Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

দশম শ্রেণী - জীবনবিজ্ঞান - জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় - উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা এবং সাড়াপ্রদান - বহু বিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন

 দশম শ্রেণী - জীবনবিজ্ঞান - জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় - উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা এবং সাড়াপ্রদান - বহু বিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন


বিভাগ ১: চলনের প্রাথমিক ধারণা ও জগদীশচন্দ্র বসু

প্রশ্নঃ১. উদ্দীপকের প্রভাবে জীবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঞ্চালনকে কী বলে? 

(ক) গমন (খ) চলন (গ) রেচন (ঘ) পুষ্টি 

উত্তর: (খ) চলন


প্রশ্নঃ২. যে প্রক্রিয়ায় জীব স্বেচ্ছায় সামগ্রিক স্থান পরিবর্তন করে তাকে কী বলে? 

(ক) চলন (খ) বিচলন (গ) গমন (ঘ) উদ্দীপনা 

উত্তর: (গ) গমন


প্রশ্নঃ৩. কোন যন্ত্রের সাহায্যে জগদীশচন্দ্র বসু উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা প্রমাণ করেন? 

(ক) অক্সানোমিটার (খ) ক্রেস্কোগ্রাফ (গ) থার্মোমিটার (ঘ) বারোমিটার 

উত্তর: (খ) ক্রেস্কোগ্রাফ


প্রশ্নঃ৪. বনচাঁড়ালের পাতায় কোন ধরনের চলন দেখা যায়? 

(ক) ট্যাকটিক (খ) থার্মোন্যাস্টিক (গ) প্রকরণ চলন (ঘ) জিওট্রপিক 

উত্তর: (গ) প্রকরণ চলন


প্রশ্নঃ৫. উদ্ভিদের সারা প্রদানের ক্ষমতাকে কী বলা হয়? 

(ক) বৃদ্ধি (খ) উদ্দীপনা (গ) সংবেদনশীলতা (ঘ) চলন 

উত্তর: (গ) সংবেদনশীলতা


বিভাগ ২: ট্যাকটিক চলন

প্রশ্নঃ৬. ট্যাকটিক চলনে উদ্ভিদের কী পরিবর্তন হয়? 

(ক) কেবল অঙ্গের (খ) সামগ্রিক স্থান (গ) কোনো পরিবর্তন হয় না (ঘ) কেবল মূলের 

উত্তর: (খ) সামগ্রিক স্থান


প্রশ্নঃ৭. আলোর প্রভাবে সামগ্রিক স্থান পরিবর্তনকে কী বলে? 

(ক) ফটোট্রপিক (খ) ফটোট্যাকটিক (গ) ফটোন্যাস্টিক (ঘ) থার্মোন্যাস্টিক 

উত্তর: (খ) ফটোট্যাকটিক


প্রশ্নঃ৮. ফটোট্যাকটিক চলন দেখা যায় নিচের কোনটিতে? 

(ক) আম গাছ (খ) ক্ল্যামাইডোমোনাস (গ) লজ্জাবতী (ঘ) সূর্যমুখী 

উত্তর: (খ) ক্ল্যামাইডোমোনাস


প্রশ্নঃ৯. ট্যাকটিক চলন উদ্দীপকের কোন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে? 

(ক) কেবল তীব্রতা (খ) কেবল গতিপথ (গ) তীব্রতা ও গতিপথ উভয় (ঘ) কোনোটিই নয় 

উত্তর: (গ) তীব্রতা ও গতিপথ উভয়


প্রশ্নঃ১০. নিচের কোনটি এককোষী শৈবালের চলন? 

(ক) ট্রপিক (খ) ট্যাকটিক (গ) ন্যাস্টিক (ঘ) চলন নয় 

উত্তর: (খ) ট্যাকটিক


বিভাগ ৩: ট্রপিক চলন

প্রশ্নঃ১১. উদ্দীপকের উৎসের গতিপথ অনুসারে চলনকে কী বলে? 

(ক) ট্যাকটিক (খ) ন্যাস্টিক (গ) ট্রপিক (ঘ) সিসমোন্যাস্টিক 

উত্তর: (গ) ট্রপিক


প্রশ্নঃ১২. উদ্ভিদের বিটপ অংশ আলোর উৎসের দিকে এগিয়ে যায়, এটি কী প্রকার চলন? 

(ক) প্রতিকূল আলোকবৃত্তি (খ) অনুকূল আলোকবৃত্তি (গ) আলোকব্যাপ্তি (ঘ) জলবৃত্তি 

উত্তর: (খ) অনুকূল আলোকবৃত্তি


প্রশ্নঃ১৩. উদ্ভিদের মূল অভিকর্ষের অনুকূলে চললে তাকে কী বলে? 

