ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে— উত্তরঃ সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন? উত্তরঃ ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন? উত্তরঃ নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন? উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন? উত্তরঃ অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন— উত্তরঃ লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি? উত্তরঃ চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...
অস্ত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)
প্রবর্তন
ভারতে আগত ব্রিটিশ গভর্নর - জেনারেলদের মধ্যে অন্যতম নগ্ন সাম্রাজ্যবাদী ছিলেন লর্ড লিটন। ভারতবাসীর প্রতিবাদ করার ক্ষমতাকে হরণ করার লক্ষ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে অস্ত্র আইন (Arms Act, 1878) জারি করেন।
উদ্দেশ্য
এই আইন প্রবর্তনের পেছনে লর্ড লিটনের যে উদ্দেশ্য ছিল তা হল—
(১) ইউরোপীয়দের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও সুরক্ষিত করা।
(২) ভবিষ্যতে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের মতো ঘটনা যাতে আর না ঘটে তার ব্যবস্থা করা।
আইনের নিয়মাবলি
এই আইনে বলা হয় যে—
(১) কোনো ভারতীয় বা অ–শ্বেতকায় ব্যক্তি সরকারের অনুমতি ছাড়া আগ্নেয়াস্তু নিয়ে চলাচল করতে কিংবা বাড়িতে আগ্নেয়াস্থ মজুত রাখতে পারবে না।
(২) অস্ত্র আইন শুধুমাত্র ভারতীয়দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তিরা এই আইনের আওতার বাইরে থাকবেন।
প্রতিবাদ
এই আইনের বিরুদ্ধে শিক্ষিত ভারতবাসী তীব্র প্রতিবাদ জানায়। সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ভারতসভা অস্ত্র আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ–সমাবেশের আয়োজন করে। কলকাতার টাউন হলে কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে এই প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মন্তব্য
লিটন এই বৈষম্যমূলক আইন জারি করে জাতিগত সংকীর্ণতারই পরিচয় দেন। এই আইন ভারতীয়দের মনে প্রবল ক্ষোভ ও ঘৃণার সঞ্চার করে।
🔗🔗🔗
Read More ::

Comments
Post a Comment