Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন 

বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন

Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে? 
Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে.


Q. বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত? 
Α. ৭৮.০৯%.


Q. বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত? 
Α. ২০.৯৫%.


Q. বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত? 
Α. ০.৯৩%.


Q. বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত? 
Α. ০.০৩%.


Q. বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়? 
Α. ছয়টি.


Q. ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত? 
Α. প্রায় ১৬-১৮ কিমি.


Q. উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়? 
Α. বায়ুর চাপ কমে যায়.


Q. ট্রপোপজ কাকে বলে? 
Α. ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে.


Q. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত? 
Α. ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন্ত.


Q. কোন্ স্তরে বায়ুর পরিমাণ কম এবং ধূলিকণা বা জলীয় বাষ্প থাকে না? 
Α. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে.


Q. শান্তমণ্ডল কাকে বলা হয়? 
Α. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারকে.


Q. স্ট্র্যাটোপজ কাকে বলে? 
Α. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের শেষ সীমা বা সর্বোচ্চ স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে.


Q. মেসোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত? 
Α. ৫০ কিমি থেকে ৮০ কিমি পর্যন্ত.


Q. মেসোস্ফিয়ারের ঊর্ধ্বসীমায় তাপমাত্রা কত হয়? 
Α. প্রায় -93 Degree C.


Q. মেসোপজ কাকে বলে? 
Α. মেসোস্ফিয়ারের উপরের দিকে স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে.


Q. থার্মোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত? 
Α. ৮০ কিমি থেকে প্রায় ৫০০ কিমি পর্যন্ত.


Q. কোন্ স্তরে বাতাস না থাকায় আকাশকে কালো দেখায়? 
Α. থার্মোস্ফিয়ারে.


Q. থার্মোস্ফিয়ারের ঊর্ধ্বসীমার উষ্ণতা কত? 
Α. প্রায় 1250 Degree C.


Q. থার্মোপজ কাকে বলে? 
Α. থার্মোস্ফিয়ার ও এক্সোস্ফিয়ারের সংযোগকারী স্তরকে.

ওজোন স্তর ও তার ধ্বংস


Q. ওজোন স্তরের অপর নাম কী? 
Α. ওজোনোস্ফিয়ার.


Q. ওজোন স্তরের প্রধান কাজ কী? 
Α. সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি (UV) রশ্মি শোষণ করা.


Q. ওজোন গ্যাসের সংকেত কী?
Α. O3.


Q. ওজোন স্তর ধ্বংসের একটি প্রাকৃতিক কারণ কী? 
Α. অতিবেগুনি রশ্মি বা বজ্রপাত.


Q. CFC-এর পুরো নাম কী? 
Α. ক্লোরোফ্লুরোকার্বন.


Q. ওজোন গহ্বর বা ওজোন হোল কী? 
Α. ওজোন স্তর পাতলা হয়ে যাওয়াকে ওজোন গহ্বর বলে.


Q. হ্যালোন যৌগগুলি কী কী? 
Α. হ্যালোন-১২১১ ও হ্যালোন-১৩০১.


Q. জেট প্লেন থেকে নির্গত কোন গ্যাস ওজোন স্তর ধ্বংস করে? 
Α. নাইট্রোজেন অক্সাইড বা NOx.


Q. সৌরদগ্ধ বা সানবার্ন কী? 
Α. UV-B রশ্মি মানুষের কোষের DNA দ্বারা শোষিত হয়ে ত্বক পুড়িয়ে দিলে তাকে সানবার্ন বলে.


Q. ওজোন স্তর ধ্বংসে অনুঘটকের কাজ করে কোনটি? 
Α. CFC যৌগসমূহ.


Q. অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে সামুদ্রিক কোন উদ্ভিদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়? 
Α. ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন.


Q. CFC যৌগসমূহ কোথায় ব্যবহৃত হয়? 
Α. রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার এবং সুগন্ধি স্প্রে-তে.


Q. ওজোন স্তর ধ্বংসের ফলে শস্য ফলনের কী পরিবর্তন হয়? 
Α. শস্য ফলনের হার হ্রাস পায়.


Q. ওজোন স্তর ধ্বংসে ক্লোরিন পরমাণুর উৎস কী? 
Α. CFC-এর বিয়োজন.


Q. UV-C রশ্মির প্রভাবে ওজোন কীসে পরিণত হয়? 
Α. অক্সিজেন অণু ও পরমাণুতে (O2 + O).

গ্রিনহাউস এফেক্ট ও বিশ্ব উষ্ণায়ন

Q. গ্রিনহাউস কথাটির অর্থ কী? 
Α. গাছপালা পরিচর্যার জন্য তৈরি কাঁচের ঘর.


Q. প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস কোনটি? 
Α. কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2).


