Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রা - Important for all government jobs in West Bengal

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রার তালিকা ১. এশিয়া (Asia) দেশ (Country) রাজধানী (Capital) মুদ্রা (Currency) আফগানিস্তান (Afghanistan) কাবুল (Kabul) আফগান আফগানি আর্মেনিয়া (Armenia) ইয়েরেভান (Yerevan) আর্মেনিয়ান ড্র্যাম আজারবাইজান (Azerbaijan) বাকু (Baku) আজারবাইজানি মানাত বাহরাইন (Bahrain) মানামা (Manama) বাহরাইনি দিনার বাংলাদেশ (Bangladesh) ঢাকা (Dhaka) টাকা ভুটান (Bhutan) থিম্পু (Thimphu) ভুটানিজ গূল্ট্রুম ব্রুনেই (Brunei) বন্দর সেরি বেগাওয়ান ব্রুনেই ডলার কম্বোডিয়া (Cambodia) নমপেন (Phnom Penh) কম্বোডিয়ান রিয়েল চীন (China) বেইজিং (Beijing) রেনমিনবি / ইউয়ান সাইপ্রাস (Cyprus) নিকোশিয়া (Nicosia) ইউরো জর্জিয়া (Georgia) তিবিলিসি (Tbilisi) লারি ...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

সমাজসংস্কাররূপে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান।।

সমাজসংস্কাররূপে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান

            হুগলি জেলার রাধানগর গ্রামে রাজা রামমোহন রায় ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে (মতান্তরে ১৭৭৪ খ্রি.) জন্মগ্রহণ করেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ভারত পথিক বলে সম্মান জানিয়েছেন। ভারতের ধর্ম ও সমাজ সংস্কারের কাজে তাঁর নিরলস সাধনার কারণে তাঁকে আধুনিক ভারতের জনক বলে অভিহিত করা হয়। ড. বিপানচন্দ্রের মতে—“উনিশ শতকের প্রথম লগ্নে ভারতীয় আকাশে রামমোহন রায় উজ্জ্বলতম নক্ষত্ররূপে ভাস্বর ছিলেন”।

(১) আত্মীয় সভা ও ব্রাহ্মসভা প্রতিষ্ঠা—

হিন্দুধর্মের কুসংস্কার ও সামাজিক অনাচার রামমোহনকে তীব্রভাবে নাড়া দেয়। প্রথমে ধর্মীয় সংস্কারের জন্য তিনি ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে ‘আত্মীয় সভা’ এবং ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে ‘ব্রাহ্মসভা’ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দে ব্রাহ্মসভা ব্রাহ্মসমাজে পরিণত হয়। এই ব্রাহ্মসমাজ সমাজসংস্কার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

(২) সতীদাহ প্রথার উচ্ছেদ—

তৎকালীন হিন্দুসমাজে প্রচলিত সর্বাধিক অমানবিক প্রথা ছিল সতীদাহ। স্বামীর মৃত্যু হলে তার জ্বলন্ত চিতায় বিধবা স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারা হত। এই প্রথার ফলে কত অসহায় রমণী যে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন সে সংখ্যা ইতিহাসে লেখা নেই। রামমোহন বিভিন্ন ধর্মশাস্ত্র ব্যাখ্যা করে প্রমাণ করেন যে, সতীদাহ প্রথা ধর্মবিরুদ্ধ। তিনি সতীদাহ প্রথার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করেন। তৎকালীন ব্রিটিশ গভর্নর–জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক রামমোহনের সমর্থনে এগিয়ে আসেন। শেষ পর্যন্ত হিন্দু–রক্ষণশীলদের দাবি অগ্রাহ্য করে ব্রিটিশ সরকার ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে সতীদাহ নিবারণ আইন জারি করে।

(৩) জাতিভেদ প্রথার বিরোধিতা—

রামমোহন জাতিভেদ প্রথার তীব্র বিরোধী ছিলেন। তিনি এই প্রথার অবসান ঘটানোর জন্য ঐকান্তিক চেষ্টা চালান। এ ব্যাপারে তিনি ‘বজ্রসূচী’ গ্রন্থটির বঙ্গানুবাদ করেন। জাতিভেদ প্রথার বিষময় ফল সমাজের কতটা ক্ষতি করছে সে ব্যাপারে মানুষকে সচেতন করার লক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন প্রবন্ধ রচনা করেন। তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন এমন এক সমাজের যেখানে জাতপাতের উঁচুনীচু ভেদাভেদ থাকবে না। 

