Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নোত্তর, SET 01

পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নোত্তর 1. দক্ষিণ ভারতের দীর্ঘতম নদী কোনটি? (Which is the longest river in South India?) (a) কাবেরী (b) কৃষ্ণা (c) গোদাবরী (d) নর্মদা 2. 'শেরশাহের' আসল নাম কী ছিল? (What was the real name of Sher Shah?) (a) জুনা খান (b) ফতেহ খান (c) ফরিদ খান (d) সেলিম খান

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, সেট-৬

জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন


প্রশ্ন:১
মিনি স্যাটেলাইট কী ?

উত্তর: 
বিজ্ঞানীরা দেখেছেন মানুষের মধ্যে DNA ফিঙ্গার প্রিন্টের মধ্যে পার্থক্য নির্ভর করে DNA-র মধ্যে বসে থাকা ছােটো ছােটো বেস সজ্জার পুনরাবৃত্তি। এদের মিনি স্যাটেলাইট বা মাইকো স্যাটেলাইট DNA বলে।


প্রশ্ন:২
DNA-র কাজগুলি লেখাে।

উত্তর: 
(i) DNA বংশগত বৈশিষ্ট্যের ধারক ও বাহকরূপে কাজ করে। 
(ii) DNA প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে কোশের সমস্ত জৈবিক ক্রিয়াগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করে। 
(iii) প্রােটিন ও RNA সংশ্লেষ করা DNA-র গুরুত্বপূর্ণ কাজ। 
(iv) DNA নিজ প্রতিলিপি গঠন করে অপত্য DNA সৃষ্টি করে।


প্রশ্ন:৩
m-RNA ও t-RNA-র পার্থক্য দেখাও।

উত্তর: 
m-RNA ক্রোমোজোম মধ্যস্থ DNA-র যে-কোনাে একটি শৃঙ্খল থেকে উৎপন্ন হয়ে DNA-র বার্তা বহন করে সাইটোপ্লাজমে আসে এবং t-RNA ও রাইবােজোমের সাহায্যে প্রােটিন সংশ্লেষ করে। অপরপক্ষে, t-RNA, DNA থেকে উৎপন্ন হয়ে সাইটোপ্লাজমে এসে কোশের অ্যামাইনাে অ্যাসিড ভাণ্ডার থেকে m-RNA কর্তৃক নির্দেশিত কোডন বা সংকেত বুঝে নিয়ে সঠিক অ্যামাইনাে অ্যাসিড সংগ্রহ করে প্রােটিন সংশ্লেষ স্থানে নিয়ে যায়।


প্রশ্ন:৪
অ্যান্টিসেন্স RNA কী ?

উত্তর: 
এটি m-RNA-র পরিপূরক বেস দিয়ে গঠিত এবং m-RNA-র সঙ্গে যুক্ত হয়ে সংকর (hybrid) গঠন করে এবং প্রােটিন সংশ্লেষে বাধাদান করে।


প্রশ্ন:৫
পিউরিন ও পিরিমিডিনের মধ্যে একটি পার্থক্য দেখাও।

উত্তর: 
পিউরিন—
(i) পিউরিন অণু একটি ছয় কার্বনযুক্ত বলয় পিরিমিডিন এবং একটি পাঁচ কার্বনযুক্ত বলয় ইমিডাজোল নিয়ে গঠিত।
পিরিমিডিন—
(i) একটি মাত্র ছয় কার্বনযুক্ত বলয় নিয়ে গঠিত।


প্রশ্ন:৬
প্রােটিন সংশ্লেষে RNA-র ভূমিকা কী ?

উত্তর: 
প্রােটিন সংশ্লেষে RNA-র ভূমিকা হল—
(i) প্রােটিন উৎপাদনের সময় DNA সরাসরি সাইটোপ্লাজমে না এসে ট্রান্সক্রিপশন পদ্ধতির মাধ্যমে m-RNA সংশ্লেষ করে। 
(ii) এই m-RNA নিউক্লিয়াস থেকে সাইটোপ্লাজমীয় রাইবােজোম অংশে জেনেটিক বার্তা বহন করে আনে। 
(iii) ওই জেনেটিক বার্তা অনুযায়ী রাইবােজোম মধ্যস্থ r-RNA ওই বার্তা পঠনে অংশ নেয়। 
(iv) সেই পাঠ অনুসারে t-RNA পরপর অ্যামাইনাে অ্যাসিডগুলিকে সাজিয়ে প্রােটিন সংশ্লেষ করে।


প্রশ্ন:৭
ওপেরনের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর: 
সংগঠক জিন ও তাদের নিয়ন্ত্রক উপাদান সহ যে জিনগােষ্ঠী প্রােক্যারিওট কোশে বিশেষ কোনাে বিপাকে কাজের জন্য নির্ধারিত তাকে ওপেরন বলে।


প্রশ্ন:৮
কোডন ও অ্যান্টিকোডন কাকে বলে ?

