Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য ভারত-ইতিহাসের অন্যতম বৈশিষ্ট্য

বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য ভারত-ইতিহাসের অন্যতম বৈশিষ্ট্য


এক মহাদেশের সারাংশ (Epitome of the World)

                       ভারতবর্ষ শুধুমাত্র একটি দেশ নয়, এটি একটি উপ-মহাদেশের সমতুল্য। প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য, নৃতাত্ত্বিক ভিন্নতা এবং সাংস্কৃতিক বিপুলতা সত্ত্বেও এই ভূখণ্ডের হাজার বছরের ইতিহাসে যে "অন্তর্নিহিত মৌলিক ঐক্য" (Fundamental Unity) বারবার প্রকাশিত হয়েছে, তা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল। ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট স্মিথ এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যকে যথার্থই "India offers unity in diversity" বা "বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য" বলে আখ্যা দিয়েছেন। যুগে যুগে বিভিন্ন জাতি, ধর্ম ও ভাষাভাষী মানুষের মিলনকেন্দ্র হওয়ায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভারতবর্ষকে "মহামানবের সাগরতীর" নামে অভিহিত করেছেন।

ভারতবর্ষের বৈচিত্র্যের স্বরূপ (The Nature of Diversity)

                 ভারতের বৈচিত্র্যকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:

ক) প্রাকৃতিক বা ভৌগোলিক বৈচিত্র্য:

ভূ-প্রকৃতি: 

                  উত্তরে হিমালয়ের সুউচ্চ পর্বতমালা, দক্ষিণে সুবিশাল উপকূল রেখা, পশ্চিমে রাজস্থানের বিস্তীর্ণ মরুপ্রান্তর এবং পূর্বে মেঘালয়ের মৌসিনরামের মতো বৃষ্টিবহুল অঞ্চল একই ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত।

জলবায়ু: 

                 এই বৈচিত্র্যের কারণে কাশ্মীরের বরফ থেকে শুরু করে দাক্ষিণাত্যের গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আবহাওয়া পর্যন্ত সবরকম জলবায়ুই ভারতে বর্তমান।

নদনদী: 

             সিন্ধু, গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, কাবেরী, গোদাবরী—প্রত্যেকটি নদী উপত্যকা তার নিজস্ব অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য বজায় রেখেছে।

খ) মানবীয় বা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য:

নৃতাত্ত্বিক: 

                প্রাচীনকালে নেগ্রিটো, প্রোটো-অস্ট্রালয়েড থেকে শুরু করে আর্য, গ্রিক, শক, হুণ, কুশান, এবং আধুনিক যুগে মোগল, আফগান, পর্তুগিজ, ইংরেজ—বহু জাতিগোষ্ঠীর সংমিশ্রণ ঘটেছে। এই কারণেই ভিনসেন্ট স্মিথ ভারতকে 'নৃতত্ত্বের জাদুঘর' (Ethnological Museum) বলেছেন।

ভাষাগত: 

                 সরকারিভাবে ১৮টিরও বেশি ভাষা স্বীকৃত এবং উপভাষা সহ মোট ভাষার সংখ্যা প্রায় ২০০-এর কাছাকাছি। ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা (হিন্দি, বাংলা) ও দ্রাবিড় ভাষা (তামিল, তেলুগু) প্রধান দুটি ভিন্ন ভাষা পরিবার ভারতে সহাবস্থান করে।

পোশাক ও জীবনধারা: 

                   কাশ্মীরের পশমের পোশাক থেকে কেরালার লুঙ্গি বা ধুতি এবং পঞ্জাবের সর্ষে খেত থেকে বাংলার মাছ-ভাত—খাদ্যাভ্যাস, পোশাক ও জীবনধারায় বিপুল ভিন্নতা রয়েছে।

ঐক্যের ক্ষেত্র বা সমন্বয়ের বাঁধন (The Factors of Unity and Synthesis)

              এত ব্যাপক ভিন্নতা সত্ত্বেও নিম্নোক্ত উপাদানগুলি ভারতবর্ষকে একসূত্রে বেঁধে রেখেছে:

ক) ভৌগোলিক ঐক্য (Geographical Unity)

