Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

আগুনে পুড়ে গেলে কি কি করা দরকার ?

 

আগুনে পুড়ে গেলে কি কি করা দরকার ?



         যে আগুনের আবিষ্কার বিজ্ঞান সহ মানুষের অগ্রগতির প্রথম সোপান। সেই আগুন একটু ভুলভাবে বা অসাবধানে ব্যবহৃত হলে ধ্বংসের ও প্রাণ সংহারের কারণ হয়ে ওঠে। তাই আমাদের সকলেরই উচিত আগুনকে খুব সাবধানে ব্যবহার করা।
  
   জামা-কাপড়, শাড়ীতে কোন কারণে হঠাৎ আগুন ধরে গেলে প্রথম কাজ হচ্ছে তা নিভানো। তার জন্য তাড়াতাড়ি কম্বল, লেপ, তোষক - হাতের কাছে যা পাওয়া যায় (নাইলন, পলিথিন ইত্যাদি বাদে) তাই দিয়ে রোগীকে জড়িয়ে ধরে শুইয়ে দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলতে হবে। আগুন লাগলে কোনো ক্রমে দৌড়াদৌড়ি করা চলবে না। তা করলে আগুন আরো বেড়ে যায়। আগুন জ্বলতে অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। কোনো কিছু দিয়ে চাপা দেওয়ার উদ্দেশ্য - অক্সিজেনের যোগান বন্ধ করে দিয়ে আগুন নিভতে বাধ্য করা। পাশাপাশি, আগুন নেভাতে ও আগুনের তাপ দূর করতে এবং রোগীর যন্ত্রনা কমাতে পোড়া জায়গায় জল ঢালতে হবে। 

    এরপর পোড়ার মাত্রা দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। 

প্রথম ডিগ্রী পোড়া :

      যে পরিমান পোড়ায় ফোস্কা হয় না, তার যন্ত্রনা কমাতে ঠান্ডা জলে পোড়ার জায়গা ডুবিয়ে দিতে হবে। অন্য চিকিৎসা না হলেও চলবে। বড়োজোর একটু বার্নল লাগিয়ে দিলেই হবে। 

দ্বিতীয় ডিগ্রী পোড়া :

      যে সব পোড়ায় ফোস্কা হয় তাকে সেকেন্ড ডিগ্রী পড়া বলে। ফোস্কা গোলানো চলবে না। পোড়ার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঠান্ডা জলে পোড়া জায়গাটি ডুবিয়ে রাখতে হবে। 

      ফোস্কা যদি গলে যায়, সাবান আর ঠান্ডা করা ফোটানো জল দিয়ে আলতো করে জায়গাটা ধুয়ে দিতে হবে। পোড়া জায়গায় পুঁজ বা দুর্গন্ধ হলে পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট জলে গুলি তাকে গরম করে তা দিয়ে দিনে ৩/৪ বার করে সেক দিতে হবে। জায়গাটা খোলা রাখতে হবে অথচ দেখতে হবে যাতে সেখানে ধুলো ময়লা কিছু না পরে এবং মাছি না বসে। এই ধরণের পোড়ায় ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া দরকার। 

তৃতীয় ডিগ্রী পোড়া :

     পুড়ে চামড়া নষ্ট হয়ে কাঁচা মাংস বেরিয়ে পড়া বা শরীরের অনেকখানি অংশে ফোস্কা পরে তা গলে গিয়ে বীভৎস এক অবথার সৃষ্টি হওয়ার মতো পড়াকে তৃতীয় ডিগ্র্রী পোড়া বলে। 

      এই রকম রোগীকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। সেখানে নিয়ে যাবার আগে পর্যন্ত পোড়া জায়গাটা সাবান আর ঠান্ডা করা ফোটানো জল দিয়ে আলতো করে ধুয়ে বাতাসে রাখতে হবে। দেখতে হবে যেন ধুলো না পড়ে বা মাছি না বসে। থার্ড ডিগ্রী বা তারও বেশি পোড়া রোগীকে ঘন ঘন নুন চিনির শরবত খাওয়াতে হবে যতক্ষণ না পস্রাব হয়। 

