ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে— উত্তরঃ সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন? উত্তরঃ ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন? উত্তরঃ নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন? উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন? উত্তরঃ অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন— উত্তরঃ লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি? উত্তরঃ চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...
থিয়োজফিক্যাল সোসাইটি
অর্থ
‘থিওস’ (ঈশ্বর) ও ‘সোফিয়া’ (জ্ঞান)—এই দুটি গ্রিক শব্দের মিলিত রূপ হল ‘থিওসফি’। সংস্কৃত ভাষায় এর অর্থ হল ব্রহ্মবিদ্যা। খ্রিস্টীয় তৃতীয় শতাব্দীতে গ্রিক দার্শনিক ইয়ামব্লিকাস সর্বপ্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন।
প্রতিষ্ঠা
সর্বপ্রথম আমেরিকার নিউইয়র্কে (১৮৭৫ খ্রি.) কর্নেল এইচ. এস.ওলকট ও মাদাম এইচ.পি.ব্লাভাটস্কি ‘থিয়োজফিক্যাল সোসাইটি’ গড়ে তোলেন। ঊনবিংশ শতকের ধর্ম ও সমাজসংস্কারের ক্ষেত্রে থিয়োজফিক্যাল সোসাইটির অবদান কম নয়। পরে তাঁরা মাদ্রাজের আদিয়ারে থিয়োজফিক্যাল সোসাইটির একটি শাখা প্রতিষ্ঠা করেন (১৮৮৬ খ্রি.)। শ্রীমতী অ্যানি বেসান্ত ১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দে এই সোসাইটিতে যোগ দিলে এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়।
উদ্দেশ্য
ভারতীয় ধর্ম ও দর্শনের প্রতি এঁদের গভীর আস্থা ছিল। এঁরা প্রাচীন হিন্দু, বৌদ্ধ ও পারসিক ধর্মের পুনরুজ্জীবন ঘটানোর চেষ্টা করেন। এই সোসাইটির উদ্দেশ্য ছিল—
(১) সমস্ত মানুষকে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করা;
(২) প্রাচীন ধর্ম, বিজ্ঞান ও দর্শনের চর্চা করা;
(৩) মানুষের মধ্যেকার আধ্যাত্মিক ক্ষমতার বিকাশ ঘটানো এবং
(৪) সতীদাহ, পণপ্রথা, জাতিভেদ প্রথা ইত্যাদির বিরোধিতা করা।
বিশ্বাস
থিয়োজফিস্টরা তিনটি সত্যে বিশ্বাস করতেন—
(১) আত্মা অমর ও শাশ্বত;
(২) মানুষের হৃদয়ে পরমাত্মার অধিষ্ঠান;
(৩) মানুষ নিজের ভাগ্য নিজেই গড়ে তোলে।
প্রভাব
শ্রীমতী বেসান্তের উদ্যোগে বারাণসীতে সেন্ট্রাল হিন্দু স্কুল স্থাপিত হয়। পরে পণ্ডিত মদনমোহন মালব্যের চেষ্টায় এটি বারাণসীর হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত হয়। পাশ্চাত্য থিয়োজফিস্টরা হিন্দুধর্ম ও ঐতিহ্যের শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করে তার পক্ষে প্রচার করলে ভারতীয়রা আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন।
🔗🔗🔗
Read More ::

Comments
Post a Comment