দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে? Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q. বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত? Α. ৭৮.০৯%. Q. বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত? Α. ২০.৯৫%. Q. বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত? Α. ০.৯৩%. Q. বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত? Α. ০.০৩%. Q. বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়? Α. ছয়টি. Q. ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত? Α. প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q. উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়? Α. বায়ুর চাপ কমে যায়. Q. ট্রপোপজ কাকে বলে? Α. ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত? Α. ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...
যে কোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করতে গেলে যে নিয়ম গুলি মেনে চলা উচিত

যে কোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ,প্রতিযোগিতা দিন দিন যে ভাবে বেড়ে চলছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই বলে হাল ছেড়ে দাওয়াও মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ নয় । সঠিক পরিশ্রম আর ধৈর্যের সাথে লেগে থাকতে হবে।
এখন মোটামুটি সব বিভাগের (যেমন বিজ্ঞান, কলা, কমার্স, ইঞ্জিনিয়ার, ইত্যাদি )ছাত্রছাত্রী দের ঝোঁক বাড়ছে এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার দিকে। এছাড়াও বয়সের সময়সীমা(কখনো ১৮ থেকে ৩৫ বা ১৮ থেকে ২৭, ইত্যাদি ) ও এই প্রতিযোগিতাকে আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে।
এই সব কারণে হতে পারে আপনি প্রথম বার সাফল্য পেলেন না , কিন্তু ওই তো বললাম সঠিক পরিশ্রম আর ধৈর্যের সাথে লেগে থাকতে হবে।
চলুন কিছু টিপস দেখে নি যে গুলো আপনাকে আপনার পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করবে।
১) লক্ষ্য স্থির করুন ;
আপনার প্রথম কাজ হলো লক্ষ্য স্থির করা। ভালোভাবে স্থির করুন যে আপনার লক্ষ্য কি , আপনি কি চান। লক্ষ্য যত অল্প বয়স থেকে স্থির করা যায় এটা ততই ভালো। আপনার লক্ষ্য অনুযায়ী যদি আপনি প্রথম থেকে এগোন তাহলে আপনার পরিশ্রম একটু হলেও কমতে পারে।
সুতরাং ভাবুন , কল্পনাশক্তি দিয়ে দেখুন আপনি কি চান। তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না বা কাওকে দেখে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না। বিশ্বাস করুন আপনার মধ্যে সব গুন আছে এবং আপনি সব পারবেন।
২) পরীক্ষাটির সম্পর্কে জানুন ;
যাই হোক যদি আপনি ভাবনা চিন্তা করে শেষ অব্দি ঠিক করলেন যে প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষায় বসবেন এবং বড়ো কোনো অফিসার হবেন। তাহলে আপনার প্রথম কাজ হলো যে পরীক্ষার জন্য আপনি পড়াশোনা করবেন সেটা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা। যেমন ধরুন পরীক্ষার পর আপনার কি কি পদে চাকরি হতে পারে। কি কি কাজ করতে হবে। এই সব খুঁটিনাটি জানুন। দরকার পড়লে ওই পদে আছেন এমন কোনো ব্যক্তির সাথে কথা বলুন এবং জেনে নিন। এটা করলে আপনার ওই চাকরির জন্য আগ্রহ আরো বাড়বে এবং আপনার ইচ্ছা, মন ও মস্তিষ্কের ওপরে পজিটিভ প্রভাব ফেলবে যাতে আপনার প্রস্তুতিপর্ব টা অনেক ভালো হবে।
৩) সিলেবাস ;
৪) উপযুক্ত স্টাডি ম্যাটেরিয়াল :
৫)আগের কয়েক বছরের প্রশ্নপত্র :
সুতরাং আগের কয়েক বছরের প্রশ্নপত্র দেখুন এবং সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি শুরু করে দিন।
৬)সঠিক পরিকল্পনা এবং একটি সময় সারণি (টাইম টেবিল ) তৈরী করুন :
৭)বন্ধুদের সাথে আলোচনা করুন:
৮)প্রযুক্তিকে সঠিক কাজে লাগান।

মোবাইল তো এখন সবার হাতে হাতে , সেটিকে সঠিক কাজে লাগান। অনেক ওয়েবসাইট আছে যেগুলি তে অনেক ভালো কিছু জানা যায় সেগুলি ফলো করুন। ধরুন বাসে বা ট্রেনে কোথাও যাচ্ছেন - প্রশ্ন গুলো পড়তে থাকুন , কোথাও না কোথাও ঠিক কাজে লাগবেই। তার মানে এটা সবসময় করতে বলছি না , বিনোদন টাও দরকার। কোনো পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবার সময় শুধুমাত্র পড়াশোনার দিকে বেশি মনোযোগ দিলে সাফল্য টাও খুব তাড়াতাড়ি আসবে।
যেহেতু প্রতিযোগিতা খুব বেশি তাই সাফল্য আসতে হতে পারে একটু টাইম লাগলো তাই বলে হতাশ হবেন না এবং হাল ছাড়বেন না। মনে রাখবেন আপনি যে লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছিলেন সেটা আপনাকে পূরণ করতেই হবে। নিজের ওপরে বিশ্বাস রাখুন ও কারোর কথায় কান দেবেন না। অনেকে অনেক কিছু বলবে। মনে রাখবেন জীবন টা আপনার অন্যের নই , আপনার জীবন সুন্দরভাবে গড়ে তোলার দায়িত্ব আপনার।
৯) হতাশ হবেন না :
✽✽✽ধন্যবাদ ✽✽✽








Comments
Post a Comment