Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

দশম শ্রেণী - জীবনবিজ্ঞান - জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় - উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা এবং সাড়াপ্রদান - বহু বিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন

 দশম শ্রেণী - জীবনবিজ্ঞান - জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় - উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা এবং সাড়াপ্রদান - বহু বিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন


বিভাগ ১: চলনের প্রাথমিক ধারণা ও জগদীশচন্দ্র বসু

প্রশ্নঃ১. উদ্দীপকের প্রভাবে জীবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঞ্চালনকে কী বলে? 

(ক) গমন (খ) চলন (গ) রেচন (ঘ) পুষ্টি 

উত্তর: (খ) চলন


প্রশ্নঃ২. যে প্রক্রিয়ায় জীব স্বেচ্ছায় সামগ্রিক স্থান পরিবর্তন করে তাকে কী বলে? 

(ক) চলন (খ) বিচলন (গ) গমন (ঘ) উদ্দীপনা 

উত্তর: (গ) গমন


প্রশ্নঃ৩. কোন যন্ত্রের সাহায্যে জগদীশচন্দ্র বসু উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা প্রমাণ করেন? 

(ক) অক্সানোমিটার (খ) ক্রেস্কোগ্রাফ (গ) থার্মোমিটার (ঘ) বারোমিটার 

উত্তর: (খ) ক্রেস্কোগ্রাফ


প্রশ্নঃ৪. বনচাঁড়ালের পাতায় কোন ধরনের চলন দেখা যায়? 

(ক) ট্যাকটিক (খ) থার্মোন্যাস্টিক (গ) প্রকরণ চলন (ঘ) জিওট্রপিক 

উত্তর: (গ) প্রকরণ চলন


প্রশ্নঃ৫. উদ্ভিদের সারা প্রদানের ক্ষমতাকে কী বলা হয়? 

(ক) বৃদ্ধি (খ) উদ্দীপনা (গ) সংবেদনশীলতা (ঘ) চলন 

উত্তর: (গ) সংবেদনশীলতা


বিভাগ ২: ট্যাকটিক চলন

প্রশ্নঃ৬. ট্যাকটিক চলনে উদ্ভিদের কী পরিবর্তন হয়? 

(ক) কেবল অঙ্গের (খ) সামগ্রিক স্থান (গ) কোনো পরিবর্তন হয় না (ঘ) কেবল মূলের 

উত্তর: (খ) সামগ্রিক স্থান


প্রশ্নঃ৭. আলোর প্রভাবে সামগ্রিক স্থান পরিবর্তনকে কী বলে? 

(ক) ফটোট্রপিক (খ) ফটোট্যাকটিক (গ) ফটোন্যাস্টিক (ঘ) থার্মোন্যাস্টিক 

উত্তর: (খ) ফটোট্যাকটিক


প্রশ্নঃ৮. ফটোট্যাকটিক চলন দেখা যায় নিচের কোনটিতে? 

(ক) আম গাছ (খ) ক্ল্যামাইডোমোনাস (গ) লজ্জাবতী (ঘ) সূর্যমুখী 

উত্তর: (খ) ক্ল্যামাইডোমোনাস


প্রশ্নঃ৯. ট্যাকটিক চলন উদ্দীপকের কোন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে? 

(ক) কেবল তীব্রতা (খ) কেবল গতিপথ (গ) তীব্রতা ও গতিপথ উভয় (ঘ) কোনোটিই নয় 

উত্তর: (গ) তীব্রতা ও গতিপথ উভয়


প্রশ্নঃ১০. নিচের কোনটি এককোষী শৈবালের চলন? 

(ক) ট্রপিক (খ) ট্যাকটিক (গ) ন্যাস্টিক (ঘ) চলন নয় 

উত্তর: (খ) ট্যাকটিক


বিভাগ ৩: ট্রপিক চলন

প্রশ্নঃ১১. উদ্দীপকের উৎসের গতিপথ অনুসারে চলনকে কী বলে? 

