দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে? Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q. বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত? Α. ৭৮.০৯%. Q. বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত? Α. ২০.৯৫%. Q. বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত? Α. ০.৯৩%. Q. বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত? Α. ০.০৩%. Q. বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়? Α. ছয়টি. Q. ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত? Α. প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q. উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়? Α. বায়ুর চাপ কমে যায়. Q. ট্রপোপজ কাকে বলে? Α. ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত? Α. ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...
অস্ত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)
প্রবর্তন
ভারতে আগত ব্রিটিশ গভর্নর - জেনারেলদের মধ্যে অন্যতম নগ্ন সাম্রাজ্যবাদী ছিলেন লর্ড লিটন। ভারতবাসীর প্রতিবাদ করার ক্ষমতাকে হরণ করার লক্ষ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে অস্ত্র আইন (Arms Act, 1878) জারি করেন।
উদ্দেশ্য
এই আইন প্রবর্তনের পেছনে লর্ড লিটনের যে উদ্দেশ্য ছিল তা হল—
(১) ইউরোপীয়দের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও সুরক্ষিত করা।
(২) ভবিষ্যতে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের মতো ঘটনা যাতে আর না ঘটে তার ব্যবস্থা করা।
আইনের নিয়মাবলি
এই আইনে বলা হয় যে—
(১) কোনো ভারতীয় বা অ–শ্বেতকায় ব্যক্তি সরকারের অনুমতি ছাড়া আগ্নেয়াস্তু নিয়ে চলাচল করতে কিংবা বাড়িতে আগ্নেয়াস্থ মজুত রাখতে পারবে না।
(২) অস্ত্র আইন শুধুমাত্র ভারতীয়দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তিরা এই আইনের আওতার বাইরে থাকবেন।
প্রতিবাদ
এই আইনের বিরুদ্ধে শিক্ষিত ভারতবাসী তীব্র প্রতিবাদ জানায়। সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ভারতসভা অস্ত্র আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ–সমাবেশের আয়োজন করে। কলকাতার টাউন হলে কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে এই প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মন্তব্য
লিটন এই বৈষম্যমূলক আইন জারি করে জাতিগত সংকীর্ণতারই পরিচয় দেন। এই আইন ভারতীয়দের মনে প্রবল ক্ষোভ ও ঘৃণার সঞ্চার করে।
🔗🔗🔗
Read More ::

Comments
Post a Comment