Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১০০টি বিখ্যাত লাইন

 বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১০০টি বিখ্যাত লাইন 



১. "অরণ্য এক বিশাল, স্থির, অতলস্পর্শী নির্জনতা।" 

২. "এই নিস্তব্ধতা বড় গভীর, বড় মধুর।" 

৩. "প্রকৃতির রূপ ও রসের ভান্ডার অফুরান।"

৪. "আকাশের মেঘগুলি যেন উদাস দুপুরে কার কথা ভাবিতেছে।" 

৫. "মানুষের জীবনের সকল আনন্দ ও শান্তিতে প্রকৃতির ছায়া পড়ে।" 

৬. "নক্ষত্রগুলি যেন দূর স্বর্গের পথ দেখাইতেছে।" 

৭. "পৃথিবীতে আর কোথাও এমন নিস্তব্ধ, রহস্যময় দুপুর দেখেছি কিনা সন্দেহ।"

৮. "বনানীর মধ্যে সে এক অপূর্ব সৌন্দর্য দেখিতে পাইল, যাহা মানব-লোকের বাহিরে।"

৯. "পৃথিবী যে কত সুন্দর, কত রহস্যময়, এখানে না আসিলে তা জানা যাইত না।"

১০. "আলো-ছায়ার এই খেলা, আর এই বিরাট নিঃশব্দতা... মনে হয় যেন এক চিরকালের স্বপ্নপুরী।"

১১. "মানুষের জীবনে দুঃখ আসে বটে, কিন্তু সে দুঃখের মধ্যেই জীবনের একটা গভীর আনন্দ লুকিয়ে থাকে।" 

১২. "জীবন বড় মধুময়, শুধু এইজন্য যে, এই মাধুর্যের অনেকটাই স্বপ্ন ও কল্পনা দিয়ে গড়া।" 

১৩. "মৃত্যু তো জীবনেরই অঙ্গ, তাহাকে ভয় কেন?"

১৪. "ক্ষুদ্র জীবনের ক্ষুদ্র তুচ্ছতা ছাড়াইয়া উঠিতে না পারিলে মহৎ জীবন লাভ করা যায় না।" 

১৫. "মানুষের জীবনে এমন সব অদ্ভুত ঘটনা ঘটে যা উপন্যাসে ঘটাতে গেলে পাঠকরা বিশ্বাস করতে চাইবে না।" 

১৬. "জীবন কেবল চলার নাম, থামিয়া গেলেই সব শেষ।" 

১৭. "বড় হয়ে উঠা মানে জীবনের জটিলতার সঙ্গে পরিচিত হওয়া।" 

১৮. "অজানাকে জানবার কৌতূহল মানুষের চিরন্তন।" 

১৯. "সবচেয়ে বড় ধর্ম হল, মানুষ হওয়া।" 

২০. "আমরা কি শুধু বেঁচে থাকার জন্য বাঁচি? এর মধ্যে কোনো রহস্যময়তা নেই?"

২১. "করুণা ভালোবাসার সবচেয়ে মূল্যবান মশলা, তার গাঁথুনি বড় পাকা হয়।"

২২. "একশত বৎসর একসঙ্গে থাকিলেও কেহ হয়তো আমার হৃদয়ের বাহিরে থাকিয়া যায়, যদি না কোনো বিশেষ ঘটনায় সে আমার হৃদয়ের কবাট খুলিতে পারে।" 

২৩. "ভালোবাসা কোনো নিয়ম মানে না, সে তার নিজস্ব পথে চলে।"

২৪. "দরিদ্রের মনের আনন্দ পৃথিবীর কোনো ধনী জানে না।" 

২৫. "মানুষের মন বড়ই অদ্ভুত, সামান্য জিনিসেও সে কত আনন্দ পায়!"

২৬. "মানবের প্রেম ও প্রকৃতির সৌন্দর্য একই জিনিসের দুইটি ধারা।" 

২৭. "মানুষের মনকে বোঝা সহজ নয়, তার ভিতরে কত অন্ধকার আর কত আলো লুকিয়ে থাকে।" 

২৮. "পৃথিবীর ভালোবাসাই অমৃত।"

২৯. "দুঃখ জীবনের বড় সম্পদ, দৈন্য বড় সম্পদ, শোক, দারিদ্র্য, ব্যর্থতা বড় সম্পদ।" 

৩০. "সংসারে সকল দুঃখের ঔষধ একমাত্র প্রেম।"

৩১. মানুষের মন তো এই; সে যা পায় না তার দিকেই ছোটে। 

৩২. আলো যেমন অন্ধকারকে ভালোবাসে, সুখ তেমনি দুঃখকে চায়। 

৩৩. পৃথিবী বড় রহস্যময় স্থান, এর প্রত্যেকটি ধূলিকণায় কত না কথা লেখা আছে! 

