Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 10

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে—   উত্তরঃ  সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন?    উত্তরঃ  ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন?    উত্তরঃ  নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন?    উত্তরঃ  রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন?    উত্তরঃ  অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন—   উত্তরঃ  লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি?    উত্তরঃ  চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।


          ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির প্রামাণ্য দলিল। কিন্তু প্রাচীন ভারতে হেরোডোটাস বা থুকিডিডিসের মতো কোনো প্রথাগত ঐতিহাসিক ছিলেন না। এ কারণেই একসময় আল-বিরুনি মন্তব্য করেছিলেন যে, "ভারতীয়দের কোনো ইতিহাস চেতনা নেই।" কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ সত্য নয়। প্রাচীন ভারতের মুনি-ঋষি এবং কবিরা সরাসরি ইতিহাস না লিখলেও, তাঁদের রচিত বিপুল সাহিত্যরাশির মধ্যে ছড়িয়ে আছে ইতিহাসের মহামূল্যবান উপাদান। এই উপাদানগুলিকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে বিশ্লেষণ করলেই প্রাচীন ভারতের লুপ্ত ইতিহাস পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

ঐতিহাসিক সাহিত্যের শ্রেণিবিন্যাস (Classification of Literary Sources)

ঐতিহাসিকভাবে তথ্য সরবরাহের উৎসের ওপর ভিত্তি করে সাহিত্যিক উপাদানকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:

(ক) দেশীয় সাহিত্য (Indigenous Literature): 

ভারতীয় লেখকদের রচিত ধর্মগ্রন্থ, জীবনী ও অন্যান্য সাহিত্য।

(খ) বৈদেশিক বিবরণী (Foreign Accounts): 

গ্রিক, রোমান, চীনা, তিব্বতীয় ও আরব পর্যটকদের বিবরণ।

প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান

          প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যই হলো প্রধান স্তম্ভ। আলোচনার সুবিধার্থে দেশীয় সাহিত্যকে প্রধানত চারটি ভাগে ভাগ করা যায়: 
(ক) ধর্মীয় সাহিত্য 
(খ) ধর্মনিরপেক্ষ বা লৌকিক সাহিত্য 
(গ) জীবনচরিত বা আধা-ঐতিহাসিক সাহিত্য 
(ঘ) আঞ্চলিক ইতিহাস ও রাজবংশাবলি

নিচে প্রতিটি ভাগের বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

(ক) ধর্মীয় সাহিত্য (Religious Literature)

প্রাচীন ভারতের মানুষের জীবন ছিল ধর্মকেন্দ্রিক। তাই ধর্মগ্রন্থগুলির পাতায় পাতায় জড়িয়ে আছে তৎকালীন সমাজ, রাজনীতি ও অর্থনীতির চিত্র।

১. বৈদিক সাহিত্য:

ঋগ্বেদ: 
এটি আর্যদের প্রাচীনতম গ্রন্থ। এখান থেকে আমরা 'দশরাাজার যুদ্ধ' (রাজনৈতিক), আর্যদের ভৌগোলিক বিস্তার (সপ্তসিন্ধু অঞ্চল), সভা ও সমিতির মতো গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের কথা জানতে পারি।

পরবর্তী বৈদিক সাহিত্য: 
সাম, যজু, অথর্ববেদ, ব্রাহ্মণ ও উপনিষদ থেকে আর্যদের গাঙ্গেয় উপত্যকায় বসতি স্থাপন, বর্ণপ্রথা এবং কৃষিনির্ভর অর্থনীতির বিবর্তন সম্পর্কে জানা যায়। সূত্র সাহিত্য (ধর্মসূত্র, গৃহ্যসূত্র) থেকে তৎকালীন আইন-কানুন ও বিবাহ রীতির পরিচয় পাওয়া যায়।

২. মহাকাব্য (রামায়ণ ও মহাভারত): 