(ক) পজিটিভ জিওট্রপিক (খ) নেগেটিভ জিওট্রপিক (গ) হাইড্রোট্রপিক (ঘ) ফটোট্রপিক 

উত্তর: (ক) পজিটিভ জিওট্রপিক


প্রশ্নঃ১৪. কাণ্ড আলোক উৎসের দিকে চললে তাকে কী বলা হয়? 

(ক) অনুকূল আলোকবর্তী (খ) প্রতিকূল আলোকবর্তী (গ) তীর্যক আলোকবর্তী (ঘ) জলবর্তী 

উত্তর: (ক) অনুকূল আলোকবর্তী


প্রশ্নঃ১৫. মূলের জলের দিকে অগ্রসর হওয়া কোন প্রকার চলন? 

(ক) ফটোট্রপিক (খ) জিওট্রপিক (গ) হাইড্রোট্রপিক (ঘ) ন্যাস্টিক 

উত্তর: (গ) হাইড্রোট্রপিক


প্রশ্নঃ১৬. কোন হরমোন ট্রপিক চলন নিয়ন্ত্রণ করে? 

(ক) জিব্বেরেলিন (খ) অক্সিন (গ) সাইটোকাইনিন (ঘ) ইথিলিন 

উত্তর: (খ) অক্সিন


প্রশ্নঃ১৭. সুন্দরী গাছের শ্বাসমূলের চলন হলো— 

(ক) অনুকূল অভিকর্ষবর্তী (খ) প্রতিকূল অভিকর্ষবর্তী (গ) অনুকূল জলবর্তী (ঘ) ফটোট্যাকটিক 

উত্তর: (খ) প্রতিকূল অভিকর্ষবর্তী


প্রশ্নঃ১৮. ট্রপিক চলন হলো একপ্রকার— 

(ক) সামগ্রিক চলন (খ) বক্র চলন (গ) রসস্ফীতি চলন (ঘ) কোনোটিই নয় 

উত্তর: (খ) বক্র চলন


প্রশ্নঃ১৯. উদ্ভিদের পাতা আলোক রশ্মির সঙ্গে কীভাবে বৃদ্ধি পায়? 

(ক) সমান্তরালভাবে (খ) লম্বভাবে (গ) তীর্যকভাবে (ঘ) বিপরীতভাবে 

উত্তর: (গ) তীর্যকভাবে


প্রশ্নঃ২০. কাণ্ড অভিকর্ষের বিপরীত দিকে বৃদ্ধি পায়, এটি কী ধরনের চলন? 

(ক) অনুকূল জিওট্রপিক (খ) প্রতিকূল জিওট্রপিক (গ) অনুকূল ফটোট্রপিক (ঘ) হাইড্রোট্রপিক 

উত্তর: (খ) প্রতিকূল জিওট্রপিক


বিভাগ ৪: ন্যাস্টিক চলন

প্রশ্নঃ২১. উদ্দীপকের তীব্রতা অনুযায়ী চলনকে কী বলে? 

(ক) ট্রপিক (খ) ট্যাকটিক (গ) ন্যাস্টিক (ঘ) অভিমুখী চলন 

উত্তর: (গ) ন্যাস্টিক


প্রশ্নঃ২২. লজ্জাবতীর পাতা স্পর্শ করলে বুজে যায়, এটি কোন চলন? 

(ক) ফটোন্যাস্টিক (খ) সিসমোন্যাস্টিক (গ) থার্মোন্যাস্টিক (ঘ) কেমোন্যাস্টিক 

উত্তর: (খ) সিসমোন্যাস্টিক


প্রশ্নঃ২৩. সূর্যমুখী ফুল আলোতে ফোটে এবং অন্ধকারে মুদে যায়, এটি হলো— 

(ক) ফটোট্রপিক (খ) ফটোট্যাকটিক (গ) ফটোন্যাস্টিক (ঘ) থার্মোন্যাস্টিক 

উত্তর: (গ) ফটোন্যাস্টিক


প্রশ্নঃ২৪. টিউলিপ ফুল বেশি উষ্ণতায় ফোটে, এটি কী প্রকার চলন? 

(ক) ফটোন্যাস্টিক (খ) থার্মোন্যাস্টিক (গ) কেমোন্যাস্টিক (ঘ) সিসমোন্যাস্টিক 

উত্তর: (খ) থার্মোন্যাস্টিক


প্রশ্নঃ২৫. সূর্যশিশির বা কলসপত্রী উদ্ভিদের পতঙ্গ শিকার কোন ধরনের চলন? 