       পোড়া জায়গা গুলো শুক্রবার সময় অনেকক্ষেত্রে পরস্পর জুড়ে যায়। তা যাতে কম হয় বা না হয়, তার জন্য সেসব জায়গাগুলোর মাঝে ভেসলিন দেওয়া গজের প্যাড লাগিয়ে রাখতে হবে। ঘা শুকোবার সময় হাত, পা, আঙুল সোজা করে রাখতে হবে। অন্যথায় জুড়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে সেই অঙ্গ ভালোভাবে ব্যবহার করা যাবে না। 

অ্যাসিড বা রাসায়নিক দ্রব্যে পোড়াতে প্রথমে জল ঢেলে ঢেলে রাসায়নিক দ্রব্য সম্পূর্ণ ধুয়ে ফেলতে হবে। ওই দ্রব্যে পুড়ে চামড়া ছেড়ে গেলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে।  



Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।           ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির প্রামাণ্য দলিল। কিন্তু প্রাচীন ভারতে হেরোডোটাস বা থুকিডিডিসের মতো কোনো প্রথাগত ঐতিহাসিক ছিলেন না। এ কারণেই একসময় আল-বিরুনি মন্তব্য করেছিলেন যে, "ভারতীয়দের কোনো ইতিহাস চেতনা নেই।" কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ সত্য নয়। প্রাচীন ভারতের মুনি-ঋষি এবং কবিরা সরাসরি ইতিহাস না লিখলেও, তাঁদের রচিত বিপুল সাহিত্যরাশির মধ্যে ছড়িয়ে আছে ইতিহাসের মহামূল্যবান উপাদান। এই উপাদানগুলিকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে বিশ্লেষণ করলেই প্রাচীন ভারতের লুপ্ত ইতিহাস পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[MCQ]রাজনীতির বিবর্তন - শাসনতান্ত্রিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা।।সেট ৬

রাজনীতির বিবর্তন - শাসনতান্ত্রিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা ⮞ ⮞ ⮞ ⮞ প্রশ্ন:১ রামায়ণে কয়টি জনপদের উল্লেখ আছে ? (a) ১৬ টি (b) ১৮ টি (c) ২৫ টি (d) ২৭ টি

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন - সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ( Evolution of Indian Civilization - Short Questions and Answers )

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন - সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ( Evolution of Indian Civilization - Short Questions and Answers ) ১। প্রস্তরযুগ বলতে কী বোঝো? প্রস্তরযুগকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী?          যে যুগে মানুষ পাথরের হাতিয়ার ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করত, সেই যুগকে প্রস্তরযুগ বলা হয়।  প্রস্তরযুগকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়, যথা-  (১) প্রাচীন প্রস্তরযুগ,  (২) মধ্য প্রস্তরযুগ,  (৩) নব্য প্রস্তরযুগ। ২। প্রাচীন প্রস্তরযুগ, মধ্য প্রস্তরযুগ ও নব্য প্রস্তরযুগের একটা করে বৈশিষ্ট্য দাও। প্রাচীন প্রস্তরযুগ:   প্রাচীন প্রস্তরযুগে মানুষ ছিল খাদ্য-সংগ্রাহক। বলা যেতে পারে-Age of Food-gathering Man. মধ্য প্রস্তরযুগ:   মধ্য প্রস্তরযুগে মানুষ খাদ্য-উৎপাদকে পরিণত হয়। এসময়কে বলা হয়-Age of Food-producing Man. নব্য প্রস্তরযুগ:   এসময় মানুষ নগর সভ্যতার সাথে পরিচিত হয়। ধাতুর যুগ শুরু হয়। ঐতিহাসিক গর্ডন চাইল্ড এসময়কে বলেছেন-Age of Urban Culture.

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...