মহাকাব্য দুটিতে বর্ণিত ঘটনাগুলির ঐতিহাসিক সত্যতা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, এগুলি থেকে আর্যদের দাক্ষিণাত্য অভিযান (রামায়ণ) এবং কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের (মহাভারত) মাধ্যমে এক বিশাল রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এছাড়া তৎকালীন রাজতন্ত্র, সমাজ ব্যবস্থা ও নৈতিক আদর্শের পরিচয় এতে মেলে।

৩. পুরাণ: 

১৮টি মহাপুরাণের মধ্যে মৎস্য, বায়ু, বিষ্ণু, ব্রহ্মাণ্ড ও ভাগবত পুরাণ ইতিহাসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রাজবংশাবলি: 
পুরাণগুলিতে মৌর্য, শুঙ্গ, কান্ব, সাতবাহন এবং গুপ্ত রাজবংশের রাজাদের নাম ও বংশতালিকা দেওয়া আছে। ড. আর. সি. মজুমদার বলেন, "সাতবাহন বংশের ইতিহাস রচনার জন্য আমরা পুরাণের কাছে ঋণী।"

ভৌগোলিক তথ্য: 
প্রাচীন ভারতের নদনদী, পাহাড় ও জনপদের বিবরণ পুরাণে পাওয়া যায়।

৪. বৌদ্ধ ও জৈন সাহিত্য:

ত্রিপিটক ও জাতক: 
পালি ভাষায় রচিত বৌদ্ধ ত্রিপিটক এবং জাতকের গল্পগুলি থেকে খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের ভারতের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার নিখুঁত ছবি পাওয়া যায়। বিশেষ করে 'অঙ্গুত্তর নিকায়' গ্রন্থ থেকে ষোড়শ মহাজনপদের (Sixteen Mahajanapadas) তালিকা ও পারস্পরিক দ্বন্দ্বে ইতিহাস জানা যায়।

জৈন গ্রন্থ: 
'ভগবতী সূত্র', 'পরিশিষ্টপার্বণ' এবং 'কল্পসূত্র' থেকে মহাবীরের জীবন এবং মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য সম্পর্কে বহু তথ্য জানা যায়।

(খ) ধর্মনিরপেক্ষ বা লৌকিক সাহিত্য (Secular Literature)

শুধুমাত্র ধর্ম নয়, প্রাচীন ভারতে রাজনীতি, বিজ্ঞান, ব্যাকরণ ও নাটক রচনার এক সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ছিল, যা ইতিহাসের উপাদান হিসেবে অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য।

১. অর্থশাস্ত্র (কৌটিল্য): 

মৌর্য যুগের ইতিহাস জানার জন্য চাণক্য বা কৌটিল্য রচিত 'অর্থশাস্ত্র' হলো সর্বশ্রেষ্ঠ উপাদান। এতে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের শাসনব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা, গুপ্তচর প্রথা, রাজস্ব নীতি এবং 'সপ্তাঙ্গ মতবাদ' বিস্তারিতভাবে বর্ণিত আছে। এটি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের একটি মাস্টারপিস।

২. ব্যাকরণ গ্রন্থ:

অষ্টাধ্যায়ী: 
পাণিনির এই ব্যাকরণ গ্রন্থ থেকে মৌর্য-পূর্ব ভারতের রাজনৈতিক সংঘ বা 'গণরাজ্য'গুলির কথা জানা যায়।

মহাভাষ্য: 
পতঞ্জলি রচিত এই গ্রন্থে শুঙ্গ রাজাদের ইতিহাস এবং গ্রিক (যবন) আক্রমণের উল্লেখ পাওয়া যায়।

৩. নাটক ও কাব্য:

মুদ্রারাক্ষস: 
বিশাখদত্তের এই নাটকে নন্দ বংশের উচ্ছেদ এবং চাণক্য ও চন্দ্রগুপ্তের কৌশলের নাটকীয় বর্ণনা আছে।

কালিদাসের রচনাবলি: 
'রঘুবংশম', 'মালবিকাগ্নিমিত্রম' এবং 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম' থেকে গুপ্ত যুগের স্বর্ণালি সংস্কৃতির পরিচয় এবং শুঙ্গ রাজা অগ্নিমিত্রের কথা জানা যায়।

