পরিবেশের জন্য ভাবনা (Concern About Our Environment) ১. বায়ুমণ্ডলের গঠন (Structure of the Atmosphere) উচ্চতা ও উষ্ণতার পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে বায়ুমণ্ডলকে প্রধানত ছয়টি স্তরে ভাগ করা হয়েছে:
টাইফয়েড রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার কি?
রোগের লক্ষণ:
সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জার মতাে জ্বর ও মাথাব্যাথা দিয়ে শুরু হয় ।
প্রথম সপ্তাহ:-
প্রথম সপ্তাহে প্রতিদিন জ্বর একটু একটু করে ১০৪/১০৫ ডিগ্রী ফারেনহাইট পর্যন্ত বাড়ে । সঙ্গে পেটের গােলমাল অর্থাৎ পাতলা পায়খানা বা কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে । নাড়ী ধীরে চলে । জিভের মাঝখানটা সাদা শ্লেষ্মায় ঢাকা থাকে , পাশগুলি টকে টকে লাল হয় ।দ্বিতীয় সপ্তাহ:-
দ্বিতীয় সপ্তাহে জ্বর বাড়ে ও অবিরাম হয় । বিকার ও হতে পারে । পিলে সামান্য বড় হয় । পায়খানা পাতলা ও সবুজ রঙের হতে পারে ।তৃতীয় সপ্তাহ:-
তৃতীয় সপ্তাহে কোন জটিলতা না হলে রােগ সেরে যেতে পারে । আবার অন্ত্রে ঘা বা ফুটো হয়ে গিয়ে জটিল ও হতে পারে । তাহলে পায়খানায় রক্ত পড়বে । এতে রােগীর অবস্থা ক্রমশঃ খারাপ হয়ে মৃত্যু হতে পারে ।চিকিৎসা:
রােগ লক্ষণ প্রকাশ পাওয়া মাত্র ডাক্তার দেখাতে হবে ।
পথ্য:
ডাক্তারের পরামর্শ মত ।
প্রতিরােধ:
টাইফয়েড টিকা তেমন কার্যকর নয় । টিকার মেয়াদ মাত্র ৬ মাস । বর্তমানে টাইফিম নামে অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী টিকা প্রচলিত হয়েছে , এর কার্যকাল ৩ বছর।
টাইফয়েড একটি জল - বাহিত রােগ । খাদ্য - বাহিতও হতে পারে । সেজন্য ব্যবহার্য জল যাতে রােগীর মল বা রােগের জীবাণু দ্বারা কোন ভাবে দূষিত না হয় তা দেখতে হবে । রােগীর মল পুড়িয়ে ফেলা উচিৎ ।
শুশ্রষাকারীকে শুশ্রষার পর ভাল করে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
কাটা ফল খাওয়া ঠিক নয় । খাবারে যাতে মাছি না বসে তা দেখতে হবে । রােগীর উচ্ছিষ্ট খাওয়া চলবে না । আলাদা বাসন ব্যবহার করতে পারলে ভাল হয় । অসুখ সেরে ওঠার পরও টাইফয়েড রােগ জীবাণু কেউ কেউ বয়ে বেড়াতে পারে । সেজন্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা এবং নিয়ম পালন আরও কিছু দিন চালিয়ে যাওয়া ভাল ।
Comments
Post a Comment