Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

সমাজসংস্কারক বিদ্যাসাগরের অবদান আলোচনা করো।

সমাজসংস্কারক বিদ্যাসাগরের অবদান

              ঊনবিংশ শতকের আর–একজন অসাধারণ পণ্ডিত ও সংস্কারক ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০–৯১ খ্রি.)। মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে তাঁর জন্ম হয়। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সমাজসংস্কারক বিদ্যাসাগরের প্রতি সম্মান জানিয়ে লিখেছেন—“ বিধাতা বিদ্যাসাগরের প্রতি বঙ্গভূমিকে মানুষ করিবার ভার দিয়াছিলেন”। এবং প্রখ্যাত কবি মাইকেল মধুসূদন লিখেছেন, বিদ্যাসাগরের মধ্যে ছিল সন্ন্যাসীর প্রজ্ঞা, ইংরেজের উদ্যম এবং বাঙ্গালী–মায়ের কোমল হৃদয়।


বিধবাবিবাহ আইন—

(i) প্রচার—নারীমুক্তি আন্দোলনের কাজে বিদ্যাসাগর ছিলেন রামমোহনের যোগ্য উত্তরসাধক। হিন্দুবিধবাদের দুঃখদুর্দশা তাঁর হৃদয়কে বিচলিত করে। বিধবাদের মুক্তির জন্য তিনি আমরণ সংগ্রাম চালিয়ে যান। বিভিন্ন শাস্ত্র বিশ্লেষণ করে তিনি প্রমাণ করেন যে, হিন্দুধর্মে বিধবাবিবাহ শাস্ত্রসম্মত। ‘পরাশর সংহিতা’র একটি শ্লোক উদ্ধৃত করে তিনি বলেন যে, “স্বামী নিরুদ্দেশ হলে, মারা গেলে, ক্লীব প্রমাণিত হলে, সংসারধর্ম ত্যাগ করলে কিংবা পতিত হলে তাঁর স্ত্রী পুনর্বিবাহ করার অধিকারী”।

(ii) আইন পাস—তাঁর এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে রক্ষণশীল সমাজপতিরা নানাভাবে বিদ্যাসাগরকে লাঞ্ছিত করেন। কিন্তু জীবন বিপন্ন করেও তিনি এই আন্দোলন চালিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জুলাই XV রেগুলেশন দ্বারা বিধবাবিবাহ আইনসিদ্ধ বলে ঘোষিত হয়। তাঁর উদ্যোগে ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে পরবর্তী দশ বছরের মধ্যে ৬০ টি বিধবাবিবাহ অনুষ্ঠিত হয়।

বাল্যবিবাহের বিরোধিতা—

বিদ্যাসাগর বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে শাস্ত্র ব্যাখ্যা করে প্রমাণ করেন যে, হিন্দুধর্ম বা হিন্দুশাস্ত্রে বাল্যবিবাহের কোনো বিধান নেই। 'সর্বশুভকরী’ পত্রিকার প্রথম সংখ্যায় (১৮৫০ খ্রি.) তিনি ‘বাল্যবিবাহের দোষ’ নামক একটি প্রবন্ধ লেখেন। এই লেখায় তিনি হিন্দু বাল্যবিধবাদের অসহায়তা, দুঃসহ যন্ত্রণা, দগ্ধ জীবনের মর্মব্যথা তুলে ধরেন। এ ছাড়া তিনি বাল্যবিবাহের বিষয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখালেখি করেন এবং সভাসমিতিতে নিজের বক্তব্য পেশ করেন। তাঁরই অক্লান্ত প্রচেষ্টায় ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে সরকার একটি আইন পাস করে মেয়েদের বিবাহের বয়স কমপক্ষে ১০ বছর করে।

(i) বহুবিবাহের বিরোধিতা—সে সময়ে হিন্দু সমাজের বুকে বহুবিবাহ প্রথা জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছিল। বিদ্যাসাগর আগাগোড়া বহুবিবাহের বিরোধিতা করে গেছেন। বিদ্যাসাগর বহুবিবাহ প্রথার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বর্ধমানের মহারাজা (মহতাব চাঁদ)-র সহায়তায় ৫০ হাজার মানুষের স্বাক্ষর–সংবলিত এক প্রতিবাদপত্র ব্রিটিশ সরকারের কাছে পাঠান (১৮৫৫ খ্রি.)। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ ব্যাপারে সরকারি তরফে সেসময়ে কোনো সাড়া মেলেনি। কিন্তু বিদ্যাসাগর থেমে থাকেননি। তিনি বহুবিবাহের বিরোধিতা করে আরও দুটি পুস্তক রচনা করেন (১৮৭১ খ্রি.)।

