Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 10

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে—   উত্তরঃ  সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন?    উত্তরঃ  ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন?    উত্তরঃ  নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন?    উত্তরঃ  রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন?    উত্তরঃ  অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন—   উত্তরঃ  লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি?    উত্তরঃ  চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ইতিহাসের উপাদান বলতে কী বোঝো? ইতিহাসের উপাদানগুলির শ্রেণিবিভাগ করো। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করো।

ইতিহাসের উপাদান বলতে কী বোঝো? ইতিহাসের উপাদানগুলির শ্রেণিবিভাগ করো। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করো।


১. ইতিহাসের উপাদান  

         ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির ধারাবাহিক বিবরণ। কিন্তু এই বিবরণ কল্পনাপ্রসূত নয়; এটি নির্ভর করে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণের ওপর। যে সমস্ত উৎস, সাক্ষ্য বা প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে ঐতিহাসিকরা অতীত দিনের ঘটনাবলী পুনর্গঠন করেন, তাকেই 'ইতিহাসের উপাদান' (Sources of History) বলা হয়। উপাদান ছাড়া ইতিহাস রচনা করা অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়ার শামিল। ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট স্মিথ বা আর. সি. মজুমদার সকলেই একমত যে, প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের ক্ষেত্রে উপাদানের গুরুত্ব অপরিসীম।

২. ইতিহাসের উপাদানের শ্রেণিবিভাগ (Classification of Historical Sources)

          ইতিহাসের উপাদানগুলিকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়— 
(ক) সাহিত্যিক উপাদান এবং 
(খ) প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান। 
তবে আধুনিক যুগে এর সাথে আরও কিছু বিষয় যুক্ত হয়েছে। নিচে এর বিস্তারিত দেওয়া হলো:

ক) সাহিত্যিক উপাদান (Literary Sources): 

১. দেশীয় সাহিত্য:

❀ধর্মীয় সাহিত্য: 
          বেদ, পুরাণ, রামায়ণ, মহাভারত (বৈদিক যুগ), ত্রিপিটক ও জাতক (বৌদ্ধ যুগ), এবং অঙ্গ ও উপাঙ্গ (জৈন যুগ)।
ধর্মনিরপেক্ষ বা লৌকিক সাহিত্য: 
           জীবনীগ্রন্থ (হর্ষচরিত, রামচরিত), নাটক ও কাব্য (কালিদাসের মেঘদূত, বিশাখদত্তের  মুদ্রারাক্ষস), ব্যাকরণ (পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী), এবং বিজ্ঞান ও রাজনীতি বিষয়ক গ্রন্থ (কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র)।
সঙ্গম সাহিত্য: 
         দক্ষিণ ভারতের ইতিহাস জানতে তামিল সঙ্গম সাহিত্য অপরিহার্য।

২. বৈদেশিক বিবরণী:

গ্রিক ও রোমান: 
মেগাস্থিনিসের 'ইন্ডিকা', প্লিনির 'ন্যাচারাল হিস্ট্রি', টলেমির 'ভূগোল'।
চীনা: 
ফা-হিয়েন, হিউয়েন সাং ও ইৎ-সিং-এর ভ্রমণবৃত্তান্ত।
আরবীয়: 
আল-বিরুনি, আল-মাসুদির বিবরণ।

খ) প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান (Archaeological Sources): 

          সাহিত্যের ত্রুটি বা অতিরঞ্জন দূর করতে প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান সবথেকে নির্ভরযোগ্য। একে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়— 
১. লিপি বা লেখ (Inscriptions): অশোকের লিপি, এলাহাবাদ প্রশস্তি ইত্যাদি। 
২. মুদ্রা (Coins): কুষাণ, গুপ্ত ও ইন্দো-গ্রিক মুদ্রা। 
৩. স্থাপত্য ও ভাস্কর্য (Monuments): মন্দির, স্তূপ, ঘরবাড়ি, প্রাচীন নগরের ধ্বংসাবশেষ (হরপ্পা, মহেঞ্জোদারো)।

গ) আধুনিক উপাদান: 

          সরকারি দলিল-দস্তাবেজ, পুলিশ রিপোর্ট, আত্মজীবনী, চিঠি এবং সমসাময়িক সংবাদপত্র।

৩. প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব (Importance of Coins/Numismatics)