(ক) ট্যাকটিক (খ) ন্যাস্টিক (গ) ট্রপিক (ঘ) সিসমোন্যাস্টিক 

উত্তর: (গ) ট্রপিক


প্রশ্নঃ১২. উদ্ভিদের বিটপ অংশ আলোর উৎসের দিকে এগিয়ে যায়, এটি কী প্রকার চলন? 

(ক) প্রতিকূল আলোকবৃত্তি (খ) অনুকূল আলোকবৃত্তি (গ) আলোকব্যাপ্তি (ঘ) জলবৃত্তি 

উত্তর: (খ) অনুকূল আলোকবৃত্তি


প্রশ্নঃ১৩. উদ্ভিদের মূল অভিকর্ষের অনুকূলে চললে তাকে কী বলে? 

(ক) পজিটিভ জিওট্রপিক (খ) নেগেটিভ জিওট্রপিক (গ) হাইড্রোট্রপিক (ঘ) ফটোট্রপিক 

উত্তর: (ক) পজিটিভ জিওট্রপিক


প্রশ্নঃ১৪. কাণ্ড আলোক উৎসের দিকে চললে তাকে কী বলা হয়? 

(ক) অনুকূল আলোকবর্তী (খ) প্রতিকূল আলোকবর্তী (গ) তীর্যক আলোকবর্তী (ঘ) জলবর্তী 

উত্তর: (ক) অনুকূল আলোকবর্তী


প্রশ্নঃ১৫. মূলের জলের দিকে অগ্রসর হওয়া কোন প্রকার চলন? 

(ক) ফটোট্রপিক (খ) জিওট্রপিক (গ) হাইড্রোট্রপিক (ঘ) ন্যাস্টিক 

উত্তর: (গ) হাইড্রোট্রপিক


প্রশ্নঃ১৬. কোন হরমোন ট্রপিক চলন নিয়ন্ত্রণ করে? 

(ক) জিব্বেরেলিন (খ) অক্সিন (গ) সাইটোকাইনিন (ঘ) ইথিলিন 

উত্তর: (খ) অক্সিন


প্রশ্নঃ১৭. সুন্দরী গাছের শ্বাসমূলের চলন হলো— 

(ক) অনুকূল অভিকর্ষবর্তী (খ) প্রতিকূল অভিকর্ষবর্তী (গ) অনুকূল জলবর্তী (ঘ) ফটোট্যাকটিক 

উত্তর: (খ) প্রতিকূল অভিকর্ষবর্তী


প্রশ্নঃ১৮. ট্রপিক চলন হলো একপ্রকার— 

(ক) সামগ্রিক চলন (খ) বক্র চলন (গ) রসস্ফীতি চলন (ঘ) কোনোটিই নয় 

উত্তর: (খ) বক্র চলন


প্রশ্নঃ১৯. উদ্ভিদের পাতা আলোক রশ্মির সঙ্গে কীভাবে বৃদ্ধি পায়? 

(ক) সমান্তরালভাবে (খ) লম্বভাবে (গ) তীর্যকভাবে (ঘ) বিপরীতভাবে 

উত্তর: (গ) তীর্যকভাবে


প্রশ্নঃ২০. কাণ্ড অভিকর্ষের বিপরীত দিকে বৃদ্ধি পায়, এটি কী ধরনের চলন? 

(ক) অনুকূল জিওট্রপিক (খ) প্রতিকূল জিওট্রপিক (গ) অনুকূল ফটোট্রপিক (ঘ) হাইড্রোট্রপিক 

উত্তর: (খ) প্রতিকূল জিওট্রপিক


বিভাগ ৪: ন্যাস্টিক চলন

প্রশ্নঃ২১. উদ্দীপকের তীব্রতা অনুযায়ী চলনকে কী বলে? 

(ক) ট্রপিক (খ) ট্যাকটিক (গ) ন্যাস্টিক (ঘ) অভিমুখী চলন 

উত্তর: (গ) ন্যাস্টিক


প্রশ্নঃ২২. লজ্জাবতীর পাতা স্পর্শ করলে বুজে যায়, এটি কোন চলন? 

