Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

দশম শ্রেণী - জীবনবিজ্ঞান - জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় - উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা এবং সাড়াপ্রদান - এক নম্বরের প্রশ্ন

একটি শব্দে বা একটি বাক্যে উত্তর দাও


বিভাগ ১: সাধারণ ও যন্ত্র বিষয়ক

১. উদ্দীপকের প্রভাবে জীবের সাড়া দেওয়ার ক্ষমতাকে কী বলে?

উত্তর: সংবেদনশীলতা।


২. উদ্ভিদের উদ্দীপনা মাপার যন্ত্রের নাম কী?

উত্তর: ক্রেস্কোগ্রাফ।


৩. ক্রেস্কোগ্রাফ যন্ত্রটি কে আবিষ্কার করেন?

উত্তর: আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু।


৪. সামগ্রিক চলন বা গমন দেখা যায় এমন একটি উদ্ভিদের নাম বলো।

উত্তর: ক্ল্যামাইডোমোনাস (বা ভলবক্স)।


৫. একটি উদ্ভিদের নাম লেখো যাতে প্রকরণ চলন দেখা যায়।

উত্তর: বনচাঁড়াল।


৬. উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা সংক্রান্ত পরীক্ষার জন্য জগদীশচন্দ্র বসু কোন কোন উদ্ভিদ ব্যবহার করেছিলেন?

উত্তর: লজ্জাবতী ও বনচাঁড়াল।



বিভাগ ২: ট্যাকটিক ও ট্রপিক চলন

৭. উদ্দীপকের প্রভাবে উদ্ভিদের সামগ্রিক স্থান পরিবর্তনকে কী বলে?

উত্তর: ট্যাকটিক চলন।


৮. উদ্ভিদের কাণ্ড আলোর দিকে বৃদ্ধি পায়—এটি কী ধরনের চলন?

উত্তর: অনুকূল আলোকবৃত্তি (Phototropic)।


৯. মূলের জলের দিকে অগ্রসর হওয়াকে কী বলে?

উত্তর: হাইড্রোট্রপিক বা জলবৃত্তি চলন।


১০. অভিকর্ষের অনুকূলে মূলের চলনকে কী বলে?

উত্তর: পজিটিভ জিওট্রপিক চলন।


১১. সুন্দরী গাছের শ্বাসমূলের চলন কী প্রকৃতির?

উত্তর: প্রতিকূল অভিকর্ষবর্তী (Negative Geotropic)।


১২. কোন হরমোন ট্রপিক চলন নিয়ন্ত্রণ করে?

উত্তর: অক্সিন।


১৩. আলোক উৎসের বিপরীত দিকে মূলের বৃদ্ধিকে কী বলে?

উত্তর: প্রতিকূল আলোকবৃত্তি।


১৪. উদ্দীপকের উৎসের গতিপথ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত চলনকে কী বলা হয়?

উত্তর: ট্রপিক চলন।



বিভাগ ৩: ন্যাস্টিক চলন

১৫. উদ্দীপকের তীব্রতা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত চলনকে কী বলে?

উত্তর: ন্যাস্টিক চলন।


১৬. লজ্জাবতী লতার পাতা স্পর্শ করলে বুজে যায়—এটি কোন ধরনের চলন?

উত্তর: সিসমোন্যাস্টিক।


১৭. পদ্ম ফুল দিনের আলোয় ফোটে—এটি কী প্রকার চলন?

উত্তর: ফটোন্যাস্টিক।


১৮. টিউলিপ ফুল বেশি উষ্ণতায় ফোটে—এটি কী ধরনের চলন?

উত্তর: থার্মোন্যাস্টিক।


১৯. সূর্যশিশির উদ্ভিদের কর্ষিকা পতঙ্গের সংস্পর্শে বাঁকিয়ে যায়—এটি কী চলন?

উত্তর: কেমোন্যাস্টিক।


২০. কোন চলন রসস্ফীতি চাপের পরিবর্তনের ফলে ঘটে?

উত্তর: সিসমোন্যাস্টিক চলন।


২১. ন্যাস্টিক চলন কি হরমোন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?

উত্তর: না।



বিভাগ ৪: বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ

২২. ট্যাকটিক চলনের একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: আলোক অভিমুখে শৈবালের চলন।


২৩. উদ্ভিদের বিটপ অংশ অভিকর্ষের কোন দিকে বৃদ্ধি পায়?

উত্তর: বিপরীত দিকে।


২৪. উদ্ভিদের পাতা আলোক রশ্মির সঙ্গে কীভাবে থাকে?

