Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 10

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে—   উত্তরঃ  সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন?    উত্তরঃ  ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন?    উত্তরঃ  নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন?    উত্তরঃ  রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন?    উত্তরঃ  অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন—   উত্তরঃ  লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি?    উত্তরঃ  চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১০০টি বিখ্যাত লাইন

 বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১০০টি বিখ্যাত লাইন 



১. "অরণ্য এক বিশাল, স্থির, অতলস্পর্শী নির্জনতা।" 

২. "এই নিস্তব্ধতা বড় গভীর, বড় মধুর।" 

৩. "প্রকৃতির রূপ ও রসের ভান্ডার অফুরান।"

৪. "আকাশের মেঘগুলি যেন উদাস দুপুরে কার কথা ভাবিতেছে।" 

৫. "মানুষের জীবনের সকল আনন্দ ও শান্তিতে প্রকৃতির ছায়া পড়ে।" 

৬. "নক্ষত্রগুলি যেন দূর স্বর্গের পথ দেখাইতেছে।" 

৭. "পৃথিবীতে আর কোথাও এমন নিস্তব্ধ, রহস্যময় দুপুর দেখেছি কিনা সন্দেহ।"

৮. "বনানীর মধ্যে সে এক অপূর্ব সৌন্দর্য দেখিতে পাইল, যাহা মানব-লোকের বাহিরে।"

৯. "পৃথিবী যে কত সুন্দর, কত রহস্যময়, এখানে না আসিলে তা জানা যাইত না।"

১০. "আলো-ছায়ার এই খেলা, আর এই বিরাট নিঃশব্দতা... মনে হয় যেন এক চিরকালের স্বপ্নপুরী।"

১১. "মানুষের জীবনে দুঃখ আসে বটে, কিন্তু সে দুঃখের মধ্যেই জীবনের একটা গভীর আনন্দ লুকিয়ে থাকে।" 

১২. "জীবন বড় মধুময়, শুধু এইজন্য যে, এই মাধুর্যের অনেকটাই স্বপ্ন ও কল্পনা দিয়ে গড়া।" 

১৩. "মৃত্যু তো জীবনেরই অঙ্গ, তাহাকে ভয় কেন?"

১৪. "ক্ষুদ্র জীবনের ক্ষুদ্র তুচ্ছতা ছাড়াইয়া উঠিতে না পারিলে মহৎ জীবন লাভ করা যায় না।" 

১৫. "মানুষের জীবনে এমন সব অদ্ভুত ঘটনা ঘটে যা উপন্যাসে ঘটাতে গেলে পাঠকরা বিশ্বাস করতে চাইবে না।" 

১৬. "জীবন কেবল চলার নাম, থামিয়া গেলেই সব শেষ।" 

১৭. "বড় হয়ে উঠা মানে জীবনের জটিলতার সঙ্গে পরিচিত হওয়া।" 

১৮. "অজানাকে জানবার কৌতূহল মানুষের চিরন্তন।" 

১৯. "সবচেয়ে বড় ধর্ম হল, মানুষ হওয়া।" 

২০. "আমরা কি শুধু বেঁচে থাকার জন্য বাঁচি? এর মধ্যে কোনো রহস্যময়তা নেই?"

২১. "করুণা ভালোবাসার সবচেয়ে মূল্যবান মশলা, তার গাঁথুনি বড় পাকা হয়।"

২২. "একশত বৎসর একসঙ্গে থাকিলেও কেহ হয়তো আমার হৃদয়ের বাহিরে থাকিয়া যায়, যদি না কোনো বিশেষ ঘটনায় সে আমার হৃদয়ের কবাট খুলিতে পারে।" 

২৩. "ভালোবাসা কোনো নিয়ম মানে না, সে তার নিজস্ব পথে চলে।"

২৪. "দরিদ্রের মনের আনন্দ পৃথিবীর কোনো ধনী জানে না।" 

২৫. "মানুষের মন বড়ই অদ্ভুত, সামান্য জিনিসেও সে কত আনন্দ পায়!"

২৬. "মানবের প্রেম ও প্রকৃতির সৌন্দর্য একই জিনিসের দুইটি ধারা।" 

২৭. "মানুষের মনকে বোঝা সহজ নয়, তার ভিতরে কত অন্ধকার আর কত আলো লুকিয়ে থাকে।" 

২৮. "পৃথিবীর ভালোবাসাই অমৃত।"

২৯. "দুঃখ জীবনের বড় সম্পদ, দৈন্য বড় সম্পদ, শোক, দারিদ্র্য, ব্যর্থতা বড় সম্পদ।" 

৩০. "সংসারে সকল দুঃখের ঔষধ একমাত্র প্রেম।"

৩১. মানুষের মন তো এই; সে যা পায় না তার দিকেই ছোটে। 

৩২. আলো যেমন অন্ধকারকে ভালোবাসে, সুখ তেমনি দুঃখকে চায়। 

৩৩. পৃথিবী বড় রহস্যময় স্থান, এর প্রত্যেকটি ধূলিকণায় কত না কথা লেখা আছে! 