(ক) ফটোন্যাস্টিক (খ) সিসমোন্যাস্টিক (গ) থার্মোন্যাস্টিক (ঘ) কেমোন্যাস্টিক 

উত্তর: (খ) সিসমোন্যাস্টিক


প্রশ্নঃ২৩. সূর্যমুখী ফুল আলোতে ফোটে এবং অন্ধকারে মুদে যায়, এটি হলো— 

(ক) ফটোট্রপিক (খ) ফটোট্যাকটিক (গ) ফটোন্যাস্টিক (ঘ) থার্মোন্যাস্টিক 

উত্তর: (গ) ফটোন্যাস্টিক


প্রশ্নঃ২৪. টিউলিপ ফুল বেশি উষ্ণতায় ফোটে, এটি কী প্রকার চলন? 

(ক) ফটোন্যাস্টিক (খ) থার্মোন্যাস্টিক (গ) কেমোন্যাস্টিক (ঘ) সিসমোন্যাস্টিক 

উত্তর: (খ) থার্মোন্যাস্টিক


প্রশ্নঃ২৫. সূর্যশিশির বা কলসপত্রী উদ্ভিদের পতঙ্গ শিকার কোন ধরনের চলন? 

(ক) সিসমোন্যাস্টিক (খ) কেমোন্যাস্টিক (গ) থার্মোন্যাস্টিক (ঘ) ফটোন্যাস্টিক 

উত্তর: (খ) কেমোন্যাস্টিক


প্রশ্নঃ২৬. উদ্দীপকের গতিপথের ওপর নির্ভর করে না কোন চলন? 

(ক) ট্রপিক (খ) ন্যাস্টিক (গ) ট্যাকটিক (ঘ) কোনোটিই নয় 

উত্তর: (খ) ন্যাস্টিক


প্রশ্নঃ২৭. পদ্মফুল দিনের আলোতে ফোটে ও রাতে মুদে যায়, এটি— 

(ক) ফটোন্যাস্টিক (খ) থার্মোন্যাস্টিক (গ) সিসমোন্যাস্টিক (ঘ) কেমোন্যাস্টিক 

উত্তর: (ক) ফটোন্যাস্টিক


প্রশ্নঃ২৮. স্পর্শ বা আঘাতের তীব্রতায় যে চলন হয় তাকে কী বলে? 

(ক) ব্যাপ্তি চলন (খ) সিসমোন্যাস্টিক (গ) রসস্ফীতি চলন (ঘ) ট্রপিক চলন 

উত্তর: (খ) সিসমোন্যাস্টিক


প্রশ্নঃ২৯. প্রোটিন বা রাসায়নিক পদার্থের প্রভাবে চলনকে কী বলে? 

(ক) কেমোন্যাস্টিক (খ) ফটোন্যাস্টিক (গ) থার্মোন্যাস্টিক (ঘ) সিসমোন্যাস্টিক 

উত্তর: (ক) কেমোন্যাস্টিক


প্রশ্নঃ৩০. হরমোন (অক্সিন) দ্বারা প্রভাবিত হয় না কোন চলন? 

(ক) ট্রপিক (খ) ন্যাস্টিক (গ) ট্যাকটিক (ঘ) খ ও গ উভয়ই 

উত্তর: (ঘ) খ ও গ উভয়ই (ন্যাস্টিক ও ট্যাকটিক অক্সিন দ্বারা প্রভাবিত হয় না)


বিভাগ ৫: পার্থক্য ও বৈশিষ্ট্য

প্রশ্নঃ৩১. সামগ্রিক চলন দেখা যায়— 

(ক) শৈবালে (খ) আম গাছে (গ) জাম গাছে (ঘ) লতানো গাছে 

উত্তর: (ক) শৈবালে


প্রশ্নঃ৩২. বক্র চলন দেখা যায় কোনটিতে? 

(ক) ভলবক্স (খ) ক্ল্যামাইডোমোনাস (গ) আম গাছ (ঘ) ডায়াটম 

উত্তর: (গ) আম গাছ (উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদ)


প্রশ্নঃ৩৩. সিসমোন্যাস্টিক চলনের প্রধান কারণ কী? 

(ক) অক্সিন হরমোন (খ) রসস্ফীতি চাপের পরিবর্তন (গ) আলোর তীব্রতা (ঘ) অভিকর্ষ বল 

উত্তর: (খ) রসস্ফীতি চাপের পরিবর্তন


প্রশ্নঃ৩৪. লজ্জাবতীর পত্রমূলের স্ফীত অংশকে কী বলা হয়? 

