত্বক পুড়িয়ে দিলে তাকে সানবার্ন বলে.


Q. ওজোন স্তর ধ্বংসে অনুঘটকের কাজ করে কোনটি? 
Α. CFC যৌগসমূহ.


Q. অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে সামুদ্রিক কোন উদ্ভিদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়? 
Α. ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন.


Q. CFC যৌগসমূহ কোথায় ব্যবহৃত হয়? 
Α. রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার এবং সুগন্ধি স্প্রে-তে.


Q. ওজোন স্তর ধ্বংসের ফলে শস্য ফলনের কী পরিবর্তন হয়? 
Α. শস্য ফলনের হার হ্রাস পায়.


Q. ওজোন স্তর ধ্বংসে ক্লোরিন পরমাণুর উৎস কী? 
Α. CFC-এর বিয়োজন.


Q. UV-C রশ্মির প্রভাবে ওজোন কীসে পরিণত হয়? 
Α. অক্সিজেন অণু ও পরমাণুতে (O2 + O).

গ্রিনহাউস এফেক্ট ও বিশ্ব উষ্ণায়ন

Q. গ্রিনহাউস কথাটির অর্থ কী? 
Α. গাছপালা পরিচর্যার জন্য তৈরি কাঁচের ঘর.


Q. প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস কোনটি? 
Α. কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2).


Q. একটি জৈব গ্রিনহাউস গ্যাসের নাম লেখো। 
Α. মিথেন (CH4).


Q. মিথেনের একটি প্রধান উৎস কী? 
Α. ধানক্ষেত বা পচা জলাভূমি.


Q. গ্লোবাল ওয়ার্মিং কী? 
Α. গ্রিনহাউস প্রভাবের ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া.


Q. গত শতাব্দীতে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা কত বেড়েছে? 
Α. প্রায় 1 Degree C.


Q. বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে মেরু অঞ্চলে কী প্রভাব পড়বে? 
Α. জমে থাকা বরফ গলে যাবে.


Q. কোন্ রশ্মির প্রভাবে গ্রিনহাউস গ্যাসগুলি উত্তপ্ত হয়? 
Α. ইনফ্রা-রেড বা অবলোহিত রশ্মি.


Q. গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের একটি উপায় কী? 
Α. অপ্রচলিত শক্তির ব্যবহার বাড়ানো.


Q. বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে কত শতাংশ স্তন্যপায়ী প্রাণী বিলুপ্ত হতে পারে? 
Α. ৪৪%.


Q. সমুদ্রতলের জল বাড়লে কোন দেশগুলি ডুবে যেতে পারে? 
Α. ভারত, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের কিছু অংশ.


Q. ল্যাপস রেটের মান কত? 
Α. প্রতি ১ কিমি উচ্চতায় 6.5 Degree C উষ্ণতা হ্রাস.


Q. এক্সোস্ফিয়ারের উষ্ণতা কত? 
Α. 1200 Degree C থেকে 1600 Degree C.


Q. ম্যাগনেটোস্ফিয়ারের ঊর্ধ্বসীমা কত? 
Α. ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০,০০০ কিমি.


Q. পরিচলন স্রোত বায়ুমণ্ডলের কোন্ স্তরে দেখা যায়? 
Α. ট্রপোস্ফিয়ারে.



Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

ভঙ্গিল পর্বতের বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করো।

ভঙ্গিল পর্বতের বৈশিষ্ট্যগুলি হল— (১) বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে কোমল পাললিক শিলায় ঢেউ-এর মতো ভাঁজ পড়ে ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি হয়। (২) প্রধানত সমুদ্রগর্ভ থেকে সৃষ্টি হয় বলে ভঙ্গিল পর্বতে জীবাশ্ম দেখা যায়। (৩) ভঙ্গিল পর্বতগুলি সাধারণত পাললিক শিলায় গঠিত হলেও অনেক সময় ভঙ্গিল পর্বতে আগ্নেয় এবং রূপান্তরিত শিলার সহাবস্থান চোখে পড়ে (কারণ—ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির সময় শিলাস্তরে ফাটল সৃষ্টি হলে, সেই ফাটল দিয়ে ভূগর্ভের ম্যাগমা লাভারূপে ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে আসে যা ধীরে ধীরে জমাট বেঁধে আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি করে। এর পর কালক্রমে প্রচণ্ড চাপ ও তাপের ফলে আগ্নেয় শিলা ও পাললিক শিলা রূপান্তরিত শিলায় পরিণত হয়)

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

স্তূপ পর্বত

স্তূপ পর্বত             ভূ-আলোড়নজনিত প্রসারণ বলের প্রভাবে পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ফাটলের মধ্যবর্তী অংশ চাপের ফলে বিচ্যুত হয়ে ওপরে উঠে যায় বা দুটি ফাটলের মধ্যবর্তী অংশ চাপের ফলে নীচে বসে যায় তখন অপেক্ষাকৃত উঁচু অংশকে স্তূপ পর্বত বলে। প্রবল ভূ-আলোড়নের ফলে ভূত্বকের বিভিন্ন অংশে চাপের পার্থক্য ঘটে। ফলে শিলায় টান ও সংনমনের সৃষ্টি হয়। টান ও সংনমনের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয় এবং ফাটলরেখা বরাবর শিলার এক অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি উল্লম্ব চ্যুতির মাঝের অংশটি নীচে বসে গেলে দু-পাশ ওপরে উঠে আসে। আবার মাঝের অংশটি ওপরে উঠে গেলে দু-পাশ নীচে বসে যায়। তখন ওপরে উঠে আসা অংশকে স্তূপ পর্বত বলে।