Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, সেট-৭

জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন


প্রশ্ন:১
বিশুদ্ধ ও সংকর কাকে বলে ?

উত্তর: 
যে জীব কেবল নিজের মতাে অপত্য সৃষ্টি করে তাকে বিশুদ্ধ জীব এবং যে জীব অপত্য সৃষ্টিকালে একাধিক রকমের জীব উৎপাদন করতে পারে তাকে সংকর জীব বলে। যদি কোনাে জীব বংশানুক্রমে তার বৈশিষ্ট্যগুলিকে ঠিক ঠিক বজায় রাখে তখন সেই বৈশিষ্ট্যগুলিকে খাঁটি বা বিশুদ্ধ (pure) বলা হয়; অপরপক্ষে, দুটি খাঁটি বিপরীত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবের পরনিষেক ঘটানাের ফলে উৎপন্ন উভয় বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবকে (যদিও কেবল প্রকট গুণটিই প্রকাশিত হয়) সংকর (hybrid) বলে।
উদাহরণ–
বিশুদ্ধ কালাে (BB), বিশুদ্ধ সাদা (bb), সংকর কালাে (Bb)।


প্রশ্ন:২
কী কারণে মেডেল মটরগাছকে তার পরীক্ষার জন্য মনােনীত করেছিলেন তার তিনটি কারণ উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
বাগানের মটরগাছে নিম্নলিখিত কতকগুলি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হওয়ায় মেন্ডেল তাঁর পরীক্ষার জন্য মটরগাছকে নমুনা হিসেবে মনােনীত করেছিলেন—
(i) মটরগাছ একবর্ষজীবী হওয়ায় অতি সহজেই বাগানের জমিতে এবং টবে ফলানাে যায়।
(ii) মটর ফুল উভলিঙ্গ হওয়ায় সহজেই স্বপরাগযােগ ঘটে।
(iii) মটর ফুল স্বপরাগী হওয়ায় বাইরে থেকে আগত অন্য কোনাে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সহজে মিশে যেতে পারে না, ফলে বংশপরম্পরায় নির্দিষ্ট চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন খাঁটি সন্তান-সন্ততি উৎপাদন সম্ভব।


প্রশ্ন:৩
ফিনােটাইপ ও জিনােটাইপ কী ?

উত্তর: 
কোনাে জীবের নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যাবলির বাহ্যিক প্রকাশকে ফিনােটাইপ (phenotype) বলে; আবার জীবের নির্দিষ্ট জিনগত গঠন বা জিনের সংযুক্তিকে জিনােটাইপ (genotype) বলে। উদাহরণস্বরূপ, দুটি সংকর কালো গিনিপিগের (Bb) মধ্যে মিলন ঘটালে অপত্য বংশে তিন ভাগ কালাে এবং এক ভাগ সাদা গিনিপিগের সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে ফিনােটাইপগত অনুপাত হল 3:1। অপত্য গিনিপিগগুলির জিনগত বৈশিষ্ট্য লক্ষ করলে দেখা যাবে যে, তিন ভাগে কালাে গিনিপিগের মধ্যে এক ভাগ বিশুদ্ধ কালো (BB) এবং দু-ভাগ সংকর কালাে (Bb); আর সাদা গিনিপিগটি বিশুদ্ধ সাদা (bb)। সুতরাং জিনগত ফল অর্থাৎ জিনােটাইপগত অনুপাত হল 1:2:1।


প্রশ্ন:৪
মানুষের প্রধান প্রকট ও প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী ?

উত্তর: 
মানুষের প্রকট বৈশিষ্ট্য–
(i) মানুষের বর্ণযুক্ত শরীর। 
(ii) মানুষের কালাে রঙের কেশ। 
(iii) চোখের কালাে (black) রং। 
(iv) স্বাভাবিক ত্বক। 
(v) কুঞ্চিত কেশ।
মানুষের প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য–
(i) বর্ণহীন বা শ্বেত শরীর। 
(ii) হালকা রঙের কোশ। 
(iii) চোখের কটা বা বাদামি (brown) ও নীল (blue) রং। 
(iv) ছােপযুক্ত (spotted) ত্বক। 
(v) অকুঞ্চিত কেশ।


প্রশ্ন:৫
প্রকট ও প্রচ্ছন্ন কাকে বলে ?