          প্রাচীন ভারতের ইতিহাস পুনর্গঠনে প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদানগুলির মধ্যে মুদ্রা বা ‘Numismatics’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষত যেসব যুগের কোনো লিখিত বা সাহিত্যিক প্রমাণ পাওয়া যায় না, সেই যুগের ইতিহাস জানতে মুদ্রাই একমাত্র ভরসা। মুদ্রার গুরুত্বকে আমরা নিম্নলিখিত কয়েকটি প্রধান শিরোনামে আলোচনা করতে পারি:

(১) রাজনৈতিক ইতিহাস ও বংশতালিকা পুনর্গঠন: 

        প্রাচীন ভারতের বহু রাজবংশের কোনো ধারাবাহিক ইতিহাস সাহিত্যে পাওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে মুদ্রাই সেই শূন্যস্থান পূরণ করে।

ইন্দো-গ্রিক বা ব্যাক্ট্রীয় গ্রিক: 

          ভারতের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে রাজত্বকারী ব্যাক্ট্রীয় গ্রিক রাজাদের ইতিহাস প্রায় পুরোটাই মুদ্রা-নির্ভর। মুদ্রার সাহায্য ছাড়া ডিমিট্রিয়াস, মিনান্ডার বা ইউক্রেটাইডিস-এর মতো প্রায় ৩০ জন গ্রিক রাজার নাম ও অস্তিত্ব আমাদের অজানা থেকে যেত।

কুষাণ ও শক: 

          শক ও কুষাণ রাজাদের বংশতালিকা তৈরি করতে মুদ্রা প্রধান ভূমিকা নিয়েছে। 'রাজা', 'মহারাজা', 'রাজাধিরাজ' প্রভৃতি উপাধি দেখে তাঁদের রাজনৈতিক ক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা করা যায়।

(২) কালনির্ণয় বা তারিখ নির্ধারণ (Chronology): 

          ইতিহাসে তারিখ বা সাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাচীন বহু মুদ্রার গায়ে রাজার নাম এবং রাজ্যাভিষেকের বছর বা 'শকাব্দ' ও 'বিক্রমাব্দ'-এর উল্লেখ থাকে।
এর ফলে ঐতিহাসিকরা রাজাদের রাজত্বকালের সঠিক সময়সীমা নির্ধারণ করতে পারেন।
উদাহরণস্বরূপ, শক ক্ষত্রপ ও কুষাণ রাজাদের রাজত্বকাল এবং গুপ্ত রাজাদের সময়কাল নির্ধারণে মুদ্রায় খোদাই করা তারিখ বা সংবৎ অত্যন্ত সহায়ক হয়েছে।

(৩) অর্থনৈতিক অবস্থার দর্পণ (Economic History): 

          মুদ্রা হলো তৎকালীন অর্থনীতির ব্যারোমিটার।

ধাতুর মান: 

           মুদ্রায় ব্যবহৃত সোনা, রুপো বা তামার পরিমাণ দেখে সেই যুগের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বোঝা যায়। যেমন—গুপ্ত যুগের প্রথমদিকের স্বর্ণমুদ্রা (দিনার) ছিল নিখাদ, যা প্রমাণ করে সাম্রাজ্য তখন সমৃদ্ধ ছিল। কিন্তু পরবর্তী গুপ্ত রাজাদের (যেমন স্কন্দগুপ্তের পরবর্তী সময়ে) মুদ্রায় খাদ বা ভেজালের পরিমাণ বেড়ে যায়, যা অর্থনীতির অবক্ষয়ের ইঙ্গিত দেয়।

বাণিজ্যিক সম্পর্ক: 

          ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রচুর পরিমাণে রোমান স্বর্ণমুদ্রা আবিষ্কৃত হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে প্রাচীন ভারতের সঙ্গে রোমান সাম্রাজ্যের এক বিশাল ও লাভজনক বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল।

(৪) সাম্রাজ্যের সীমানা নির্ধারণ (Geographical Extent): 

          কোনো নির্দিষ্ট রাজার মুদ্রা মাটির নিচে যেসব অঞ্চল থেকে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়, ধরে নেওয়া হয় যে সেই অঞ্চলগুলি ওই রাজার সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল অথবা সেখানে তাঁর বাণিজ্যিক প্রভাব ছিল।
যেমন—সাতবাহন রাজাদের মুদ্রা দাক্ষিণাত্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে পাওয়া গেছে, যা তাঁদের বিশাল সাম্রাজ্যের প্রমাণ দেয়।
সমুদ্রগুপ্ত ও চন্দ্রগুপ্তের মুদ্রা বাংলা থেকে পাঞ্জাব পর্যন্ত পাওয়া গেছে, যা গুপ্ত সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি নির্দেশ করে।