(ii) কুলীন প্রথার বিরোধিতা—সে সময় কুলীন ব্রাহ্মণরা অজস্র বিবাহ করতেন, এমনকি বৃদ্ধ বয়সে মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও বহু কুলীন ব্রাহ্মণ কন্যাদায়গ্রস্থ পিতাদের কন্যাদায় থেকে মুক্তি দেওয়ার অছিলায় তাঁদের নাতনির বয়সি মেয়েদের বিবাহ করতে । এই ভণ্ডামি বন্ধ করার জন্য বিদ্যাসাগর কুলীন প্রথার বিরুদ্ধে সরব হন।

অন্যান্য সমাজসংস্কার—

বিদ্যাসাগরের অন্যান্য সমাজসংস্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল—
(i) তিনি মদ্যপানের বিরুদ্ধেও সরব হন।
(ii) এ ছাড়া ‘সহবাস সম্মতি’ আইনের জন্যও তাঁর অবদান ছিল।
(iii) গঙ্গাসাগরে সন্তান বিসর্জন প্রথা ও কুষ্ঠরোগী হত্যার বিরুদ্ধেও তিনি সরব হন।
(iv) জাতিভেদ, অস্পৃশ্যতা প্রথার তিনি তীব্র নিন্দা করেন এবং এর বিরুদ্ধে তিনি সকলকে সরব হওয়ার আবেদন জানান।


                     স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, রামকৃষ্ণদেবের পর আমি বিদ্যাসাগরকে অনুসরণ করি। বিদ্যাসাগরের চরিত্র ছিল কুসুমের মতো কোমল, আবার বজ্রের মতোই কঠোর। ন্যায় ও সত্যের প্রতি তিনি যতটা অনুগত ছিলেন, ঠিক ততটাই প্রতিবাদী ছিলেন অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে। তাই গবেষক বিনয় ঘোষ লিখেছেন, “রামমোহনের মত আদর্শবাদী (Idealist) বা কৃষ্ণমোহনের মত চরমপন্থী (extremist) কোনটাই বিদ্যাসাগর ছিলেন না। সমকালীন সমাজে তিনি ছিলেন সত্যকার বাস্তববাদী (realist)। আদর্শবাদের সাথে বাস্তববাদের যে সমন্বয় তাঁর চরিত্রে ঘটেছিল, তেমনি আর কারো চরিত্রে ঘটেনি।”




🔗🔗🔗

Read More ::


























Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

হেটেরোস্ফিয়ার

হেটেরোস্ফিয়ার                      ‘হেটেরো’ শব্দের অর্থ ‘ বিষমবৈশিষ্ট্যপূর্ণ। বায়ুমণ্ডলের হোমোস্ফিয়ার স্তরের ওপরের অংশে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত এবং বায়ুমণ্ডলের স্তরগুলো একই রকম থাকে না বলে ভূপৃষ্ঠের ওপরে ৯০ কিলোমিটার থেকে ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে হেটেরোস্ফিয়ার বা বিষমমণ্ডল বলা হয়।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য

  নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য Sl. No. নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকা 1 মেরু প্রদেশের বরফাবৃত অঞ্চল এবং উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কেবলমাত্র বরফে ঢাকা উঁচু পার্বত্য অঞ্চল এবং হিমশীতল মেরু অঞ্চলেই হিমবাহ উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। 2 পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকা প্রধানত ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো হয়। হিমবাহ উপত্যকা ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়। 3 পার্বত্য ও উচ্চ সমভূমি অঞ্চলে নদী স্রোতের গতিবেগ প্রবল হয়, নিম্নভূমিতে নদী স্রোতের গতি ধীরে ধীরে কমে আসে। বেশিরভাগ সময়েই হিমবাহ অত্যন্ত ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। 4 নদী উপত্যকা আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়। হিমবাহ উপত্যকা সোজা পথে অগ্রসর হয়। 5 সাধারণত নদী উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য বেশি হয়। হিমবাহ উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য কম হয়। 6 নদীর সঞ্চয় কাজের ফলে নদী উপত্যকায় প্লাবনভূমি, স্বাভাবিক বাঁধ, বদ্বীপ প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। ...

