Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 10

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে—   উত্তরঃ  সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন?    উত্তরঃ  ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন?    উত্তরঃ  নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন?    উত্তরঃ  রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন?    উত্তরঃ  অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন—   উত্তরঃ  লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি?    উত্তরঃ  চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ভারতবর্ষের ভূপ্রকৃতিগত তারতম্য ও বিভাগসমূহ || Geological variations and divisions of India

ভারতবর্ষের ভূপ্রকৃতিগত তারতম্য ও বিভাগসমূহ


          ভারতবর্ষ একটি বিশাল এবং বৈচিত্র্যময় দেশ। এর ভূপ্রকৃতিতে পর্বত, মালভূমি, সমভূমি, মরুভূমি, উপকূল এবং দ্বীপপুঞ্জ—সবকিছুরই সহাবস্থান দেখা যায়। এই প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের তারতম্য অনুযায়ী ভারতবর্ষকে প্রধানত পাঁচটি বা ছয়টি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়। ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক উভয় দৃষ্টিকোণ থেকেই এই বিভাগগুলো গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধান ভূপ্রাকৃতিক বিভাগসমূহ:

১. উত্তরের পার্বত্য অঞ্চল (The Northern Mountain Region):

বিস্তার: 
এটি মূলত হিমালয় পর্বতমালা এবং এর সংলগ্ন অঞ্চলের সমন্বয়ে গঠিত। কাশ্মীর থেকে শুরু করে অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত এর বিস্তার।

বৈশিষ্ট্য: 
পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গগুলো এই অঞ্চলে অবস্থিত (যেমন – মাউন্ট এভারেস্ট, কাঞ্চনজঙ্ঘা)। এই অঞ্চলটি অসংখ্য হিমবাহ, নদী উপত্যকা, গভীর গিরিখাত এবং সুউচ্চ গিরিপথ (যেমন – খাইবার, বোলান, কারাকোরাম, নাথুলা) দ্বারা পূর্ণ। এই গিরিপথগুলো প্রাচীনকাল থেকে বাণিজ্য ও বহিরাগত আক্রমণের পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

উদাহরণ: 
কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, সিকিম, অরুণাচল প্রদেশ।

২. সিন্ধু-গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সমভূমি বা উত্তরের সুবিশাল সমভূমি (The Great Northern Plains):

বিস্তার: 
এটি সিন্ধু, গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদ এবং তাদের অসংখ্য উপনদী দ্বারা বিধৌত পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ও উর্বর সমভূমি। এটি হিমালয়ের পাদদেশ থেকে শুরু করে দাক্ষিণাত্যের মালভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত।

বৈশিষ্ট্য: 
এই অঞ্চলের পলিমাটি কৃষিকাজের জন্য অত্যন্ত উর্বর, যা ভারতবর্ষকে 'শস্য-শ্যামলা' করে তুলেছে। প্রাচীনকাল থেকেই এই অঞ্চল জনবসতি, কৃষি ও সভ্যতার কেন্দ্রবিন্দু।

উদাহরণ: 
পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম এবং রাজস্থানের পূর্বাংশ। দিল্লি, কলকাতা, এলাহাবাদ, বারাণসীর মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলো এই অঞ্চলেই অবস্থিত।

৩. মধ্যভারতের মালভূমি (The Central Highlands):

বিস্তার: 
এটি মূলত গঙ্গা সমভূমির দক্ষিণে এবং বিন্ধ্য ও সাতপুরা পর্বতমালার উত্তরে অবস্থিত একটি মালভূমি অঞ্চল।

বৈশিষ্ট্য: 
এই অঞ্চলে বিন্ধ্য, সাতপুরা, আবল্লী (আরাবল্লী) পর্বতমালার মতো প্রাচীন ভঙ্গিল পর্বতের অংশ রয়েছে। চম্বল, সোন, বেতোয়া-এর মতো নদীগুলো এই অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এই অঞ্চলটি খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ।

উদাহরণ: 
মালব মালভূমি, বুন্দেলখণ্ড মালভূমি, বাঘেলখণ্ড মালভূমি এবং ছোটনাগপুর মালভূমি।

৪. দাক্ষিণাত্যের মালভূমি (The Deccan Plateau):

বিস্তার: 
বিন্ধ্য ও সাতপুরা পর্বতমালার দক্ষিণে এবং তিন দিকে সমুদ্র দ্বারা বেষ্টিত ত্রিভুজাকার আকৃতির মালভূমি অঞ্চল।

বৈশিষ্ট্য: 
এটি প্রাচীন গ্রানাইট ও রূপান্তরিত শিলা দ্বারা গঠিত, যা ভারতের প্রাচীনতম ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে অন্যতম। এর পূর্ব দিকে পূর্বঘাট পর্বত এবং পশ্চিম দিকে পশ্চিমঘাট পর্বতমালা অবস্থিত। এখানকার কৃষ্ণমৃত্তিকা তুলো চাষের জন্য বিখ্যাত।

উদাহরণ: 
মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু ও কেরালার কিছু অংশ।

৫. উপকূলীয় সমভূমি (The Coastal Plains):

বিস্তার: 
ভারতের পূর্বে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে আরব সাগরের উপকূল বরাবর এই সমভূমি অঞ্চল বিস্তৃত।