উত্তর: 
m-RNA-তে অবস্থিত তিনটি নাইট্রোজেন বেসের সজ্জাক্রম, যা DNA তে অবস্থিত নাইট্রোজেন বেসের পরিপূরক এবং যা একটি অ্যামাইনাে অ্যাসিডের সংকেত বহন করে তাকে কোডন বলে। অপরপক্ষে, t-RNA তে অবস্থিত তিনটি নাইট্রোজেন বেসের সজ্জাক্রম, যা কোডন বেসের পরিপূরক, তাকে অ্যান্টিকোডন বলে।


প্রশ্ন:৯
DNA ফিঙ্গার প্রিন্টিং কাকে বলে ?

উত্তর: 
VNTR-এর ভিত্তিতে কোনাে মানুষের কোশস্থ DNA-কে রেস্ট্রিকশন এন্ডােনিউক্লিয়েজ দিয়ে খণ্ডিত করে মানুষটিকে চেনার বা শনাক্ত করার পদ্ধতিকে DNA ফিঙ্গার প্রিন্টিং বলে।


প্রশ্ন:১০
নিউক্লিওসাইড ও নিউক্লিওটাইডের মধ্যে পার্থক্য দেখাও।

উত্তর: 
নিউক্লিওসাইড—
(i) এটি এক অণু পাঁচ কার্বনযুক্ত শর্করা এবং একটি নাইট্রোজেন বেস নিয়ে গঠিত। 
(ii) এটি DNA ও RNA-র অসম্পূর্ণ গঠনগত একক।
নিউক্লিওটাইড—
(i) এটি এক অণু পাঁচকার্বনযুক্ত শর্করা, একটি নাইট্রোজেন বেস এবং এক অণু ফসফোরিক অ্যাসিড নিয়ে গঠিত। 
(ii) এটি DNA ও RNA-র সম্পূর্ণ গঠনগত একক।


Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের চিরস্মরণীয় কিছু উক্তি

          বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। অগ্নিবীণা হাতে তার প্রবেশ, ধূমকেতুর মতো তার প্রকাশ। যেমন লেখাতে বিদ্রোহী, তেমনই জীবনে – কাজেই "বিদ্রোহী কবি"

মানব জীবনের ওপর মালভূমির প্রভাব আলোচনা করো

মানুষের জীবনধারণ ও জীবিকা অর্জনের ক্ষেত্রে মালভূমি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমন—  (১) মালভূমি সাধারণত স্বাভাবিক উদ্ভিদে সমৃদ্ধ হয়। যেমন—ছোটোনাগপুর মালভূমিতে প্রচুর শাল ও সেগুন গাছ জন্মে থাকে। (২) কোনোকোনো মালভূমির কঠিন শিলার ওপর উর্বর মৃত্তিকার আবরণ থাকলে সেই অঞ্চল কৃষিকার্যে উন্নতি লাভ করে। যেমন—ভারতের কৃষ্ণমৃত্তিকা অঞ্চল। (৩) মালভূমি অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি বন্ধুর এবং ভূভাগ কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত বলে চাষ-আবাদ, রাস্তাঘাট ও শিল্পস্থাপনে প্রতিকূল পরিবেশের সৃষ্টি করে।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা             ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।            ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়। 

অধঃক্ষেপণ

অধঃক্ষেপণ         ঊর্ধ্বগামী জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু অতিরিক্ত শীতলতার সংস্পর্শে এলে ঘনীভূত হয় এবং জলকণা ও তুষারকণায় পরিণত হয়। এই ক্ষুদ্র জলকণা ও তুষারকণাগুলি ক্রমশ আয়তনে বড়ো ও ওজনে ভারী হলে মাধ্যাকর্ষণের টানে ভূপৃষ্ঠে নেমে আসে। সুতরাং, জলীয়ুবাষ্পপূর্ণ বায়ু শীতল ও ঘনীভূত হয়ে, কঠিন বা তরল আকারে মাধ্যাকর্ষণের টানে ভূপৃষ্ঠে পতিত হলে তাকে একত্রে অধঃক্ষেপণ বলে।

ক্ষয়জাত পর্বত

ক্ষয়জাত পর্বত       ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ, হিমবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ক্ষয় কাজের ফলে সবসময় ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। এইভাবে অনেক সময় শক্ত শিলায় গঠিত জায়গা কম ক্ষয় পেয়ে যখন আশপাশের বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া নরম শিলায় গঠিত জায়গা থেকে আলাদা হয়ে উঁচুতে থেকে যায়, তখন তাকে ক্ষয়জাত পর্বত বলে। কম ক্ষয় হওয়া অবশিষ্ট অংশ পর্বতে পরিণত হয় বলে একে অবশিষ্ট পর্বত-ও বলা হয়।