(৪) নারীজাতির উন্নতির চেষ্টা—

রামমোহন মনে করতেন, পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের প্রাপ্য অধিকার ফিরিয়ে না দিলে সমাজ ও সভ্যতার অগ্রগতি পিছিয়ে যাবে। তাই তিনি নারীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করতে চেয়েছিলেন। নারীজাতির সমস্যা সমাধানে তিনি যে ছয়টি অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন সেগুলি হল—

(i) স্বামী বা পিতার সম্পত্তিতে স্ত্রী ও কন্যার অধিকার প্রতিষ্ঠা।

(ii) স্ত্রীশিক্ষার সুষ্ঠু ও সার্বিক প্রসার ঘটানো।

(iii) বিধবাদের পুনর্বিবাহের ব্যবস্থা করা।

(iv) মেয়েদের বিবাহের ব্যাপারে আইন সংশোধন করা।

(v) বাল্যবিবাহ বন্ধ করা।

(vi) কুলীন প্রথার হাত থেকে বালিকাদের রক্ষা করা। 



অন্যান্য সংস্কার—

(i) সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণের জন্য আইন প্রণয়নের চেষ্টা করলে (১৮২৩ খ্রি.) রামমোহন কলকাতা সুপ্রিমকোর্ট ও ইংল্যান্ডের রাজার কাছে একটি প্রতিবেদন পেশ করেন।

(ii) তিনি পুরুষের বহুবিবাহের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলেছেন।

(iii) বৈষম্যমূলক জুরি আইনের বিরুদ্ধেও তিনি প্রতিবাদ জানান (১৮২৭ খ্রি.)।

(iv) জমিদারের শোষণ থেকে কৃষকদের রক্ষা করার উদ্দেশ্যে তিনি জমিদারিপ্রথা তুলে দিয়ে কৃষকদের সাথে সরাসরি বন্দোবস্তের দাবি করেন।

(v) সরকারি উচ্চপদে ভারতীয়দের নিয়োগ না করার জন্য তিনি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। 


সাম্প্রতিক গবেষকরা রামমোহনের কিছু কিছু কাজের বিরূপ সমালোচনা করেছেন।

(i) তিনি নিজে ছিলেন জমিদার। তাই চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে সাধারণ রায়তদের দুঃখদুর্দশা বাড়লেও, রামমোহন নিশ্চুপ ছিলেন।

(ii) ইংরেজ–জাতির প্রতি তাঁর গভীর আস্থা ছিল। তাই ইংরেজের সাম্রাজ্যবাদী শোষণের বিরুদ্ধে তিনি ততটা সোচ্চার হননি।

ড. সুমিত সরকারের মতে, “রামমোহন মৌলিক সামাজিক পরিবর্তনের কথা ভাবেননি। তাঁর প্রভাব ছিল কেবল শিক্ষিত মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ। জাতিভেদ বা বহুবিবাহ প্রথার বিরুদ্ধে তিনি খুব বেশি সোচ্চার হননি”।

       ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ হিসাবে রামমোহনই প্রথম কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার কাজে ব্রতী হন। সমাজসংস্কারের ক্ষেত্রে রামমোহনের অবদানকে অস্বীকার করা যাবে না। তীব্র সামাজিক প্রতিকূল অবস্থায় তাঁকে লড়াই করতে হয়েছিল। রক্ষণশীল হিন্দু সমাজপতি ও স্বার্থান্বেষী ব্রিটিশ সরকার পরিবর্তনের তীব্র বিরোধী ছিল। দেশের অধিকাংশ মানুষ ছিল অশিক্ষিত ও সংস্কারগ্রস্ত। তবু রামমোহন সমাজ ও রাজনীতির ক্ষেত্রে যে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছিলেন সেজন্য তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। ঐতিহাসিক সালাউদ্দিন আহমদের মতে, “রামমোহন ছিলেন একজন সতর্ক সংস্কারক—উগ্র বিপ্লববাদী নন”।



🔗🔗🔗

Read More ::

























Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা             ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।            ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়।