ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে— উত্তরঃ সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন? উত্তরঃ ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন? উত্তরঃ নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন? উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন? উত্তরঃ অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন— উত্তরঃ লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি? উত্তরঃ চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...
উডের ডেসপ্যাচ
ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের লক্ষ্যে ইংল্যান্ডের বোর্ড অব কন্ট্রোলের সভাপতি স্যার চার্লস উডের নেতৃত্বে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট একটি শিক্ষা কমিটি গঠন করে। এই কমিটি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার জন্য যে সুপারিশ পেশ করেন (১৮৫৪ খ্রি., ১৯ জুলাই ) তা উডের ডেসপ্যাচ বা উডের প্রতিবেদন নামে পরিচিত।
প্রতিবেদনের সুপারিশ—
ভারতের আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসারের জন্য চার্লস উডের যে সুপারিশগুলি ছিল সেগুলির মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হল—
(১) প্রত্যেক প্রেসিডেন্সি শহরে একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন।
(২) কলকাতা, মুম্বাই ও মাদ্রাজে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।
(৩) নিম্নতম শ্রেণি থেকে উচ্চতর শ্রেণি পর্যন্ত যথাযথ সমন্বয় মূলক শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তন।
(৪) উচ্চতর বিদ্যালয়গুলিতে মাতৃভাষায় শিক্ষার পাশাপাশি ইংরাজি শিক্ষারও প্রয়োজন রয়েছে।
(৫) সরকারি শিক্ষা বিভাগ স্থাপন ও বিদ্যালয়গুলিতে আরও বেশি পরিমাণে সরকারি সাহায্যদান প্রয়োজন।
(৬) মেধাবী ছাত্রদের জন্য স্কলারশিপ প্রদানের ব্যবস্থা।
(৭) স্কুলগুলিকে ঠিকমতো পরিচালনা করার জন্য একটি আলাদা শিক্ষাদপ্তর গড়ে তোলা প্রয়োজন। শিক্ষকদের সঠিকভাবে শিক্ষিত করার জন্য শিক্ষক–শিক্ষণ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন।
(৮) প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের উপযুক্ত ব্যবস্থা প্রবর্তন।
(৯) আরও বেশি সংখ্যক প্রাথমিক ও ইংরেজি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা দরকার।
(১০) সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষা, গণশিক্ষা, ও নারী শিক্ষা প্রদান নীতির প্রবর্তন প্রভৃতি।
চার্লস উডের এইসব সুপারিশের ওপর ভিত্তি করেই আধুনিক ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল। এই সুপারিশ অনুসারে ১৮৫৫ খ্রিস্টাব্দে সরকারি শিক্ষা দপ্তর খোলা হয়। ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা, মুম্বাই, মাদ্রাজে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পরে লাহোর, এলাহাবাদেও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হয়। সর্বমোট ১৪০ টি মধ্য ইংরেজি বিদ্যালয় এবং ৭৯ টি উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়কে সরকারি অনুদান দেওয়া হয়।
🔗🔗🔗
Read More ::

Comments
Post a Comment