(ক) সিসমোন্যাস্টিক (খ) কেমোন্যাস্টিক (গ) থার্মোন্যাস্টিক (ঘ) ফটোন্যাস্টিক 

উত্তর: (খ) কেমোন্যাস্টিক


প্রশ্নঃ২৬. উদ্দীপকের গতিপথের ওপর নির্ভর করে না কোন চলন? 

(ক) ট্রপিক (খ) ন্যাস্টিক (গ) ট্যাকটিক (ঘ) কোনোটিই নয় 

উত্তর: (খ) ন্যাস্টিক


প্রশ্নঃ২৭. পদ্মফুল দিনের আলোতে ফোটে ও রাতে মুদে যায়, এটি— 

(ক) ফটোন্যাস্টিক (খ) থার্মোন্যাস্টিক (গ) সিসমোন্যাস্টিক (ঘ) কেমোন্যাস্টিক 

উত্তর: (ক) ফটোন্যাস্টিক


প্রশ্নঃ২৮. স্পর্শ বা আঘাতের তীব্রতায় যে চলন হয় তাকে কী বলে? 

(ক) ব্যাপ্তি চলন (খ) সিসমোন্যাস্টিক (গ) রসস্ফীতি চলন (ঘ) ট্রপিক চলন 

উত্তর: (খ) সিসমোন্যাস্টিক


প্রশ্নঃ২৯. প্রোটিন বা রাসায়নিক পদার্থের প্রভাবে চলনকে কী বলে? 

(ক) কেমোন্যাস্টিক (খ) ফটোন্যাস্টিক (গ) থার্মোন্যাস্টিক (ঘ) সিসমোন্যাস্টিক 

উত্তর: (ক) কেমোন্যাস্টিক


প্রশ্নঃ৩০. হরমোন (অক্সিন) দ্বারা প্রভাবিত হয় না কোন চলন? 

(ক) ট্রপিক (খ) ন্যাস্টিক (গ) ট্যাকটিক (ঘ) খ ও গ উভয়ই 

উত্তর: (ঘ) খ ও গ উভয়ই (ন্যাস্টিক ও ট্যাকটিক অক্সিন দ্বারা প্রভাবিত হয় না)


বিভাগ ৫: পার্থক্য ও বৈশিষ্ট্য

প্রশ্নঃ৩১. সামগ্রিক চলন দেখা যায়— 

(ক) শৈবালে (খ) আম গাছে (গ) জাম গাছে (ঘ) লতানো গাছে 

উত্তর: (ক) শৈবালে


প্রশ্নঃ৩২. বক্র চলন দেখা যায় কোনটিতে? 

(ক) ভলবক্স (খ) ক্ল্যামাইডোমোনাস (গ) আম গাছ (ঘ) ডায়াটম 

উত্তর: (গ) আম গাছ (উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদ)


প্রশ্নঃ৩৩. সিসমোন্যাস্টিক চলনের প্রধান কারণ কী? 

(ক) অক্সিন হরমোন (খ) রসস্ফীতি চাপের পরিবর্তন (গ) আলোর তীব্রতা (ঘ) অভিকর্ষ বল 

উত্তর: (খ) রসস্ফীতি চাপের পরিবর্তন


প্রশ্নঃ৩৪. লজ্জাবতীর পত্রমূলের স্ফীত অংশকে কী বলা হয়? 

(ক) পালভিনাস (খ) কর্টেক্স (গ) জাইলেম (ঘ) ফ্লোয়েম 

উত্তর: (ক) পালভিনাস


প্রশ্নঃ৩৫. নিচের কোনটি ট্যাকটিক চলনের উদাহরণ? 

(ক) মূলের মাটির দিকে যাওয়া (খ) শৈবালের আলোর দিকে যাওয়া (গ) লজ্জাবতীর পাতা বোজা (ঘ) সূর্যমুখীর মুখ ঘোরানো 

উত্তর: (খ) শৈবালের আলোর দিকে যাওয়া


প্রশ্নঃ৩৬. ফটোট্রপিক চলন নিয়ন্ত্রণ করে— 

(ক) আলো (খ) তাপ (গ) রাসায়নিক দ্রব্য (ঘ) জল 

উত্তর: (ক) আলো


প্রশ্নঃ৩৭. নিচের কোনটি সচল উদ্ভিদ? 