Q. একটি জৈব গ্রিনহাউস গ্যাসের নাম লেখো। 
Α. মিথেন (CH4).


Q. মিথেনের একটি প্রধান উৎস কী? 
Α. ধানক্ষেত বা পচা জলাভূমি.


Q. গ্লোবাল ওয়ার্মিং কী? 
Α. গ্রিনহাউস প্রভাবের ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া.


Q. গত শতাব্দীতে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা কত বেড়েছে? 
Α. প্রায় 1 Degree C.


Q. বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে মেরু অঞ্চলে কী প্রভাব পড়বে? 
Α. জমে থাকা বরফ গলে যাবে.


Q. কোন্ রশ্মির প্রভাবে গ্রিনহাউস গ্যাসগুলি উত্তপ্ত হয়? 
Α. ইনফ্রা-রেড বা অবলোহিত রশ্মি.


Q. গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের একটি উপায় কী? 
Α. অপ্রচলিত শক্তির ব্যবহার বাড়ানো.


Q. বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে কত শতাংশ স্তন্যপায়ী প্রাণী বিলুপ্ত হতে পারে? 
Α. ৪৪%.


Q. সমুদ্রতলের জল বাড়লে কোন দেশগুলি ডুবে যেতে পারে? 
Α. ভারত, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের কিছু অংশ.


Q. ল্যাপস রেটের মান কত? 
Α. প্রতি ১ কিমি উচ্চতায় 6.5 Degree C উষ্ণতা হ্রাস.


Q. এক্সোস্ফিয়ারের উষ্ণতা কত? 
Α. 1200 Degree C থেকে 1600 Degree C.


Q. ম্যাগনেটোস্ফিয়ারের ঊর্ধ্বসীমা কত? 
Α. ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০,০০০ কিমি.


Q. পরিচলন স্রোত বায়ুমণ্ডলের কোন্ স্তরে দেখা যায়? 
Α. ট্রপোস্ফিয়ারে.



Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য

  আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য Sl. No. আবহবিকার ক্ষয়ীভবন 1 আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন—উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, জলীয় বাষ্প, তুষারপাত ও বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান দ্বার শিলাসমূহের চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া বা বিয়োজনকে আবহবিকার বলে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ, ইত্যাদি দ্বারা আবহবিকারপ্রাপ্ত চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহের অপসারণকে ক্ষয়ীভবন বলে। 2 আবহবিকারের ফলে মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের (গঠন, আকৃতি, খনিজের আণবিক সজ্জা প্রভৃতি) পরিবর্তন ঘটে । ক্ষয়ীভবনের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয়। কিন্তু মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন সাধন হয় না। 3 আবহবিকার কোনোভাবে ক্ষয়ীভবনের ওপর নির্ভরশীল নয়। ক্ষয়ীভবন সম্পূর্ণরূপে আবহবিকারের ওপর নির্ভরশীল। আবহবিকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে না। 4 আবহবিকারের ফলে চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহ শিলাস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে। ক্ষয়ীভবনের ফলে আবহবিকার প্রাপ্ত শিলাচূর্ণ স্থানান্তরি...

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

ক্ষয়জাত পর্বত

ক্ষয়জাত পর্বত       ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ, হিমবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ক্ষয় কাজের ফলে সবসময় ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। এইভাবে অনেক সময় শক্ত শিলায় গঠিত জায়গা কম ক্ষয় পেয়ে যখন আশপাশের বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া নরম শিলায় গঠিত জায়গা থেকে আলাদা হয়ে উঁচুতে থেকে যায়, তখন তাকে ক্ষয়জাত পর্বত বলে। কম ক্ষয় হওয়া অবশিষ্ট অংশ পর্বতে পরিণত হয় বলে একে অবশিষ্ট পর্বত-ও বলা হয়।

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।