              যদিও ভারতে বৈচিত্র্য বিদ্যমান, তবুও 'ভারতবর্ষ' নামক ধারণাটি কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারিকা পর্যন্ত একটি সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক একক।

হিমালয় পর্বতমালা এবং তিন দিকের সমুদ্র ভারতকে অবশিষ্ট এশিয়া থেকে পৃথক করে একটি সুগঠিত একক হিসেবে পরিচয় দিয়েছে।

প্রাচীনকাল থেকেই এই সমগ্র ভূখণ্ড 'ভারতবর্ষ' বা 'জম্বুদ্বীপ' নামে পরিচিত ছিল, যা এখানকার অধিবাসীদের মনে জন্মস্থান হিসেবে এক মৌলিক ঐক্যবোধ সঞ্চার করেছে।

খ) সাংস্কৃতিক সমন্বয় ও মিলন (Cultural Synthesis)

             ঐক্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রকাশ ঘটেছে সংস্কৃতিতে। বিভিন্ন জাতির আগমন ও সহাবস্থান সত্ত্বেও ভারতীয় সংস্কৃতি কোনোদিন ভেঙে পড়েনি, বরং তা সমৃদ্ধ হয়েছে।

ধর্মীয় সমন্বয়: 

                হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ, খ্রিস্টান—বিভিন্ন ধর্ম একই মাটিতে সহাবস্থান করেছে। মধ্যযুগে শ্রীচৈতন্য, কবীর, নানক প্রমুখ ধর্মপ্রচারকরা ধর্মীয় ভেদ ভেঙে আন্তঃসাম্প্রদায়িক ঐক্যের জন্ম দিয়েছেন। ভিনসেন্ট স্মিথ মন্তব্য করেন, "India is verily a museum of cults and customs..."।

শিল্প ও স্থাপত্য: 

                 মোগল যুগে ইন্দো-ফার্সি মিশ্র শিল্পরীতি (Indo-Persian Art) তৈরি হয়েছে (যেমন—তাজমহল)। এটি প্রমাণ করে যে, বিদেশী রীতিনীতিও ভারতীয় মাটিতে মিশে গিয়ে এক নতুন সংস্কৃতির জন্ম দিয়েছে।

ভাষার প্রভাব: 

                সংস্কৃত, ফার্সি ও আঞ্চলিক ভাষাগুলির পারস্পরিক আদান-প্রদান থেকেই উর্দু, হিন্দি ও বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ হয়েছে।

গ) ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ঐক্য (Religious and Spiritual Unity)

তীর্থস্থান: 

                দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা জ্যোতির্লিঙ্গ, শক্তিপীঠ বা চার ধামগুলির (বদ্রীনাথ, দ্বারকা, পুরী, রামেশ্বরম) তীর্থযাত্রা কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারিকা পর্যন্ত মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছে।

আদর্শের ঐক্য: 

                    বেদে বা উপনিষদে বর্ণিত 'বসুধৈব কুটুম্বকম্' (সমগ্র বিশ্ব একটি পরিবার) বা অহিংসার মতো সার্বজনীন নীতিগুলি জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে ভারতীয় সমাজকে প্রভাবিত করেছে।

ঘ) রাজনৈতিক ঐক্য ও প্রশাসন (Political Unity and Administration)

                 রাজনৈতিকভাবে ভারতের ঐক্য বারবার বিঘ্নিত হলেও, বৃহৎ সাম্রাজ্যগুলি এই ঐক্যকে সুদৃঢ় করেছে:

প্রাচীন যুগ: 

                 মৌর্য সম্রাট অশোক এবং গুপ্ত সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের সাম্রাজ্য প্রায় সমগ্র ভারতকে এক ছাতার তলায় এনেছিল, যা 'চক্রবর্তী রাজা' ধারণাকে শক্তিশালী করেছিল।

মধ্যযুগ: 

                মোগল সম্রাট আকবর এবং ঔরঙ্গজেবের সাম্রাজ্য ভারতের বিশাল অংশকে একটি কেন্দ্রীয় প্রশাসনের অধীনে নিয়ে আসে।

আধুনিক যুগ: 

