দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে? Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q. বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত? Α. ৭৮.০৯%. Q. বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত? Α. ২০.৯৫%. Q. বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত? Α. ০.৯৩%. Q. বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত? Α. ০.০৩%. Q. বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়? Α. ছয়টি. Q. ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত? Α. প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q. উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়? Α. বায়ুর চাপ কমে যায়. Q. ট্রপোপজ কাকে বলে? Α. ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত? Α. ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...
ইংরেজ দের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ ভারতীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করে। আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ, ইতালি ও জার্মানির ঐক্য আন্দোলন, ফরাসি ও রুশ বিপ্লব ইত্যাদি ইউরোপীয় ঘটনাগুলি ভারতীয় জাতীয়তাবাদের পটভূমি রচনা করেছিল। তাই ক্রিস্টোফার লয়েড বলেছেন, “Nationalism is the religion of the modern world”.
১৭৭৬ খ্রিস্টাব্দে আমেরিকাস্থিত ইংরেজ উপনিবেশগুলি ইংল্যান্ডের অন্যায় শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠে। ফলস্বরূপ মাত্র তেরোটি উপনিবেশ ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের আমেরিকান বলে দাবি করে এবং বিরাট শক্তিশালী ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে নেয়। এই ঘটনায় ভারতীয় জাতীয়তাবাদ অনুপ্রাণিত হয়। অধ্যাপক হেইজ এই প্রসঙ্গে বলেছেন—“আমেরিকার বিপ্লবের মাধ্যমে আমেরিকা এবং সমগ্র বিশ্বে গণতন্ত্রের পথ সুগম হয়”।
(২) ইতালির আন্দোলন—
ম্যাৎসিনি, কাভুর ও গ্যারিবল্ডির নেতৃত্বে মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে ইতালি একটি ঐক্যবদ্ধ জাতীয় রাষ্ট্রে পরিণত হয়। এতে ভারতীয়রা উদ্দীপিত হন।
(৩) ফরাসি বিপ্লব—
১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে ফ্রান্সের সাধারণ মানুষ বিপ্লব দ্বারা রাজতন্ত্রের উচ্ছেদের মাধ্যমে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে। ফরাসি বিপ্লবের সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার ধারণা ভারতবাসীর জাতীয়তাবাদী চেতনাকে উজ্জীবিত করে।
(৪) রুশবিপ্লব (বলশেভিক বিপ্লব)—
রাশিয়ায় ১৯১৭ সালে বলশেভিক দলের প্রচেষ্টায় তিনশো বছরের রোমানভ রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে। এই ঘটনায় অনুপ্রেরিত হয়ে ভারতীয়রাও বিশ্বাস করতে শুরু করে যে তারাও এদেশে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটাতে পারবে।
এই ঘটনাগুলি ছাড়াও উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে গ্রিসের স্বাধীনতাযুদ্ধ, আয়ার্ল্যান্ডের আন্দোলন, জার্মানির ঐক্য আন্দোলন ব্রিটিশ–বিরোধী ভারতীয় জাতীয়তাবাদের প্রেক্ষিত রচনা করেছিল। হ্যান্সফন বলেছেন, “ঊনবিংশ শতাব্দীতে ইউরোপীয় আন্দোলনের ধারা থেকে জাতীয়তাবাদের সূচনা ঘটে”। কার্ল মার্কসের মতে, “সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজদের অপরাধগুলিই ইতিহাসের পরোক্ষ অস্ত্ররূপে বিপ্লব ত্বরান্বিত করে”।
Comments
Post a Comment