ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন - সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ( Evolution of Indian Civilization - Short Questions and Answers ) ১। প্রস্তরযুগ বলতে কী বোঝো? প্রস্তরযুগকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী? যে যুগে মানুষ পাথরের হাতিয়ার ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করত, সেই যুগকে প্রস্তরযুগ বলা হয়। প্রস্তরযুগকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়, যথা- (১) প্রাচীন প্রস্তরযুগ, (২) মধ্য প্রস্তরযুগ, (৩) নব্য প্রস্তরযুগ। ২। প্রাচীন প্রস্তরযুগ, মধ্য প্রস্তরযুগ ও নব্য প্রস্তরযুগের একটা করে বৈশিষ্ট্য দাও। প্রাচীন প্রস্তরযুগ: প্রাচীন প্রস্তরযুগে মানুষ ছিল খাদ্য-সংগ্রাহক। বলা যেতে পারে-Age of Food-gathering Man. মধ্য প্রস্তরযুগ: মধ্য প্রস্তরযুগে মানুষ খাদ্য-উৎপাদকে পরিণত হয়। এসময়কে বলা হয়-Age of Food-producing Man. নব্য প্রস্তরযুগ: এসময় মানুষ নগর সভ্যতার সাথে পরিচিত হয়। ধাতুর যুগ শুরু হয়। ঐতিহাসিক গর্ডন চাইল্ড এসময়কে বলেছেন-Age of Urban Culture.
এককথায় মেহেরগড় সভ্যতা
আবিষ্কারের সময়: ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে আবিষ্কার।
আবিষ্কারক: জেন ফ্রাঁসোয়া জারিজ ও রিচার্ড মিডো।
অবস্থান : বোলান গিরিপথের কাছে, কোয়েটা থেকে ১৫০ কি.মি. দূরে কাচ্চির সমতলভূমিতে।
বিস্তার : পূর্বে-হিমালয়, পর্বতমালা ও থর মরুভূমি, পশ্চিমে-ইরান ও ইরাক, উত্তরে-কারাকোরাম, ককেশাস ও হিন্দুকুশ পর্বতমালা, দক্ষিণে-মহেন-জো-দারো।
কৃষি: গম, যব, কার্পাস।
বৃত্তি: কৃষি ও পশুপালন।
বৈশিষ্ট্য: গ্রামীণ সভ্যতা থেকে ক্রমোন্নতি।

Comments
Post a Comment