Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য ভারত-ইতিহাসের অন্যতম বৈশিষ্ট্য

বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য ভারত-ইতিহাসের অন্যতম বৈশিষ্ট্য


এক মহাদেশের সারাংশ (Epitome of the World)

                       ভারতবর্ষ শুধুমাত্র একটি দেশ নয়, এটি একটি উপ-মহাদেশের সমতুল্য। প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য, নৃতাত্ত্বিক ভিন্নতা এবং সাংস্কৃতিক বিপুলতা সত্ত্বেও এই ভূখণ্ডের হাজার বছরের ইতিহাসে যে "অন্তর্নিহিত মৌলিক ঐক্য" (Fundamental Unity) বারবার প্রকাশিত হয়েছে, তা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল। ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট স্মিথ এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যকে যথার্থই "India offers unity in diversity" বা "বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য" বলে আখ্যা দিয়েছেন। যুগে যুগে বিভিন্ন জাতি, ধর্ম ও ভাষাভাষী মানুষের মিলনকেন্দ্র হওয়ায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভারতবর্ষকে "মহামানবের সাগরতীর" নামে অভিহিত করেছেন।

ভারতবর্ষের বৈচিত্র্যের স্বরূপ (The Nature of Diversity)

                 ভারতের বৈচিত্র্যকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:

ক) প্রাকৃতিক বা ভৌগোলিক বৈচিত্র্য:

ভূ-প্রকৃতি: 

                  উত্তরে হিমালয়ের সুউচ্চ পর্বতমালা, দক্ষিণে সুবিশাল উপকূল রেখা, পশ্চিমে রাজস্থানের বিস্তীর্ণ মরুপ্রান্তর এবং পূর্বে মেঘালয়ের মৌসিনরামের মতো বৃষ্টিবহুল অঞ্চল একই ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত।

জলবায়ু: 

                 এই বৈচিত্র্যের কারণে কাশ্মীরের বরফ থেকে শুরু করে দাক্ষিণাত্যের গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আবহাওয়া পর্যন্ত সবরকম জলবায়ুই ভারতে বর্তমান।

নদনদী: 

             সিন্ধু, গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, কাবেরী, গোদাবরী—প্রত্যেকটি নদী উপত্যকা তার নিজস্ব অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য বজায় রেখেছে।

খ) মানবীয় বা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য:

নৃতাত্ত্বিক: 

                প্রাচীনকালে নেগ্রিটো, প্রোটো-অস্ট্রালয়েড থেকে শুরু করে আর্য, গ্রিক, শক, হুণ, কুশান, এবং আধুনিক যুগে মোগল, আফগান, পর্তুগিজ, ইংরেজ—বহু জাতিগোষ্ঠীর সংমিশ্রণ ঘটেছে। এই কারণেই ভিনসেন্ট স্মিথ ভারতকে 'নৃতত্ত্বের জাদুঘর' (Ethnological Museum) বলেছেন।

ভাষাগত: 

                 সরকারিভাবে ১৮টিরও বেশি ভাষা স্বীকৃত এবং উপভাষা সহ মোট ভাষার সংখ্যা প্রায় ২০০-এর কাছাকাছি। ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা (হিন্দি, বাংলা) ও দ্রাবিড় ভাষা (তামিল, তেলুগু) প্রধান দুটি ভিন্ন ভাষা পরিবার ভারতে সহাবস্থান করে।

পোশাক ও জীবনধারা: 

                   কাশ্মীরের পশমের পোশাক থেকে কেরালার লুঙ্গি বা ধুতি এবং পঞ্জাবের সর্ষে খেত থেকে বাংলার মাছ-ভাত—খাদ্যাভ্যাস, পোশাক ও জীবনধারায় বিপুল ভিন্নতা রয়েছে।

ঐক্যের ক্ষেত্র বা সমন্বয়ের বাঁধন (The Factors of Unity and Synthesis)

              এত ব্যাপক ভিন্নতা সত্ত্বেও নিম্নোক্ত উপাদানগুলি ভারতবর্ষকে একসূত্রে বেঁধে রেখেছে:

ক) ভৌগোলিক ঐক্য (Geographical Unity)

              যদিও ভারতে বৈচিত্র্য বিদ্যমান, তবুও 'ভারতবর্ষ' নামক ধারণাটি কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারিকা পর্যন্ত একটি সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক একক।