উত্তর: 
দুটি বিপরীত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবের মধ্যে পরনিষেক ঘটলে প্রথম অপত্য বংশে যে বৈশিষ্ট্যটি প্রকাশ পায় তাকে প্রকট (dorminant) এবং যে বৈশিষ্ট্যটি প্রকাশ পায় না অর্থাৎ সুপ্ত থাকে তাকে প্রচ্ছন্ন (recessive) বলে। উদাহরণস্বরূপ, একটি বিশুদ্ধ বা খাঁটি চারিত্রিক প্রলক্ষণযুক্ত দীর্ঘাকার (TT) মটরগাছের সঙ্গে একটি বিশুদ্ধ প্রলক্ষণযুক্ত খর্বাকার (tt) মটর গাছের সংকরায়ণ ঘটালে প্রথম অপত্য বংশে দীর্ঘাকার (টট) মটরগাছ সৃষ্টি হয়। এখানে দীর্ঘাকার গুণটি প্রকট এবং খর্বাকার গুণটি প্রচ্ছন্ন।


প্রশ্ন:৬
মেন্ডেলের বংশগতি সংক্রান্ত সূত্রগুলি কী কী ?

উত্তর: 
মেন্ডেলের বংশগতি সংক্রান্ত সূত্রগুলি হল—
1. একক সত্তা সূত্র, 
2.প্রকটতা ও প্রচ্ছন্নতা সূত্র, 
3. পৃথক্ভবন সূত্র, 
4.স্বাধীনবিন্যাস সূত্র।


প্রশ্ন:৭
প্রকট জিন ও প্রচ্ছন্ন জিনের একটি পার্থক্য লেখো।

উত্তর: 
প্রকট জিন–একটি সংকর জীবের বাহ্যিক প্রকাশের জন্য দায়ী জিনকে প্রকট জিন বলে।
প্রচ্ছন্ন জিন–সংকর জীবে যে জিনটি নিজেকে বাহ্যিকভাবে প্রকাশ করতে পারে না তাকে প্রচ্ছন্ন জিন বলে।


প্রশ্ন:৮
মেন্ডেলের সাফল্যের কারণগুলি কী ছিল ?

উত্তর: 
মেন্ডেল মটরগাছের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে বংশগতি নির্ণায়ক সূত্র আবিষ্কার করেন। এটিই তাঁর সাফল্য তাঁর সাফল্যের পিছনে নিম্নলিখিত কারণগুলি আছে বলে মনে করা হয়—
(i) মেন্ডেলের নির্বাচিত পরীক্ষার উপাদান মটরগাছ জন্মানাে সহজ ও তার জন্মসময়কাল নাতিদীর্ঘ।
(ii) পরীক্ষার কাজে যেসব বৈশিষ্ট্য নির্বাচিত হয়েছিল তাদের প্রকাশভঙ্গি বেশ সুনির্দিষ্ট।
(iii) সমস্ত পরীক্ষাপদ্ধতি সুচিন্তিত ধারাবাহিকতাযুক্ত ছিল।
(iv) প্রতিটি পরীক্ষার ফলাফল তিনি নিখুঁতভাবে লিপিবদ্ধ করতেন ও গাণিতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে তাদের পর্যালােচনা ও বিশ্লেষণ করতেন।
(v) সর্বোপরি, তাঁর নির্বাচিত চরিত্র নির্ধারক জিনগুলি লিংকেজের প্রভাবমুক্ত ছিল।


প্রশ্ন:৯
ফিনােটাইপ ও জিনােটাইপের পার্থক্য আলােচনা করো। 

উত্তর: 
ফিনােটাইপ–ম্যাক্রো-ফিনােটাইপকে খালি চোখে দেখা যায় এবং মাইক্রো  ফিনােটাইপকে দেখার জন্য মাইক্রোস্কোপের প্রয়ােজন হয়।
জিনােটাইপ–এটি কেবল বিশেষ জিন তত্ত্বের পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়।


প্রশ্ন:১০
হােমােজাইগাস ও হেটেরােজাইগাস কাকে বলে ?

