ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন - এক নম্বরের প্রশ্নোত্তর
১। ভারতবর্ষের প্রাচীনতম নগর সভ্যতার নাম লেখো।
উঃ। ভারতবর্ষের প্রাচীনতম সভ্যতা হল সিন্ধুসভ্যতা।
২। সিন্ধুসভ্যতা কে, কবে আবিষ্কার করেন?
উঃ। ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও দয়ারাম সাহানি সিন্ধুসভ্যতা আবিষ্কার করেন। এসময় ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধিকর্তা ছিলেন স্যার জন মার্শাল।
৩। 'মহেন-জো-দারো' কথার অর্থ কী?
উঃ। মহেন-জো-দারো কথার অর্থ-‘মৃতের স্তূপ’।
৪। সিন্ধুসভ্যতা কোন্ যুগের সভ্যতা?
উঃ। সিন্ধুসভ্যতা 'তাম্র-প্রস্তর যুগ’ (Chalcolithic Age)-এর সভ্যতা।
৫। হরপ্পা কোথায় অবস্থিত?
৬। সিন্ধুসভ্যতার খননকার্য কে পরিচালনা করেন?
উঃ। তৎকালীন ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ববিভাগের অধিকর্তা স্যার জন মার্শাল।
৭। প্রাক্-হরপ্পা সভ্যতার দুটি কেন্দ্রের নাম লেখো।
উঃ। (i) বেলুচিস্তানের কোয়েটা অঞ্চলের কিলিগুল মহম্মদ,
(ii) লোরালাই উপত্যকার রানা ঘুন্ডাই।
৮। হরপ্পা সভ্যতা আবিষ্কারক দুজন প্রত্নতত্ত্ববিদের নাম করো।
উঃ। (i) দয়ারাম সাহানি,
(ii) রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।
৯।ভারতের প্রাচীনতম সমুদ্র বন্দর কোন টি ?
উঃ। গুজরাটের লোথাল।
১০। সিন্ধুবাসীগণ কোন্ ধাতুর ব্যবহার জানত না?
উঃ। সিন্ধুর অধিবাসীগণ লোহার ব্যবহার জানত না।
১১। কোন্ পশুর সঙ্গে সিন্ধুর মানুষের পরিচয় ছিল না?
উঃ। সিন্ধুর অধিবাসীগণ ঘোড়া-র সঙ্গে পরিচিত ছিল না।
১২। মহেন-জো-দারো কোথায় অবস্থিত?
উঃ। মহেন-জো-দারো সিন্ধুর প্রদেশের লারকানা জেলাতে অবস্থিত।
১৩। সিন্ধু সমাজব্যবস্থার একটা বৈশিষ্ট্য লেখো।
উঃ। সিন্ধুসভ্যতা মাতৃতান্ত্রিক ছিল।
১৪। কোন্ নদীর তীরে সিন্ধুসভ্যতার বিকাশ ঘটে?
উঃ। সিন্ধু নদীর তীরে সিন্ধুসভ্যতা বিকশিত হয়েছিল।
১৫। সিন্ধুসভ্যতার পতন কবে সম্পূর্ণ হয়?
উঃ। আনুমানিক ১৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিন্ধুসভ্যতা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
১৬। মেহেরগড় সভ্যতা কবে আবিষ্কৃত হয়?
উঃ। ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে মেহেরগড় সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।
১৭। কে বা কারা মেহেরগড় সভ্যতা আবিষ্কার করেন?
উঃ। ফরাসি প্রত্নতত্ত্ববিদ জেন ফ্রাঁসোয়া জারিজ (Jarrige) ও রিচার্ড মিডো (Meadow) মেহেরগড় সভ্যতা আবিষ্কার করেন।
১৮। মেহেরগড় সভ্যতা প্রথম কোথায় গড়ে উঠেছিল?
