Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 10

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে—   উত্তরঃ  সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন?    উত্তরঃ  ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন?    উত্তরঃ  নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন?    উত্তরঃ  রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন?    উত্তরঃ  অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন—   উত্তরঃ  লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি?    উত্তরঃ  চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, সেট-১২

জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন


প্রশ্ন:১
ইন্টারফারেন্স কী ?

উত্তর: 
সমসংস্থ ক্রোমােজোম জোড়ের কোনাে একস্থানে ক্রসিংওভার ঘটলে তা কাছকাছি জায়গায় অন্য ক্রসিংওভার হতে বাধা দেয়, এই ঘটনাকে ইন্টারফারেন্স বলে।


প্রশ্ন:২
সেন্ট্রোমিয়ার ও ক্রোমােমিয়ারের পার্থক্য উল্লেখ করাে। 

উত্তর: 
সেন্ট্রোমিয়ার—
(i) এটি ক্রোমােজোমের অংশ। 
(ii) এটি ক্রোমােজোমের মুখ্য সংকোচন স্থানে অবস্থান করে। 
(iii) এরা সাধারণত সংখ্যায় একটি হয়। কোনাে কোনাে ক্ষেত্রে দুটি বা তার বেশি হয়।
ক্রোমােমিয়ার—
(i) এটি ক্রোমােজোমস্থিত ক্রোমােনিমার অংশ। 
(ii) এরা ক্রোমােনিমা তন্তুর দৈর্ঘ্য বরাবর নির্দিষ্ট দূরত্বে সারিবদ্ধভাবে অবস্থান করে। 
(iii) এটি সাধারণত সংখ্যায় অনেক হয়।


প্রশ্ন:৩
ক্রোমাটিড ও ক্রোমাটিনের পার্থক্য উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
ক্রোমাটিড—
(i) অন্তিম প্রফেজ ও মেটাফেজ দশায় ক্রোমাটিড অণুবীক্ষণ যন্ত্রে  দৃশ্যমান হয়। 
(ii) ক্রোমাটিড হল পুনর্দ্ধিত্বকারী সমস্ত ক্রোমােজোমের দৈর্ঘ্য বরাবর দুটি সমাঙ্গ সমসংস্থ সূত্রের যে-কোনাে একটি সূত্র।
ক্রোমাটিন—
(i) ইন্টারফেজ প্রফেজের সূচনাপর্বে ক্রোমাটিন সূত্রাকারে অণুবীক্ষণ যন্ত্রে দৃশ্যমান হয়। 
(ii) এটি ক্রোমােজোম গঠনের উপাদান বিশেষ। DNA ও প্রােটিন দিয়ে তৈরি এই উপাদান বিভাজনের প্রথম দশায় সরু সুতাের মত আবির্ভূত হয়।


প্রশ্ন:৪
সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুসারে ক্রোমােজোমের শ্রেণিবিভাগ করো।

উত্তর: 
সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুসারে ক্রোমােজোম চার প্রকারের। যথা—
(i) টেলােসেন্ট্রিক–সেন্ট্রোমিয়ার যখন ক্রোমােজোমের প্রান্তদেশে বা টেলােমিয়ার অঞ্চলে থাকে।
(ii) অ্যাক্রোসেন্ট্রিক–সেন্ট্রোমিয়ার যখন টেলােমিয়ারের সন্নিকটে থাকে।
(iii) মেটাসেন্ট্রিক–সেন্ট্রোমিয়ার যখন ক্রোমােজোমের প্রায় মাঝখানে থাকে।
(iv) সাবমেটাসেন্ট্রিক–সেন্ট্রোমিয়ার যখন ক্রোমােজোমের মাঝখানের নিকট অবস্থান করে।


প্রশ্ন:৫
সিস্টার ক্রোমাটিড কাকে বলে ?

উত্তর: 
মিয়ােসিসের প্রথম প্রফেজের প্যাকিটিন উপদশায় সমসংস্থ ক্রোমােজোমদ্বয়ের একটি সেন্ট্রোমিয়ার সংলগ্ন দুটি ক্রোমাটিডকে ভগ্নী ক্রোমাটিড বা সিস্টার ক্রোমাটিড বলে।


প্রশ্ন:৬
ক্রোমােজোম ও ক্রোমাটিডের একটি পার্থক্য উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
ক্রোমােজোম—
(i)কোশের নিউক্লিয়াস-মধ্যস্থ প্রােটিন ও নিউক্লিক অ্যাসিড দিয়ে গঠিত স্ব-প্রজননশীল সূত্রাকার ক্রোমাটিন তন্তুকে ক্রোমােজোম বলে।
ক্রোমাটিড—
(i)মাইটোসিস কোশ বিভাজনের  অন্তিম প্রফেজ দশায় ক্রোমােজোমে দৃশ্যমান অনুদৈর্ঘ্যভাবে প্রতিসম দুটি তন্তুর মতাে অংশের প্রত্যেকটিকে ক্রোমাটিড বলে।


প্রশ্ন:৭
ক্রোমােজোম ম্যাপিং কী ?

