Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

আগুনে পুড়ে গেলে কি কি করা দরকার ?

 

আগুনে পুড়ে গেলে কি কি করা দরকার ?



         যে আগুনের আবিষ্কার বিজ্ঞান সহ মানুষের অগ্রগতির প্রথম সোপান। সেই আগুন একটু ভুলভাবে বা অসাবধানে ব্যবহৃত হলে ধ্বংসের ও প্রাণ সংহারের কারণ হয়ে ওঠে। তাই আমাদের সকলেরই উচিত আগুনকে খুব সাবধানে ব্যবহার করা।
  
   জামা-কাপড়, শাড়ীতে কোন কারণে হঠাৎ আগুন ধরে গেলে প্রথম কাজ হচ্ছে তা নিভানো। তার জন্য তাড়াতাড়ি কম্বল, লেপ, তোষক - হাতের কাছে যা পাওয়া যায় (নাইলন, পলিথিন ইত্যাদি বাদে) তাই দিয়ে রোগীকে জড়িয়ে ধরে শুইয়ে দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলতে হবে। আগুন লাগলে কোনো ক্রমে দৌড়াদৌড়ি করা চলবে না। তা করলে আগুন আরো বেড়ে যায়। আগুন জ্বলতে অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। কোনো কিছু দিয়ে চাপা দেওয়ার উদ্দেশ্য - অক্সিজেনের যোগান বন্ধ করে দিয়ে আগুন নিভতে বাধ্য করা। পাশাপাশি, আগুন নেভাতে ও আগুনের তাপ দূর করতে এবং রোগীর যন্ত্রনা কমাতে পোড়া জায়গায় জল ঢালতে হবে। 

    এরপর পোড়ার মাত্রা দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। 

প্রথম ডিগ্রী পোড়া :

      যে পরিমান পোড়ায় ফোস্কা হয় না, তার যন্ত্রনা কমাতে ঠান্ডা জলে পোড়ার জায়গা ডুবিয়ে দিতে হবে। অন্য চিকিৎসা না হলেও চলবে। বড়োজোর একটু বার্নল লাগিয়ে দিলেই হবে। 

দ্বিতীয় ডিগ্রী পোড়া :

      যে সব পোড়ায় ফোস্কা হয় তাকে সেকেন্ড ডিগ্রী পড়া বলে। ফোস্কা গোলানো চলবে না। পোড়ার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঠান্ডা জলে পোড়া জায়গাটি ডুবিয়ে রাখতে হবে। 

      ফোস্কা যদি গলে যায়, সাবান আর ঠান্ডা করা ফোটানো জল দিয়ে আলতো করে জায়গাটা ধুয়ে দিতে হবে। পোড়া জায়গায় পুঁজ বা দুর্গন্ধ হলে পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট জলে গুলি তাকে গরম করে তা দিয়ে দিনে ৩/৪ বার করে সেক দিতে হবে। জায়গাটা খোলা রাখতে হবে অথচ দেখতে হবে যাতে সেখানে ধুলো ময়লা কিছু না পরে এবং মাছি না বসে। এই ধরণের পোড়ায় ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া দরকার। 

তৃতীয় ডিগ্রী পোড়া :

     পুড়ে চামড়া নষ্ট হয়ে কাঁচা মাংস বেরিয়ে পড়া বা শরীরের অনেকখানি অংশে ফোস্কা পরে তা গলে গিয়ে বীভৎস এক অবথার সৃষ্টি হওয়ার মতো পড়াকে তৃতীয় ডিগ্র্রী পোড়া বলে। 

      এই রকম রোগীকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। সেখানে নিয়ে যাবার আগে পর্যন্ত পোড়া জায়গাটা সাবান আর ঠান্ডা করা ফোটানো জল দিয়ে আলতো করে ধুয়ে বাতাসে রাখতে হবে। দেখতে হবে যেন ধুলো না পড়ে বা মাছি না বসে। থার্ড ডিগ্রী বা তারও বেশি পোড়া রোগীকে ঘন ঘন নুন চিনির শরবত খাওয়াতে হবে যতক্ষণ না পস্রাব হয়। 

       পোড়া জায়গা গুলো শুক্রবার সময় অনেকক্ষেত্রে পরস্পর জুড়ে যায়। তা যাতে কম হয় বা না হয়, তার জন্য সেসব জায়গাগুলোর মাঝে ভেসলিন দেওয়া গজের প্যাড লাগিয়ে রাখতে হবে। ঘা শুকোবার সময় হাত, পা, আঙুল সোজা করে রাখতে হবে। অন্যথায় জুড়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে সেই অঙ্গ ভালোভাবে ব্যবহার করা যাবে না। 

অ্যাসিড বা রাসায়নিক দ্রব্যে পোড়াতে প্রথমে জল ঢেলে ঢেলে রাসায়নিক দ্রব্য সম্পূর্ণ ধুয়ে ফেলতে হবে। ওই দ্রব্যে পুড়ে চামড়া ছেড়ে গেলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে।  



Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ুর মধ্যে পার্থক্য

  স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ুর মধ্যে পার্থক্য Sl. No. স্থলবায়ু সমুদ্রবায়ু 1 স্থলবায়ু মূলত শীতল ও শুষ্ক প্রকৃতির হয়। সমুদ্রবায়ু মূলত উষ্ণ ও আর্দ্র প্রকৃতির হয়। 2 স্থলবায়ু প্রধানত রাত্রিবেলায় প্রবাহিত হয়। সমুদ্রবায়ু প্রধানত দিনেরবেলায় প্রবাহিত হয়। 3 সূর্যাস্তের পরবর্তী সময়ে এই বায়ুর প্রবাহ শুরু হয় ও রাত্রির শেষদিকে বায়ুপ্রবাহের বেগ বৃদ্ধি পায়। সূর্যোদয়ের পরবর্তী সময়ে এই বায়ুরপ্রবাহ শুরু হয় ও অপরাহ্নে বায়ুপ্রবাহে বেগ বৃদ্ধি পায়। 4 স্থলবায়ু উচ্চচাযুক্ত স্থলভাগ থেকে নিম্নচাপযুক্ত জলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। এই কারণে স্থলবায়ুকে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর সঙ্গে তুলনা করা হয়। সমুদ্রবায়ু উচ্চচাপযুক্ত সমুদ্র থেকে নিম্নচাপযুক্ত স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। এই কারণে সমুদ্রবায়ুকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর সঙ্গে তুলনা করা হয়। 5 স্থলভাগের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হবার দরুন বেগ তুলনামূলক কম হয়ে থাকে। উন্মুক্ত সমুদ্রের ওপর দিয়ে দীর্ঘপথ প্রবাহিত হ...

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

জাতীয়তাবাদের বিকাশে বঙ্কিমচন্দ্রের অবদান কী ?

          বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮–৯৪ খ্রি.) ছিলেন ঊনবিংশ শতকের অগ্রণী ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার। বঙ্কিমচন্দ্রের অধিকাংশ উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল স্বদেশ ও দেশপ্রেম। বঙ্কিমচন্দ্রের সৃষ্টি ভারতীয় জাতীয়তাবোধের বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিল। তাঁর ‘বন্দেমাতরম্’–মন্ত্র ছিল বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র। অরবিন্দ ঘোষ তাই বঙ্কিমকে ‘জাতীয়তাবোধের ঋত্বিক’ বলেছেন।