দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে? Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q. বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত? Α. ৭৮.০৯%. Q. বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত? Α. ২০.৯৫%. Q. বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত? Α. ০.৯৩%. Q. বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত? Α. ০.০৩%. Q. বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়? Α. ছয়টি. Q. ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত? Α. প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q. উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়? Α. বায়ুর চাপ কমে যায়. Q. ট্রপোপজ কাকে বলে? Α. ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত? Α. ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...
মৃগী
এই রোগের আক্রমণ হঠাৎ আরম্ভ হয় । কয়েক সেকেণ্ডে বা মিনিটের সমধ্যে দেহের সব মাংস পেশী শক্ত হয়ে যায় । রোগী অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায় , মুখ দিয়ে গ্যাজলা বেরোয় । তাছাড়াও একটা আর্তনাদের মতো শব্দ হতে পারে । অল্প কিছুক্ষণ পর তার সব মাংস পেশীর প্রসারণ ও সংকোচন হতে পারে।
জন্মের সময় মস্তিষ্কের কোন ক্ষতি , শিশু অবস্থায় বেশী জ্বর , মানসিক খুব দুশ্চিন্তা , কোন অস্বাভাবিক শব্দ , অত্যধিক গরম , কোন জীবাণুর আক্রমণ ইত্যাদি থেকে মৃগী রোগ আরম্ভ হয় । তবে মৃগী রোগ কোন রোগ জীবাণু সংক্রমণ নয়।
এ রোগ হলে অবিলম্বে ডাক্তার দেখাতে হবে এবং তার নির্দেশ মত দীর্ঘ দিন , কোনো কোনো ক্ষেত্রে সারাজীবন ওষুধ খেতে হবে। এর ওষুধে কোন কোন ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের তীক্ষ্ণতা বা মেধার অল্প - স্বল্প ক্ষতি হয়।
আচমকা যেখানে সেখানে পড়ে গিয়ে ও মাথায় চোট পেয়ে বড় ক্ষতি হতে পারে। রোগীর জলে নামা বা সাঁতার কাটা , গাড়ী চালানো , এমনকি আগুনের কাছে যাওয়া সম্পূর্ণ নিষেধ।
কদাচ কোন কোন রোগী রোগ আরম্ভের আগে কিছু পূর্বাভাস , যথা কোন অস্বাভাবিক শব্দ বা কিছু দেখতে বা কোন গন্ধ পায়। সে সব রোগীরা তুলনামূলক ভাবে কম বিপদের সম্মুখীন হয়।
Comments
Post a Comment