(৫) ধর্মীয় বিশ্বাস ও ধর্মনিরপেক্ষতা (Religious History): 

          রাজারা কোন দেবতার উপাসক ছিলেন, তা মুদ্রায় খোদাই করা দেবদেবীর মূর্তি দেখে বোঝা যায়।

কুষাণ যুগ: 

         কুষাণ সম্রাট কনিষ্কের মুদ্রায় বুদ্ধ, শিব, এবং গ্রিক ও পারসিক দেবতাদের মূর্তি দেখা যায়। এটি প্রমাণ করে যে তিনি পরধর্মসহিষ্ণু ছিলেন এবং তাঁর রাজ্যে বিভিন্ন ধর্মের সহাবস্থান ছিল।

গুপ্ত যুগ: 

        গুপ্ত সম্রাটদের মুদ্রায় লক্ষ্মী, গরুড়, কার্তিক প্রভৃতির মূর্তি প্রমাণ করে তাঁরা বৈষ্ণব বা শৈব ধর্মের অনুরাগী ছিলেন। প্রথম চন্দ্রগুপ্তের মুদ্রায় 'লক্ষ্মীদেবী'র মূর্তি বিশেষ উল্লেখযোগ্য।

(৬) শিল্পকলা ও সংস্কৃতির পরিচয় (Art and Culture): 

          মুদ্রার গায়ে খোদাই করা চিত্রগুলি তৎকালীন ভাস্কর্য ও শিল্পকলার উৎকৃষ্ট নিদর্শন।

সমুদ্রগুপ্তের মুদ্রা: 

          সমুদ্রগুপ্তের একটি মুদ্রায় তাঁকে পালঙ্ক বা চেয়ারে বসে ‘বীণা বাদনরত’ অবস্থায় দেখা যায়। এটি প্রমাণ করে যে তিনি কেবল একজন মহান যোদ্ধাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন সঙ্গীতজ্ঞ ও সংস্কৃতিমনস্ক মানুষ।

পোশাক-পরিচ্ছদ: 

        কুষাণ মুদ্রায় রাজাদের লম্বা কোট, বুট জুতো ও শিরস্ত্রাণ পরিহিত মূর্তি দেখে তৎকালীন বিদেশী রাজাদের পোশাক সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

(৭) ব্যক্তিগত গুণাবলী ও ঐতিহাসিক ঘটনা: 

        মুদ্রা অনেক সময় বিশেষ ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখে।

বিবাহ ও রাজনীতি: 

        প্রথম চন্দ্রগুপ্ত ও লিচ্ছবি রাজকন্যা কুমারদেবীর নামাঙ্কিত 'চন্দ্রগুপ্ত-কুমারদেবী' মুদ্রা প্রমাণ করে যে, গুপ্তরা লিচ্ছবিদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছিলেন।

অশ্বমেধ যজ্ঞ

       সমুদ্রগুপ্ত ও প্রথম কুমারগুপ্তের 'অশ্বমেধ পরাক্রম' লেখা মুদ্রা প্রমাণ করে যে তাঁরা বৈদিক অশ্বমেধ যজ্ঞ করেছিলেন।

(৮) ভাষাতাত্ত্বিক গুরুত্ব: 

          মুদ্রায় উৎকীর্ণ লিপি থেকে তৎকালীন ভাষা ও লিপি সম্পর্কে জানা যায়। যেমন—ইন্দো-গ্রিক মুদ্রায় একদিকে গ্রিক এবং অন্যদিকে খরোষ্ঠী লিপির ব্যবহার দেখা যায়, যা দ্বিভাষিক সংস্কৃতির পরিচয় দেয়।


সীমাবদ্ধতা (Limitations)

          এত গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও মুদ্রার কিছু সীমাবদ্ধতা আছে: 

১. স্থানান্তর: 

        মুদ্রা ছোট ও বহনযোগ্য হওয়ায় বাণিজ্যের মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলে যেতে পারে। তাই শুধুমাত্র মুদ্রাপ্রাপ্তির স্থানের ওপর ভিত্তি করে সাম্রাজ্যের সীমানা নির্ধারণ করা অনেক সময় বিভ্রান্তিকর হতে পারে। 

২. জাল মুদ্রা: 