(ক) শৈবাল (খ) ফার্ন (গ) ম্যাস (ঘ) ক্যাস্টর 

উত্তর: (ক) শৈবাল (ক্ল্যামাইডোমোনাস)


প্রশ্নঃ৩৮. ট্রপিক চলন হলো এক প্রকার— 

(ক) আবিষ্ট চলন (খ) স্বতঃস্ফূর্ত চলন (গ) বৃদ্ধিজ চলন (ঘ) ক ও গ উভয়ই 

উত্তর: (ঘ) ক ও গ উভয়ই


প্রশ্নঃ৩৯. লজ্জাবতীর চলনকে কী চলন বলা হয়? 

(ক) বৃদ্ধিজনিত (খ) রসস্ফীতিজনিত (গ) রাসায়নিক (ঘ) তাপজনিত 

উত্তর: (খ) রসস্ফীতিজনিত


প্রশ্নঃ৪০. বনচাঁড়ালের পত্রক দুটির ওঠানামা করার কারণ কী? 

(ক) কোষের রসস্ফীতি চাপের হ্রাস-বৃদ্ধি (খ) আলোর তীব্রতা (গ) হরমোন (ঘ) অভিকর্ষ 

উত্তর: (ক) কোষের রসস্ফীতি চাপের হ্রাস-বৃদ্ধি


বিভাগ ৬: অতিরিক্ত ও উচ্চতর দক্ষতা

প্রশ্নঃ৪১. উদ্দীপক প্রয়োগে প্রাণীরা কিসের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানায়?

(ক) রক্ত (খ) স্নায়ুতন্ত্র (গ) হরমোন (ঘ) চলন 

উত্তর: (খ) স্নায়ুতন্ত্র


প্রশ্নঃ৪২. ডায়াটম এক প্রকার— 

(ক) শৈবাল (খ) ছত্রাক (গ) ব্যাকটিরিয়া (ঘ) ভাইরাস 

উত্তর: (ক) শৈবাল


প্রশ্নঃ৪৩. অভিকর্ষের গতিপথ অনুসারে চলনকে কী বলা হয়? 

(ক) ফটোট্রপিক (খ) হাইড্রোট্রপিক (গ) জিওট্রপিক (ঘ) থার্মোন্যাস্টিক 

উত্তর: (গ) জিওট্রপিক


প্রশ্নঃ৪৪. মূল হলো— 

(ক) পজিটিভ ফটোট্রপিক (খ) নেগেটিভ ফটোট্রপিক (গ) নেগেটিভ হাইড্রোট্রপিক (ঘ) তীর্যক ফটোট্রপিক 

উত্তর: (খ) নেগেটিভ ফটোট্রপিক


প্রশ্নঃ৪৫. উদ্ভিদের চলন মূলত কয় প্রকার? 

(ক) ২ (খ) ৩ (গ) ৪ (ঘ) ৫ 

উত্তর: (খ) ৩


প্রশ্নঃ৪৬. বনচাঁড়ালের ভালো নাম বা বৈজ্ঞানিক নাম কী? 

(ক) Mimosa pudica (খ) Desmodium gyrans (গ) Helianthus (ঘ) কোনোটিই নয় 

উত্তর: (খ) Desmodium gyrans


প্রশ্নঃ৪৭. নিচের কোনটি ট্যাকটিক চলনের বৈশিষ্ট্য নয়? 

(ক) সামগ্রিক স্থান পরিবর্তন (খ) উদ্দীপকের গতিপথ নির্ভর (গ) অক্সিন হরমোন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত (ঘ) উদ্দীপকের তীব্রতা নির্ভর 

উত্তর: (গ) অক্সিন হরমোন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত


প্রশ্নঃ৪৮. আলোক উৎসের বিপরীত দিকে মূলের বৃদ্ধিকে কী বলে? 

(ক) পজিটিভ ফটোট্রপিজম (খ) নেগেটিভ ফটোট্রপিজম (গ) পজিটিভ জিওট্রপিজম (ঘ) হাইড্রোট্রপিজম 

উত্তর: (খ) নেগেটিভ ফটোট্রপিজম


প্রশ্নঃ৪৯. কেমোন্যাস্টিক চলনের উদ্দীপক কোনটি? 

(ক) আলো (খ) উষ্ণতা (গ) প্রোটিন বা রাসায়নিক বস্তু (ঘ) স্পর্শ 

উত্তর: (গ) প্রোটিন বা রাসায়নিক বস্তু


প্রশ্নঃ৫০. "উদ্ভিদেরও প্রাণ আছে"—এটি কে প্রমাণ করেছিলেন? 

