থ্যালাসেমিয়া
জিন বাহিত এবং বংশগত একটি রোগের উদাহরণ হলো থ্যালাসেমিয়া। মা ও বাবার কাছ থেকে একটি করে মোট দুটি রোগবাহক জিন জন্মের সময় গ্রহণ করে সন্তান এই রোগের শিকার হয়। একটি করে রোগ বাহক জিন থাকা সত্ত্বেও মা বা বাবা কেউই এই রোগে আক্রান্ত হয় না।
থ্যালাসেমিয়া রোগীর লোহিত কণিকার যে হিমোগ্লোবিন থাকে তা স্বাভাবিক ক্ষমতা সম্পন্ন নয়। হিমোগ্লোবিন ত্রূটিপূর্ণ থাকায় লোহিত কণিকাগুলি স্বাভাবিক জীবনকাল পূর্ণ হবার আগেই ধ্বংস হয়ে যায়। এর ফলে থ্যালাসেমিয়া রোগীর প্রকট এবং স্থায়ী রক্তাল্পতা ঘটে। তার জন্য থ্যালাসেমিয়া রোগীকে নিয়মিত রক্তদান করতে হয়। ক্রমাগত রক্তদান করার ফলে দেহে লোহার পরিমান বেড়ে যায় এবং নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। সেটা সামলাবার জন্য ডেসফেরাল নামক কষ্টসাধ্য এবং ব্যয়সাপেক্ষ ইনজেকশন নিতে হয়।
রোগ প্রতিরোধের উপায় - বিয়ের আগে পাত্র পাত্রীর রক্ত পরীক্ষা করা এবং উভয়েই থ্যালাসেমিয়া জিনবাহী হলে সে বিয়ে না হতে দেওয়া।
Comments
Post a Comment