Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নোত্তর, SET 01

পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নোত্তর 1. দক্ষিণ ভারতের দীর্ঘতম নদী কোনটি? (Which is the longest river in South India?) (a) কাবেরী (b) কৃষ্ণা (c) গোদাবরী (d) নর্মদা 2. 'শেরশাহের' আসল নাম কী ছিল? (What was the real name of Sher Shah?) (a) জুনা খান (b) ফতেহ খান (c) ফরিদ খান (d) সেলিম খান

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

Gandhi–Irwin Pact||গান্ধি আরউইন চুক্তি।

গান্ধি আরউইন চুক্তি


পটভূমিঃ 

গান্ধিজির নেতৃত্বে আইন অমান্য আন্দোলন শুরু হয়। এই আন্দোলন দমন করার জন্য ব্রিটিশ সরকার বিভিন্ন রকম নির্মম পন্থা অবলম্বন করেছিল । যেমন সত্যাগ্রহীদের উপর গুলিবর্ষন, আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ দের গ্রেফতার প্রভৃতি।
তবুও আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে শঙ্কিত ব্রিটিশ সরকার লন্ডনে গােলটেবিল বৈঠক ডাকে । সরকার বুঝতে পারে কংগ্রেস ছাড়া এই বৈঠকের কোন গুরুত্ব নেই । তাই গান্ধিজিসহ সমস্ত কংগ্রেস নেতাদের মুক্তি দেয় । আর গান্ধিজি গােলটেবিল বৈঠকে বসতে সম্মত হন ।


চুক্তি স্বাক্ষর 

কংগ্রেসের উপর সমস্ত রকম নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে গান্ধিজি আরউইনের সঙ্গে বৈঠকে বসতে আগ্রহী হয় । দীর্ঘ আলােচনার পর ১৯৩১ খ্রীঃ ৫ই মার্চ দিল্লিতে গান্ধি আরউইন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ।

১. প্রেক্ষাপট

আইন অমান্য আন্দোলন: 

১৯৩০ সালে গান্ধিজির নেতৃত্বে আইন অমান্য আন্দোলন (লবণ সত্যাগ্রহ) সারা ভারতে তীব্র আকার ধারণ করে। ব্রিটিশ সরকার দমন-পীড়ন চালিয়েও এই আন্দোলন দমাতে ব্যর্থ হয়।

প্রথম গোলটেবিল বৈঠকের ব্যর্থতা: 

সাইমন কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে লন্ডনে আয়োজিত প্রথম গোলটেবিল বৈঠক (১৯৩০) কংগ্রেস বর্জন করায় তা ব্যর্থ হয়। ব্রিটিশ সরকার বুঝতে পারে, কংগ্রেসকে ছাড়া ভারতের সাংবিধানিক সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।

আপোষের প্রচেষ্টা: 

ই পরিস্থিতিতে ভাইসরয় লর্ড আরউইন কংগ্রেসের সাথে সমঝোতা করার উদ্যোগ নেন এবং জেল থেকে গান্ধিজিসহ অন্য নেতাদের মুক্তি দেন।

২. চুক্তির প্রধান শর্তাবলি

এই চুক্তিতে সরকার ও কংগ্রেস—উভয় পক্ষই কিছু শর্ত মেনে নেয়।

ক) সরকার যে দাবিগুলো মেনে নেয়:

বন্দিমুক্তি: 

যে সমস্ত রাজবন্দি হিংসাত্মক কার্যকলাপের সাথে যুক্ত ছিলেন না, তাঁদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হবে।

লবণ তৈরি: 

উপকূলবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষকে নিজেদের ব্যবহারের জন্য (বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয়) লবণ তৈরির অনুমতি দেওয়া হবে।

সম্পত্তি ফেরত: 

সত্যাগ্রহীদের বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

অর্ডিন্যান্স প্রত্যাহার: 

দমনমূলক সমস্ত জরুরি আইন বা অর্ডিন্যান্স প্রত্যাহার করা হবে।

পিকেটিং: 

বিদেশি পণ্যের দোকান ও মদের দোকানের সামনে শান্তিপূর্ণ পিকেটিং করার অধিকার দেওয়া হবে।

খ) কংগ্রেস (গান্ধিজি) যা মেনে নেয়:

আন্দোলনের সমাপ্তি: 

          আইন অমান্য আন্দোলন সাময়িকভাবে প্রত্যাহার বা স্থগিত করা হবে।

গোলটেবিল বৈঠকে যোগদান: 

          কংগ্রেস লন্ডনে অনুষ্ঠিতব্য দ্বিতীয় গোলটেবিল বৈঠকে যোগ দিতে রাজি হয়।

লবণ আইন: 