(ক) লুই পাস্তুর (খ) চার্লস ডারউইন (গ) জগদীশচন্দ্র বসু (ঘ) ল্যামার্ক 

উত্তর: (গ) জগদীশচন্দ্র বসু



Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা             ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।            ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়। 

মেকলের প্রতিবেদন (মেকলে মিনিটস্) ও ইনফিলট্রেশন থিয়োরি—

মেকলের প্রতিবেদন (মেকলে মিনিটস্) ও ইনফিলট্রেশন থিয়োরি—                ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দের সনদ আইনে ভারতীয়দের জন্য শিক্ষার ক্ষেত্রে ১ লক্ষ টাকা ব্যয় করার কথা বলা হয়। সেই টাকা প্রাচ্য না পাশ্চাত্য কোন শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যয় করা হবে তা নিয়ে ভারতীয় ও ইউরোপীয়রা প্রাচ্যবাদী ও পাশ্চাত্যবাদী দুটি গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এই সমস্যার সমাধান কল্পে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক তাঁর আইন সচিব মেকলেকে ‘ পাবলিক ইনস্ট্রাকশন কমিটি ’র সভাপতি পদে নিয়োগ করেন। মেকলে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের স্বপক্ষে ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে একটি প্রস্তাব পেশ করেন। এই প্রতিবেদন মেকলে মিনিটস নামে খ্যাত।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য

  নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য Sl. No. নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকা 1 মেরু প্রদেশের বরফাবৃত অঞ্চল এবং উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কেবলমাত্র বরফে ঢাকা উঁচু পার্বত্য অঞ্চল এবং হিমশীতল মেরু অঞ্চলেই হিমবাহ উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। 2 পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকা প্রধানত ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো হয়। হিমবাহ উপত্যকা ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়। 3 পার্বত্য ও উচ্চ সমভূমি অঞ্চলে নদী স্রোতের গতিবেগ প্রবল হয়, নিম্নভূমিতে নদী স্রোতের গতি ধীরে ধীরে কমে আসে। বেশিরভাগ সময়েই হিমবাহ অত্যন্ত ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। 4 নদী উপত্যকা আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়। হিমবাহ উপত্যকা সোজা পথে অগ্রসর হয়। 5 সাধারণত নদী উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য বেশি হয়। হিমবাহ উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য কম হয়। 6 নদীর সঞ্চয় কাজের ফলে নদী উপত্যকায় প্লাবনভূমি, স্বাভাবিক বাঁধ, বদ্বীপ প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। ...

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য কী ?

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য - স্প্রিং তুলা সাধারণ তুলা 1. স্প্রিং তুলা দিয়ে বস্তুর ভার বা ওজন মাপা হয়। 1. সাধারণ তুলায় বস্তুর ভর মাপা হয়। 2. খুব ভারী বস্তুর ওজন মাপা যায় না। 2. ভারী বস্তুর ভর মাপা যায়। 3. স্প্রিং তুলায় একটি বস্তুর ওজনের পাঠ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন হয়। 3. সাধারণ তুলায় একটি বস্তুর ভরের ক্ষেত্রে সব স্থানে একই পাঠ পাওয়া যায়। 4. স্প্রিং তুলা যে স্থানে অংশাঙ্কিত হয় শুধু সেই স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 4. সাধারণ তুলা সব স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 5. স্প্রিং তুলার কার্যনীতি পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের জন্য স্প্রিং-এর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির ওপর নির্ভরশীল। 5. সাধারণ তুলা প্রথম শ্রেণির লিভারের নীতি অনুযায়ী কাজ করে।

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

উডের ডেসপ্যাচ বা উডের প্রতিবেদন।

উডের ডেসপ্যাচ            ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের লক্ষ্যে ইংল্যান্ডের বোর্ড অব কন্ট্রোলের সভাপতি স্যার চার্লস উডের নেতৃত্বে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট একটি শিক্ষা কমিটি গঠন করে। এই কমিটি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার জন্য যে সুপারিশ পেশ করেন (১৮৫৪ খ্রি., ১৯ জুলাই ) তা উডের ডেসপ্যাচ বা উডের প্রতিবেদন নামে পরিচিত।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

হিমদ্রোণি বা হিমখাত (Glacial trough) বা ‘U’ আকৃতির উপত্যকা

হিমদ্রোণি বা হিমখাত (Glacial trough) বা ‘U’ আকৃতির উপত্যকা               উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহের ক্ষয়কাজের ফলে সৃষ্টি হওয়া অন্যতম এক ভূমিরূপ হল হিমদ্রোণী। হিমবাহ যে উপত্যকার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয় যেখানে হিমবাহের পার্শ্বক্ষয় ও নিম্নক্ষয় সমানভাবে হওয়ার ফলে পার্বত্য উপত্যকাটির আকৃতি ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়ে যায়, একে ‘U’ আকৃতির উপত্যকা বা হিমদ্রোণী বলে।