Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নোত্তর, SET 01

পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নোত্তর 1. দক্ষিণ ভারতের দীর্ঘতম নদী কোনটি? (Which is the longest river in South India?) (a) কাবেরী (b) কৃষ্ণা (c) গোদাবরী (d) নর্মদা 2. 'শেরশাহের' আসল নাম কী ছিল? (What was the real name of Sher Shah?) (a) জুনা খান (b) ফতেহ খান (c) ফরিদ খান (d) সেলিম খান

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, সেট-১০

জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন


প্রশ্ন:১
‘একটি প্রচ্ছন্ন ফিনােটাইপ হেটেরােজাইগাস হতে পারে না’—উক্তিটির যথার্থতা প্রমাণ করাে।

উত্তর: 
একটি প্রচ্ছন্ন ফিনােটাইপ কখনােই হেটেরােজাইগাস হতে পারে না, কারণ তার মধ্যে কোনাে প্রকট জিন থাকে না এবং তার দুটি অ্যালিলই প্রচ্ছন্ন প্রকৃতির, যেমন—বিশুদ্ধ লম্বা (bb), বিশুদ্ধ বেঁটে (tt) ইত্যাদি।


প্রশ্ন:২
থ্যালাসেমিয়া কী ? কী কারণে এই রােগ সৃষ্টি হয় ?

উত্তর: 
থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রােগ  যা একটি প্রচ্ছন্ন অটোজোমীয় অ্যালিলের (d) উপস্থিতিতে ঘটে। স্বাভাবিক মানুষ বিশুদ্ধ প্রকট বৈশিষ্ট্যযুক্ত (DD) হলেও সংকর বৈশিষ্ট্য (Dd) মাইনর থ্যালাসেমিয়া এবং বিশুদ্ধ প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য (dd) মেজর থ্যালাসেমিয়া নামক মারাত্মক বংশগত রােগ সৃষ্টি হয়।


প্রশ্ন:৩
একটি নীল চক্ষুবিশিষ্ট পুরুষের, যার পিতামাতা বাদামি চক্ষুবিশিষ্ট, একজন বাদামি চক্ষুবিশিষ্ট স্ত্রীলােকের সঙ্গে বিবাহে একটি নীল চক্ষুবিশিষ্ট পুত্রসন্তান হয়। উল্লিখিত প্রত্যেক ব্যক্তির জিনােটাইপ কীরূপ হবে ?

উত্তর: 
(i) বাদামি চক্ষুবিশিষ্ট পিতামাতা–Bb (হেটেরােজাইগাস), 
(ii) নীল চক্ষুবিশিষ্ট পুরুষ—bb (হােমােজাইগাস), 
(iii) বাদামি চক্ষু বিশিষ্ট স্ত্রীলােক—Bb (হেটেরােজাইগাস), 
(iv) নীল চক্ষুবিশিষ্ট সন্তান—bb (হােমােজাইগাস)।


প্রশ্ন:৪
ট্রাইজোমি ও নালিজোমি কাকে বলে ?

উত্তর: 
ক্রোমােজোমের সংখ্যা বৃদ্ধিতে যদি একধরনের ক্রোমােজোম একত্রে তিনটি থাকে তখন সেই অবস্থাকে ট্রাইজোমি বলে। 2n+1= AABBB অপরপক্ষে, ক্রোমােজোম সংখ্যা হ্রাস পেয়ে যদি একধরনের ক্রোমােজোম একটিও না থাকে, তখন সেই অবস্থাকে নালিজোমি বলে যখন 2n-2=AA (BB অপসারিত)।


প্রশ্ন:৫
হােমােগ্যামেটিক মেল এবং হেটেরােগ্যামেটিক ফিমেল কী ?