হিমালয় পর্বতমালা এবং তিন দিকের সমুদ্র ভারতকে অবশিষ্ট এশিয়া থেকে পৃথক করে একটি সুগঠিত একক হিসেবে পরিচয় দিয়েছে।

প্রাচীনকাল থেকেই এই সমগ্র ভূখণ্ড 'ভারতবর্ষ' বা 'জম্বুদ্বীপ' নামে পরিচিত ছিল, যা এখানকার অধিবাসীদের মনে জন্মস্থান হিসেবে এক মৌলিক ঐক্যবোধ সঞ্চার করেছে।

খ) সাংস্কৃতিক সমন্বয় ও মিলন (Cultural Synthesis)

             ঐক্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রকাশ ঘটেছে সংস্কৃতিতে। বিভিন্ন জাতির আগমন ও সহাবস্থান সত্ত্বেও ভারতীয় সংস্কৃতি কোনোদিন ভেঙে পড়েনি, বরং তা সমৃদ্ধ হয়েছে।

ধর্মীয় সমন্বয়: 

                হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ, খ্রিস্টান—বিভিন্ন ধর্ম একই মাটিতে সহাবস্থান করেছে। মধ্যযুগে শ্রীচৈতন্য, কবীর, নানক প্রমুখ ধর্মপ্রচারকরা ধর্মীয় ভেদ ভেঙে আন্তঃসাম্প্রদায়িক ঐক্যের জন্ম দিয়েছেন। ভিনসেন্ট স্মিথ মন্তব্য করেন, "India is verily a museum of cults and customs..."।

শিল্প ও স্থাপত্য: 

                 মোগল যুগে ইন্দো-ফার্সি মিশ্র শিল্পরীতি (Indo-Persian Art) তৈরি হয়েছে (যেমন—তাজমহল)। এটি প্রমাণ করে যে, বিদেশী রীতিনীতিও ভারতীয় মাটিতে মিশে গিয়ে এক নতুন সংস্কৃতির জন্ম দিয়েছে।

ভাষার প্রভাব: 

                সংস্কৃত, ফার্সি ও আঞ্চলিক ভাষাগুলির পারস্পরিক আদান-প্রদান থেকেই উর্দু, হিন্দি ও বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ হয়েছে।

গ) ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ঐক্য (Religious and Spiritual Unity)

তীর্থস্থান: 

                দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা জ্যোতির্লিঙ্গ, শক্তিপীঠ বা চার ধামগুলির (বদ্রীনাথ, দ্বারকা, পুরী, রামেশ্বরম) তীর্থযাত্রা কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারিকা পর্যন্ত মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছে।

আদর্শের ঐক্য: 

                    বেদে বা উপনিষদে বর্ণিত 'বসুধৈব কুটুম্বকম্' (সমগ্র বিশ্ব একটি পরিবার) বা অহিংসার মতো সার্বজনীন নীতিগুলি জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে ভারতীয় সমাজকে প্রভাবিত করেছে।

ঘ) রাজনৈতিক ঐক্য ও প্রশাসন (Political Unity and Administration)

                 রাজনৈতিকভাবে ভারতের ঐক্য বারবার বিঘ্নিত হলেও, বৃহৎ সাম্রাজ্যগুলি এই ঐক্যকে সুদৃঢ় করেছে:

প্রাচীন যুগ: 

                 মৌর্য সম্রাট অশোক এবং গুপ্ত সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের সাম্রাজ্য প্রায় সমগ্র ভারতকে এক ছাতার তলায় এনেছিল, যা 'চক্রবর্তী রাজা' ধারণাকে শক্তিশালী করেছিল।

মধ্যযুগ: 

                মোগল সম্রাট আকবর এবং ঔরঙ্গজেবের সাম্রাজ্য ভারতের বিশাল অংশকে একটি কেন্দ্রীয় প্রশাসনের অধীনে নিয়ে আসে।

আধুনিক যুগ: 

              ইংরেজদের ঔপনিবেশিক শাসন (Colonial Rule) এই ঐক্যকে আরও দৃঢ় করে। একক প্রশাসনিক ব্যবস্থা, একই আইন, একই মুদ্রা এবং রেল ও ডাক বিভাগের মতো যোগাযোগের ব্যবস্থার মাধ্যমে ইংরেজরা পরোক্ষভাবে সমগ্র ভারতকে রাজনৈতিকভাবে ঐক্যবদ্ধ করে।