বৈশিষ্ট্য: 
এর পশ্চিমাংশ 'পশ্চিম উপকূলীয় সমভূমি' (গুজরাট থেকে কেরালা) এবং পূর্বাংশ 'পূর্ব উপকূলীয় সমভূমি' (পশ্চিমবঙ্গ থেকে তামিলনাড়ু) নামে পরিচিত। এই অঞ্চলটি কৃষি, মৎস্য শিকার ও বন্দর বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

উদাহরণ: 
কোঙ্কণ উপকূল, মালাবার উপকূল (পশ্চিমে) এবং উৎকল উপকূল, করমণ্ডল উপকূল (পূর্বে)।

৬. দ্বীপপুঞ্জ (The Islands):

বিস্তার: 
ভারতের মূল ভূখণ্ড ছাড়াও দুটি প্রধান দ্বীপপুঞ্জ রয়েছে।

বৈশিষ্ট্য: 
বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং আরব সাগরে অবস্থিত লাক্ষাদ্বীপ। এগুলি ভূপ্রাকৃতিক ও জীববৈচিত্র্যের দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উদাহরণ:
আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ: 
এটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। এটি অসংখ্য ছোট-বড় দ্বীপের সমষ্টি এবং এর রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ার। এখানকার সৈকত, প্রবাল প্রাচীর এবং ঘন জঙ্গল অত্যন্ত জনপ্রিয়।

লাক্ষাদ্বীপ: 
এটি আরব সাগরে অবস্থিত। এটিও একাধিক প্রবাল দ্বীপের সমষ্টি। এর রাজধানী কাভারাত্তি। এটি তার স্ফটিক স্বচ্ছ জল এবং সামুদ্রিক জীবনের জন্য পরিচিত।







READ MORE👇














Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

[MCQ]।।ভারতের ইতিহাস।।ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৫৬ খ্রি.)।। সেট ১

  ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৫৬ খ্রি.) 👉প্রশ্ন:১ অমৃতসরের সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়— (a) ১৮০৬ খ্রিস্টাব্দে (b) ১৮০৭ খ্রিস্টাব্দে (c) ১৮০৮ খ্রিস্টাব্দে (d) ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে

বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল

বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল            আর্দ্রবায়ু পাহাড়ে বাধা পেয়ে প্রতিবাত ঢালে বৃষ্টিপাত করার পর তাতে আর জলীয় বাষ্প থাকে না। জলীয়বাষ্পহীন ওই শুকনো বাতাস পাহাড় অতিক্রম করে পাহাড়ের অপর দিকে (অনুবাত ঢালে) গেলে সেখানে আর বৃষ্টিপাত হয় না। পাহাড়ের বায়ুমুখী ঢালের বিপরীত দিকের প্রায় বৃষ্টিহীন অনুবাত ঢালকে “বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল” বলা হয়।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের চিরস্মরণীয় কিছু উক্তি

          বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। অগ্নিবীণা হাতে তার প্রবেশ, ধূমকেতুর মতো তার প্রকাশ। যেমন লেখাতে বিদ্রোহী, তেমনই জীবনে – কাজেই "বিদ্রোহী কবি"

[MCQ]reproduction।।জনন।। জীবনবিজ্ঞান এর প্রশ্নোত্তর।।SOLVE

প্রশ্ন ১ সংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় জনন সম্পন্ন করে এরূপ একটি উদ্ভিদ হল ( a ) ইস্ট ( b ) মিউকর ( c ) স্পাইরােগাইরা ( d ) টেরিস

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

শল্কমোচন বা এক্সফোলিয়েশন

শল্কমোচন বা এক্সফোলিয়েশন            উষ্ণ মরু অঞ্চলে দিন ও রাত্রির মধ্যে উষ্ণতার প্রসর অধিক হওয়ায় শিলা দিনে প্রসারিত ও রাত্রে সংকুচিত হয়। শিলা তাপের কুপরিবাহী বলে এই সংকোচন ও প্রসারণ শিলার উপরিস্তরেই সীমাবদ্ধ থাকে। এর ফলে শিলার উপরিস্তর ও নিম্নস্তরের মধ্যে সংকোচন ও প্রসারণের তারতম্য ঘটে এবং উভয় স্তরের মধ্যে একটি তাপীয় ঢালের সৃষ্টি করে। তখন অধিক সংকোচন ও প্রসারণযুক্ত শিলার উপরিস্তর কম সংকোচন ও প্রসারণযুক্ত নিম্নস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং পেঁয়াজের খোসার মতো একের পর এক খুলে যায়। এই প্রক্রিয়াকে বলে শল্কমোচন। শল্কমোচনের ফলে শিলার টুকরোগুলি গোলাকার বা উপগোলাকার হয়ে পড়ে। 👉 ভূগোলের MCQs, VSQs এবং সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর গুলি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।  👈            একই জাতীয় খনিজ পদার্থে গঠিত সমপ্রকৃতির শিলায় শল্কমোচন বেশি হয়। সাধারণত গ্রানাইট শিলা গঠিত হয় খাড়া ও অপ্রশস্ত পার্বত্য অঞ্চলে, যেখানে উষ্মতার পার্থক্য বেশি, সেখানে গোলাকার বিচূর্ণীভবন বেশি দেখা যায়।  আফ্রিকার মোজাম্বিকে, কালাহারি মরুভূমিতে এইরূপ ...

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...