৩৪. জীবনের পথে চলতে চলতে কত কিছুই তো হারায়। 

৩৫. ভয়কে জয় করাই জীবনের প্রথম কাজ। 

৩৬. সত্যের রূপ বড় কঠিন, তাহাকে গ্রহণ করিতে সাহস চাই। 

৩৭. যে জিনিস যত দুষ্প্রাপ্য, মানুষের মনের কাছে তাহার মূল্য তত বেশি।

৩৮. কল্পনা জীবনকে সুন্দর করে তোলে। 

৩৯. সময় দ্রুত চলে যায়, শুধু স্মৃতিগুলি পড়িয়া থাকে। 

৪০. জীবনে উন্নতি করা মানে আনন্দকে হারানো নয়। 

৪১. শুধু পয়সা থাকলেই সুখ হয় না, সুখ অন্য জিনিস। 

৪২. প্রকৃতির সান্নিধ্যে থাকিলেই মন শান্ত থাকে। 

৪৩. জীবনের পথে কোনো কিছুই স্থির নয়, সব কিছুই পরিবর্তনশীল। 

৪৪. যা কিছু সুন্দর, তা চিরন্তন। 

৪৫. আমরা কেন এত স্বার্থপর হই? 

৪৬. দুঃখের দিনেও হাসিতে শিখিতে হয়। 

৪৭. নিজের জীবনকে সুন্দর করাই শ্রেষ্ঠ শিল্প। 

৪৮. বড় হওয়ার স্বপ্ন না দেখলে কেউ বড় হতে পারে না। 

৪৯. সকল মানুষের মনেই একটি শিশু লুকানো থাকে। 

৫০. সরলতা জীবনের শ্রেষ্ঠ অলঙ্কার।

৫১. মহৎ জীবন লাভ করার জন্য ক্ষুদ্রতাকে অতিক্রম করতে হয়। 

৫২. আকাশ ও মাটি যেখানে মেশে, সেখানেই মুক্তির পথ। 

৫৩. আশা মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। 

৫৪. সব পাওয়ার চেয়ে চাওয়ার আনন্দ বেশি। 

৫৫. যেখানে প্রেম নেই, সেখানে শান্তিও নেই। 

৫৬. মানুষের ধর্মই হল কৌতূহল। 

৫৭. অতীতকে ভুলে থাকা কঠিন। 

৫৮. বর্তমানই একমাত্র সত্য। 

৫৯. প্রত্যেকটি মানুষের নিজস্ব জগৎ আছে। 

৬০. বই আমাদের শ্রেষ্ঠ বন্ধু। 

৬১. অন্ধকারেও আলো খোঁজার চেষ্টা করো। 

৬২. জীবন বড় নিষ্ঠুর, আবার বড় দয়ালুও। 

৬৩. যে লোক কোনোদিন স্বপ্ন দেখেনি, সে কিছুই পায়নি। 

৬৪. প্রকৃতির কাছে কোনো ভেদাভেদ নেই। 

৬৫. আমাদের জীবনে যা ঘটে তার সবকিছুই একসময় স্মৃতি হয়ে যায়। 

৬৬. সাহসীরাই পৃথিবী শাসন করে। 

৬৭. নিঃসঙ্গতা অনেক সময়ই আনন্দের কারণ হয়। 

৬৮. মানুষ যা চায় তা সবসময় পায় না। 

৬৯. জীবন নদীর মতো বহমান। 

৭০. জ্ঞানের শেষ নেই। 

৭১. সামান্যতেই খুশি হওয়া শেখো। 

৭২. সময়ের মূল্য দেওয়া উচিত। 

৭৩. অন্যের সমালোচনা করার আগে নিজেকে দেখো। 

৭৪. সত্য সর্বদা জয়ী হয়। 

৭৫. ভালোবাসার কোনো সংজ্ঞা হয় না।

৭৬. ভয় পেয়ে লুকিয়ে থাকা কাপুরুষতা। 

৭৭. সকল কাজ মন দিয়ে করা উচিত। 

৭৮. সরল জীবনই সুখী জীবন। 

৭৯. অন্যের জন্য বাঁচাটাই আসল বাঁচা। 

৮০. মিথ্যা দিয়ে কোনো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যায় না। 

