Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 10

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে—   উত্তরঃ  সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন?    উত্তরঃ  ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন?    উত্তরঃ  নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন?    উত্তরঃ  রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন?    উত্তরঃ  অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন—   উত্তরঃ  লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি?    উত্তরঃ  চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

দশম শ্রেণী - জীবনবিজ্ঞান - জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় - উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা এবং সাড়াপ্রদান - এক নম্বরের প্রশ্ন

একটি শব্দে বা একটি বাক্যে উত্তর দাও


বিভাগ ১: সাধারণ ও যন্ত্র বিষয়ক

১. উদ্দীপকের প্রভাবে জীবের সাড়া দেওয়ার ক্ষমতাকে কী বলে?

উত্তর: সংবেদনশীলতা।


২. উদ্ভিদের উদ্দীপনা মাপার যন্ত্রের নাম কী?

উত্তর: ক্রেস্কোগ্রাফ।


৩. ক্রেস্কোগ্রাফ যন্ত্রটি কে আবিষ্কার করেন?

উত্তর: আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু।


৪. সামগ্রিক চলন বা গমন দেখা যায় এমন একটি উদ্ভিদের নাম বলো।

উত্তর: ক্ল্যামাইডোমোনাস (বা ভলবক্স)।


৫. একটি উদ্ভিদের নাম লেখো যাতে প্রকরণ চলন দেখা যায়।

উত্তর: বনচাঁড়াল।


৬. উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা সংক্রান্ত পরীক্ষার জন্য জগদীশচন্দ্র বসু কোন কোন উদ্ভিদ ব্যবহার করেছিলেন?

উত্তর: লজ্জাবতী ও বনচাঁড়াল।



বিভাগ ২: ট্যাকটিক ও ট্রপিক চলন

৭. উদ্দীপকের প্রভাবে উদ্ভিদের সামগ্রিক স্থান পরিবর্তনকে কী বলে?

উত্তর: ট্যাকটিক চলন।


৮. উদ্ভিদের কাণ্ড আলোর দিকে বৃদ্ধি পায়—এটি কী ধরনের চলন?

উত্তর: অনুকূল আলোকবৃত্তি (Phototropic)।


৯. মূলের জলের দিকে অগ্রসর হওয়াকে কী বলে?

উত্তর: হাইড্রোট্রপিক বা জলবৃত্তি চলন।


১০. অভিকর্ষের অনুকূলে মূলের চলনকে কী বলে?

উত্তর: পজিটিভ জিওট্রপিক চলন।


১১. সুন্দরী গাছের শ্বাসমূলের চলন কী প্রকৃতির?

উত্তর: প্রতিকূল অভিকর্ষবর্তী (Negative Geotropic)।


১২. কোন হরমোন ট্রপিক চলন নিয়ন্ত্রণ করে?

উত্তর: অক্সিন।


১৩. আলোক উৎসের বিপরীত দিকে মূলের বৃদ্ধিকে কী বলে?

উত্তর: প্রতিকূল আলোকবৃত্তি।


১৪. উদ্দীপকের উৎসের গতিপথ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত চলনকে কী বলা হয়?

উত্তর: ট্রপিক চলন।



বিভাগ ৩: ন্যাস্টিক চলন

১৫. উদ্দীপকের তীব্রতা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত চলনকে কী বলে?

উত্তর: ন্যাস্টিক চলন।


১৬. লজ্জাবতী লতার পাতা স্পর্শ করলে বুজে যায়—এটি কোন ধরনের চলন?

উত্তর: সিসমোন্যাস্টিক।


১৭. পদ্ম ফুল দিনের আলোয় ফোটে—এটি কী প্রকার চলন?

উত্তর: ফটোন্যাস্টিক।


১৮. টিউলিপ ফুল বেশি উষ্ণতায় ফোটে—এটি কী ধরনের চলন?

উত্তর: থার্মোন্যাস্টিক।


১৯. সূর্যশিশির উদ্ভিদের কর্ষিকা পতঙ্গের সংস্পর্শে বাঁকিয়ে যায়—এটি কী চলন?

উত্তর: কেমোন্যাস্টিক।


২০. কোন চলন রসস্ফীতি চাপের পরিবর্তনের ফলে ঘটে?

উত্তর: সিসমোন্যাস্টিক চলন।


২১. ন্যাস্টিক চলন কি হরমোন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?

উত্তর: না।



বিভাগ ৪: বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ

২২. ট্যাকটিক চলনের একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: আলোক অভিমুখে শৈবালের চলন।


২৩. উদ্ভিদের বিটপ অংশ অভিকর্ষের কোন দিকে বৃদ্ধি পায়?

উত্তর: বিপরীত দিকে।


২৪. উদ্ভিদের পাতা আলোক রশ্মির সঙ্গে কীভাবে থাকে?

উত্তর: তীর্যকভাবে।


২৫. ডায়াটম কীভাবে স্থান পরিবর্তন করে?