          প্রাচীনকালেও জাল মুদ্রার প্রচলন ছিল, যা ঐতিহাসিক তথ্যকে ভুল পথে চালিত করতে পারে।


উপসংহার ও মন্তব্য

         পরিশেষে বলা যায়, প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের বহু অন্ধকারময় অধ্যায় আলোকিত করতে মুদ্রার ভূমিকা অপরিসীম। বিশেষ করে খ্রিষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতক থেকে খ্রিষ্টাব্দ চতুর্থ শতক পর্যন্ত ভারতের ইতিহাসের প্রধান ভিত্তিই হলো মুদ্রা। ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার (R.C. Majumdar) যথার্থই বলেছেন:
"The coins have preserved the names of additional kings and given us particulars about the locality over which they ruled." (মুদ্রা অনেক অজানা রাজার নাম সংরক্ষণ করেছে এবং তাঁরা কোন অঞ্চলে রাজত্ব করতেন সে সম্পর্কে আমাদের তথ্য দিয়েছে।)

              তাই ইতিহাস রচনায় সাহিত্য ও শিলালিপির পাশাপাশি মুদ্রাও এক অপরিহার্য এবং বিজ্ঞানসম্মত উপাদান।

 




READ MORE👇














Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

[MCQ]।।ভারতের ইতিহাস।।ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৫৬ খ্রি.)।। সেট ১

  ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৫৬ খ্রি.) 👉প্রশ্ন:১ অমৃতসরের সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়— (a) ১৮০৬ খ্রিস্টাব্দে (b) ১৮০৭ খ্রিস্টাব্দে (c) ১৮০৮ খ্রিস্টাব্দে (d) ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে

বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল

বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল            আর্দ্রবায়ু পাহাড়ে বাধা পেয়ে প্রতিবাত ঢালে বৃষ্টিপাত করার পর তাতে আর জলীয় বাষ্প থাকে না। জলীয়বাষ্পহীন ওই শুকনো বাতাস পাহাড় অতিক্রম করে পাহাড়ের অপর দিকে (অনুবাত ঢালে) গেলে সেখানে আর বৃষ্টিপাত হয় না। পাহাড়ের বায়ুমুখী ঢালের বিপরীত দিকের প্রায় বৃষ্টিহীন অনুবাত ঢালকে “বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল” বলা হয়।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের চিরস্মরণীয় কিছু উক্তি

          বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। অগ্নিবীণা হাতে তার প্রবেশ, ধূমকেতুর মতো তার প্রকাশ। যেমন লেখাতে বিদ্রোহী, তেমনই জীবনে – কাজেই "বিদ্রোহী কবি"

[MCQ]reproduction।।জনন।। জীবনবিজ্ঞান এর প্রশ্নোত্তর।।SOLVE

প্রশ্ন ১ সংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় জনন সম্পন্ন করে এরূপ একটি উদ্ভিদ হল ( a ) ইস্ট ( b ) মিউকর ( c ) স্পাইরােগাইরা ( d ) টেরিস

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

শল্কমোচন বা এক্সফোলিয়েশন

শল্কমোচন বা এক্সফোলিয়েশন            উষ্ণ মরু অঞ্চলে দিন ও রাত্রির মধ্যে উষ্ণতার প্রসর অধিক হওয়ায় শিলা দিনে প্রসারিত ও রাত্রে সংকুচিত হয়। শিলা তাপের কুপরিবাহী বলে এই সংকোচন ও প্রসারণ শিলার উপরিস্তরেই সীমাবদ্ধ থাকে। এর ফলে শিলার উপরিস্তর ও নিম্নস্তরের মধ্যে সংকোচন ও প্রসারণের তারতম্য ঘটে এবং উভয় স্তরের মধ্যে একটি তাপীয় ঢালের সৃষ্টি করে। তখন অধিক সংকোচন ও প্রসারণযুক্ত শিলার উপরিস্তর কম সংকোচন ও প্রসারণযুক্ত নিম্নস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং পেঁয়াজের খোসার মতো একের পর এক খুলে যায়। এই প্রক্রিয়াকে বলে শল্কমোচন। শল্কমোচনের ফলে শিলার টুকরোগুলি গোলাকার বা উপগোলাকার হয়ে পড়ে। 👉 ভূগোলের MCQs, VSQs এবং সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর গুলি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।  👈            একই জাতীয় খনিজ পদার্থে গঠিত সমপ্রকৃতির শিলায় শল্কমোচন বেশি হয়। সাধারণত গ্রানাইট শিলা গঠিত হয় খাড়া ও অপ্রশস্ত পার্বত্য অঞ্চলে, যেখানে উষ্মতার পার্থক্য বেশি, সেখানে গোলাকার বিচূর্ণীভবন বেশি দেখা যায়।  আফ্রিকার মোজাম্বিকে, কালাহারি মরুভূমিতে এইরূপ ...

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...