উত্তর: 
দুটি সমগুণসম্পন্ন গ্যামেটের মিলনে যে জাইগােট উৎপন্ন হয় তাকে হােমােজাইগােট (homozygote) এবং হােমােজাইগােট থেকে উৎপন্ন জীবকে হােমােজাইগাস (homozygous) বলে। অনুরূপভাবে, বিপরীতধর্মী দুটি গ্যামেটের মিলনে যে জাইগােট উৎপন্ন হয় তাকে হেটেরােজাইগোট (heterozygote) বলে এবং হেটেরােজাইগােট থেকে উৎপন্ন জীবকে হেটেরােজাইগাস (heterozygous) বলে। উদাহরণস্বরূপ, একটি দীর্ঘাকার (T) প্রলক্ষণযুক্ত গ্যামেটের সঙ্গে অপর একটি দীর্ঘাকার (T) প্রলক্ষণযুক্ত গ্যামেটের মিলনের ফলে উৎপন্ন হয় হােমােজাইগােট (TT), আবার একটি দীর্ঘাকার প্রলক্ষণযুক্ত গ্যামেটের (T) সঙ্গে একটি খর্বাকার প্রলক্ষণযুক্ত গ্যামেটের (t) মিলন ঘটালে উৎপন্ন হয় হেটেরােজাইগােট (Tt)।


Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল ?

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল      ভারতীয় জাতীয় রাজনীতিতে জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল মূলত ভারতবাসীর আশা–আকাঙ্ক্ষা পূরণ ও ব্রিটিশবিরোধী ক্ষোভের হাত থেকে ব্রিটিশ শাসনকে রক্ষা করার জন্যই।  জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য (১) কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন— উদ্দেশ্য ঘোষণা—বোম্বাইয়ের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজ হল জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে (১৮৮৫ খ্রি., ২৮ ডিসেম্বর) সভাপতির ভাষণে উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে চারটি মূল উদ্দেশ্যের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এগুলি হল—   (i) ভাষাগত ও ধর্মীয় বৈচিত্রে ভরা ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের দেশপ্রেমীদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও একাত্মতা গড়ে তোলা, (ii) সম্প্রীতির দ্বারা জাতি, ধর্ম, প্রাদেশিকতার তুচ্ছ সংকীর্ণতা দূর করে জাতীয় সংহতির পথ প্রশস্ত করা, (iii) শিক্ষিতদের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ করে সামাজিক ও অন্যান্য সমস্যা সমাধানের উপায় নির্ণয় করা, (iv) ভারতের রাজনৈতিক অগ্রগতির জন্য ভবিষ্যৎ কর্মসূচি গ্রহণ করা।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা             ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।            ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়। 

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু                     পর্বত্য অঞ্চল থেকে সমভূমিতে প্রবেশ করলে নদীর গতিপথের ঢাল হ্রাস পায়। ফলে নদীর ক্ষমতাও কমে যায়। উচ্চপ্রবাহের ক্ষয়িত পদার্থসমূহ (শিলাখণ্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি) সমভূমিতে প্রবেশের মুখে পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে শঙ্কু আকৃতির ভূমিরূপ গঠন করে। একে পলিশঙ্কু বলে। দেখতে হাত পাখার মতো হয় বলে একে পলল পাখা বা পলল ব্যজনীও বলে। 

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

ভঙ্গিল পর্বতের বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করো।

ভঙ্গিল পর্বতের বৈশিষ্ট্যগুলি হল— (১) বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে কোমল পাললিক শিলায় ঢেউ-এর মতো ভাঁজ পড়ে ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি হয়। (২) প্রধানত সমুদ্রগর্ভ থেকে সৃষ্টি হয় বলে ভঙ্গিল পর্বতে জীবাশ্ম দেখা যায়। (৩) ভঙ্গিল পর্বতগুলি সাধারণত পাললিক শিলায় গঠিত হলেও অনেক সময় ভঙ্গিল পর্বতে আগ্নেয় এবং রূপান্তরিত শিলার সহাবস্থান চোখে পড়ে (কারণ—ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির সময় শিলাস্তরে ফাটল সৃষ্টি হলে, সেই ফাটল দিয়ে ভূগর্ভের ম্যাগমা লাভারূপে ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে আসে যা ধীরে ধীরে জমাট বেঁধে আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি করে। এর পর কালক্রমে প্রচণ্ড চাপ ও তাপের ফলে আগ্নেয় শিলা ও পাললিক শিলা রূপান্তরিত শিলায় পরিণত হয়)