ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন - এক নম্বরের প্রশ্নোত্তর ১। ভারতবর্ষের প্রাচীনতম নগর সভ্যতার নাম লেখো। উঃ। ভারতবর্ষের প্রাচীনতম সভ্যতা হল সিন্ধুসভ্যতা। ২। সিন্ধুসভ্যতা কে, কবে আবিষ্কার করেন? উঃ। ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও দয়ারাম সাহানি সিন্ধুসভ্যতা আবিষ্কার করেন। এসময় ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধিকর্তা ছিলেন স্যার জন মার্শাল। ৩। 'মহেন-জো-দারো' কথার অর্থ কী? উঃ। মহেন-জো-দারো কথার অর্থ-‘মৃতের স্তূপ’। ৪। সিন্ধুসভ্যতা কোন্ যুগের সভ্যতা? উঃ। সিন্ধুসভ্যতা 'তাম্র-প্রস্তর যুগ’ (Chalcolithic Age)-এর সভ্যতা। ৫। হরপ্পা কোথায় অবস্থিত? উঃ। পাঞ্জাবের মন্টগোমারি-তে হরপ্পা অবস্থিত।
হেপাটাইটিস ভাইরাস
এই রোগে আক্রান্ত হলে কি কি সমস্যা হয় ?
হেপাটাইটিসে আক্রান্ত হলে আহারে অরুচি , বমির ভাব বা বমি , দুর্বলতা , জ্বর , মাথাব্যথা প্রভৃতি হয় । ১/২ সপ্তাহের মধ্যে চোখের কোলে ও গায়ের রঙে হলদে ভাব হয় । প্রস্রাবও হলদে - হলদে হতে পারে । এই হলদে হওয়াকে বলে জনডিস । আসলে জনডিস কোন রােগ নয় , কয়েকটি রােগের লক্ষণ মাত্র । রক্তে বিলিরুবিনের পরিমাণ বেশী হলে ' জনডিস দেখা যায় । কিছু ভাইরাল হেপাটাইটিসে জনডিস নাও হতে পারে । হেপাটাইটিস হলে পেটের ডানদিকে ( লিভারে ) ব্যাথা হয় ।
যে সব কারণে মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে ?
ভাইরাস- A এবং- B ছাড়াও ভাইরাস- C , D , E এবং F ভাইরাসও ভাইরাল হেপাটাইটিস ঘটাতে পারে । A এবং E ভাইরাস জল ও খাদ্যের মাধ্যমে শরীরে ঢােকে । B, C, D ভাইরাস রক্তের মাধ্যমে শরীরে আসে । ইঞ্জেকশনের সূচ শােধন না করে অসুস্থ ও সুস্থ ব্যক্তিকে পর পর ইঞ্জেকশন দিলে সুস্থ ব্যক্তির হেপাটাইটিসে আক্রান্ত হবার প্রবল সম্ভবনা থাকে ।
এই রোগের প্রতিকার কি ?
এই অসুখে ওষুধ তেমন কাজ করে না । রােগীকে শর্করা , সবজি , ডাল , ছােট মাছ , ডিম ও ফল জাতীয় পথ্য দিতে হবে । স্নেহ ও চর্বি জাতীয় খাদ্য নিয়ন্ত্রিত করতেই হবে । সর্বাগ্রে দরকার রােগীকে পূর্ণ বিশ্রাম । হেপাটাইটিস সন্দেহ হলে ডাক্তার দেখাতে হবে । হেপাটাইটিস B বেশ বিপজ্জনক । অন্যগুলি তেমন বিপজ্জনক নয় ।
Comments
Post a Comment