(ক) পালভিনাস (খ) কর্টেক্স (গ) জাইলেম (ঘ) ফ্লোয়েম 

উত্তর: (ক) পালভিনাস


প্রশ্নঃ৩৫. নিচের কোনটি ট্যাকটিক চলনের উদাহরণ? 

(ক) মূলের মাটির দিকে যাওয়া (খ) শৈবালের আলোর দিকে যাওয়া (গ) লজ্জাবতীর পাতা বোজা (ঘ) সূর্যমুখীর মুখ ঘোরানো 

উত্তর: (খ) শৈবালের আলোর দিকে যাওয়া


প্রশ্নঃ৩৬. ফটোট্রপিক চলন নিয়ন্ত্রণ করে— 

(ক) আলো (খ) তাপ (গ) রাসায়নিক দ্রব্য (ঘ) জল 

উত্তর: (ক) আলো


প্রশ্নঃ৩৭. নিচের কোনটি সচল উদ্ভিদ? 

(ক) শৈবাল (খ) ফার্ন (গ) ম্যাস (ঘ) ক্যাস্টর 

উত্তর: (ক) শৈবাল (ক্ল্যামাইডোমোনাস)


প্রশ্নঃ৩৮. ট্রপিক চলন হলো এক প্রকার— 

(ক) আবিষ্ট চলন (খ) স্বতঃস্ফূর্ত চলন (গ) বৃদ্ধিজ চলন (ঘ) ক ও গ উভয়ই 

উত্তর: (ঘ) ক ও গ উভয়ই


প্রশ্নঃ৩৯. লজ্জাবতীর চলনকে কী চলন বলা হয়? 

(ক) বৃদ্ধিজনিত (খ) রসস্ফীতিজনিত (গ) রাসায়নিক (ঘ) তাপজনিত 

উত্তর: (খ) রসস্ফীতিজনিত


প্রশ্নঃ৪০. বনচাঁড়ালের পত্রক দুটির ওঠানামা করার কারণ কী? 

(ক) কোষের রসস্ফীতি চাপের হ্রাস-বৃদ্ধি (খ) আলোর তীব্রতা (গ) হরমোন (ঘ) অভিকর্ষ 

উত্তর: (ক) কোষের রসস্ফীতি চাপের হ্রাস-বৃদ্ধি


বিভাগ ৬: অতিরিক্ত ও উচ্চতর দক্ষতা

প্রশ্নঃ৪১. উদ্দীপক প্রয়োগে প্রাণীরা কিসের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানায়?

(ক) রক্ত (খ) স্নায়ুতন্ত্র (গ) হরমোন (ঘ) চলন 

উত্তর: (খ) স্নায়ুতন্ত্র


প্রশ্নঃ৪২. ডায়াটম এক প্রকার— 

(ক) শৈবাল (খ) ছত্রাক (গ) ব্যাকটিরিয়া (ঘ) ভাইরাস 

উত্তর: (ক) শৈবাল


প্রশ্নঃ৪৩. অভিকর্ষের গতিপথ অনুসারে চলনকে কী বলা হয়? 

(ক) ফটোট্রপিক (খ) হাইড্রোট্রপিক (গ) জিওট্রপিক (ঘ) থার্মোন্যাস্টিক 

উত্তর: (গ) জিওট্রপিক


প্রশ্নঃ৪৪. মূল হলো— 

(ক) পজিটিভ ফটোট্রপিক (খ) নেগেটিভ ফটোট্রপিক (গ) নেগেটিভ হাইড্রোট্রপিক (ঘ) তীর্যক ফটোট্রপিক 

উত্তর: (খ) নেগেটিভ ফটোট্রপিক


প্রশ্নঃ৪৫. উদ্ভিদের চলন মূলত কয় প্রকার? 

(ক) ২ (খ) ৩ (গ) ৪ (ঘ) ৫ 

উত্তর: (খ) ৩


প্রশ্নঃ৪৬. বনচাঁড়ালের ভালো নাম বা বৈজ্ঞানিক নাম কী? 