গিরিখাত এবং ক্যানিয়নের মধ্যে পার্থক্য

  গিরিখাত এবং ক্যানিয়নের মধ্যে পার্থক্য Sl. No. গিরিখাত ক্যানিয়ন 1 গিরিখাত আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্টি হয় বলে বহু উপনদী গিরিখাতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদীর সঙ্গে মিলিত হয়। ফলে নদীখাত সামান্য প্রশস্ত হয়। ক্যানিয়ন শুষ্ক পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্টি হয় বলে ক্যানিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদীর সঙ্গে কোনো উপনদী মিলিত হয় না। ফলে নদীখাত একদম সংকীর্ণ হয়। 2 আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত নদীতে গিরিখাতের সৃষ্টি হয়। শুষ্ক মরু ও মরুপ্রায় উচ্চভূমিতে প্রবাহিত নদীতে ক্যানিয়নের সৃষ্টি হয়। 3 গিরিখাত গঠনের সময় অধিক নিম্নক্ষয়ের সঙ্গে সঙ্গে সামান্য পার্শ্বক্ষয়ও হয়ে থাকে। ক্যানিয়ন গঠনের সময় পার্শ্বক্ষয় একদম হয় না শুধু নদীর নিম্নক্ষয়ই হয়ে থাকে। 4 গিরিখাতের আকৃতি অনেকটা ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো। ক্যানিয়নের আকৃতি অনেকটা ইংরেজি ‘I’ অক্ষরের মতো। 5 যেহেতু আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলে গিরিখাত সৃষ্টি হয়, সেহেতু বৃষ্টিপাতের জন্য নদীর দুই পাড়ের ক্ষয় সামা...

বার্খান

বার্খান             বায়ুর সঞ্চয়কাজের ফলে যেসব ভূমিরূপ গড়ে ওঠে তাদের মধ্যে বালিয়াড়ি বিশেষ উল্লেখযোগ্য।বালিয়াড়ির অন্যতম একটি বিশেষ শ্রেণি হল বাৰ্খান বা তির্যক বালিয়াড়ি। ‘বাৰ্খান’একটি তুর্কি শব্দ, এর অর্থ হল ‘কিরঘিজ স্টেপস্’ অঞ্চলের বালিয়াড়ি। উষ্ণ মরুভূমি অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহের পথে আড়াআড়িভাবে গঠিত বালির স্তূপ বা বালিয়াড়িকে বাৰ্খান বলা হয়।

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু                     পর্বত্য অঞ্চল থেকে সমভূমিতে প্রবেশ করলে নদীর গতিপথের ঢাল হ্রাস পায়। ফলে নদীর ক্ষমতাও কমে যায়। উচ্চপ্রবাহের ক্ষয়িত পদার্থসমূহ (শিলাখণ্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি) সমভূমিতে প্রবেশের মুখে পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে শঙ্কু আকৃতির ভূমিরূপ গঠন করে। একে পলিশঙ্কু বলে। দেখতে হাত পাখার মতো হয় বলে একে পলল পাখা বা পলল ব্যজনীও বলে। 

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

মহীখাত

মহীখাত        জে.হল, জে.ডি.ডানা ও কোবার প্রথম মহীখাত বা Geosyncline ধারণার অবতারণা করেন। তাঁদের মতে, পৃথিবীর আদি ভূভাগ দ্বারা বেষ্টিত ভূপৃষ্ঠের সংকীর্ণ, অবনমিত ও অগভীর সমুদ্রখাত হল মহীখাত। অর্থাৎ, ভূতাত্ত্বিকদের মতে, এখন যেসব জায়গায় ভঙ্গিল পর্বতগুলো অবস্থান করছে, অতি প্রাচীনকালে সেখানে ছিল বিস্তীর্ণ অবনত অঞ্চল— ভূতাত্ত্বিকগণের ভাষায় যার নাম মহীখাত বা অগভীর সমুদ্র।

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

অবঘর্ষ

অবঘর্ষ            অবঘর্ষ হল এমন একটি ক্ষয়সাধনকারী প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ প্রভৃতি ক্ষয়কার্য করে থাকে।  (i) নদী দ্বারা সংঘটিত অবঘর্ষ—  এই প্রক্রিয়ায় উচ্চগতিতে নদীবাহিত প্রস্তরখণ্ডের সঙ্গে নদীখাতের ঘর্ষণের ফলে নদীখাত ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং নদীখাতে ছোটোছোটো গর্তের (মন্থকূপ) সৃষ্টি হয়। নদীখাতের এইরূপ ক্ষয়কে অবঘর্ষ বলে।