৩৪. জীবনের পথে চলতে চলতে কত কিছুই তো হারায়। 

৩৫. ভয়কে জয় করাই জীবনের প্রথম কাজ। 

৩৬. সত্যের রূপ বড় কঠিন, তাহাকে গ্রহণ করিতে সাহস চাই। 

৩৭. যে জিনিস যত দুষ্প্রাপ্য, মানুষের মনের কাছে তাহার মূল্য তত বেশি।

৩৮. কল্পনা জীবনকে সুন্দর করে তোলে। 

৩৯. সময় দ্রুত চলে যায়, শুধু স্মৃতিগুলি পড়িয়া থাকে। 

৪০. জীবনে উন্নতি করা মানে আনন্দকে হারানো নয়। 

৪১. শুধু পয়সা থাকলেই সুখ হয় না, সুখ অন্য জিনিস। 

৪২. প্রকৃতির সান্নিধ্যে থাকিলেই মন শান্ত থাকে। 

৪৩. জীবনের পথে কোনো কিছুই স্থির নয়, সব কিছুই পরিবর্তনশীল। 

৪৪. যা কিছু সুন্দর, তা চিরন্তন। 

৪৫. আমরা কেন এত স্বার্থপর হই? 

৪৬. দুঃখের দিনেও হাসিতে শিখিতে হয়। 

৪৭. নিজের জীবনকে সুন্দর করাই শ্রেষ্ঠ শিল্প। 

৪৮. বড় হওয়ার স্বপ্ন না দেখলে কেউ বড় হতে পারে না। 

৪৯. সকল মানুষের মনেই একটি শিশু লুকানো থাকে। 

৫০. সরলতা জীবনের শ্রেষ্ঠ অলঙ্কার।

৫১. মহৎ জীবন লাভ করার জন্য ক্ষুদ্রতাকে অতিক্রম করতে হয়। 

৫২. আকাশ ও মাটি যেখানে মেশে, সেখানেই মুক্তির পথ। 

৫৩. আশা মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। 

৫৪. সব পাওয়ার চেয়ে চাওয়ার আনন্দ বেশি। 

৫৫. যেখানে প্রেম নেই, সেখানে শান্তিও নেই। 

৫৬. মানুষের ধর্মই হল কৌতূহল। 

৫৭. অতীতকে ভুলে থাকা কঠিন। 

৫৮. বর্তমানই একমাত্র সত্য। 

৫৯. প্রত্যেকটি মানুষের নিজস্ব জগৎ আছে। 

৬০. বই আমাদের শ্রেষ্ঠ বন্ধু। 

৬১. অন্ধকারেও আলো খোঁজার চেষ্টা করো। 

৬২. জীবন বড় নিষ্ঠুর, আবার বড় দয়ালুও। 

৬৩. যে লোক কোনোদিন স্বপ্ন দেখেনি, সে কিছুই পায়নি। 

৬৪. প্রকৃতির কাছে কোনো ভেদাভেদ নেই। 

৬৫. আমাদের জীবনে যা ঘটে তার সবকিছুই একসময় স্মৃতি হয়ে যায়। 

৬৬. সাহসীরাই পৃথিবী শাসন করে। 

৬৭. নিঃসঙ্গতা অনেক সময়ই আনন্দের কারণ হয়। 

৬৮. মানুষ যা চায় তা সবসময় পায় না। 

৬৯. জীবন নদীর মতো বহমান। 

৭০. জ্ঞানের শেষ নেই। 

৭১. সামান্যতেই খুশি হওয়া শেখো। 

৭২. সময়ের মূল্য দেওয়া উচিত। 

৭৩. অন্যের সমালোচনা করার আগে নিজেকে দেখো। 

৭৪. সত্য সর্বদা জয়ী হয়। 

৭৫. ভালোবাসার কোনো সংজ্ঞা হয় না।

৭৬. ভয় পেয়ে লুকিয়ে থাকা কাপুরুষতা। 

৭৭. সকল কাজ মন দিয়ে করা উচিত। 

৭৮. সরল জীবনই সুখী জীবন। 

৭৯. অন্যের জন্য বাঁচাটাই আসল বাঁচা। 

৮০. মিথ্যা দিয়ে কোনো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যায় না। 

