Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

Gandhi–Irwin Pact||গান্ধি আরউইন চুক্তি।

গান্ধি আরউইন চুক্তি


পটভূমিঃ 

গান্ধিজির নেতৃত্বে আইন অমান্য আন্দোলন শুরু হয়। এই আন্দোলন দমন করার জন্য ব্রিটিশ সরকার বিভিন্ন রকম নির্মম পন্থা অবলম্বন করেছিল । যেমন সত্যাগ্রহীদের উপর গুলিবর্ষন, আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ দের গ্রেফতার প্রভৃতি।
তবুও আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে শঙ্কিত ব্রিটিশ সরকার লন্ডনে গােলটেবিল বৈঠক ডাকে । সরকার বুঝতে পারে কংগ্রেস ছাড়া এই বৈঠকের কোন গুরুত্ব নেই । তাই গান্ধিজিসহ সমস্ত কংগ্রেস নেতাদের মুক্তি দেয় । আর গান্ধিজি গােলটেবিল বৈঠকে বসতে সম্মত হন ।


চুক্তি স্বাক্ষর 

কংগ্রেসের উপর সমস্ত রকম নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে গান্ধিজি আরউইনের সঙ্গে বৈঠকে বসতে আগ্রহী হয় । দীর্ঘ আলােচনার পর ১৯৩১ খ্রীঃ ৫ই মার্চ দিল্লিতে গান্ধি আরউইন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ।

১. প্রেক্ষাপট

আইন অমান্য আন্দোলন: 

১৯৩০ সালে গান্ধিজির নেতৃত্বে আইন অমান্য আন্দোলন (লবণ সত্যাগ্রহ) সারা ভারতে তীব্র আকার ধারণ করে। ব্রিটিশ সরকার দমন-পীড়ন চালিয়েও এই আন্দোলন দমাতে ব্যর্থ হয়।

প্রথম গোলটেবিল বৈঠকের ব্যর্থতা: 

সাইমন কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে লন্ডনে আয়োজিত প্রথম গোলটেবিল বৈঠক (১৯৩০) কংগ্রেস বর্জন করায় তা ব্যর্থ হয়। ব্রিটিশ সরকার বুঝতে পারে, কংগ্রেসকে ছাড়া ভারতের সাংবিধানিক সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।

আপোষের প্রচেষ্টা: 

এই পরিস্থিতিতে ভাইসরয় লর্ড আরউইন কংগ্রেসের সাথে সমঝোতা করার উদ্যোগ নেন এবং জেল থেকে গান্ধিজিসহ অন্য নেতাদের মুক্তি দেন।

২. চুক্তির প্রধান শর্তাবলি

এই চুক্তিতে সরকার ও কংগ্রেস—উভয় পক্ষই কিছু শর্ত মেনে নেয়।

ক) সরকার যে দাবিগুলো মেনে নেয়:

বন্দিমুক্তি: 

যে সমস্ত রাজবন্দি হিংসাত্মক কার্যকলাপের সাথে যুক্ত ছিলেন না, তাঁদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হবে।

লবণ তৈরি: 

উপকূলবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষকে নিজেদের ব্যবহারের জন্য (বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয়) লবণ তৈরির অনুমতি দেওয়া হবে।

সম্পত্তি ফেরত: 

সত্যাগ্রহীদের বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

অর্ডিন্যান্স প্রত্যাহার: 

দমনমূলক সমস্ত জরুরি আইন বা অর্ডিন্যান্স প্রত্যাহার করা হবে।

পিকেটিং: 

বিদেশি পণ্যের দোকান ও মদের দোকানের সামনে শান্তিপূর্ণ পিকেটিং করার অধিকার দেওয়া হবে।

খ) কংগ্রেস (গান্ধিজি) যা মেনে নেয়:

আন্দোলনের সমাপ্তি: 

          আইন অমান্য আন্দোলন সাময়িকভাবে প্রত্যাহার বা স্থগিত করা হবে।

গোলটেবিল বৈঠকে যোগদান: 

          কংগ্রেস লন্ডনে অনুষ্ঠিতব্য দ্বিতীয় গোলটেবিল বৈঠকে যোগ দিতে রাজি হয়।

লবণ আইন: 