উত্তর: সিলিয়া সঞ্চালনের মাধ্যমে।


২৬. লজ্জাবতীর পত্রমূলের স্ফীত অংশকে কী বলা হয়?

উত্তর: পালভিনাস।


২৭. বনচাঁড়ালের পত্রক দুটির চলন কেন ঘটে?

উত্তর: রসস্ফীতি চাপের পরিবর্তনের কারণে।


২৮. উদ্দীপকের গতিপথের ওপর নির্ভর করে না কোন চলন?

উত্তর: ন্যাস্টিক চলন।


২৯. একটি রাসায়নিক উদ্দীপকের উদাহরণ দাও।

উত্তর: প্রোটিন (পতঙ্গভুক উদ্ভিদের ক্ষেত্রে)।


৩০. থার্মোন্যাস্টিক চলনের উদ্দীপক কী?

উত্তর: উষ্ণতা বা তাপ।



বিভাগ ৫: শূন্যস্থান বা সঠিক শব্দ চয়ন

৩১. 'বক্র চলন' মূলত কোন দুই প্রকার চলনকে বোঝায়?

উত্তর: ট্রপিক ও ন্যাস্টিক।


৩২. ক্ল্যামাইডোমোনাসের আলোর দিকে যাওয়া কোন প্রকার চলন?

উত্তর: ফটোট্যাকটিক।


৩৩. জুই ফুল রাতে ফোটে—এটি কোন চলন?

উত্তর: ফটোন্যাস্টিক।


৩৪. মসের শুক্রাণুর ডিম্বাণুর দিকে অগ্রসর হওয়া কী প্রকার চলন?

উত্তর: কেমোট্যাকটিক।


৩৫. অভিকর্ষের প্রভাবে ঘটে কোন চলন?

উত্তর: জিওট্রপিক।


৩৬. সূর্যমুখী ফুল কি সর্বদা সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে?

উত্তর: হ্যাঁ (ফটোট্রপিক/ফটোন্যাস্টিক কারণে)।


৩৭. উদ্ভিদের বিটপ অংশকে কী বলা হয়?

উত্তর: পজিটিভ ফটোট্রপিক।


৩৮. মূলকে কী বলা হয়?

উত্তর: নেগেটিভ ফটোট্রপিক।


৩৯. সিসমোন্যাস্টিক চলনের অপর নাম কী?

উত্তর: স্পর্শব্যাপ্তি চলন।


৪০. উদ্ভিদের কান্ড আলোক উৎসের দিকে বেঁকে যায়—এটি প্রথম কে লক্ষ্য করেন?

উত্তর: চার্লস ডারউইন (অক্সিন সংক্রান্ত গবেষণায়)।


Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ক্ষয়জাত পর্বত

ক্ষয়জাত পর্বত       ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ, হিমবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ক্ষয় কাজের ফলে সবসময় ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। এইভাবে অনেক সময় শক্ত শিলায় গঠিত জায়গা কম ক্ষয় পেয়ে যখন আশপাশের বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া নরম শিলায় গঠিত জায়গা থেকে আলাদা হয়ে উঁচুতে থেকে যায়, তখন তাকে ক্ষয়জাত পর্বত বলে। কম ক্ষয় হওয়া অবশিষ্ট অংশ পর্বতে পরিণত হয় বলে একে অবশিষ্ট পর্বত-ও বলা হয়।

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

ঘূর্ণবাত বৃষ্টি বা ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টি

ঘূর্ণবাত বৃষ্টি বা ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টি        জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত নিম্নচাপের দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে ওপরে উঠে শীতল হয়ে যে বৃষ্টিপাত ঘটায়, তাকে ঘূর্ণবাত বা ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টি বলে। কোনো স্থানে প্রবল নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হলে চারদিক থেকে ছুটে আসা শুকনো, ঠান্ডা ও ভারী বাতাসের ওপর জলীয়বাষ্পপূর্ণ গরম বাতাস উঠে যাওয়ার জন্যই ঘূর্ণবাত বৃষ্টিপাতের সৃষ্টি হয়। ঘূর্ণবাত বৃষ্টি সাধারণত দীর্ঘ সময় ধরে ঝিরঝির করে পড়ে। পৃথিবীর দুটি পৃথক অঞ্চলে ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টি বৃষ্টি হয়ে থাকে।

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

জাতীয়তাবাদের বিকাশে বঙ্কিমচন্দ্রের অবদান কী ?

          বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮–৯৪ খ্রি.) ছিলেন ঊনবিংশ শতকের অগ্রণী ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার। বঙ্কিমচন্দ্রের অধিকাংশ উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল স্বদেশ ও দেশপ্রেম। বঙ্কিমচন্দ্রের সৃষ্টি ভারতীয় জাতীয়তাবোধের বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিল। তাঁর ‘বন্দেমাতরম্’–মন্ত্র ছিল বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র। অরবিন্দ ঘোষ তাই বঙ্কিমকে ‘জাতীয়তাবোধের ঋত্বিক’ বলেছেন।