উঃ। বেলুচিস্তানের ঝোব নদীর তীরে বোলান গিরিপথের কাছে কাচ্চি সমভূমিতে মেহেরগড় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
১৯। মেহেরগড় সভ্যতার একটা বৈশিষ্ট্য লেখো।
উঃ। মেহেরগড় একটা গ্রামকেন্দ্রিক সভ্যতা।
২০। মেহেরগড় সভ্যতা কত খ্রিস্টাব্দে গড়ে উঠেছিল?
উঃ। আনুমানিক ৭০০০ থেকে ৬০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে।
২১। মেহেরগড় সভ্যতার দুটো কেন্দ্রের নাম করো।
উঃ। (১) কিলিগুল মহম্মদ, (২) রানা ঘুন্ডাই।
২২। মেহেরগড় সভ্যতার বৃত্তি কী ধরনের ছিল?
উঃ। কৃষি ও পশুপালন।
২৩। সিন্ধুসভ্যতা কোন্ সভ্যতার কাছে ঋণী?
উঃ। সিন্ধুসভ্যতা মেহেরগড় সভ্যতার কাছে অনেকাংশে ঋণী।
২৪। কোন্ সভ্যতাকে হরপ্পা সভ্যতার পথিকৃৎ বলা হয়?
উঃ। মেহেরগড় সভ্যতাকে হরপ্পা সভ্যতার পথিকৃৎ বলা হয়।
২৫। 'হরপ্পা' কথার অর্থ কী?
উঃ। হরপ্পা কথার অর্থ হল-পশুপতির খাদ্য।
২৬। রাজস্থান ও পাঞ্জাবের কোথায় সিন্ধুসভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে?
উঃ। রাজস্থানের কালিবঙ্গান ও পাঞ্জাবের রোপার-এ সিন্ধুসভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
২৭। মেহেরগড় সভ্যতা কতটা জায়গা জুড়ে গড়ে উঠেছিল?
উঃ। জেন ফ্রাঁসোয়া জারিজ মনে করেন যে, প্রায় ৫০০ একর বা ১৫০০ বিঘার ওপর এই সভ্যতা গড়ে ওঠে।
২৮। হরপ্পার সমসাময়িক দুটো প্রাচীন সভ্যতার নাম লেখো।
উঃ। (১) সুমেরীয় সভ্যতা, (২) মিশরীয় সভ্যতা।
২৯। বৈদিক সভ্যতার স্রষ্টা কে বা কারা?
উঃ। আর্যগণ বৈদিক সভ্যতার স্রষ্টা।
৩০। 'আর্য' কথার অর্থ কী?
উঃ। 'আর্য' কথার অর্থ হল-সৎবংশজাত বা অভিজাত মানুষ।
৩১। বৈদিক সভ্যতা কাকে ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে?
উঃ। বেদ-কে ভিত্তি করে বৈদিক সভ্যতা গড়ে উঠেছে।
৩২। আর্যদের প্রাচীনতম ধর্মগ্রন্থ কী?
উঃ। আর্যদের প্রাচীনতম ধর্মগ্রন্থ হল ঋগ্বেদ।
৩৩। ‘উপনিষদ’ কী?
উঃ। বেদ-এর শেষ ভাগ বা বেদান্ত-কে উপনিষদ বলে।
৩৪। আর্যদের বসতি প্রথম কোথায় গড়ে ওঠে?
উঃ। সপ্তসিন্ধু অঞ্চল 'অর্থাৎ' আফগানিস্তান, কাশ্মীর, পাঞ্জাব, উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে আর্যদের আদি বাসস্থান গড়ে ওঠে।
৩৫। আর্যদের চতুরাশ্রমের ‘প্রথম আশ্রম’ কী?
উঃ। আর্যদের চতুরাশ্রমের প্রথম আশ্রম হল ‘ব্রহ্মচর্যাশ্রম’।
৩৬। আর্যদের স্বর্ণমুদ্রার নাম কী?
উঃ। আর্যদের স্বর্ণমুদ্রার নাম হল 'নিষ্ক' ও 'মনা'।
৩৭। বেদ-এর অপর নাম কী এবং বেদকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
উঃ। বেদের অপর নাম শ্রুতি। বেদকে চারভাগে ভাগ করা হয়েছে, যথা-(১) ঋগ্বেদ, (২) যজুর্বেদ, (৩) সামবেদ, (৪) অথর্ব বেদ।
৩৮। আর্যদের বিনিময়ের মাধ্যম কী ছিল?
উঃ। গোরু ছিল আর্যদের বিনিময়ের মাধ্যম।
৩৯। বেদকে ‘অপৌরুষেয়’ বলা হয় কেন?
উঃ। বেদ হল ঈশ্বরের মুখনিঃসৃত বাণী। এই বাণী আর্যঋষিগণ প্রথম শুনেছিলেন। তাই, একে অপৌরুষেয় বলা হয়।
৪০। আর্যদের কোন্ আশ্রম 'যতি আশ্রম' নামে পরিচিত?
উঃ। আর্যদের ‘সন্ন্যাস আশ্রম’ যতি আশ্রম নামে পরিচিত।
৪১। আর্যদের দুটো বড়ো যজ্ঞের নাম লেখো।
উঃ। (১) রাজসূয় যজ্ঞ, (২) অশ্বমেধ যজ্ঞ।
৪২। আর্যদের দুজন দেবতা ও দুজন দেবীর নাম লেখো।
উঃ। আর্যদের দুজন দেবতা হলেন- (১) ইন্দ্র, (২) বরুণ এবং দুজন দেবী হলেন-(১) উষা, (২) অদিতি।
৪৩। প্রতিটি বেদের কায়টি ভাগ আছে এবং কী কী?
উঃ। প্রতিটি বেদের চারটি ভাগ আছে। এগুলো হল-(১) ব্রাহ্মণ, (২) সংহিতা, (৩) আরণ্যক ও (৪) উপনিষদ।
৪৪। 'বেদ' শব্দের অর্থ কী?
উঃ। 'বেদ' শব্দের অর্থ জ্ঞান।
৪৫। আর্য পরিবারের প্রধানকে কী বলা হত?
উঃ। আর্য পরিবারের প্রধানকে কুলপ বলা হত।
৪৬। 'আর্য' কাদের বলা হয়?
উঃ। আর্য ভাষাতে যারা কথা বলতেন, বৈদিক সভ্যতার স্রষ্টাদের আর্য বলা হয়।
৪৭। আর্যসমাজের মূল ভিত্তি কী ছিল?
উঃ। আর্যসমাজের মূল ভিত্তি ছিল পরিবার।
৪৮। বৈদিক যুগের শাসনব্যবস্থা কী ধরনের ছিল?
উঃ। বৈদিক যুগের শাসনব্যবস্থা ছিল পিতৃতান্ত্রিক।
৪৯। আর্যদের রাজাকে কী বলা হত?
উঃ। আর্যদের রাজাকে 'রাজন' বলা হত।
৫০। রাজনকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য কারা ছিল?
উঃ। রাজনকে পরামর্শ দিত 'সভা' ও 'সমিতি' নামক দুটো জনপরিষদ।
৫১। আর্যদের গ্রামের প্রধানকে কী বলা হত?
উঃ। আর্যদের গ্রামের প্রধানদের 'গ্রামণী' বলা হত।
৫২। আর্যদের বিশ-এর প্রধান কী নামে পরিচিত ছিল?
উঃ। আর্যদের বিশ-এর প্রধান বিশপতি নামে পরিচিত ছিল।
৫৩। জন-এর অধিকর্তা কী নামে পরিচিত ছিল?
উঃ। আর্যসমাজে জন-এর অধিকর্তাকে গোপ বলা হত।
৫৪। পরবর্তী বৈদিক যুগের দুজন কৃতী মহিলার নাম লেখো।
উঃ। পরবর্তী বৈদিক যুগের দুজন কৃতী মহিলা হলেন- (১) গার্গী, (২) মৈত্রেয়ী।
৫৫। জৈনদের প্রথম তীর্থঙ্কর কে?
উঃ। জৈনদের প্রথম তীর্থঙ্কর হলেন ঋষভদেব।
৫৬। জৈনদের সর্বশেষ তীর্থঙ্কর কে ছিলেন?
উঃ। জৈনদের সর্বশেষ তীর্থঙ্কর হলেন বর্ধমান মহাবীর।
৫৭। জৈনদের মোট কতজন তীর্থঙ্কর আছেন?
উঃ। জৈনদের মোট চব্বিশ জন তীর্থঙ্কর আছেন।
৫৮। পার্শ্বনাথ কে ছিলেন?
উঃ। জৈনদের ত্রয়োবিংশ তীর্থঙ্কর ছিলেন পার্শ্বনাথ।
৫৯। কবে, কোথায় বর্ধমান মহাবীর-এর মৃত্যু হয়?
উঃ। ৭২ বছর বয়সে ৪৬৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রাজগৃহের কাছে পাবা নগরীতে বর্ধমান মহাবীরের মৃত্যু হয়।
৬০। চতুর্যাম-এর প্রবর্তক কে?
উঃ। পার্শ্বনাথ চতুর্যাম প্রবর্তন করেন।
৬১। জৈনধর্মের ত্রিরত্ন কী?
উঃ। আত্মার মুক্তির উদ্দেশ্যে বর্ধমান মহাবীর তিনটি আচারের কথা বলেন। এগুলো হল (১) সৎ কর্ম, (২) সৎ জ্ঞান, (৩) সৎ ব্যবহার। এই তিনটি নীতি বা আচারকে 'ত্রিরত্ন' বলা হয়।
৬২। 'মহাপঞ্চব্রত' কী?
উঃ। জৈনধর্মের মহাপঞ্চব্রত হল- (১) অহিংসা, (২) সত্যবাদিতা, (৩) অচৌর্য, (৪) অপরিগ্রহ, (৫) ব্রহ্মচর্য।
৬৩। জৈনদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থের নাম কী?
উঃ। জৈনদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থের নাম হল-সিদ্ধান্ত বা দ্বাদশ অঙ্গ।
৬৪। প্রথম জৈন শাস্ত্রগ্রন্থ কী?
উঃ। প্রথম জৈন শাস্ত্রগ্রন্থ হল ভদ্রবাহু রচিত 'কল্পসূত্র'।
৬৫। 'আজীবিক' কাদের বলা হত?
উঃ। খিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের প্রতিবাদী শূদ্র সন্ন্যাসীদের 'আজীবিক' বলা হত।
৬৬। জৈনধর্মের কয়টি পন্থা ও কী কী?
উঃ। জৈনধর্মের দুটি পন্থা। এগুলো হল- (১) দিগম্বর, (২) শ্বেতাম্বর।
৬৭। প্রথম জৈন-সংগীতি কোথায় এবং কার নেতৃত্বে হয়?
উঃ। পাটলিপুত্রে প্রথম জৈন-সংগীতি অনুষ্ঠিত হয়। এই সংগীতির নেতৃত্ব দেন স্থূলভদ্র।
৬৮। মহাবীরের পিতা ও মাতার নাম লেখো।
উঃ। মহাবীরের পিতা হলেন–সিদ্ধার্থ এবং মাতার নাম হল ত্রিশলা।
৬৯। মহাবীর-এর স্ত্রী ও কন্যার নাম কী?
উঃ। মহাবীর-এর স্ত্রীর নাম যশোদা এবং কন্যার নাম প্রিয়দর্শনা।
৭০। নির্গ্রন্থনাথ পুত্র কে?
উঃ। নির্গ্রন্থনাথ পুত্র হলেন মহাবীর।
৭১। মহাবীর-এর পিতৃদত্ত নাম কী?
উঃ। মহাবীর-এর পিতৃদত্ত নাম বর্ধমান।
৭২। গৌতম বুদ্ধের বাল্যনাম কী ছিল?
উঃ। গৌতম বুদ্ধের বাল্যনাম ছিল সিদ্ধার্থ।
৭৩। সিদ্ধার্থ কত বছর বয়সে গৃহত্যাগ করেন?
উঃ। সিদ্ধার্থ ২৯ বছর বয়সে গৃহত্যাগ করেন।
৭৪। বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক কে?
উঃ। গৌতম বুদ্ধ হলেন বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক।
৭৫। 'বুদ্ধ' শব্দের অর্থ কী?
উঃ। বুদ্ধ শব্দের অর্থ 'জ্ঞানী'।
৭৬। বৌদ্ধদের ধর্মগ্রন্থের নাম কী?
উঃ। বৌদ্ধদের ধর্মগ্রন্থের নাম 'ত্রিপিটক'।
৭৭। ত্রিপিটক কোন্ ভাষায় রচিত?
উঃ। ত্রিপিটক পালি ভাষায় রচিত।
৭৮। 'মহাভিনিষ্ক্রমণ' কী?
উঃ। বুদ্ধদেবের গৃহত্যাগের ঘটনাকে বৌদ্ধগ্রন্থে 'মহাভিনিষ্ক্রমণ' বলা হয়ে থাকে।
৭৯। 'মহাপরিনির্বাণ' কী?
উঃ। গৌতম বুদ্ধের দেহত্যাগের ঘটনাকে বৌদ্ধগ্রন্থে 'মহাপরিনির্বাণ' বলা হয়েছে।
৮০। জাতক কী?
উঃ। বুদ্ধদেবের পূর্বজন্মের নানা কাহিনি নিয়ে লিপিবদ্ধ গ্রন্থের নাম হল জাতক।
৮১। বুদ্ধদেব কোথায় প্রথম ধর্মপ্রচার করেন?
উঃ। বুদ্ধদেব প্রথম ধর্মপ্রচার করেন বারাণসীর সারনাথের কাছে মৃগশিখাবন-এ।
৮২। বৌদ্ধধর্মের প্রধান তিনটি নীতি কী?
উঃ। বৌদ্ধধর্মের প্রধান তিনটি নীতি হল- (১) বুদ্ধ, (২) ধর্ম, (৩) সংঘ।
৮৩। বৌদ্ধধর্মের প্রধান দুটি সম্প্রদায় কী কী?
উঃ। বৌদ্ধধর্মের প্রধান দুটি সম্প্রদায় হল- (১) হীনযান, (২) মহাযান।
৮৪। বুদ্ধদেব কত বছর বয়সে কোথায় দেহত্যাগ করেন?
উঃ। বুদ্ধদেব ৮০ বছর বয়সে কুশীনগরে দেহত্যাগ করেন।
৮৫। ত্রিপিটকের কয়টি ভাগ ও কী কী?
উঃ। ত্রিপিটকের তিনটি ভাগ-(১) সূত্র পিটক বা সূত্ত পিটক, (২) বিনয় পিটক, (৩) অভিধর্ম পিটক।
৮৬। ‘ধর্মচক্র প্রবর্তন’ কী?
উঃ। বোধিজ্ঞান লাভের পর বুদ্ধদেব সারনাথের কাছে সর্বপ্রথম পাঁচজন ভিক্ষুর কাছে তাঁর ধর্মীয় উপলব্ধি প্রচার করেন। এই ঘটনাকে ‘ধর্মচক্র প্রবর্তন' বলা হয়।
৮৭। প্রাচীন ভারতের কোন্ সময়ে 'গিল্ড' বা 'ব্যবসায়ী সংঘ' গড়ে ওঠে?
উঃ। পরবর্তী বৈদিকযুগে গিল্ড ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।
৮৮। বৌদ্ধধর্মে 'নির্বাণ” বলতে কী বোঝায়?
উঃ। বৌদ্ধধর্মে নির্বাণের অর্থ হল-জাগতিক কামনা-বাসনা ও জন্মচক্র থেকে মুক্তি লাভ করে শাশ্বত শান্তি অর্জন করা।

Comments
Post a Comment