উত্তর: তীর্যকভাবে।


২৫. ডায়াটম কীভাবে স্থান পরিবর্তন করে?

উত্তর: সিলিয়া সঞ্চালনের মাধ্যমে।


২৬. লজ্জাবতীর পত্রমূলের স্ফীত অংশকে কী বলা হয়?

উত্তর: পালভিনাস।


২৭. বনচাঁড়ালের পত্রক দুটির চলন কেন ঘটে?

উত্তর: রসস্ফীতি চাপের পরিবর্তনের কারণে।


২৮. উদ্দীপকের গতিপথের ওপর নির্ভর করে না কোন চলন?

উত্তর: ন্যাস্টিক চলন।


২৯. একটি রাসায়নিক উদ্দীপকের উদাহরণ দাও।

উত্তর: প্রোটিন (পতঙ্গভুক উদ্ভিদের ক্ষেত্রে)।


৩০. থার্মোন্যাস্টিক চলনের উদ্দীপক কী?

উত্তর: উষ্ণতা বা তাপ।



বিভাগ ৫: শূন্যস্থান বা সঠিক শব্দ চয়ন

৩১. 'বক্র চলন' মূলত কোন দুই প্রকার চলনকে বোঝায়?

উত্তর: ট্রপিক ও ন্যাস্টিক।


৩২. ক্ল্যামাইডোমোনাসের আলোর দিকে যাওয়া কোন প্রকার চলন?

উত্তর: ফটোট্যাকটিক।


৩৩. জুই ফুল রাতে ফোটে—এটি কোন চলন?

উত্তর: ফটোন্যাস্টিক।


৩৪. মসের শুক্রাণুর ডিম্বাণুর দিকে অগ্রসর হওয়া কী প্রকার চলন?

উত্তর: কেমোট্যাকটিক।


৩৫. অভিকর্ষের প্রভাবে ঘটে কোন চলন?

উত্তর: জিওট্রপিক।


৩৬. সূর্যমুখী ফুল কি সর্বদা সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে?

উত্তর: হ্যাঁ (ফটোট্রপিক/ফটোন্যাস্টিক কারণে)।


৩৭. উদ্ভিদের বিটপ অংশকে কী বলা হয়?

উত্তর: পজিটিভ ফটোট্রপিক।


৩৮. মূলকে কী বলা হয়?

উত্তর: নেগেটিভ ফটোট্রপিক।


৩৯. সিসমোন্যাস্টিক চলনের অপর নাম কী?

উত্তর: স্পর্শব্যাপ্তি চলন।


৪০. উদ্ভিদের কান্ড আলোক উৎসের দিকে বেঁকে যায়—এটি প্রথম কে লক্ষ্য করেন?

উত্তর: চার্লস ডারউইন (অক্সিন সংক্রান্ত গবেষণায়)।


Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল ?

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল      ভারতীয় জাতীয় রাজনীতিতে জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল মূলত ভারতবাসীর আশা–আকাঙ্ক্ষা পূরণ ও ব্রিটিশবিরোধী ক্ষোভের হাত থেকে ব্রিটিশ শাসনকে রক্ষা করার জন্যই।  জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য (১) কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন— উদ্দেশ্য ঘোষণা—বোম্বাইয়ের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজ হল জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে (১৮৮৫ খ্রি., ২৮ ডিসেম্বর) সভাপতির ভাষণে উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে চারটি মূল উদ্দেশ্যের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এগুলি হল—   (i) ভাষাগত ও ধর্মীয় বৈচিত্রে ভরা ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের দেশপ্রেমীদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও একাত্মতা গড়ে তোলা, (ii) সম্প্রীতির দ্বারা জাতি, ধর্ম, প্রাদেশিকতার তুচ্ছ সংকীর্ণতা দূর করে জাতীয় সংহতির পথ প্রশস্ত করা, (iii) শিক্ষিতদের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ করে সামাজিক ও অন্যান্য সমস্যা সমাধানের উপায় নির্ণয় করা, (iv) ভারতের রাজনৈতিক অগ্রগতির জন্য ভবিষ্যৎ কর্মসূচি গ্রহণ করা।

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

[MCQ]রাজনীতির বিবর্তন - শাসনতান্ত্রিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা।।সেট ৬

রাজনীতির বিবর্তন - শাসনতান্ত্রিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা ⮞ ⮞ ⮞ ⮞ প্রশ্ন:১ রামায়ণে কয়টি জনপদের উল্লেখ আছে ? (a) ১৬ টি (b) ১৮ টি (c) ২৫ টি (d) ২৭ টি