৮১. ধৈর্যই সাফল্যের চাবিকাঠি। 

৮২. ভুল করা মানুষের স্বভাব। 

৮৩. কিন্তু ভুল শুধরে নেওয়া মহত্ত্ব। 

৮৪. নিজের ওপর বিশ্বাস রাখো। 

৮৫. জীবনে নতুন কিছু শেখার আগ্রহ থাকা চাই। 

৮৬. ছোট ছোট আনন্দই জীবনকে পূর্ণ করে তোলে। 

৮৭. প্রকৃতির ভাষা বুঝতে শেখো। 

৮৮. নীরবতা কখনও কখনও সবচেয়ে বড় উত্তর। 

৮৯. আলো এবং অন্ধকার একে অপরের পরিপূরক। 

৯০. পৃথিবী এক বিশাল নাট্যশালা।

৯১. যা তুমি ভালোবাসো, তা নিয়ে বাঁচো। 

৯২. অন্যের ভালো দেখতে শেখো। 

৯৩. ক্ষমা করা মহত্ত্বের লক্ষণ। 

৯৪. মানুষের মন আকাশের মতো অসীম। 

৯৫. নিজের ভেতরের সৌন্দর্যকে জাগিয়ে তোলো। 

৯৬. আশা ছাড়লে জীবন থেমে যায়। 

৯৭. ভালো কাজ কখনও বৃথা যায় না। 

৯৮. সব সমস্যারই সমাধান আছে। 

৯৯. মানুষের শেষ আশ্রয় হলো শান্তি। 

১০০. "কোথাও সূর্য্যের আলো নেই, সব সময়ই যেন গোধূলি।"


Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

যান্ত্রিক আবহবিকার ও রাসায়নিক আবহবিকারের মধ্যে পার্থক্য

  যান্ত্রিক আবহবিকার ও রাসায়নিক আবহবিকারের মধ্যে পার্থক্য Sl. No. যান্ত্রিক আবহবিকার রাসায়নিক আবহবিকার 1 বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে শিলাস্তর যখন ফেটে ছোটো ছোটো খন্ড বা চূর্ণে পরিণত হয় মূল শিলার ওপরে অবস্থান করে তখন তাকে যান্ত্রিক আবহবিকার বলে। নানান রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শিলা বিয়োজিত হওয়ার ঘটনাকে রাসায়নিক আবহবিকার বলে। 2 যান্ত্রিক আবহবিকারের ফলে শিলার শুধুমাত্র ভৌত পরিবর্তন ঘটে। শিলা গঠনকারী খনিজের রাসায়নিক ধর্মের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। রাসায়নিক আবহবিকারের ফলে শিলার মধ্যে অবস্থিত খনিজগুলি বিয়োজিত হয়। ফলে শিলার ভৌত ও রাসায়নিক উভয় ধর্মেরই পরিবর্তন ঘটে। 3 উষ্ণ, মরু ও মরুপ্রায় অঞ্চল এবং শীতল পার্বত্য অঞ্চলে যান্ত্রিক আবহবিকার বেশি মাত্রায় সংঘটিত হয়। আর্দ্র ক্রান্তীয় ও নিরক্ষীয় অঞ্চলে রাসায়নিক আবহবিকার বেশি পরিমাণে সংঘটিত হয়। 4 যান্ত্রিক আবহবিকার অনেক সময় সশব্দে ঘটে থাকে। রাসায়নিক আবহবিকার নিঃশব্দে ঘটে থাকে। 5 ভূমিরূপ গঠন ও পরিবর্তন...

[MCQ]Geography।।ভারতের জলবায়ু।।সেট ২।।solve.org.in

ভারতের জলবায়ু প্রশ্ন:১ ভারতের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল : (a) ঋতু পরিবর্তন (b) অত্যধিক উষ্ণতা (c) অত্যধিক বৃষ্টিপাত