              ইংরেজদের ঔপনিবেশিক শাসন (Colonial Rule) এই ঐক্যকে আরও দৃঢ় করে। একক প্রশাসনিক ব্যবস্থা, একই আইন, একই মুদ্রা এবং রেল ও ডাক বিভাগের মতো যোগাযোগের ব্যবস্থার মাধ্যমে ইংরেজরা পরোক্ষভাবে সমগ্র ভারতকে রাজনৈতিকভাবে ঐক্যবদ্ধ করে।

জাতীয়তাবাদী আন্দোলন: 

              ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে পরিচালিত স্বাধীনতা সংগ্রাম ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল ভারতীয়কে একটি অভিন্ন লক্ষ্যের দিকে চালিত করে।

ঙ) অন্তরের ঐক্য (Internal Unity)

               ড. যদুনাথ সরকার যেমনটা বলেছেন, দীর্ঘকাল ধরে একই আবহাওয়ায় বসবাস, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান এবং একই অর্থনৈতিক কাঠামোর মধ্যে থেকে ভারতীয়দের মধ্যে এক আন্তরিক সমন্বয় তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন জাতির মানুষ তাদের নিজস্বতা হারালেও, তারা সবাই সম্মিলিতভাবে 'ভারতীয়' পরিচিতি লাভ করেছে।

                 ভারতের বৈচিত্র্য কেবল বৈচিত্র্য নয়, এটি হলো এক গভীর ঐক্যের ভিত্তি। এই ঐক্য কোনো জোর করে চাপানো রাজনৈতিক ঐক্য নয়, বরং এটি হলো সাংস্কৃতিক সমন্বয় ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে অর্জিত 'অন্তঃসলিলা ঐক্য'। ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর দেশীয় রাজ্যগুলির স্বেচ্ছায় ভারতীয় ইউনিয়নে যুক্ত হওয়া এই ঐক্যেরই শ্রেষ্ঠ প্রমাণ।

              সকল বিভেদ সত্ত্বেও, 'ভারতবর্ষ' নামক ধারণাই হলো এর জনগণের গভীর আন্তরিকতা ও মৌলিক ঐক্যবোধের প্রতীক। তাই ভিনসেন্ট স্মিথের মন্তব্যেই শেষ করা যায়—

"All over the great expanse of the Indian continent, the essential unity is a reality." (ভারতের বিশাল মহাদেশ জুড়ে, এই মৌলিক ঐক্যই হলো চরম সত্য।)

          এই মৌলিক ঐক্যের কারণেই ভারতবর্ষ হাজার হাজার বছর ধরে তার সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছে।






READ MORE👇














Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের চিরস্মরণীয় কিছু উক্তি

          বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। অগ্নিবীণা হাতে তার প্রবেশ, ধূমকেতুর মতো তার প্রকাশ। যেমন লেখাতে বিদ্রোহী, তেমনই জীবনে – কাজেই "বিদ্রোহী কবি"

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

পর্বতবেষ্টিত মালভূমি      ভূমিকম্পের ফলে ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি সৃষ্টি হওয়ার সময় দুটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নীচু স্থানগুলি কিছুটা উঁচু ও খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে মালভূমির আকৃতি নেয় । চারদিকে পর্বতবেষ্টিত হওয়ায় এই সব মালভূমিগুলিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে।

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য কী ?

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য - স্প্রিং তুলা সাধারণ তুলা 1. স্প্রিং তুলা দিয়ে বস্তুর ভার বা ওজন মাপা হয়। 1. সাধারণ তুলায় বস্তুর ভর মাপা হয়। 2. খুব ভারী বস্তুর ওজন মাপা যায় না। 2. ভারী বস্তুর ভর মাপা যায়। 3. স্প্রিং তুলায় একটি বস্তুর ওজনের পাঠ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন হয়। 3. সাধারণ তুলায় একটি বস্তুর ভরের ক্ষেত্রে সব স্থানে একই পাঠ পাওয়া যায়। 4. স্প্রিং তুলা যে স্থানে অংশাঙ্কিত হয় শুধু সেই স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 4. সাধারণ তুলা সব স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 5. স্প্রিং তুলার কার্যনীতি পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের জন্য স্প্রিং-এর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির ওপর নির্ভরশীল। 5. সাধারণ তুলা প্রথম শ্রেণির লিভারের নীতি অনুযায়ী কাজ করে।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা             ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।            ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়। 

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।