মৃচ্ছকটিকম্: 
শূদ্রকের লেখা এই নাটকে তৎকালীন বিচার ব্যবস্থা ও সামাজিক দুর্নীতির বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।

(গ) জীবনচরিত বা আধা-ঐতিহাসিক সাহিত্য (Biographical Literature)

প্রাচীন ভারতের সভাকবিরা তাঁদের আশ্রয়দাতা রাজাদের প্রশস্তি বা গুণকীর্তন করে যেসব কাব্য রচনা করেছেন, সেগুলিকে জীবনচরিত বলা হয়। যদিও এতে অতিরঞ্জন থাকে, তবুও এগুলি ইতিহাসের অমূল্য রত্ন।

১. হর্ষচরিত: 

বাণভট্ট রচিত এই গ্রন্থে সম্রাট হর্ষবর্ধনের বাল্যকাল, সিংহাসন আরোহণ, রাজ্যজয় এবং তৎকালীন থানেশ্বর ও কনৌজের রাজনৈতিক পরিস্থিতির বর্ণনা রয়েছে।

২. রামচরিত: 

সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত এই কাব্যে দ্ব্যর্থবোধক শ্লোকের মাধ্যমে একদিকে রামায়ণের রামচন্দ্র এবং অন্যদিকে পাল রাজা রামপালের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। এখান থেকেই আমরা বাংলায় 'কৈবর্ত বিদ্রোহ' এবং ভীম-এর বীরত্বের কথা জানতে পারি।

৩. বিক্রমাঙ্কদেবচরিত: 

কাশ্মীরি কবি বিলহন এই কাব্যে চালুক্য রাজা ষষ্ঠ বিক্রমাদিত্যের রাজ্যজয়ের কাহিনী বর্ণনা করেছেন।

৪. অন্যান্য: 

বাকপতিরাজের 'গৌড়বহ' (কনৌজ রাজ যশোবর্মণের কাহিনী), পদ্মগুপ্তের 'নবসাহশাঙ্কচরিত', এবং জয়সিংহের 'কুমারপালচরিত' উল্লেখযোগ্য।

(ঘ) আঞ্চলিক ইতিহাস ও রাজবংশাবলি

ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের স্থানীয় ইতিহাস জানার জন্য কিছু বিশেষ গ্রন্থ রচিত হয়েছিল।

১. রাজতরঙ্গিনী (কাশ্মীরের ইতিহাস): 

১১৫০ খ্রিস্টাব্দে কল্হন রচিত 'রাজতরঙ্গিনী' হলো প্রাচীন ভারতের একমাত্র গ্রন্থ যাকে আধুনিক অর্থে প্রকৃত ইতিহাস গ্রন্থ বলা যায়। এতে কাশ্মীরের রাজাদের ধারাবাহিক ইতিহাস, নিরপেক্ষ বিচার এবং কার্যকারণ সম্পর্ক নিরূপণের চেষ্টা করা হয়েছে। ঐতিহাসিক কোসাম্বী একে ইতিহাসের অমূল্য দলিল বলেছেন।

২. সঙ্গম সাহিত্য (দক্ষিণ ভারত): 

তামিল ভাষায় রচিত বিপুল 'সঙ্গম সাহিত্য' (যেমন- শিলাপ্পাদিকরম, মণিমেখলাই) থেকে দক্ষিণ ভারতের চোল, চে, ও পাণ্ড্য রাজাদের ইতিহাস এবং তৎকালীন রোম-ভারত বাণিজ্যের সমৃদ্ধ ইতিহাস জানা যায়।

৩. গুজরাটের ইতিহাস: 

'রাসমালা' ও 'প্রবন্ধচিন্তামণি' নামক গ্রন্থগুলি থেকে গুজরাটের রাজবংশের ইতিহাস জানা যায়।

৪. দেশীয় সাহিত্যের সীমাবদ্ধতা (Limitations)

এত গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও দেশীয় সাহিত্যের কিছু সীমাবদ্ধতা বা ত্রুটি রয়েছে:

কালপঞ্জির অভাব: 
ভারতীয় সাহিত্যে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ঘটনার সঠিক সাল-তারিখ বা ক্রমানুসার (Chronology) পাওয়া যায় না।

অতিরঞ্জন: 
সভাকবিরা রাজাদের সন্তুষ্ট করার জন্য প্রায়শই তাঁদের গুণাবলী বাড়িয়ে লিখতেন এবং দোষগুলি গোপন করতেন।

ধর্মীয় প্রভাব: 
অধিকাংশ সাহিত্য ধর্মকে কেন্দ্র করে রচিত হওয়ায় তাতে অলৌকিক ও পৌরাণিক কাহিনীর প্রাধান্য বেশি, যা থেকে ইতিহাস পৃথক করা কঠিন।


          পরিশেষে বলা যায়, প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্য এক বিশাল ও বৈচিত্র্যময় ভাণ্ডার। যদিও এতে আধুনিক ইতিহাসের মতো তথ্যনিষ্ঠা সবসময় পাওয়া যায় না এবং ধর্মীয় কুয়াশায় অনেক সত্য ঢাকা পড়ে আছে, তবুও ঐতিহাসিকরা এই সাহিত্যকে প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদানের (লিপি ও মুদ্রা) কষ্টিপাথরে যাচাই করে ভারতের ইতিহাসের কঙ্কালটিকে রক্তমাংস দিয়ে জীবন্ত করে তুলেছেন। তাই প্রাচীন ভারতের ইতিহাস পুনর্গঠনে দেশীয় সাহিত্যের অবদান অনস্বীকার্য এবং অপরিসীম।






READ MORE👇















Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

[MCQ]reproduction।।জনন।। জীবনবিজ্ঞান এর প্রশ্নোত্তর।।SOLVE

প্রশ্ন ১ সংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় জনন সম্পন্ন করে এরূপ একটি উদ্ভিদ হল ( a ) ইস্ট ( b ) মিউকর ( c ) স্পাইরােগাইরা ( d ) টেরিস

[MCQ]।।ভারতের ইতিহাস।।ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৫৬ খ্রি.)।। সেট ১

  ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৫৬ খ্রি.) 👉প্রশ্ন:১ অমৃতসরের সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়— (a) ১৮০৬ খ্রিস্টাব্দে (b) ১৮০৭ খ্রিস্টাব্দে (c) ১৮০৮ খ্রিস্টাব্দে (d) ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

ক্ষুদ্রকণা বিশরণ

ক্ষুদ্রকণা বিশরণ                    যেসব শিলা বিভিন্ন রকমের খনিজ পদার্থে গঠিত, সেইসব বিষম গুণসম্পন্ন ও বড়ো দানাযুক্ত শিলাগুলো ঠাণ্ডায় বা গরমে সমানভাবে সংকুচিত বা প্রসারিত হতে পারে না। এর ফলে শিলাস্তরের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন টানের সৃষ্টি হয়, শিলার গঠন আলগা হয়ে যায় এবং তাতে শিলা হঠাৎ সশব্দে ফেটে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়—মনে হয় যেন বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হচ্ছে।                          শিলাগুলো ক্ষুদ্রক্ষুদ্র কণা আকারে ভেঙে পড়ে। মরু অঞ্চলে সাধারণত বিকেলের দিকে সূর্যাস্তের পরে এই শিলা ফাটার আওয়াজ পাওয়া যায়। উষ্ণতার তারতম্যের ফলে এইভাবে বিষম গুণসম্পন্ন শিলার চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাওয়াকে ক্ষুদ্রকণা বিশরণ বা প্রস্তর চূর্ণীকরণ বলে। এই প্রক্রিয়ায় সৃষ্টি হওয়া পাথরচূর্ণগুলো আয়তনে ছোটো হয়। পেরু ও মধ্য অস্ট্রেলিয়ার মরুভূমিতে এইরূপ আবহবিকার দেখা যায়। আরও পড়ুন:: ⚡ আবহবিকার বা বিচূর্ণীভবন - সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ ⚡ যান্ত্রিক আবহবিকার ⚡ রাসায়নিক আবহবিকার ⚡ জৈবিক আবহবিকার ⚡ জারণ...