          কংগ্রেস নীতিগতভাবে লবণের ওপর সরকারি একচেটিয়া অধিকার মেনে নেয় (যদিও ব্যক্তিগত ব্যবহারের ছাড় দেওয়া হয়েছিল)।

৩. বিতর্ক ও সমালোচনা (ভগত সিং প্রসঙ্গ)

গান্ধি-আরউইন চুক্তির সবচেয়ে বিতর্কিত দিকটি হলো বিপ্লবী ভগত সিং, সুখদেব এবং রাজগুরুর ফাঁসি রদ করতে না পারা।

দেশের যুবসমাজ আশা করেছিল, গান্ধিজি এই চুক্তির শর্ত হিসেবে বিপ্লবীদের প্রাণভিক্ষা চাইবেন।

কিন্তু গান্ধিজি ভাইসরয়কে অনুরোধ করলেও, তা চুক্তির ‘আবশ্যিক শর্ত’ হিসেবে জুড়ে দেননি। ফলে চুক্তির কিছুদিন পরেই ২৩ মার্চ ১৯৩১ সালে ভগত সিং ও তাঁর সঙ্গীদের ফাঁসি হয়। এতে বামপন্থী ও যুবসমাজ গান্ধিজির ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছিল।

৪. গুরুত্ব

সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও এই চুক্তির গুরুত্ব ছিল অপরিসীম:

সমমর্যাদা: 

এই প্রথম ব্রিটিশ সরকার কোনো ভারতীয় সংগঠনকে (ক কংগ্রেস) সমান মর্যাদায় আলোচনার টেবিলে ডেকেছিল। এটি ছিল ভারতীয়দের জন্য এক বড় নৈতিক বিজয়।

রাজনৈতিক স্বীকৃতি: 

কংগ্রেস যে ভারতের বিশাল অংশের প্রতিনিধিত্ব করে, তা ব্রিটিশ সরকার স্বীকার করে নেয়।

প্রতিক্রিয়া : 

গান্ধি আরউইন চুক্তি আপাতভাবে শান্তিপূর্ণ হলেও জওহরলাল নেহেরু , সুভাষ চন্দ্র বসু প্রমুখ নেতারা মেনে নিতে পারেনি । তা ছাড়া সমস্ত বন্দিদের মুক্তির দাবি জানালেও ভগৎ সিং , রাজগুরু ও সুখদেবদের মুক্তির কথা বলা হয় নি ।


গান্ধিজির এই চুক্তিকে বামপন্থীরা চরম হতাশা জনক চুক্তি বলে মনে করেন । কারন করাচি অধিবেশনে ভগৎ সিং - এর মৃত্যুর জন্য গান্ধিজিকে দায়ী ও করা হয় ।






🔗🔗🔗

Read More ::
























Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।           ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির প্রামাণ্য দলিল। কিন্তু প্রাচীন ভারতে হেরোডোটাস বা থুকিডিডিসের মতো কোনো প্রথাগত ঐতিহাসিক ছিলেন না। এ কারণেই একসময় আল-বিরুনি মন্তব্য করেছিলেন যে, "ভারতীয়দের কোনো ইতিহাস চেতনা নেই।" কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ সত্য নয়। প্রাচীন ভারতের মুনি-ঋষি এবং কবিরা সরাসরি ইতিহাস না লিখলেও, তাঁদের রচিত বিপুল সাহিত্যরাশির মধ্যে ছড়িয়ে আছে ইতিহাসের মহামূল্যবান উপাদান। এই উপাদানগুলিকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে বিশ্লেষণ করলেই প্রাচীন ভারতের লুপ্ত ইতিহাস পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[MCQ]রাজনীতির বিবর্তন - শাসনতান্ত্রিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা।।সেট ৬

রাজনীতির বিবর্তন - শাসনতান্ত্রিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা ⮞ ⮞ ⮞ ⮞ প্রশ্ন:১ রামায়ণে কয়টি জনপদের উল্লেখ আছে ? (a) ১৬ টি (b) ১৮ টি (c) ২৫ টি (d) ২৭ টি

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।