(ক) Mimosa pudica (খ) Desmodium gyrans (গ) Helianthus (ঘ) কোনোটিই নয় 

উত্তর: (খ) Desmodium gyrans


প্রশ্নঃ৪৭. নিচের কোনটি ট্যাকটিক চলনের বৈশিষ্ট্য নয়? 

(ক) সামগ্রিক স্থান পরিবর্তন (খ) উদ্দীপকের গতিপথ নির্ভর (গ) অক্সিন হরমোন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত (ঘ) উদ্দীপকের তীব্রতা নির্ভর 

উত্তর: (গ) অক্সিন হরমোন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত


প্রশ্নঃ৪৮. আলোক উৎসের বিপরীত দিকে মূলের বৃদ্ধিকে কী বলে? 

(ক) পজিটিভ ফটোট্রপিজম (খ) নেগেটিভ ফটোট্রপিজম (গ) পজিটিভ জিওট্রপিজম (ঘ) হাইড্রোট্রপিজম 

উত্তর: (খ) নেগেটিভ ফটোট্রপিজম


প্রশ্নঃ৪৯. কেমোন্যাস্টিক চলনের উদ্দীপক কোনটি? 

(ক) আলো (খ) উষ্ণতা (গ) প্রোটিন বা রাসায়নিক বস্তু (ঘ) স্পর্শ 

উত্তর: (গ) প্রোটিন বা রাসায়নিক বস্তু


প্রশ্নঃ৫০. "উদ্ভিদেরও প্রাণ আছে"—এটি কে প্রমাণ করেছিলেন? 

(ক) লুই পাস্তুর (খ) চার্লস ডারউইন (গ) জগদীশচন্দ্র বসু (ঘ) ল্যামার্ক 

উত্তর: (গ) জগদীশচন্দ্র বসু



Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য

  নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য Sl. No. নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকা 1 মেরু প্রদেশের বরফাবৃত অঞ্চল এবং উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কেবলমাত্র বরফে ঢাকা উঁচু পার্বত্য অঞ্চল এবং হিমশীতল মেরু অঞ্চলেই হিমবাহ উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। 2 পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকা প্রধানত ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো হয়। হিমবাহ উপত্যকা ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়। 3 পার্বত্য ও উচ্চ সমভূমি অঞ্চলে নদী স্রোতের গতিবেগ প্রবল হয়, নিম্নভূমিতে নদী স্রোতের গতি ধীরে ধীরে কমে আসে। বেশিরভাগ সময়েই হিমবাহ অত্যন্ত ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। 4 নদী উপত্যকা আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়। হিমবাহ উপত্যকা সোজা পথে অগ্রসর হয়। 5 সাধারণত নদী উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য বেশি হয়। হিমবাহ উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য কম হয়। 6 নদীর সঞ্চয় কাজের ফলে নদী উপত্যকায় প্লাবনভূমি, স্বাভাবিক বাঁধ, বদ্বীপ প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। ...

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য কী ?

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য - স্প্রিং তুলা সাধারণ তুলা 1. স্প্রিং তুলা দিয়ে বস্তুর ভার বা ওজন মাপা হয়। 1. সাধারণ তুলায় বস্তুর ভর মাপা হয়। 2. খুব ভারী বস্তুর ওজন মাপা যায় না। 2. ভারী বস্তুর ভর মাপা যায়। 3. স্প্রিং তুলায় একটি বস্তুর ওজনের পাঠ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন হয়। 3. সাধারণ তুলায় একটি বস্তুর ভরের ক্ষেত্রে সব স্থানে একই পাঠ পাওয়া যায়। 4. স্প্রিং তুলা যে স্থানে অংশাঙ্কিত হয় শুধু সেই স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 4. সাধারণ তুলা সব স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 5. স্প্রিং তুলার কার্যনীতি পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের জন্য স্প্রিং-এর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির ওপর নির্ভরশীল। 5. সাধারণ তুলা প্রথম শ্রেণির লিভারের নীতি অনুযায়ী কাজ করে।

