Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী - ভৌতবিজ্ঞান - পরিবেশের জন্য ভাবনা - নোটস (Concern About Our Environment)

পরিবেশের জন্য ভাবনা (Concern About Our Environment) ১. বায়ুমণ্ডলের গঠন (Structure of the Atmosphere) উচ্চতা ও উষ্ণতার পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে বায়ুমণ্ডলকে প্রধানত ছয়টি স্তরে ভাগ করা হয়েছে:

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১০০টি বিখ্যাত লাইন

 বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১০০টি বিখ্যাত লাইন 



১. "অরণ্য এক বিশাল, স্থির, অতলস্পর্শী নির্জনতা।" 

২. "এই নিস্তব্ধতা বড় গভীর, বড় মধুর।" 

৩. "প্রকৃতির রূপ ও রসের ভান্ডার অফুরান।"

৪. "আকাশের মেঘগুলি যেন উদাস দুপুরে কার কথা ভাবিতেছে।" 

৫. "মানুষের জীবনের সকল আনন্দ ও শান্তিতে প্রকৃতির ছায়া পড়ে।" 

৬. "নক্ষত্রগুলি যেন দূর স্বর্গের পথ দেখাইতেছে।" 

৭. "পৃথিবীতে আর কোথাও এমন নিস্তব্ধ, রহস্যময় দুপুর দেখেছি কিনা সন্দেহ।"

৮. "বনানীর মধ্যে সে এক অপূর্ব সৌন্দর্য দেখিতে পাইল, যাহা মানব-লোকের বাহিরে।"

৯. "পৃথিবী যে কত সুন্দর, কত রহস্যময়, এখানে না আসিলে তা জানা যাইত না।"

১০. "আলো-ছায়ার এই খেলা, আর এই বিরাট নিঃশব্দতা... মনে হয় যেন এক চিরকালের স্বপ্নপুরী।"

১১. "মানুষের জীবনে দুঃখ আসে বটে, কিন্তু সে দুঃখের মধ্যেই জীবনের একটা গভীর আনন্দ লুকিয়ে থাকে।" 

১২. "জীবন বড় মধুময়, শুধু এইজন্য যে, এই মাধুর্যের অনেকটাই স্বপ্ন ও কল্পনা দিয়ে গড়া।" 

১৩. "মৃত্যু তো জীবনেরই অঙ্গ, তাহাকে ভয় কেন?"

১৪. "ক্ষুদ্র জীবনের ক্ষুদ্র তুচ্ছতা ছাড়াইয়া উঠিতে না পারিলে মহৎ জীবন লাভ করা যায় না।" 

১৫. "মানুষের জীবনে এমন সব অদ্ভুত ঘটনা ঘটে যা উপন্যাসে ঘটাতে গেলে পাঠকরা বিশ্বাস করতে চাইবে না।" 

১৬. "জীবন কেবল চলার নাম, থামিয়া গেলেই সব শেষ।" 

১৭. "বড় হয়ে উঠা মানে জীবনের জটিলতার সঙ্গে পরিচিত হওয়া।" 

১৮. "অজানাকে জানবার কৌতূহল মানুষের চিরন্তন।" 

১৯. "সবচেয়ে বড় ধর্ম হল, মানুষ হওয়া।" 

২০. "আমরা কি শুধু বেঁচে থাকার জন্য বাঁচি? এর মধ্যে কোনো রহস্যময়তা নেই?"

২১. "করুণা ভালোবাসার সবচেয়ে মূল্যবান মশলা, তার গাঁথুনি বড় পাকা হয়।"

২২. "একশত বৎসর একসঙ্গে থাকিলেও কেহ হয়তো আমার হৃদয়ের বাহিরে থাকিয়া যায়, যদি না কোনো বিশেষ ঘটনায় সে আমার হৃদয়ের কবাট খুলিতে পারে।" 

২৩. "ভালোবাসা কোনো নিয়ম মানে না, সে তার নিজস্ব পথে চলে।"

২৪. "দরিদ্রের মনের আনন্দ পৃথিবীর কোনো ধনী জানে না।" 

২৫. "মানুষের মন বড়ই অদ্ভুত, সামান্য জিনিসেও সে কত আনন্দ পায়!"