উত্তর: 
যে পদ্ধতিতে একটি ক্রোমােজোমে অবস্থিত বিভিন্ন জিনের নির্দিষ্ট লােকাস অবস্থান নির্ধারণ করা হয় এবং সমস্ত জিনগুলির মধ্যে দূরত্ব নির্ণয় করে তাদের রৈখিক স্থান ও ক্রমবিন্যাস গঠন করা হয়, তাকে ক্রোমােজোম ম্যাপিং বলে।


প্রশ্ন:৮
নন-সিস্টার ক্রোমাটিড কাকে বলে ?

উত্তর: 
সমসংস্থ ক্রোমােজোমের একটির ক্রোমাটিড অপর ক্রোমােজোমের ক্রোমাটিডের অভগ্নী বা নন-সিস্টার। অর্থাৎ টেট্রাভ্যালেন্টের যে ক্রোমাটিড একই সেন্ট্রোমিয়ারে যুক্ত থাকে না তাদের বলে নন-সিস্টার ক্রোমাটিড।


প্রশ্ন:৯
স্থায়ী হেটারােক্রোমাটিন বলতে কী বােঝাে ?

উত্তর: 
যে হেটারােক্রোমাটিন ক্রোমােজোমের কোনাে নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে এবং প্রত্যেক কোশের ক্রোমােজোমে থাকে তাকে স্থায়ী হেটারােক্রোমাটিন বলে।


প্রশ্ন:১০
অস্থায়ী হেটারােক্রোমাটিন বলতে কী বােঝাে ?

উত্তর: 
যে হেটারােক্রোমাটিনের কোনাে নির্দিষ্ট স্থান নেই এবং সব কোশের ক্রোমােজোমে থাকে না, তাকে অস্থায়ী হেটারােক্রোমাটিন বলে।


Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ক্ষয়জাত পর্বত

ক্ষয়জাত পর্বত       ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ, হিমবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ক্ষয় কাজের ফলে সবসময় ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। এইভাবে অনেক সময় শক্ত শিলায় গঠিত জায়গা কম ক্ষয় পেয়ে যখন আশপাশের বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া নরম শিলায় গঠিত জায়গা থেকে আলাদা হয়ে উঁচুতে থেকে যায়, তখন তাকে ক্ষয়জাত পর্বত বলে। কম ক্ষয় হওয়া অবশিষ্ট অংশ পর্বতে পরিণত হয় বলে একে অবশিষ্ট পর্বত-ও বলা হয়।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

ঘূর্ণবাত বৃষ্টি বা ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টি

ঘূর্ণবাত বৃষ্টি বা ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টি        জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত নিম্নচাপের দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে ওপরে উঠে শীতল হয়ে যে বৃষ্টিপাত ঘটায়, তাকে ঘূর্ণবাত বা ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টি বলে। কোনো স্থানে প্রবল নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হলে চারদিক থেকে ছুটে আসা শুকনো, ঠান্ডা ও ভারী বাতাসের ওপর জলীয়বাষ্পপূর্ণ গরম বাতাস উঠে যাওয়ার জন্যই ঘূর্ণবাত বৃষ্টিপাতের সৃষ্টি হয়। ঘূর্ণবাত বৃষ্টি সাধারণত দীর্ঘ সময় ধরে ঝিরঝির করে পড়ে। পৃথিবীর দুটি পৃথক অঞ্চলে ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টি বৃষ্টি হয়ে থাকে।

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

জাতীয়তাবাদের বিকাশে বঙ্কিমচন্দ্রের অবদান কী ?

          বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮–৯৪ খ্রি.) ছিলেন ঊনবিংশ শতকের অগ্রণী ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার। বঙ্কিমচন্দ্রের অধিকাংশ উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল স্বদেশ ও দেশপ্রেম। বঙ্কিমচন্দ্রের সৃষ্টি ভারতীয় জাতীয়তাবোধের বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিল। তাঁর ‘বন্দেমাতরম্’–মন্ত্র ছিল বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র। অরবিন্দ ঘোষ তাই বঙ্কিমকে ‘জাতীয়তাবোধের ঋত্বিক’ বলেছেন।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...