Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন - এক নম্বরের প্রশ্নোত্তর [সমস্ত সরকারি চাকরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ]

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন - এক নম্বরের প্রশ্নোত্তর



১। ভারতবর্ষের প্রাচীনতম নগর সভ্যতার নাম লেখো।

উঃ। ভারতবর্ষের প্রাচীনতম সভ্যতা হল সিন্ধুসভ্যতা।


২। সিন্ধুসভ্যতা কে, কবে আবিষ্কার করেন?

উঃ। ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও দয়ারাম সাহানি সিন্ধুসভ্যতা আবিষ্কার করেন। এসময় ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধিকর্তা ছিলেন স্যার জন মার্শাল।


৩। 'মহেন-জো-দারো' কথার অর্থ কী?

উঃ। মহেন-জো-দারো কথার অর্থ-‘মৃতের স্তূপ’।


৪। সিন্ধুসভ্যতা কোন্ যুগের সভ্যতা?

উঃ। সিন্ধুসভ্যতা 'তাম্র-প্রস্তর যুগ’ (Chalcolithic Age)-এর সভ্যতা।


৫। হরপ্পা কোথায় অবস্থিত?

উঃ। পাঞ্জাবের মন্টগোমারি-তে হরপ্পা অবস্থিত।

৬। সিন্ধুসভ্যতার খননকার্য কে পরিচালনা করেন?

উঃ। তৎকালীন ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ববিভাগের অধিকর্তা স্যার জন মার্শাল।


৭। প্রাক্-হরপ্পা সভ্যতার দুটি কেন্দ্রের নাম লেখো।

উঃ। (i) বেলুচিস্তানের কোয়েটা অঞ্চলের কিলিগুল মহম্মদ,

(ii) লোরালাই উপত্যকার রানা ঘুন্ডাই।


৮। হরপ্পা সভ্যতা আবিষ্কারক দুজন প্রত্নতত্ত্ববিদের নাম করো।

উঃ। (i) দয়ারাম সাহানি,

(ii) রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।


৯।ভারতের প্রাচীনতম সমুদ্র বন্দর কোন টি ?

উঃ। গুজরাটের লোথাল।


১০। সিন্ধুবাসীগণ কোন্ ধাতুর ব্যবহার জানত না?

উঃ। সিন্ধুর অধিবাসীগণ লোহার ব্যবহার জানত না।


১১। কোন্ পশুর সঙ্গে সিন্ধুর মানুষের পরিচয় ছিল না?

উঃ। সিন্ধুর অধিবাসীগণ ঘোড়া-র সঙ্গে পরিচিত ছিল না।


১২। মহেন-জো-দারো কোথায় অবস্থিত?

উঃ। মহেন-জো-দারো সিন্ধুর প্রদেশের লারকানা জেলাতে অবস্থিত।


১৩। সিন্ধু সমাজব্যবস্থার একটা বৈশিষ্ট্য লেখো।

উঃ। সিন্ধুসভ্যতা মাতৃতান্ত্রিক ছিল।


১৪। কোন্ নদীর তীরে সিন্ধুসভ্যতার বিকাশ ঘটে?

উঃ। সিন্ধু নদীর তীরে সিন্ধুসভ্যতা বিকশিত হয়েছিল।


১৫। সিন্ধুসভ্যতার পতন কবে সম্পূর্ণ হয়?

উঃ। আনুমানিক ১৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিন্ধুসভ্যতা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।


১৬। মেহেরগড় সভ্যতা কবে আবিষ্কৃত হয়?

উঃ। ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে মেহেরগড় সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।


১৭। কে বা কারা মেহেরগড় সভ্যতা আবিষ্কার করেন?

উঃ। ফরাসি প্রত্নতত্ত্ববিদ জেন ফ্রাঁসোয়া জারিজ (Jarrige) ও রিচার্ড মিডো (Meadow) মেহেরগড় সভ্যতা আবিষ্কার করেন।


১৮। মেহেরগড় সভ্যতা প্রথম কোথায় গড়ে উঠেছিল?

উঃ। বেলুচিস্তানের ঝোব নদীর তীরে বোলান গিরিপথের কাছে কাচ্চি সমভূমিতে মেহেরগড় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।


১৯। মেহেরগড় সভ্যতার একটা বৈশিষ্ট্য লেখো।

উঃ। মেহেরগড় একটা গ্রামকেন্দ্রিক সভ্যতা।


২০। মেহেরগড় সভ্যতা কত খ্রিস্টাব্দে গড়ে উঠেছিল?

উঃ। আনুমানিক ৭০০০ থেকে ৬০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে।


২১। মেহেরগড় সভ্যতার দুটো কেন্দ্রের নাম করো।

উঃ। (১) কিলিগুল মহম্মদ, (২) রানা ঘুন্ডাই।


২২। মেহেরগড় সভ্যতার বৃত্তি কী ধরনের ছিল?

উঃ। কৃষি ও পশুপালন।


২৩। সিন্ধুসভ্যতা কোন্ সভ্যতার কাছে ঋণী?

উঃ। সিন্ধুসভ্যতা মেহেরগড় সভ্যতার কাছে অনেকাংশে ঋণী।


২৪। কোন্ সভ্যতাকে হরপ্পা সভ্যতার পথিকৃৎ বলা হয়?

