পরিবেশের জন্য ভাবনা (Concern About Our Environment) ১. বায়ুমণ্ডলের গঠন (Structure of the Atmosphere) উচ্চতা ও উষ্ণতার পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে বায়ুমণ্ডলকে প্রধানত ছয়টি স্তরে ভাগ করা হয়েছে:
তড়িতাহত হলে কি করবেন এবং কি করবেন না ?
অসাবধানতার কারণে ইলেকট্রিক ইস্ত্রি, হীটার, পাম্প, টিভি, টেপরেকর্ডার, লাইট, রেফ্রিজেরেটর প্রভৃতির বা সক্রিয় খোলা তারের সংস্পর্শে এসে তড়িতাহত হবার ঘটনা প্রায়শই শোনা যায়।
খোলা তারে ভূমির তুলনায় ৪০/৫০ ভোল্টেজ থাকলে কিছু হয় না। কিন্তু ভোল্টেজ বেশি হলে শক লেগে ক্ষতি হয়। ভোল্টেজ যত বেশি হবে ক্ষতির পরিমাণও তত বেশি হবে। ভোল্টেজ বেশি হলে বেশি পরিমানে তড়িৎ শরীরের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়। তড়িৎ প্রবাহের মাত্রা বেশি হলে দেহের সেই অংশের টিসু দগ্ধ হয় এবং হার্টের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হলে হার্টের পেশির হঠাৎ সংকোচনের ফলে গুরুতর ক্ষতি হতে পারে।
হঠাৎ ইলেকট্রিক তারে কেউ আটকে গেলে মাথা ঠান্ডা রেখে প্রথমে বাড়ির মেন্ সুইচ অফ করতে হবে। কাঠের টুল বা পিঁড়ির উপর দাঁড়িয়ে, অন্তত রবারের চটি পরে তা করতে হবে। সুইচ দূরে বা উঁচুতে থাকলে তাড়াতাড়ি একটা শুকনো বাঁশ বা কাঠ বা লাঠি দিয়ে তড়িৎপৃষ্ঠ লোককে ইলেকট্রিক তারের সংস্পর্শ থেকে ছাড়াতে হবে। লোহার দণ্ড বা ভেজা কাঠ বা পরিবাহী কোন পদার্থ ব্যবহার করা চলবে না। ছুটে গিয়ে তাকে টেনে ছাড়াবার চেষ্টা করলে নিজেও ওই তারে আটকে গিয়ে একসঙ্গে মৃত্যুবরণ করতে হবে।
তড়িতাহত হয়ে অজ্ঞান হয়ে থাকলে তাকে ছাড়ানোর পর চিৎ করে শুইয়ে বসে বাঁ হাতটা বুকের উপর উপুড় করে রেখে ডান হাত দিয়ে বাঁ হাতের উপর জোরে চাপ দিতে ও হাল্কা করতে হবে। মিনিটে এরকম ৬০ থেকে ৭০ বার করা দরকার। হার্ট চালু হলেই তার মুখে মুখ দিয়ে হওয়া করে কৃত্রিম ভাবে তার শ্বাসকার্য চালু করতে হবে। তারপর তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে। সম্ভব হলে আগেই অন্য কাওকে দিয়ে ডাক্তার ডাকতে হবে।
বজ্রাহত হওয়ার ক্ষেত্রেও হার্ট চালু করার প্রয়োজনে উপরিউক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
ইলেকট্রিক শক সাবধানতার মাধ্যমে এড়ানো যায়। সুইচ যেন ভাঙা বা খোলা না থাকে , সেদিকে নজর রাখতে হবে। ভেজা হাতে সুইচ এ হাত দেওয়া চলবে না। কোথাও খোলা ইলেকট্রিক তার রাখা চলবে না। রাস্তায় ঝড়ে বা অন্য কারণে ইলেকট্রিক তার ছিড়ে পরে থাকলে তাকে এড়িয়ে চলে অবিলম্বে অন্যদের সতর্ক করে দিতে এবং ইলেকট্রিক অফিসে খবর দিতে হবে।

Comments
Post a Comment