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু                     পর্বত্য অঞ্চল থেকে সমভূমিতে প্রবেশ করলে নদীর গতিপথের ঢাল হ্রাস পায়। ফলে নদীর ক্ষমতাও কমে যায়। উচ্চপ্রবাহের ক্ষয়িত পদার্থসমূহ (শিলাখণ্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি) সমভূমিতে প্রবেশের মুখে পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে শঙ্কু আকৃতির ভূমিরূপ গঠন করে। একে পলিশঙ্কু বলে। দেখতে হাত পাখার মতো হয় বলে একে পলল পাখা বা পলল ব্যজনীও বলে। 

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

গিরিখাত এবং ক্যানিয়নের মধ্যে পার্থক্য

  গিরিখাত এবং ক্যানিয়নের মধ্যে পার্থক্য Sl. No. গিরিখাত ক্যানিয়ন 1 গিরিখাত আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্টি হয় বলে বহু উপনদী গিরিখাতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদীর সঙ্গে মিলিত হয়। ফলে নদীখাত সামান্য প্রশস্ত হয়। ক্যানিয়ন শুষ্ক পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্টি হয় বলে ক্যানিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদীর সঙ্গে কোনো উপনদী মিলিত হয় না। ফলে নদীখাত একদম সংকীর্ণ হয়। 2 আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত নদীতে গিরিখাতের সৃষ্টি হয়। শুষ্ক মরু ও মরুপ্রায় উচ্চভূমিতে প্রবাহিত নদীতে ক্যানিয়নের সৃষ্টি হয়। 3 গিরিখাত গঠনের সময় অধিক নিম্নক্ষয়ের সঙ্গে সঙ্গে সামান্য পার্শ্বক্ষয়ও হয়ে থাকে। ক্যানিয়ন গঠনের সময় পার্শ্বক্ষয় একদম হয় না শুধু নদীর নিম্নক্ষয়ই হয়ে থাকে। 4 গিরিখাতের আকৃতি অনেকটা ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো। ক্যানিয়নের আকৃতি অনেকটা ইংরেজি ‘I’ অক্ষরের মতো। 5 যেহেতু আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলে গিরিখাত সৃষ্টি হয়, সেহেতু বৃষ্টিপাতের জন্য নদীর দুই পাড়ের ক্ষয় সামা...

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য

  আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য Sl. No. আবহবিকার ক্ষয়ীভবন 1 আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন—উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, জলীয় বাষ্প, তুষারপাত ও বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান দ্বার শিলাসমূহের চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া বা বিয়োজনকে আবহবিকার বলে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ, ইত্যাদি দ্বারা আবহবিকারপ্রাপ্ত চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহের অপসারণকে ক্ষয়ীভবন বলে। 2 আবহবিকারের ফলে মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের (গঠন, আকৃতি, খনিজের আণবিক সজ্জা প্রভৃতি) পরিবর্তন ঘটে । ক্ষয়ীভবনের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয়। কিন্তু মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন সাধন হয় না। 3 আবহবিকার কোনোভাবে ক্ষয়ীভবনের ওপর নির্ভরশীল নয়। ক্ষয়ীভবন সম্পূর্ণরূপে আবহবিকারের ওপর নির্ভরশীল। আবহবিকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে না। 4 আবহবিকারের ফলে চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহ শিলাস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে। ক্ষয়ীভবনের ফলে আবহবিকার প্রাপ্ত শিলাচূর্ণ স্থানান্তরি...

জাতীয়তাবাদের বিকাশে বঙ্কিমচন্দ্রের অবদান কী ?

          বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮–৯৪ খ্রি.) ছিলেন ঊনবিংশ শতকের অগ্রণী ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার। বঙ্কিমচন্দ্রের অধিকাংশ উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল স্বদেশ ও দেশপ্রেম। বঙ্কিমচন্দ্রের সৃষ্টি ভারতীয় জাতীয়তাবোধের বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিল। তাঁর ‘বন্দেমাতরম্’–মন্ত্র ছিল বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র। অরবিন্দ ঘোষ তাই বঙ্কিমকে ‘জাতীয়তাবোধের ঋত্বিক’ বলেছেন।