Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, সেট-১২

জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন


প্রশ্ন:১
ইন্টারফারেন্স কী ?

উত্তর: 
সমসংস্থ ক্রোমােজোম জোড়ের কোনাে একস্থানে ক্রসিংওভার ঘটলে তা কাছকাছি জায়গায় অন্য ক্রসিংওভার হতে বাধা দেয়, এই ঘটনাকে ইন্টারফারেন্স বলে।


প্রশ্ন:২
সেন্ট্রোমিয়ার ও ক্রোমােমিয়ারের পার্থক্য উল্লেখ করাে। 

উত্তর: 
সেন্ট্রোমিয়ার—
(i) এটি ক্রোমােজোমের অংশ। 
(ii) এটি ক্রোমােজোমের মুখ্য সংকোচন স্থানে অবস্থান করে। 
(iii) এরা সাধারণত সংখ্যায় একটি হয়। কোনাে কোনাে ক্ষেত্রে দুটি বা তার বেশি হয়।
ক্রোমােমিয়ার—
(i) এটি ক্রোমােজোমস্থিত ক্রোমােনিমার অংশ। 
(ii) এরা ক্রোমােনিমা তন্তুর দৈর্ঘ্য বরাবর নির্দিষ্ট দূরত্বে সারিবদ্ধভাবে অবস্থান করে। 
(iii) এটি সাধারণত সংখ্যায় অনেক হয়।


প্রশ্ন:৩
ক্রোমাটিড ও ক্রোমাটিনের পার্থক্য উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
ক্রোমাটিড—
(i) অন্তিম প্রফেজ ও মেটাফেজ দশায় ক্রোমাটিড অণুবীক্ষণ যন্ত্রে  দৃশ্যমান হয়। 
(ii) ক্রোমাটিড হল পুনর্দ্ধিত্বকারী সমস্ত ক্রোমােজোমের দৈর্ঘ্য বরাবর দুটি সমাঙ্গ সমসংস্থ সূত্রের যে-কোনাে একটি সূত্র।
ক্রোমাটিন—
(i) ইন্টারফেজ প্রফেজের সূচনাপর্বে ক্রোমাটিন সূত্রাকারে অণুবীক্ষণ যন্ত্রে দৃশ্যমান হয়। 
(ii) এটি ক্রোমােজোম গঠনের উপাদান বিশেষ। DNA ও প্রােটিন দিয়ে তৈরি এই উপাদান বিভাজনের প্রথম দশায় সরু সুতাের মত আবির্ভূত হয়।


প্রশ্ন:৪
সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুসারে ক্রোমােজোমের শ্রেণিবিভাগ করো।

উত্তর: 
সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুসারে ক্রোমােজোম চার প্রকারের। যথা—
(i) টেলােসেন্ট্রিক–সেন্ট্রোমিয়ার যখন ক্রোমােজোমের প্রান্তদেশে বা টেলােমিয়ার অঞ্চলে থাকে।
(ii) অ্যাক্রোসেন্ট্রিক–সেন্ট্রোমিয়ার যখন টেলােমিয়ারের সন্নিকটে থাকে।
(iii) মেটাসেন্ট্রিক–সেন্ট্রোমিয়ার যখন ক্রোমােজোমের প্রায় মাঝখানে থাকে।
(iv) সাবমেটাসেন্ট্রিক–সেন্ট্রোমিয়ার যখন ক্রোমােজোমের মাঝখানের নিকট অবস্থান করে।


প্রশ্ন:৫
সিস্টার ক্রোমাটিড কাকে বলে ?

উত্তর: 
মিয়ােসিসের প্রথম প্রফেজের প্যাকিটিন উপদশায় সমসংস্থ ক্রোমােজোমদ্বয়ের একটি সেন্ট্রোমিয়ার সংলগ্ন দুটি ক্রোমাটিডকে ভগ্নী ক্রোমাটিড বা সিস্টার ক্রোমাটিড বলে।


প্রশ্ন:৬
ক্রোমােজোম ও ক্রোমাটিডের একটি পার্থক্য উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
ক্রোমােজোম—
(i)কোশের নিউক্লিয়াস-মধ্যস্থ প্রােটিন ও নিউক্লিক অ্যাসিড দিয়ে গঠিত স্ব-প্রজননশীল সূত্রাকার ক্রোমাটিন তন্তুকে ক্রোমােজোম বলে।
ক্রোমাটিড—
(i)মাইটোসিস কোশ বিভাজনের  অন্তিম প্রফেজ দশায় ক্রোমােজোমে দৃশ্যমান অনুদৈর্ঘ্যভাবে প্রতিসম দুটি তন্তুর মতাে অংশের প্রত্যেকটিকে ক্রোমাটিড বলে।


প্রশ্ন:৭
ক্রোমােজোম ম্যাপিং কী ?

উত্তর: 
যে পদ্ধতিতে একটি ক্রোমােজোমে অবস্থিত বিভিন্ন জিনের নির্দিষ্ট লােকাস অবস্থান নির্ধারণ করা হয় এবং সমস্ত জিনগুলির মধ্যে দূরত্ব নির্ণয় করে তাদের রৈখিক স্থান ও ক্রমবিন্যাস গঠন করা হয়, তাকে ক্রোমােজোম ম্যাপিং বলে।


প্রশ্ন:৮
নন-সিস্টার ক্রোমাটিড কাকে বলে ?

উত্তর: 
সমসংস্থ ক্রোমােজোমের একটির ক্রোমাটিড অপর ক্রোমােজোমের ক্রোমাটিডের অভগ্নী বা নন-সিস্টার। অর্থাৎ টেট্রাভ্যালেন্টের যে ক্রোমাটিড একই সেন্ট্রোমিয়ারে যুক্ত থাকে না তাদের বলে নন-সিস্টার ক্রোমাটিড।


প্রশ্ন:৯
স্থায়ী হেটারােক্রোমাটিন বলতে কী বােঝাে ?

উত্তর: 
যে হেটারােক্রোমাটিন ক্রোমােজোমের কোনাে নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে এবং প্রত্যেক কোশের ক্রোমােজোমে থাকে তাকে স্থায়ী হেটারােক্রোমাটিন বলে।


প্রশ্ন:১০
অস্থায়ী হেটারােক্রোমাটিন বলতে কী বােঝাে ?

উত্তর: 
যে হেটারােক্রোমাটিনের কোনাে নির্দিষ্ট স্থান নেই এবং সব কোশের ক্রোমােজোমে থাকে না, তাকে অস্থায়ী হেটারােক্রোমাটিন বলে।


Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

[MCQ]Geography।।ভারতের জলবায়ু।।সেট ২।।solve.org.in

ভারতের জলবায়ু প্রশ্ন:১ ভারতের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল : (a) ঋতু পরিবর্তন (b) অত্যধিক উষ্ণতা (c) অত্যধিক বৃষ্টিপাত

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা।