Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 10

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে—   উত্তরঃ  সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন?    উত্তরঃ  ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন?    উত্তরঃ  নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন?    উত্তরঃ  রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন?    উত্তরঃ  অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন—   উত্তরঃ  লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি?    উত্তরঃ  চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য ভারত-ইতিহাসের অন্যতম বৈশিষ্ট্য

বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য ভারত-ইতিহাসের অন্যতম বৈশিষ্ট্য


এক মহাদেশের সারাংশ (Epitome of the World)

                       ভারতবর্ষ শুধুমাত্র একটি দেশ নয়, এটি একটি উপ-মহাদেশের সমতুল্য। প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য, নৃতাত্ত্বিক ভিন্নতা এবং সাংস্কৃতিক বিপুলতা সত্ত্বেও এই ভূখণ্ডের হাজার বছরের ইতিহাসে যে "অন্তর্নিহিত মৌলিক ঐক্য" (Fundamental Unity) বারবার প্রকাশিত হয়েছে, তা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল। ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট স্মিথ এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যকে যথার্থই "India offers unity in diversity" বা "বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য" বলে আখ্যা দিয়েছেন। যুগে যুগে বিভিন্ন জাতি, ধর্ম ও ভাষাভাষী মানুষের মিলনকেন্দ্র হওয়ায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভারতবর্ষকে "মহামানবের সাগরতীর" নামে অভিহিত করেছেন।

ভারতবর্ষের বৈচিত্র্যের স্বরূপ (The Nature of Diversity)

                 ভারতের বৈচিত্র্যকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:

ক) প্রাকৃতিক বা ভৌগোলিক বৈচিত্র্য:

ভূ-প্রকৃতি: 

                  উত্তরে হিমালয়ের সুউচ্চ পর্বতমালা, দক্ষিণে সুবিশাল উপকূল রেখা, পশ্চিমে রাজস্থানের বিস্তীর্ণ মরুপ্রান্তর এবং পূর্বে মেঘালয়ের মৌসিনরামের মতো বৃষ্টিবহুল অঞ্চল একই ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত।

জলবায়ু: 

                 এই বৈচিত্র্যের কারণে কাশ্মীরের বরফ থেকে শুরু করে দাক্ষিণাত্যের গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আবহাওয়া পর্যন্ত সবরকম জলবায়ুই ভারতে বর্তমান।

নদনদী: 

             সিন্ধু, গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, কাবেরী, গোদাবরী—প্রত্যেকটি নদী উপত্যকা তার নিজস্ব অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য বজায় রেখেছে।

খ) মানবীয় বা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য:

নৃতাত্ত্বিক: 

                প্রাচীনকালে নেগ্রিটো, প্রোটো-অস্ট্রালয়েড থেকে শুরু করে আর্য, গ্রিক, শক, হুণ, কুশান, এবং আধুনিক যুগে মোগল, আফগান, পর্তুগিজ, ইংরেজ—বহু জাতিগোষ্ঠীর সংমিশ্রণ ঘটেছে। এই কারণেই ভিনসেন্ট স্মিথ ভারতকে 'নৃতত্ত্বের জাদুঘর' (Ethnological Museum) বলেছেন।

ভাষাগত: 

                 সরকারিভাবে ১৮টিরও বেশি ভাষা স্বীকৃত এবং উপভাষা সহ মোট ভাষার সংখ্যা প্রায় ২০০-এর কাছাকাছি। ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা (হিন্দি, বাংলা) ও দ্রাবিড় ভাষা (তামিল, তেলুগু) প্রধান দুটি ভিন্ন ভাষা পরিবার ভারতে সহাবস্থান করে।

পোশাক ও জীবনধারা: 

                   কাশ্মীরের পশমের পোশাক থেকে কেরালার লুঙ্গি বা ধুতি এবং পঞ্জাবের সর্ষে খেত থেকে বাংলার মাছ-ভাত—খাদ্যাভ্যাস, পোশাক ও জীবনধারায় বিপুল ভিন্নতা রয়েছে।

ঐক্যের ক্ষেত্র বা সমন্বয়ের বাঁধন (The Factors of Unity and Synthesis)

              এত ব্যাপক ভিন্নতা সত্ত্বেও নিম্নোক্ত উপাদানগুলি ভারতবর্ষকে একসূত্রে বেঁধে রেখেছে:

ক) ভৌগোলিক ঐক্য (Geographical Unity)

              যদিও ভারতে বৈচিত্র্য বিদ্যমান, তবুও 'ভারতবর্ষ' নামক ধারণাটি কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারিকা পর্যন্ত একটি সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক একক।

হিমালয় পর্বতমালা এবং তিন দিকের সমুদ্র ভারতকে অবশিষ্ট এশিয়া থেকে পৃথক করে একটি সুগঠিত একক হিসেবে পরিচয় দিয়েছে।

প্রাচীনকাল থেকেই এই সমগ্র ভূখণ্ড 'ভারতবর্ষ' বা 'জম্বুদ্বীপ' নামে পরিচিত ছিল, যা এখানকার অধিবাসীদের মনে জন্মস্থান হিসেবে এক মৌলিক ঐক্যবোধ সঞ্চার করেছে।

খ) সাংস্কৃতিক সমন্বয় ও মিলন (Cultural Synthesis)

             ঐক্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রকাশ ঘটেছে সংস্কৃতিতে। বিভিন্ন জাতির আগমন ও সহাবস্থান সত্ত্বেও ভারতীয় সংস্কৃতি কোনোদিন ভেঙে পড়েনি, বরং তা সমৃদ্ধ হয়েছে।

ধর্মীয় সমন্বয়: 

                হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ, খ্রিস্টান—বিভিন্ন ধর্ম একই মাটিতে সহাবস্থান করেছে। মধ্যযুগে শ্রীচৈতন্য, কবীর, নানক প্রমুখ ধর্মপ্রচারকরা ধর্মীয় ভেদ ভেঙে আন্তঃসাম্প্রদায়িক ঐক্যের জন্ম দিয়েছেন। ভিনসেন্ট স্মিথ মন্তব্য করেন, "India is verily a museum of cults and customs..."।

শিল্প ও স্থাপত্য: 

                 মোগল যুগে ইন্দো-ফার্সি মিশ্র শিল্পরীতি (Indo-Persian Art) তৈরি হয়েছে (যেমন—তাজমহল)। এটি প্রমাণ করে যে, বিদেশী রীতিনীতিও ভারতীয় মাটিতে মিশে গিয়ে এক নতুন সংস্কৃতির জন্ম দিয়েছে।

ভাষার প্রভাব: 

                সংস্কৃত, ফার্সি ও আঞ্চলিক ভাষাগুলির পারস্পরিক আদান-প্রদান থেকেই উর্দু, হিন্দি ও বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ হয়েছে।

গ) ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ঐক্য (Religious and Spiritual Unity)

তীর্থস্থান: 

                দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা জ্যোতির্লিঙ্গ, শক্তিপীঠ বা চার ধামগুলির (বদ্রীনাথ, দ্বারকা, পুরী, রামেশ্বরম) তীর্থযাত্রা কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারিকা পর্যন্ত মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছে।

আদর্শের ঐক্য: 

                    বেদে বা উপনিষদে বর্ণিত 'বসুধৈব কুটুম্বকম্' (সমগ্র বিশ্ব একটি পরিবার) বা অহিংসার মতো সার্বজনীন নীতিগুলি জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে ভারতীয় সমাজকে প্রভাবিত করেছে।

ঘ) রাজনৈতিক ঐক্য ও প্রশাসন (Political Unity and Administration)

                 রাজনৈতিকভাবে ভারতের ঐক্য বারবার বিঘ্নিত হলেও, বৃহৎ সাম্রাজ্যগুলি এই ঐক্যকে সুদৃঢ় করেছে:

প্রাচীন যুগ: 

                 মৌর্য সম্রাট অশোক এবং গুপ্ত সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের সাম্রাজ্য প্রায় সমগ্র ভারতকে এক ছাতার তলায় এনেছিল, যা 'চক্রবর্তী রাজা' ধারণাকে শক্তিশালী করেছিল।

মধ্যযুগ: 

                মোগল সম্রাট আকবর এবং ঔরঙ্গজেবের সাম্রাজ্য ভারতের বিশাল অংশকে একটি কেন্দ্রীয় প্রশাসনের অধীনে নিয়ে আসে।

আধুনিক যুগ: 

              ইংরেজদের ঔপনিবেশিক শাসন (Colonial Rule) এই ঐক্যকে আরও দৃঢ় করে। একক প্রশাসনিক ব্যবস্থা, একই আইন, একই মুদ্রা এবং রেল ও ডাক বিভাগের মতো যোগাযোগের ব্যবস্থার মাধ্যমে ইংরেজরা পরোক্ষভাবে সমগ্র ভারতকে রাজনৈতিকভাবে ঐক্যবদ্ধ করে।

জাতীয়তাবাদী আন্দোলন: 

              ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে পরিচালিত স্বাধীনতা সংগ্রাম ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল ভারতীয়কে একটি অভিন্ন লক্ষ্যের দিকে চালিত করে।

ঙ) অন্তরের ঐক্য (Internal Unity)

               ড. যদুনাথ সরকার যেমনটা বলেছেন, দীর্ঘকাল ধরে একই আবহাওয়ায় বসবাস, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান এবং একই অর্থনৈতিক কাঠামোর মধ্যে থেকে ভারতীয়দের মধ্যে এক আন্তরিক সমন্বয় তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন জাতির মানুষ তাদের নিজস্বতা হারালেও, তারা সবাই সম্মিলিতভাবে 'ভারতীয়' পরিচিতি লাভ করেছে।

                 ভারতের বৈচিত্র্য কেবল বৈচিত্র্য নয়, এটি হলো এক গভীর ঐক্যের ভিত্তি। এই ঐক্য কোনো জোর করে চাপানো রাজনৈতিক ঐক্য নয়, বরং এটি হলো সাংস্কৃতিক সমন্বয় ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে অর্জিত 'অন্তঃসলিলা ঐক্য'। ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর দেশীয় রাজ্যগুলির স্বেচ্ছায় ভারতীয় ইউনিয়নে যুক্ত হওয়া এই ঐক্যেরই শ্রেষ্ঠ প্রমাণ।

              সকল বিভেদ সত্ত্বেও, 'ভারতবর্ষ' নামক ধারণাই হলো এর জনগণের গভীর আন্তরিকতা ও মৌলিক ঐক্যবোধের প্রতীক। তাই ভিনসেন্ট স্মিথের মন্তব্যেই শেষ করা যায়—

"All over the great expanse of the Indian continent, the essential unity is a reality." (ভারতের বিশাল মহাদেশ জুড়ে, এই মৌলিক ঐক্যই হলো চরম সত্য।)

          এই মৌলিক ঐক্যের কারণেই ভারতবর্ষ হাজার হাজার বছর ধরে তার সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছে।






READ MORE👇














Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

[MCQ]reproduction।।জনন।। জীবনবিজ্ঞান এর প্রশ্নোত্তর।।SOLVE

প্রশ্ন ১ সংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় জনন সম্পন্ন করে এরূপ একটি উদ্ভিদ হল ( a ) ইস্ট ( b ) মিউকর ( c ) স্পাইরােগাইরা ( d ) টেরিস

[MCQ]।।ভারতের ইতিহাস।।ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৫৬ খ্রি.)।। সেট ১

  ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার (১৭৬৫-১৮৫৬ খ্রি.) 👉প্রশ্ন:১ অমৃতসরের সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়— (a) ১৮০৬ খ্রিস্টাব্দে (b) ১৮০৭ খ্রিস্টাব্দে (c) ১৮০৮ খ্রিস্টাব্দে (d) ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

ক্ষুদ্রকণা বিশরণ

ক্ষুদ্রকণা বিশরণ                    যেসব শিলা বিভিন্ন রকমের খনিজ পদার্থে গঠিত, সেইসব বিষম গুণসম্পন্ন ও বড়ো দানাযুক্ত শিলাগুলো ঠাণ্ডায় বা গরমে সমানভাবে সংকুচিত বা প্রসারিত হতে পারে না। এর ফলে শিলাস্তরের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন টানের সৃষ্টি হয়, শিলার গঠন আলগা হয়ে যায় এবং তাতে শিলা হঠাৎ সশব্দে ফেটে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়—মনে হয় যেন বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হচ্ছে।                          শিলাগুলো ক্ষুদ্রক্ষুদ্র কণা আকারে ভেঙে পড়ে। মরু অঞ্চলে সাধারণত বিকেলের দিকে সূর্যাস্তের পরে এই শিলা ফাটার আওয়াজ পাওয়া যায়। উষ্ণতার তারতম্যের ফলে এইভাবে বিষম গুণসম্পন্ন শিলার চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাওয়াকে ক্ষুদ্রকণা বিশরণ বা প্রস্তর চূর্ণীকরণ বলে। এই প্রক্রিয়ায় সৃষ্টি হওয়া পাথরচূর্ণগুলো আয়তনে ছোটো হয়। পেরু ও মধ্য অস্ট্রেলিয়ার মরুভূমিতে এইরূপ আবহবিকার দেখা যায়। আরও পড়ুন:: ⚡ আবহবিকার বা বিচূর্ণীভবন - সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ ⚡ যান্ত্রিক আবহবিকার ⚡ রাসায়নিক আবহবিকার ⚡ জৈবিক আবহবিকার ⚡ জারণ...