পরিবেশের জন্য ভাবনা (Concern About Our Environment) ১. বায়ুমণ্ডলের গঠন (Structure of the Atmosphere) উচ্চতা ও উষ্ণতার পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে বায়ুমণ্ডলকে প্রধানত ছয়টি স্তরে ভাগ করা হয়েছে:
জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন
প্রশ্ন:১
অ্যালােপ্যাট্রিক প্রজাতি সৃষ্টি কাকে বলে ?
উত্তর:
যখন একটি মিলনে সক্ষম পপুলেশন একাধিক গােষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন ভৌগােলিক অঞ্চলে আবদ্ধ হয় তখন আলাদা আলাদা প্রজাতির সৃষ্টির পথ তৈরি হয়। এইভাবে প্রজাতি সৃষ্টিকে অ্যালােপ্যাট্রিক প্রজাতি সৃষ্টি বলে।
প্রশ্ন:২
সায়ানােজেন মতবাদ কাকে বলে ?
উত্তর:
বিজ্ঞানী ফ্লুজারের ধারণা অনুসারে, পৃথিবী শীতল হওয়ার সময় কার্বন ও নাইট্রোজেন মিলে সায়ানােজেন নামে এক প্রকার প্রােটিন যৌগ গঠিত হয়েছিল, যার থেকে প্রােটোপ্লাজমের উদ্ভব হয়। এই মতবাদকে সায়ানােজেন মতবাদ বলে।
প্রশ্ন:৩
প্যারাপ্যাট্রিক প্রজাতি সৃষ্টি কাকে বলে ?
উত্তর:
দুটি ভিন্ন কিন্তু সম্পর্কযুক্ত প্রজাতি জীবগােষ্ঠীর মাঝে কোনাে ভৌত বাধা বিলুপ্ত হলে দুটি প্রজাতি জীবগােষ্ঠী মেলামেশার সুযােগ পায় ও এর ফলে সংকর জাতীয় জীব সৃষ্টি হয়। এমন সংকর জাতীয় জীব যখন নতুন প্রজাতি সৃষ্টি করে তখন তাকে প্যারাপ্যাট্রিক প্রজাতি সৃষ্টি বলে।
প্রশ্ন:৪
উপপ্রজাতি কাকে বলে ?
উত্তর:
বৈসাদৃশ্যযুক্ত যেসব জীবগােষ্ঠী বা পপুলেশন আন্তঃপ্রজননের মাধ্যমে পরস্পরের মধ্যে জিনের আদানপ্রদান ঘটাতে সক্ষম তাদের একই প্রজাতির উপপ্রজাতি বলা হয়।
প্রশ্ন:৫
সিমপ্যাট্রিক প্রজাতি সৃষ্টি কাকে বলে ?
উত্তর:
যখন কোনাে প্রজাতি পপুলেশন একই ভৌগােলিক অঞ্চলে বসবাস করা সত্ত্বেও আলাদা আলাদা বাস্তুতন্ত্র আশ্রয় করার জন্য একাধিক গােষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে প্রজাতি সৃষ্টি করে, তখন তাকে সিমপ্যাট্রিক প্রজাতি সৃষ্টি বলে।
প্রশ্ন:৬
সিবলিং স্পিসিস কাকে বলে ?
উত্তর:
বহিরাকৃতি সাদৃশ্যযুক্ত যখন দুটি জীব পপুলেশন জননগতভাবে বিচ্ছিন্ন হয় তখন তাদের সিবলিং স্পিসিস বা সিবলিং প্রজাতি বলে। Drosophila persimilis, D. pseudobscura দুটি সিবলিং স্পিসিস।
প্রশ্ন:৭
পৃথিবী কবে সৃষ্টি হয়েছিল ?
উত্তর:
পৃথিবী আনুমানিক 450 কোটি বছর পূর্বে সৃষ্টি হয়েছিল।
প্রশ্ন:৮
সায়ানােজেন মতবাদ কী ?
উত্তর:
বিজ্ঞানী ফ্লুজারের মতে পৃথিবীর তাপ কমে যাওয়ার সময় কার্বন ও নাইট্রোজেন মিলে সায়ানােজেন নামে একরকমের প্রােটিন যৌগ গঠন হয়। এই মতবাদ সায়ানােজেন মতবাদ নামে পরিচিত।
প্রশ্ন:৯
জীব বিবর্তনের প্রমাণগুলি কী কী ?
উত্তর:
জীব বিবর্তনের প্রমাণগুলি হল—
(i) অঙ্গসংস্থানিক প্রমাণ,
(ii) লুপ্তপ্রায় অঙ্গ সম্পর্কিত প্রমাণ,
(iii) ভ্রূণতত্ত্বঘটিত প্রমাণ,
(iv) জীবাশ্মঘটিত প্রমাণ,
(v) সংযােগরক্ষাকারী প্রাণী সম্পর্কিত প্রমাণ ইত্যাদি।
প্রশ্ন:১০
বিচ্ছিন্নতা বা আইসােলেশন কাকে বলে ?
উত্তর:
যে পদ্ধতিতে পপুলেশনের জীবগােষ্ঠী ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গােষ্ঠীতে ভাগ হয়ে অবাধ মিলনে বাধাপ্রাপ্ত হয় তাকে বিচ্ছিন্নতা বা আইসােলেশন বলে।
Comments
Post a Comment