উত্তর: 
লিঙ্গ নির্ধারণে সাধারণত স্ত্রী প্রাণী হােমােগ্যামেটিক (XX) এবং পুরুষ প্রাণীরা হেটেরােগ্যামেটিক (XY) প্রকৃতির হয়। মানুষ, ড্রসােফিলা ইত্যাদির ক্ষেত্রে পুরুষদের যৌন ক্রোমােজোম XY প্রকারের এবং স্ত্রীদের যৌন ক্রোমােজোম XX প্রকারের। কিন্তু প্রজাপতি, মথ, মুরগি ইত্যাদির ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম দেখা যায়। এদের স্ত্রী প্রাণীদের যৌন ক্রোমােজোম XY প্রকারের এবং পুরুষ প্রাণীদের যৌন ক্রোমােজোম XX প্রকারের। সুতরাং, এইসব প্রাণীর পুরুষরা হােমােগ্যামেটিক এবং স্ত্রীরা হেটেরােগ্যামেটিক হয়।


প্রশ্ন:৬
টোফিন কাকে বলে ?

উত্তর: 
টোফিন একটি বিরল প্রকৃতির জন্মগত অস্বাভাবিকতা, যেক্ষেত্রে নেত্রপল্লব পেশির পক্ষাঘাতের জন্য চোখ সম্পূর্ণভাবে উন্মােচিত হতে পারে না।


প্রশ্ন:৭
একসংকর জনন পরীক্ষা থেকে মেন্ডেল কী সিদ্ধান্তে আসেন ?

উত্তর: 
একসংকর জনন পরীক্ষা থেকে মেন্ডেল পৃথকভবন সূত্রে উপনীত হয়েছিলেন। এই সূত্রানুসারে প্রথম অপত্য জনুতে (F1) উৎপন্ন সংকর জীবের মধ্যে সঞ্চারিত জনিতৃ জনুর (P1) বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্যগুলির মিশ্রণ ঘটে না। উপরন্তু সংকর জীবগুলির মধ্যে গ্যামেট গঠনকালে বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্যগুলি পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে যায়।


প্রশ্ন:৮
একটি মাতৃত্বের মামলায় ‘AB’ ব্লাডগ্রুপযুক্ত একজন মহিলা ‘O' ব্লাডগ্রুপযুক্ত শিশুর মা হিসেবে দাবি করলে এই দাবি কতটা সংগত ?

উত্তর: 
এক্ষেত্রে বাবার ব্লাডগ্রুপ O বা A বা B হতে পারে। মার ব্লাডগ্রুপ AB হলে শিশুর ব্লাডগ্রুপ O হতে পারে না। সুতরাং এই দাবি সংগত নয়।


প্রশ্ন:৯
একটি পিতৃত্বের মামলায় O ব্লাডগ্রুপযুক্ত একজন পুরুষ AB ব্লাডগ্রুপযুক্ত এক শিশুর বাবা হিসেবে দাবি করলে এই দাবি কতটা সংগত ?

উত্তর: 
মার ব্লাডগ্রুপ যাই হােক না কেন, পিতৃত্বের দাবিদার পুরুষের ব্লাডগ্রুপ ‘O’ হলে শিশুর ব্লাডগ্রুপ AB হওয়া সম্ভব নয়। সুতরাং পুরুষের এই দাবি যুক্তিসংগত নয়।


প্রশ্ন:১০
যখন কোনাে F2 জনুর ফিনােটাইপগত অনুপাত 9:3:3:1 পরিবর্তিত হয়ে 3:6:3:1:2:1 হয়, তখন তা কী ধরনের কারণ সূচিত করে ?

উত্তর: 
যখন কোনাে ডাইহাইব্রিড ক্রসে একটি বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ প্রকটতা এবং অপর বৈশিষ্ট্যটি অসম্পূর্ণ প্রকটতা দশায় তখন F2 অনুপাত 4টি শ্রেণির (9:3:3:1) পরিবর্তে 6 টি শ্রেণিতে (3:6:3:1:2:1) পরিবর্তিত হয়।


Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের চিরস্মরণীয় কিছু উক্তি

          বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। অগ্নিবীণা হাতে তার প্রবেশ, ধূমকেতুর মতো তার প্রকাশ। যেমন লেখাতে বিদ্রোহী, তেমনই জীবনে – কাজেই "বিদ্রোহী কবি"

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা।