Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন - এক নম্বরের প্রশ্নোত্তর [সমস্ত সরকারি চাকরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ]

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন - এক নম্বরের প্রশ্নোত্তর



১। ভারতবর্ষের প্রাচীনতম নগর সভ্যতার নাম লেখো।

উঃ। ভারতবর্ষের প্রাচীনতম সভ্যতা হল সিন্ধুসভ্যতা।


২। সিন্ধুসভ্যতা কে, কবে আবিষ্কার করেন?

উঃ। ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও দয়ারাম সাহানি সিন্ধুসভ্যতা আবিষ্কার করেন। এসময় ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধিকর্তা ছিলেন স্যার জন মার্শাল।


৩। 'মহেন-জো-দারো' কথার অর্থ কী?

উঃ। মহেন-জো-দারো কথার অর্থ-‘মৃতের স্তূপ’।


৪। সিন্ধুসভ্যতা কোন্ যুগের সভ্যতা?

উঃ। সিন্ধুসভ্যতা 'তাম্র-প্রস্তর যুগ’ (Chalcolithic Age)-এর সভ্যতা।


৫। হরপ্পা কোথায় অবস্থিত?

উঃ। পাঞ্জাবের মন্টগোমারি-তে হরপ্পা অবস্থিত।

৬। সিন্ধুসভ্যতার খননকার্য কে পরিচালনা করেন?

উঃ। তৎকালীন ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ববিভাগের অধিকর্তা স্যার জন মার্শাল।


৭। প্রাক্-হরপ্পা সভ্যতার দুটি কেন্দ্রের নাম লেখো।

উঃ। (i) বেলুচিস্তানের কোয়েটা অঞ্চলের কিলিগুল মহম্মদ,

(ii) লোরালাই উপত্যকার রানা ঘুন্ডাই।


৮। হরপ্পা সভ্যতা আবিষ্কারক দুজন প্রত্নতত্ত্ববিদের নাম করো।

উঃ। (i) দয়ারাম সাহানি,

(ii) রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।


৯।ভারতের প্রাচীনতম সমুদ্র বন্দর কোন টি ?

উঃ। গুজরাটের লোথাল।


১০। সিন্ধুবাসীগণ কোন্ ধাতুর ব্যবহার জানত না?

উঃ। সিন্ধুর অধিবাসীগণ লোহার ব্যবহার জানত না।


১১। কোন্ পশুর সঙ্গে সিন্ধুর মানুষের পরিচয় ছিল না?

উঃ। সিন্ধুর অধিবাসীগণ ঘোড়া-র সঙ্গে পরিচিত ছিল না।


১২। মহেন-জো-দারো কোথায় অবস্থিত?

উঃ। মহেন-জো-দারো সিন্ধুর প্রদেশের লারকানা জেলাতে অবস্থিত।


১৩। সিন্ধু সমাজব্যবস্থার একটা বৈশিষ্ট্য লেখো।

উঃ। সিন্ধুসভ্যতা মাতৃতান্ত্রিক ছিল।


১৪। কোন্ নদীর তীরে সিন্ধুসভ্যতার বিকাশ ঘটে?

উঃ। সিন্ধু নদীর তীরে সিন্ধুসভ্যতা বিকশিত হয়েছিল।


১৫। সিন্ধুসভ্যতার পতন কবে সম্পূর্ণ হয়?

উঃ। আনুমানিক ১৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিন্ধুসভ্যতা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।


১৬। মেহেরগড় সভ্যতা কবে আবিষ্কৃত হয়?

উঃ। ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে মেহেরগড় সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।


১৭। কে বা কারা মেহেরগড় সভ্যতা আবিষ্কার করেন?

উঃ। ফরাসি প্রত্নতত্ত্ববিদ জেন ফ্রাঁসোয়া জারিজ (Jarrige) ও রিচার্ড মিডো (Meadow) মেহেরগড় সভ্যতা আবিষ্কার করেন।


১৮। মেহেরগড় সভ্যতা প্রথম কোথায় গড়ে উঠেছিল?

উঃ। বেলুচিস্তানের ঝোব নদীর তীরে বোলান গিরিপথের কাছে কাচ্চি সমভূমিতে মেহেরগড় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।


১৯। মেহেরগড় সভ্যতার একটা বৈশিষ্ট্য লেখো।

উঃ। মেহেরগড় একটা গ্রামকেন্দ্রিক সভ্যতা।


২০। মেহেরগড় সভ্যতা কত খ্রিস্টাব্দে গড়ে উঠেছিল?

উঃ। আনুমানিক ৭০০০ থেকে ৬০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে।


২১। মেহেরগড় সভ্যতার দুটো কেন্দ্রের নাম করো।

উঃ। (১) কিলিগুল মহম্মদ, (২) রানা ঘুন্ডাই।


২২। মেহেরগড় সভ্যতার বৃত্তি কী ধরনের ছিল?

উঃ। কৃষি ও পশুপালন।


২৩। সিন্ধুসভ্যতা কোন্ সভ্যতার কাছে ঋণী?

উঃ। সিন্ধুসভ্যতা মেহেরগড় সভ্যতার কাছে অনেকাংশে ঋণী।


২৪। কোন্ সভ্যতাকে হরপ্পা সভ্যতার পথিকৃৎ বলা হয়?

উঃ। মেহেরগড় সভ্যতাকে হরপ্পা সভ্যতার পথিকৃৎ বলা হয়।


২৫। 'হরপ্পা' কথার অর্থ কী?

উঃ। হরপ্পা কথার অর্থ হল-পশুপতির খাদ্য।


২৬। রাজস্থান ও পাঞ্জাবের কোথায় সিন্ধুসভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে?

উঃ। রাজস্থানের কালিবঙ্গান ও পাঞ্জাবের রোপার-এ সিন্ধুসভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।


২৭। মেহেরগড় সভ্যতা কতটা জায়গা জুড়ে গড়ে উঠেছিল?

উঃ। জেন ফ্রাঁসোয়া জারিজ মনে করেন যে, প্রায় ৫০০ একর বা ১৫০০ বিঘার ওপর এই সভ্যতা গড়ে ওঠে।


২৮। হরপ্পার সমসাময়িক দুটো প্রাচীন সভ্যতার নাম লেখো।

উঃ। (১) সুমেরীয় সভ্যতা, (২) মিশরীয় সভ্যতা।


২৯। বৈদিক সভ্যতার স্রষ্টা কে বা কারা?

উঃ। আর্যগণ বৈদিক সভ্যতার স্রষ্টা।


৩০। 'আর্য' কথার অর্থ কী?

উঃ। 'আর্য' কথার অর্থ হল-সৎবংশজাত বা অভিজাত মানুষ।


৩১। বৈদিক সভ্যতা কাকে ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে?

উঃ। বেদ-কে ভিত্তি করে বৈদিক সভ্যতা গড়ে উঠেছে।


৩২। আর্যদের প্রাচীনতম ধর্মগ্রন্থ কী?

উঃ। আর্যদের প্রাচীনতম ধর্মগ্রন্থ হল ঋগ্বেদ।


৩৩। ‘উপনিষদ’ কী?

উঃ। বেদ-এর শেষ ভাগ বা বেদান্ত-কে উপনিষদ বলে।


৩৪। আর্যদের বসতি প্রথম কোথায় গড়ে ওঠে?

উঃ। সপ্তসিন্ধু অঞ্চল 'অর্থাৎ' আফগানিস্তান, কাশ্মীর, পাঞ্জাব, উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে আর্যদের আদি বাসস্থান গড়ে ওঠে।


৩৫। আর্যদের চতুরাশ্রমের ‘প্রথম আশ্রম’ কী?

উঃ। আর্যদের চতুরাশ্রমের প্রথম আশ্রম হল ‘ব্রহ্মচর্যাশ্রম’।


৩৬। আর্যদের স্বর্ণমুদ্রার নাম কী?

উঃ। আর্যদের স্বর্ণমুদ্রার নাম হল 'নিষ্ক' ও 'মনা'।


৩৭। বেদ-এর অপর নাম কী এবং বেদকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে?

উঃ। বেদের অপর নাম শ্রুতি। বেদকে চারভাগে ভাগ করা হয়েছে, যথা-(১) ঋগ্বেদ, (২) যজুর্বেদ, (৩) সামবেদ, (৪) অথর্ব বেদ।


৩৮। আর্যদের বিনিময়ের মাধ্যম কী ছিল?

উঃ। গোরু ছিল আর্যদের বিনিময়ের মাধ্যম।


৩৯। বেদকে ‘অপৌরুষেয়’ বলা হয় কেন?

উঃ। বেদ হল ঈশ্বরের মুখনিঃসৃত বাণী। এই বাণী আর্যঋষিগণ প্রথম শুনেছিলেন। তাই, একে অপৌরুষেয় বলা হয়।


৪০। আর্যদের কোন্ আশ্রম 'যতি আশ্রম' নামে পরিচিত?

উঃ। আর্যদের ‘সন্ন্যাস আশ্রম’ যতি আশ্রম নামে পরিচিত।


৪১। আর্যদের দুটো বড়ো যজ্ঞের নাম লেখো।

উঃ। (১) রাজসূয় যজ্ঞ, (২) অশ্বমেধ যজ্ঞ।


৪২। আর্যদের দুজন দেবতা ও দুজন দেবীর নাম লেখো।

উঃ। আর্যদের দুজন দেবতা হলেন- (১) ইন্দ্র, (২) বরুণ এবং দুজন দেবী হলেন-(১) উষা, (২) অদিতি।


৪৩। প্রতিটি বেদের কায়টি ভাগ আছে এবং কী কী?

উঃ। প্রতিটি বেদের চারটি ভাগ আছে। এগুলো হল-(১) ব্রাহ্মণ, (২) সংহিতা, (৩) আরণ্যক ও (৪) উপনিষদ।


৪৪। 'বেদ' শব্দের অর্থ কী?

উঃ। 'বেদ' শব্দের অর্থ জ্ঞান।


৪৫। আর্য পরিবারের প্রধানকে কী বলা হত?

উঃ। আর্য পরিবারের প্রধানকে কুলপ বলা হত।


৪৬। 'আর্য' কাদের বলা হয়?

উঃ। আর্য ভাষাতে যারা কথা বলতেন, বৈদিক সভ্যতার স্রষ্টাদের আর্য বলা হয়।


৪৭। আর্যসমাজের মূল ভিত্তি কী ছিল?

উঃ। আর্যসমাজের মূল ভিত্তি ছিল পরিবার।


৪৮। বৈদিক যুগের শাসনব্যবস্থা কী ধরনের ছিল?

উঃ। বৈদিক যুগের শাসনব্যবস্থা ছিল পিতৃতান্ত্রিক।


৪৯। আর্যদের রাজাকে কী বলা হত?

উঃ। আর্যদের রাজাকে 'রাজন' বলা হত।


৫০। রাজনকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য কারা ছিল?

উঃ। রাজনকে পরামর্শ দিত 'সভা' ও 'সমিতি' নামক দুটো জনপরিষদ।


৫১। আর্যদের গ্রামের প্রধানকে কী বলা হত?

উঃ। আর্যদের গ্রামের প্রধানদের 'গ্রামণী' বলা হত।


৫২। আর্যদের বিশ-এর প্রধান কী নামে পরিচিত ছিল?

উঃ। আর্যদের বিশ-এর প্রধান বিশপতি নামে পরিচিত ছিল।


৫৩। জন-এর অধিকর্তা কী নামে পরিচিত ছিল?

উঃ। আর্যসমাজে জন-এর অধিকর্তাকে গোপ বলা হত।


৫৪। পরবর্তী বৈদিক যুগের দুজন কৃতী মহিলার নাম লেখো।

উঃ। পরবর্তী বৈদিক যুগের দুজন কৃতী মহিলা হলেন- (১) গার্গী, (২) মৈত্রেয়ী।


৫৫। জৈনদের প্রথম তীর্থঙ্কর কে?

উঃ। জৈনদের প্রথম তীর্থঙ্কর হলেন ঋষভদেব।


৫৬। জৈনদের সর্বশেষ তীর্থঙ্কর কে ছিলেন?

উঃ। জৈনদের সর্বশেষ তীর্থঙ্কর হলেন বর্ধমান মহাবীর।


৫৭। জৈনদের মোট কতজন তীর্থঙ্কর আছেন?

উঃ। জৈনদের মোট চব্বিশ জন তীর্থঙ্কর আছেন।


৫৮। পার্শ্বনাথ কে ছিলেন?

উঃ। জৈনদের ত্রয়োবিংশ তীর্থঙ্কর ছিলেন পার্শ্বনাথ।


৫৯। কবে, কোথায় বর্ধমান মহাবীর-এর মৃত্যু হয়?

উঃ। ৭২ বছর বয়সে ৪৬৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রাজগৃহের কাছে পাবা নগরীতে বর্ধমান মহাবীরের মৃত্যু হয়।


৬০। চতুর্যাম-এর প্রবর্তক কে?

উঃ। পার্শ্বনাথ চতুর্যাম প্রবর্তন করেন।


৬১। জৈনধর্মের ত্রিরত্ন কী?

উঃ। আত্মার মুক্তির উদ্দেশ্যে বর্ধমান মহাবীর তিনটি আচারের কথা বলেন। এগুলো হল (১) সৎ কর্ম, (২) সৎ জ্ঞান, (৩) সৎ ব্যবহার। এই তিনটি নীতি বা আচারকে 'ত্রিরত্ন' বলা হয়।


৬২। 'মহাপঞ্চব্রত' কী?

উঃ। জৈনধর্মের মহাপঞ্চব্রত হল- (১) অহিংসা, (২) সত্যবাদিতা, (৩) অচৌর্য, (৪) অপরিগ্রহ, (৫) ব্রহ্মচর্য।


৬৩। জৈনদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থের নাম কী?

উঃ। জৈনদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থের নাম হল-সিদ্ধান্ত বা দ্বাদশ অঙ্গ।


৬৪। প্রথম জৈন শাস্ত্রগ্রন্থ কী?

উঃ। প্রথম জৈন শাস্ত্রগ্রন্থ হল ভদ্রবাহু রচিত 'কল্পসূত্র'।


৬৫। 'আজীবিক' কাদের বলা হত?

উঃ। খিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের প্রতিবাদী শূদ্র সন্ন্যাসীদের 'আজীবিক' বলা হত।


৬৬। জৈনধর্মের কয়টি পন্থা ও কী কী?

উঃ। জৈনধর্মের দুটি পন্থা। এগুলো হল- (১) দিগম্বর, (২) শ্বেতাম্বর।


৬৭। প্রথম জৈন-সংগীতি কোথায় এবং কার নেতৃত্বে হয়?

উঃ। পাটলিপুত্রে প্রথম জৈন-সংগীতি অনুষ্ঠিত হয়। এই সংগীতির নেতৃত্ব দেন স্থূলভদ্র।


৬৮। মহাবীরের পিতা ও মাতার নাম লেখো।

উঃ। মহাবীরের পিতা হলেন–সিদ্ধার্থ এবং মাতার নাম হল ত্রিশলা।


৬৯। মহাবীর-এর স্ত্রী ও কন্যার নাম কী?

উঃ। মহাবীর-এর স্ত্রীর নাম যশোদা এবং কন্যার নাম প্রিয়দর্শনা।


৭০। নির্গ্রন্থনাথ পুত্র কে?

উঃ। নির্গ্রন্থনাথ পুত্র হলেন মহাবীর।


৭১। মহাবীর-এর পিতৃদত্ত নাম কী?

উঃ। মহাবীর-এর পিতৃদত্ত নাম বর্ধমান।


৭২। গৌতম বুদ্ধের বাল্যনাম কী ছিল?

উঃ। গৌতম বুদ্ধের বাল্যনাম ছিল সিদ্ধার্থ।


৭৩। সিদ্ধার্থ কত বছর বয়সে গৃহত্যাগ করেন?

উঃ। সিদ্ধার্থ ২৯ বছর বয়সে গৃহত্যাগ করেন।


৭৪। বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক কে?

উঃ। গৌতম বুদ্ধ হলেন বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক।


৭৫। 'বুদ্ধ' শব্দের অর্থ কী?

উঃ। বুদ্ধ শব্দের অর্থ 'জ্ঞানী'।


৭৬। বৌদ্ধদের ধর্মগ্রন্থের নাম কী?

উঃ। বৌদ্ধদের ধর্মগ্রন্থের নাম 'ত্রিপিটক'।


৭৭। ত্রিপিটক কোন্ ভাষায় রচিত?

উঃ। ত্রিপিটক পালি ভাষায় রচিত।


৭৮। 'মহাভিনিষ্ক্রমণ' কী?

উঃ। বুদ্ধদেবের গৃহত্যাগের ঘটনাকে বৌদ্ধগ্রন্থে 'মহাভিনিষ্ক্রমণ' বলা হয়ে থাকে।


৭৯। 'মহাপরিনির্বাণ' কী?

উঃ। গৌতম বুদ্ধের দেহত্যাগের ঘটনাকে বৌদ্ধগ্রন্থে 'মহাপরিনির্বাণ' বলা হয়েছে।


৮০। জাতক কী?

উঃ। বুদ্ধদেবের পূর্বজন্মের নানা কাহিনি নিয়ে লিপিবদ্ধ গ্রন্থের নাম হল জাতক।


৮১। বুদ্ধদেব কোথায় প্রথম ধর্মপ্রচার করেন?

উঃ। বুদ্ধদেব প্রথম ধর্মপ্রচার করেন বারাণসীর সারনাথের কাছে মৃগশিখাবন-এ।


৮২। বৌদ্ধধর্মের প্রধান তিনটি নীতি কী?

উঃ। বৌদ্ধধর্মের প্রধান তিনটি নীতি হল- (১) বুদ্ধ, (২) ধর্ম, (৩) সংঘ।


৮৩। বৌদ্ধধর্মের প্রধান দুটি সম্প্রদায় কী কী?

উঃ। বৌদ্ধধর্মের প্রধান দুটি সম্প্রদায় হল- (১) হীনযান, (২) মহাযান।


৮৪। বুদ্ধদেব কত বছর বয়সে কোথায় দেহত্যাগ করেন?

উঃ। বুদ্ধদেব ৮০ বছর বয়সে কুশীনগরে দেহত্যাগ করেন।


৮৫। ত্রিপিটকের কয়টি ভাগ ও কী কী?

উঃ। ত্রিপিটকের তিনটি ভাগ-(১) সূত্র পিটক বা সূত্ত পিটক, (২) বিনয় পিটক, (৩) অভিধর্ম পিটক।


৮৬। ‘ধর্মচক্র প্রবর্তন’ কী?

উঃ। বোধিজ্ঞান লাভের পর বুদ্ধদেব সারনাথের কাছে সর্বপ্রথম পাঁচজন ভিক্ষুর কাছে তাঁর ধর্মীয় উপলব্ধি প্রচার করেন। এই ঘটনাকে ‘ধর্মচক্র প্রবর্তন' বলা হয়।


৮৭। প্রাচীন ভারতের কোন্ সময়ে 'গিল্ড' বা 'ব্যবসায়ী সংঘ' গড়ে ওঠে?

উঃ। পরবর্তী বৈদিকযুগে গিল্ড ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।


৮৮। বৌদ্ধধর্মে 'নির্বাণ” বলতে কী বোঝায়?

উঃ। বৌদ্ধধর্মে নির্বাণের অর্থ হল-জাগতিক কামনা-বাসনা ও জন্মচক্র থেকে মুক্তি লাভ করে শাশ্বত শান্তি অর্জন করা।


Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

হেটেরোস্ফিয়ার

হেটেরোস্ফিয়ার                      ‘হেটেরো’ শব্দের অর্থ ‘ বিষমবৈশিষ্ট্যপূর্ণ। বায়ুমণ্ডলের হোমোস্ফিয়ার স্তরের ওপরের অংশে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত এবং বায়ুমণ্ডলের স্তরগুলো একই রকম থাকে না বলে ভূপৃষ্ঠের ওপরে ৯০ কিলোমিটার থেকে ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে হেটেরোস্ফিয়ার বা বিষমমণ্ডল বলা হয়।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য

  নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য Sl. No. নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকা 1 মেরু প্রদেশের বরফাবৃত অঞ্চল এবং উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কেবলমাত্র বরফে ঢাকা উঁচু পার্বত্য অঞ্চল এবং হিমশীতল মেরু অঞ্চলেই হিমবাহ উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। 2 পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকা প্রধানত ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো হয়। হিমবাহ উপত্যকা ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়। 3 পার্বত্য ও উচ্চ সমভূমি অঞ্চলে নদী স্রোতের গতিবেগ প্রবল হয়, নিম্নভূমিতে নদী স্রোতের গতি ধীরে ধীরে কমে আসে। বেশিরভাগ সময়েই হিমবাহ অত্যন্ত ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। 4 নদী উপত্যকা আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়। হিমবাহ উপত্যকা সোজা পথে অগ্রসর হয়। 5 সাধারণত নদী উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য বেশি হয়। হিমবাহ উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য কম হয়। 6 নদীর সঞ্চয় কাজের ফলে নদী উপত্যকায় প্লাবনভূমি, স্বাভাবিক বাঁধ, বদ্বীপ প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। ...

গিরিখাত এবং ক্যানিয়নের মধ্যে পার্থক্য

  গিরিখাত এবং ক্যানিয়নের মধ্যে পার্থক্য Sl. No. গিরিখাত ক্যানিয়ন 1 গিরিখাত আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্টি হয় বলে বহু উপনদী গিরিখাতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদীর সঙ্গে মিলিত হয়। ফলে নদীখাত সামান্য প্রশস্ত হয়। ক্যানিয়ন শুষ্ক পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্টি হয় বলে ক্যানিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদীর সঙ্গে কোনো উপনদী মিলিত হয় না। ফলে নদীখাত একদম সংকীর্ণ হয়। 2 আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত নদীতে গিরিখাতের সৃষ্টি হয়। শুষ্ক মরু ও মরুপ্রায় উচ্চভূমিতে প্রবাহিত নদীতে ক্যানিয়নের সৃষ্টি হয়। 3 গিরিখাত গঠনের সময় অধিক নিম্নক্ষয়ের সঙ্গে সঙ্গে সামান্য পার্শ্বক্ষয়ও হয়ে থাকে। ক্যানিয়ন গঠনের সময় পার্শ্বক্ষয় একদম হয় না শুধু নদীর নিম্নক্ষয়ই হয়ে থাকে। 4 গিরিখাতের আকৃতি অনেকটা ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো। ক্যানিয়নের আকৃতি অনেকটা ইংরেজি ‘I’ অক্ষরের মতো। 5 যেহেতু আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলে গিরিখাত সৃষ্টি হয়, সেহেতু বৃষ্টিপাতের জন্য নদীর দুই পাড়ের ক্ষয় সামা...

বার্খান

বার্খান             বায়ুর সঞ্চয়কাজের ফলে যেসব ভূমিরূপ গড়ে ওঠে তাদের মধ্যে বালিয়াড়ি বিশেষ উল্লেখযোগ্য।বালিয়াড়ির অন্যতম একটি বিশেষ শ্রেণি হল বাৰ্খান বা তির্যক বালিয়াড়ি। ‘বাৰ্খান’একটি তুর্কি শব্দ, এর অর্থ হল ‘কিরঘিজ স্টেপস্’ অঞ্চলের বালিয়াড়ি। উষ্ণ মরুভূমি অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহের পথে আড়াআড়িভাবে গঠিত বালির স্তূপ বা বালিয়াড়িকে বাৰ্খান বলা হয়।

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু                     পর্বত্য অঞ্চল থেকে সমভূমিতে প্রবেশ করলে নদীর গতিপথের ঢাল হ্রাস পায়। ফলে নদীর ক্ষমতাও কমে যায়। উচ্চপ্রবাহের ক্ষয়িত পদার্থসমূহ (শিলাখণ্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি) সমভূমিতে প্রবেশের মুখে পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে শঙ্কু আকৃতির ভূমিরূপ গঠন করে। একে পলিশঙ্কু বলে। দেখতে হাত পাখার মতো হয় বলে একে পলল পাখা বা পলল ব্যজনীও বলে। 

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

মহীখাত

মহীখাত        জে.হল, জে.ডি.ডানা ও কোবার প্রথম মহীখাত বা Geosyncline ধারণার অবতারণা করেন। তাঁদের মতে, পৃথিবীর আদি ভূভাগ দ্বারা বেষ্টিত ভূপৃষ্ঠের সংকীর্ণ, অবনমিত ও অগভীর সমুদ্রখাত হল মহীখাত। অর্থাৎ, ভূতাত্ত্বিকদের মতে, এখন যেসব জায়গায় ভঙ্গিল পর্বতগুলো অবস্থান করছে, অতি প্রাচীনকালে সেখানে ছিল বিস্তীর্ণ অবনত অঞ্চল— ভূতাত্ত্বিকগণের ভাষায় যার নাম মহীখাত বা অগভীর সমুদ্র।

অবঘর্ষ

অবঘর্ষ            অবঘর্ষ হল এমন একটি ক্ষয়সাধনকারী প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ প্রভৃতি ক্ষয়কার্য করে থাকে।  (i) নদী দ্বারা সংঘটিত অবঘর্ষ—  এই প্রক্রিয়ায় উচ্চগতিতে নদীবাহিত প্রস্তরখণ্ডের সঙ্গে নদীখাতের ঘর্ষণের ফলে নদীখাত ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং নদীখাতে ছোটোছোটো গর্তের (মন্থকূপ) সৃষ্টি হয়। নদীখাতের এইরূপ ক্ষয়কে অবঘর্ষ বলে।

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...