দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে? Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q. বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত? Α. ৭৮.০৯%. Q. বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত? Α. ২০.৯৫%. Q. বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত? Α. ০.৯৩%. Q. বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত? Α. ০.০৩%. Q. বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়? Α. ছয়টি. Q. ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত? Α. প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q. উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়? Α. বায়ুর চাপ কমে যায়. Q. ট্রপোপজ কাকে বলে? Α. ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত? Α. ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...
মানবসেবার আদর্শ সম্পর্কে স্বামী বিবেকানন্দের চিন্তাধারা
প্রাচীনকাল থেকেই সনাতন ভারতবর্ষে গৌতমবুদ্ধ, শঙ্করাচার্য, শ্রীচৈতন্যদেব, শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস–সহ যেসব চিরপ্রণম্য মহাপুরুষ মানবসেবার আদর্শ প্রচার করেছিলেন, তাঁদেরই সার্থক উত্তরপুরুষ ছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। বিবেকানন্দই প্রথম বলেন, “জীবে প্রেম করে যেই জন সেই জন সেবিছে ঈশ্বর”।
বিবেকানন্দের মানবসেবার আদর্শ
(১) বাণী ও আদর্শ—
শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণদেবের মানবসেবার আদর্শে দীক্ষিত স্বামী বিবেকানন্দ স্বপ্ন দেখতেন এমন এক ভারতের যেখানে থাকবে না কোনো উচ্চনীচ, ধনীনির্ধন, জাতপাতের ভেদাভেদ। তিনি বলেছেন, “নীচ জাতি, মূর্খ, দরিদ্র, অজ্ঞ, মুচি, মেথর তোমার রক্ত, তোমার ভাই“। স্বামীজির বিশ্বাস ছিল যে স্বদেশ ও সমাজকে সেবা করলেই দরিদ্রনারায়ণকেও সেবা করা হয়। স্বদেশ বলতে বিবেকানন্দ বুঝতেন মাটি নয়, মানুষকেই। হিমালয় থেকে কন্যাকুমারিকা পর্যন্ত পরিভ্রমণকালে তিনি ক্ষুধার্ত মানুষের মধ্যেই ঈশ্বরের সন্ধান পেয়েছিলেন। মানুষের প্রতি অবহেলাকে তিনি জাতীয় পাপ বলেই মনে করতেন। শূদ্র জাগরণের লক্ষ্যে তিনি বলেছিলেন, “এইসব নীচজাতিদের ভেতর বিদ্যাদান, জ্ঞানদান করে এদের ঘুম ভাঙাতে যত্নশীল হও”।
(২) রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা—
স্বামীজী তাঁর মানবসেবার আদর্শকে বাস্তবায়িত করার জন্য (১৮৯৭ খ্রি., ১ মে) প্রতিষ্ঠা করেন রামকৃষ্ণ মিশন। তাঁর মানবসেবার আদর্শ মেনেই রামকৃষ্ণ মিশন নির্যাতিত, অবহেলিত, শোষিত, অসহায়, আর্ত মানুষের সেবায় নিয়োজিত রয়েছে। রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে স্বামীজি চেয়েছিলেন প্রকৃত মানুষ তৈরি করতে। এ প্রসঙ্গে স্বামীজি বলেছিলেন, “আমি এমন এক মন্ত্র প্রচার করতে চাই, যাতে মানুষ তৈরি হয়”। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন প্রতিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে স্বামীজি জাতিধর্মবর্ণনির্বিশেষে ঈশ্বরজ্ঞানে মানবসেবার আদর্শ স্থাপন করে গেছেন।
🔗🔗🔗
Read More ::

Comments
Post a Comment