২৬. "মানবের প্রেম ও প্রকৃতির সৌন্দর্য একই জিনিসের দুইটি ধারা।" 

২৭. "মানুষের মনকে বোঝা সহজ নয়, তার ভিতরে কত অন্ধকার আর কত আলো লুকিয়ে থাকে।" 

২৮. "পৃথিবীর ভালোবাসাই অমৃত।"

২৯. "দুঃখ জীবনের বড় সম্পদ, দৈন্য বড় সম্পদ, শোক, দারিদ্র্য, ব্যর্থতা বড় সম্পদ।" 

৩০. "সংসারে সকল দুঃখের ঔষধ একমাত্র প্রেম।"

৩১. মানুষের মন তো এই; সে যা পায় না তার দিকেই ছোটে। 

৩২. আলো যেমন অন্ধকারকে ভালোবাসে, সুখ তেমনি দুঃখকে চায়। 

৩৩. পৃথিবী বড় রহস্যময় স্থান, এর প্রত্যেকটি ধূলিকণায় কত না কথা লেখা আছে! 

৩৪. জীবনের পথে চলতে চলতে কত কিছুই তো হারায়। 

৩৫. ভয়কে জয় করাই জীবনের প্রথম কাজ। 

৩৬. সত্যের রূপ বড় কঠিন, তাহাকে গ্রহণ করিতে সাহস চাই। 

৩৭. যে জিনিস যত দুষ্প্রাপ্য, মানুষের মনের কাছে তাহার মূল্য তত বেশি।

৩৮. কল্পনা জীবনকে সুন্দর করে তোলে। 

৩৯. সময় দ্রুত চলে যায়, শুধু স্মৃতিগুলি পড়িয়া থাকে। 

৪০. জীবনে উন্নতি করা মানে আনন্দকে হারানো নয়। 

৪১. শুধু পয়সা থাকলেই সুখ হয় না, সুখ অন্য জিনিস। 

৪২. প্রকৃতির সান্নিধ্যে থাকিলেই মন শান্ত থাকে। 

৪৩. জীবনের পথে কোনো কিছুই স্থির নয়, সব কিছুই পরিবর্তনশীল। 

৪৪. যা কিছু সুন্দর, তা চিরন্তন। 

৪৫. আমরা কেন এত স্বার্থপর হই? 

৪৬. দুঃখের দিনেও হাসিতে শিখিতে হয়। 

৪৭. নিজের জীবনকে সুন্দর করাই শ্রেষ্ঠ শিল্প। 

৪৮. বড় হওয়ার স্বপ্ন না দেখলে কেউ বড় হতে পারে না। 

৪৯. সকল মানুষের মনেই একটি শিশু লুকানো থাকে। 

৫০. সরলতা জীবনের শ্রেষ্ঠ অলঙ্কার।

৫১. মহৎ জীবন লাভ করার জন্য ক্ষুদ্রতাকে অতিক্রম করতে হয়। 

৫২. আকাশ ও মাটি যেখানে মেশে, সেখানেই মুক্তির পথ। 

৫৩. আশা মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। 

৫৪. সব পাওয়ার চেয়ে চাওয়ার আনন্দ বেশি। 

৫৫. যেখানে প্রেম নেই, সেখানে শান্তিও নেই। 

৫৬. মানুষের ধর্মই হল কৌতূহল। 

৫৭. অতীতকে ভুলে থাকা কঠিন। 

৫৮. বর্তমানই একমাত্র সত্য। 

৫৯. প্রত্যেকটি মানুষের নিজস্ব জগৎ আছে। 

৬০. বই আমাদের শ্রেষ্ঠ বন্ধু। 

৬১. অন্ধকারেও আলো খোঁজার চেষ্টা করো। 

৬২. জীবন বড় নিষ্ঠুর, আবার বড় দয়ালুও। 

৬৩. যে লোক কোনোদিন স্বপ্ন দেখেনি, সে কিছুই পায়নি। 

৬৪. প্রকৃতির কাছে কোনো ভেদাভেদ নেই। 

৬৫. আমাদের জীবনে যা ঘটে তার সবকিছুই একসময় স্মৃতি হয়ে যায়। 

৬৬. সাহসীরাই পৃথিবী শাসন করে। 

৬৭. নিঃসঙ্গতা অনেক সময়ই আনন্দের কারণ হয়। 

৬৮. মানুষ যা চায় তা সবসময় পায় না। 

৬৯. জীবন নদীর মতো বহমান। 

৭০. জ্ঞানের শেষ নেই। 

৭১. সামান্যতেই খুশি হওয়া শেখো। 

৭২. সময়ের মূল্য দেওয়া উচিত। 

৭৩. অন্যের সমালোচনা করার আগে নিজেকে দেখো। 

৭৪. সত্য সর্বদা জয়ী হয়। 

৭৫. ভালোবাসার কোনো সংজ্ঞা হয় না।

৭৬. ভয় পেয়ে লুকিয়ে থাকা কাপুরুষতা। 

৭৭. সকল কাজ মন দিয়ে করা উচিত। 

৭৮. সরল জীবনই সুখী জীবন। 

৭৯. অন্যের জন্য বাঁচাটাই আসল বাঁচা। 

৮০. মিথ্যা দিয়ে কোনো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যায় না। 