৮১. ধৈর্যই সাফল্যের চাবিকাঠি। 

৮২. ভুল করা মানুষের স্বভাব। 

৮৩. কিন্তু ভুল শুধরে নেওয়া মহত্ত্ব। 

৮৪. নিজের ওপর বিশ্বাস রাখো। 

৮৫. জীবনে নতুন কিছু শেখার আগ্রহ থাকা চাই। 

৮৬. ছোট ছোট আনন্দই জীবনকে পূর্ণ করে তোলে। 

৮৭. প্রকৃতির ভাষা বুঝতে শেখো। 

৮৮. নীরবতা কখনও কখনও সবচেয়ে বড় উত্তর। 

৮৯. আলো এবং অন্ধকার একে অপরের পরিপূরক। 

৯০. পৃথিবী এক বিশাল নাট্যশালা।

৯১. যা তুমি ভালোবাসো, তা নিয়ে বাঁচো। 

৯২. অন্যের ভালো দেখতে শেখো। 

৯৩. ক্ষমা করা মহত্ত্বের লক্ষণ। 

৯৪. মানুষের মন আকাশের মতো অসীম। 

৯৫. নিজের ভেতরের সৌন্দর্যকে জাগিয়ে তোলো। 

৯৬. আশা ছাড়লে জীবন থেমে যায়। 

৯৭. ভালো কাজ কখনও বৃথা যায় না। 

৯৮. সব সমস্যারই সমাধান আছে। 

৯৯. মানুষের শেষ আশ্রয় হলো শান্তি। 

১০০. "কোথাও সূর্য্যের আলো নেই, সব সময়ই যেন গোধূলি।"


Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

[MCQ]।।ভারতের ইতিহাস।।ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৫৬ খ্রি.)।। সেট ১

  ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৫৬ খ্রি.) 👉প্রশ্ন:১ অমৃতসরের সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়— (a) ১৮০৬ খ্রিস্টাব্দে (b) ১৮০৭ খ্রিস্টাব্দে (c) ১৮০৮ খ্রিস্টাব্দে (d) ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে

বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল

বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল            আর্দ্রবায়ু পাহাড়ে বাধা পেয়ে প্রতিবাত ঢালে বৃষ্টিপাত করার পর তাতে আর জলীয় বাষ্প থাকে না। জলীয়বাষ্পহীন ওই শুকনো বাতাস পাহাড় অতিক্রম করে পাহাড়ের অপর দিকে (অনুবাত ঢালে) গেলে সেখানে আর বৃষ্টিপাত হয় না। পাহাড়ের বায়ুমুখী ঢালের বিপরীত দিকের প্রায় বৃষ্টিহীন অনুবাত ঢালকে “বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল” বলা হয়।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের চিরস্মরণীয় কিছু উক্তি

          বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। অগ্নিবীণা হাতে তার প্রবেশ, ধূমকেতুর মতো তার প্রকাশ। যেমন লেখাতে বিদ্রোহী, তেমনই জীবনে – কাজেই "বিদ্রোহী কবি"

[MCQ]reproduction।।জনন।। জীবনবিজ্ঞান এর প্রশ্নোত্তর।।SOLVE

প্রশ্ন ১ সংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় জনন সম্পন্ন করে এরূপ একটি উদ্ভিদ হল ( a ) ইস্ট ( b ) মিউকর ( c ) স্পাইরােগাইরা ( d ) টেরিস

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

শল্কমোচন বা এক্সফোলিয়েশন

শল্কমোচন বা এক্সফোলিয়েশন            উষ্ণ মরু অঞ্চলে দিন ও রাত্রির মধ্যে উষ্ণতার প্রসর অধিক হওয়ায় শিলা দিনে প্রসারিত ও রাত্রে সংকুচিত হয়। শিলা তাপের কুপরিবাহী বলে এই সংকোচন ও প্রসারণ শিলার উপরিস্তরেই সীমাবদ্ধ থাকে। এর ফলে শিলার উপরিস্তর ও নিম্নস্তরের মধ্যে সংকোচন ও প্রসারণের তারতম্য ঘটে এবং উভয় স্তরের মধ্যে একটি তাপীয় ঢালের সৃষ্টি করে। তখন অধিক সংকোচন ও প্রসারণযুক্ত শিলার উপরিস্তর কম সংকোচন ও প্রসারণযুক্ত নিম্নস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং পেঁয়াজের খোসার মতো একের পর এক খুলে যায়। এই প্রক্রিয়াকে বলে শল্কমোচন। শল্কমোচনের ফলে শিলার টুকরোগুলি গোলাকার বা উপগোলাকার হয়ে পড়ে। 👉 ভূগোলের MCQs, VSQs এবং সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর গুলি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।  👈            একই জাতীয় খনিজ পদার্থে গঠিত সমপ্রকৃতির শিলায় শল্কমোচন বেশি হয়। সাধারণত গ্রানাইট শিলা গঠিত হয় খাড়া ও অপ্রশস্ত পার্বত্য অঞ্চলে, যেখানে উষ্মতার পার্থক্য বেশি, সেখানে গোলাকার বিচূর্ণীভবন বেশি দেখা যায়।  আফ্রিকার মোজাম্বিকে, কালাহারি মরুভূমিতে এইরূপ ...

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...