জাতীয়তাবাদী আন্দোলন: 

              ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে পরিচালিত স্বাধীনতা সংগ্রাম ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল ভারতীয়কে একটি অভিন্ন লক্ষ্যের দিকে চালিত করে।

ঙ) অন্তরের ঐক্য (Internal Unity)

               ড. যদুনাথ সরকার যেমনটা বলেছেন, দীর্ঘকাল ধরে একই আবহাওয়ায় বসবাস, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান এবং একই অর্থনৈতিক কাঠামোর মধ্যে থেকে ভারতীয়দের মধ্যে এক আন্তরিক সমন্বয় তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন জাতির মানুষ তাদের নিজস্বতা হারালেও, তারা সবাই সম্মিলিতভাবে 'ভারতীয়' পরিচিতি লাভ করেছে।

                 ভারতের বৈচিত্র্য কেবল বৈচিত্র্য নয়, এটি হলো এক গভীর ঐক্যের ভিত্তি। এই ঐক্য কোনো জোর করে চাপানো রাজনৈতিক ঐক্য নয়, বরং এটি হলো সাংস্কৃতিক সমন্বয় ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে অর্জিত 'অন্তঃসলিলা ঐক্য'। ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর দেশীয় রাজ্যগুলির স্বেচ্ছায় ভারতীয় ইউনিয়নে যুক্ত হওয়া এই ঐক্যেরই শ্রেষ্ঠ প্রমাণ।

              সকল বিভেদ সত্ত্বেও, 'ভারতবর্ষ' নামক ধারণাই হলো এর জনগণের গভীর আন্তরিকতা ও মৌলিক ঐক্যবোধের প্রতীক। তাই ভিনসেন্ট স্মিথের মন্তব্যেই শেষ করা যায়—

"All over the great expanse of the Indian continent, the essential unity is a reality." (ভারতের বিশাল মহাদেশ জুড়ে, এই মৌলিক ঐক্যই হলো চরম সত্য।)

          এই মৌলিক ঐক্যের কারণেই ভারতবর্ষ হাজার হাজার বছর ধরে তার সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছে।






READ MORE👇














Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

যান্ত্রিক আবহবিকার ও রাসায়নিক আবহবিকারের মধ্যে পার্থক্য

  যান্ত্রিক আবহবিকার ও রাসায়নিক আবহবিকারের মধ্যে পার্থক্য Sl. No. যান্ত্রিক আবহবিকার রাসায়নিক আবহবিকার 1 বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে শিলাস্তর যখন ফেটে ছোটো ছোটো খন্ড বা চূর্ণে পরিণত হয় মূল শিলার ওপরে অবস্থান করে তখন তাকে যান্ত্রিক আবহবিকার বলে। নানান রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শিলা বিয়োজিত হওয়ার ঘটনাকে রাসায়নিক আবহবিকার বলে। 2 যান্ত্রিক আবহবিকারের ফলে শিলার শুধুমাত্র ভৌত পরিবর্তন ঘটে। শিলা গঠনকারী খনিজের রাসায়নিক ধর্মের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। রাসায়নিক আবহবিকারের ফলে শিলার মধ্যে অবস্থিত খনিজগুলি বিয়োজিত হয়। ফলে শিলার ভৌত ও রাসায়নিক উভয় ধর্মেরই পরিবর্তন ঘটে। 3 উষ্ণ, মরু ও মরুপ্রায় অঞ্চল এবং শীতল পার্বত্য অঞ্চলে যান্ত্রিক আবহবিকার বেশি মাত্রায় সংঘটিত হয়। আর্দ্র ক্রান্তীয় ও নিরক্ষীয় অঞ্চলে রাসায়নিক আবহবিকার বেশি পরিমাণে সংঘটিত হয়। 4 যান্ত্রিক আবহবিকার অনেক সময় সশব্দে ঘটে থাকে। রাসায়নিক আবহবিকার নিঃশব্দে ঘটে থাকে। 5 ভূমিরূপ গঠন ও পরিবর্তন...

[MCQ]Geography।।ভারতের জলবায়ু।।সেট ২।।solve.org.in

ভারতের জলবায়ু প্রশ্ন:১ ভারতের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল : (a) ঋতু পরিবর্তন (b) অত্যধিক উষ্ণতা (c) অত্যধিক বৃষ্টিপাত