৮১. ধৈর্যই সাফল্যের চাবিকাঠি। 

৮২. ভুল করা মানুষের স্বভাব। 

৮৩. কিন্তু ভুল শুধরে নেওয়া মহত্ত্ব। 

৮৪. নিজের ওপর বিশ্বাস রাখো। 

৮৫. জীবনে নতুন কিছু শেখার আগ্রহ থাকা চাই। 

৮৬. ছোট ছোট আনন্দই জীবনকে পূর্ণ করে তোলে। 

৮৭. প্রকৃতির ভাষা বুঝতে শেখো। 

৮৮. নীরবতা কখনও কখনও সবচেয়ে বড় উত্তর। 

৮৯. আলো এবং অন্ধকার একে অপরের পরিপূরক। 

৯০. পৃথিবী এক বিশাল নাট্যশালা।

৯১. যা তুমি ভালোবাসো, তা নিয়ে বাঁচো। 

৯২. অন্যের ভালো দেখতে শেখো। 

৯৩. ক্ষমা করা মহত্ত্বের লক্ষণ। 

৯৪. মানুষের মন আকাশের মতো অসীম। 

৯৫. নিজের ভেতরের সৌন্দর্যকে জাগিয়ে তোলো। 

৯৬. আশা ছাড়লে জীবন থেমে যায়। 

৯৭. ভালো কাজ কখনও বৃথা যায় না। 

৯৮. সব সমস্যারই সমাধান আছে। 

৯৯. মানুষের শেষ আশ্রয় হলো শান্তি। 

১০০. "কোথাও সূর্য্যের আলো নেই, সব সময়ই যেন গোধূলি।"


Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

জাতীয়তাবাদের বিকাশে বঙ্কিমচন্দ্রের অবদান কী ?

          বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮–৯৪ খ্রি.) ছিলেন ঊনবিংশ শতকের অগ্রণী ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার। বঙ্কিমচন্দ্রের অধিকাংশ উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল স্বদেশ ও দেশপ্রেম। বঙ্কিমচন্দ্রের সৃষ্টি ভারতীয় জাতীয়তাবোধের বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিল। তাঁর ‘বন্দেমাতরম্’–মন্ত্র ছিল বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র। অরবিন্দ ঘোষ তাই বঙ্কিমকে ‘জাতীয়তাবোধের ঋত্বিক’ বলেছেন।

নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য

  নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য Sl. No. নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকা 1 মেরু প্রদেশের বরফাবৃত অঞ্চল এবং উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কেবলমাত্র বরফে ঢাকা উঁচু পার্বত্য অঞ্চল এবং হিমশীতল মেরু অঞ্চলেই হিমবাহ উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। 2 পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকা প্রধানত ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো হয়। হিমবাহ উপত্যকা ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়। 3 পার্বত্য ও উচ্চ সমভূমি অঞ্চলে নদী স্রোতের গতিবেগ প্রবল হয়, নিম্নভূমিতে নদী স্রোতের গতি ধীরে ধীরে কমে আসে। বেশিরভাগ সময়েই হিমবাহ অত্যন্ত ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। 4 নদী উপত্যকা আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়। হিমবাহ উপত্যকা সোজা পথে অগ্রসর হয়। 5 সাধারণত নদী উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য বেশি হয়। হিমবাহ উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য কম হয়। 6 নদীর সঞ্চয় কাজের ফলে নদী উপত্যকায় প্লাবনভূমি, স্বাভাবিক বাঁধ, বদ্বীপ প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। ...

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান - সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।।সেট-৪

রাষ্ট্রবিজ্ঞান - সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর প্রশ্ন:১ ‘কোটা’ কি ? উত্তর:  ভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ‘কোটা’ সংখ্যক ভােট পেয়ে নির্বাচিত হন। এই কোটা নির্ধারিত হয় নির্বাচনে প্রদত্ত মােট বৈধ ভােটের সংখ্যাকে ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগফলের সঙ্গে ১ যােগ করলে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ‘কোটা’ বলে। প্রশ্ন:২ ভারতের রাষ্ট্রপতির ভিটো ক্ষমতা কি ? উত্তর:  ভারতের রাষ্ট্রপতির বিল বাতিল করার ক্ষমতাকে ভিটো ক্ষমতা বলে। ভারতের রাষ্ট্রপতির হাতে তিন ধরনের ভিটো প্রয়ােগের ক্ষমতা আছে। সেগুলি হল—  (i) চরম ভিটো  (ii) স্থগিত ভিটো এবং  (iii) পকেট ভিটো।

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...