          কংগ্রেস নীতিগতভাবে লবণের ওপর সরকারি একচেটিয়া অধিকার মেনে নেয় (যদিও ব্যক্তিগত ব্যবহারের ছাড় দেওয়া হয়েছিল)।

৩. বিতর্ক ও সমালোচনা (ভগত সিং প্রসঙ্গ)

গান্ধি-আরউইন চুক্তির সবচেয়ে বিতর্কিত দিকটি হলো বিপ্লবী ভগত সিং, সুখদেব এবং রাজগুরুর ফাঁসি রদ করতে না পারা।

দেশের যুবসমাজ আশা করেছিল, গান্ধিজি এই চুক্তির শর্ত হিসেবে বিপ্লবীদের প্রাণভিক্ষা চাইবেন।

কিন্তু গান্ধিজি ভাইসরয়কে অনুরোধ করলেও, তা চুক্তির ‘আবশ্যিক শর্ত’ হিসেবে জুড়ে দেননি। ফলে চুক্তির কিছুদিন পরেই ২৩ মার্চ ১৯৩১ সালে ভগত সিং ও তাঁর সঙ্গীদের ফাঁসি হয়। এতে বামপন্থী ও যুবসমাজ গান্ধিজির ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছিল।

৪. গুরুত্ব

সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও এই চুক্তির গুরুত্ব ছিল অপরিসীম:

সমমর্যাদা: 

এই প্রথম ব্রিটিশ সরকার কোনো ভারতীয় সংগঠনকে (ক কংগ্রেস) সমান মর্যাদায় আলোচনার টেবিলে ডেকেছিল। এটি ছিল ভারতীয়দের জন্য এক বড় নৈতিক বিজয়।

রাজনৈতিক স্বীকৃতি: 

কংগ্রেস যে ভারতের বিশাল অংশের প্রতিনিধিত্ব করে, তা ব্রিটিশ সরকার স্বীকার করে নেয়।

প্রতিক্রিয়া : 

গান্ধি আরউইন চুক্তি আপাতভাবে শান্তিপূর্ণ হলেও জওহরলাল নেহেরু , সুভাষ চন্দ্র বসু প্রমুখ নেতারা মেনে নিতে পারেনি । তা ছাড়া সমস্ত বন্দিদের মুক্তির দাবি জানালেও ভগৎ সিং , রাজগুরু ও সুখদেবদের মুক্তির কথা বলা হয় নি ।


গান্ধিজির এই চুক্তিকে বামপন্থীরা চরম হতাশা জনক চুক্তি বলে মনে করেন । কারন করাচি অধিবেশনে ভগৎ সিং - এর মৃত্যুর জন্য গান্ধিজিকে দায়ী ও করা হয় ।






🔗🔗🔗

Read More ::
























Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

গ্র্যান্ড ব্যাঙ্ক

গ্র্যান্ড ব্যাঙ্ক           গ্র্যান্ড ব্যাঙ্ক উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অগভীর মগ্নচড়া। এটি পৃথিবীর অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক মৎস্যশিকার ক্ষেত্র। নিউফাউন্ডল্যান্ড দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে বিশাল মহীসোপান অঞ্চলে গ্র্যান্ড ব্যাঙ্ক মগ্নচড়াটির অবস্থান। গ্র্যান্ড ব্যাঙ্কের ওপর জলের গভীরতা ৯০ মিটারের কম এবং এর আয়তন প্রায় ৩৭ হাজার বর্গকিমি। সুমেরু অঞ্চল থেকে শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের সঙ্গে আগত হিমশৈলগুলি প্রচুর পরিমাণ নুড়ি, কাঁকর, বালি, পলি, পাথর বহন করে আনে। নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূলে শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত, উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের সঙ্গে মিলিত হলে হিমশৈলগুলি গলে যায়। হিমশৈলবাহিত পদার্থগুলি সমুদ্রবক্ষে সঞ্চিত হয়ে গ্র্যান্ড ব্যাঙ্ক নামে অগভীর মগ্নচড়ার সৃষ্টি করেছে। উষ্ণ ও শীতল স্রোতের মিলনের ফলে এখানে মাছের খাদ্য প্ল্যাংকটন প্রচুর পরিমাণে জন্মায়। প্ল্যাংকটনের আকর্ষণে গ্র্যান্ড ব্যাঙ্ককে কেন্দ্র করে নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূলে প্রচুর মাছের সমাগম ঘটে। তাই, এই অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক মৎস্যক্ষেত্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—