উঃ। মেহেরগড় সভ্যতাকে হরপ্পা সভ্যতার পথিকৃৎ বলা হয়।


২৫। 'হরপ্পা' কথার অর্থ কী?

উঃ। হরপ্পা কথার অর্থ হল-পশুপতির খাদ্য।


২৬। রাজস্থান ও পাঞ্জাবের কোথায় সিন্ধুসভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে?

উঃ। রাজস্থানের কালিবঙ্গান ও পাঞ্জাবের রোপার-এ সিন্ধুসভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।


২৭। মেহেরগড় সভ্যতা কতটা জায়গা জুড়ে গড়ে উঠেছিল?

উঃ। জেন ফ্রাঁসোয়া জারিজ মনে করেন যে, প্রায় ৫০০ একর বা ১৫০০ বিঘার ওপর এই সভ্যতা গড়ে ওঠে।


২৮। হরপ্পার সমসাময়িক দুটো প্রাচীন সভ্যতার নাম লেখো।

উঃ। (১) সুমেরীয় সভ্যতা, (২) মিশরীয় সভ্যতা।


২৯। বৈদিক সভ্যতার স্রষ্টা কে বা কারা?

উঃ। আর্যগণ বৈদিক সভ্যতার স্রষ্টা।


৩০। 'আর্য' কথার অর্থ কী?

উঃ। 'আর্য' কথার অর্থ হল-সৎবংশজাত বা অভিজাত মানুষ।


৩১। বৈদিক সভ্যতা কাকে ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে?

উঃ। বেদ-কে ভিত্তি করে বৈদিক সভ্যতা গড়ে উঠেছে।


৩২। আর্যদের প্রাচীনতম ধর্মগ্রন্থ কী?

উঃ। আর্যদের প্রাচীনতম ধর্মগ্রন্থ হল ঋগ্বেদ।


৩৩। ‘উপনিষদ’ কী?

উঃ। বেদ-এর শেষ ভাগ বা বেদান্ত-কে উপনিষদ বলে।


৩৪। আর্যদের বসতি প্রথম কোথায় গড়ে ওঠে?

উঃ। সপ্তসিন্ধু অঞ্চল 'অর্থাৎ' আফগানিস্তান, কাশ্মীর, পাঞ্জাব, উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে আর্যদের আদি বাসস্থান গড়ে ওঠে।


৩৫। আর্যদের চতুরাশ্রমের ‘প্রথম আশ্রম’ কী?

উঃ। আর্যদের চতুরাশ্রমের প্রথম আশ্রম হল ‘ব্রহ্মচর্যাশ্রম’।


৩৬। আর্যদের স্বর্ণমুদ্রার নাম কী?

উঃ। আর্যদের স্বর্ণমুদ্রার নাম হল 'নিষ্ক' ও 'মনা'।


৩৭। বেদ-এর অপর নাম কী এবং বেদকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে?

উঃ। বেদের অপর নাম শ্রুতি। বেদকে চারভাগে ভাগ করা হয়েছে, যথা-(১) ঋগ্বেদ, (২) যজুর্বেদ, (৩) সামবেদ, (৪) অথর্ব বেদ।


৩৮। আর্যদের বিনিময়ের মাধ্যম কী ছিল?

উঃ। গোরু ছিল আর্যদের বিনিময়ের মাধ্যম।


৩৯। বেদকে ‘অপৌরুষেয়’ বলা হয় কেন?

উঃ। বেদ হল ঈশ্বরের মুখনিঃসৃত বাণী। এই বাণী আর্যঋষিগণ প্রথম শুনেছিলেন। তাই, একে অপৌরুষেয় বলা হয়।


৪০। আর্যদের কোন্ আশ্রম 'যতি আশ্রম' নামে পরিচিত?

উঃ। আর্যদের ‘সন্ন্যাস আশ্রম’ যতি আশ্রম নামে পরিচিত।


৪১। আর্যদের দুটো বড়ো যজ্ঞের নাম লেখো।

উঃ। (১) রাজসূয় যজ্ঞ, (২) অশ্বমেধ যজ্ঞ।


৪২। আর্যদের দুজন দেবতা ও দুজন দেবীর নাম লেখো।

উঃ। আর্যদের দুজন দেবতা হলেন- (১) ইন্দ্র, (২) বরুণ এবং দুজন দেবী হলেন-(১) উষা, (২) অদিতি।


৪৩। প্রতিটি বেদের কায়টি ভাগ আছে এবং কী কী?

উঃ। প্রতিটি বেদের চারটি ভাগ আছে। এগুলো হল-(১) ব্রাহ্মণ, (২) সংহিতা, (৩) আরণ্যক ও (৪) উপনিষদ।


৪৪। 'বেদ' শব্দের অর্থ কী?

উঃ। 'বেদ' শব্দের অর্থ জ্ঞান।


৪৫। আর্য পরিবারের প্রধানকে কী বলা হত?

উঃ। আর্য পরিবারের প্রধানকে কুলপ বলা হত।


৪৬। 'আর্য' কাদের বলা হয়?

উঃ। আর্য ভাষাতে যারা কথা বলতেন, বৈদিক সভ্যতার স্রষ্টাদের আর্য বলা হয়।


৪৭। আর্যসমাজের মূল ভিত্তি কী ছিল?

উঃ। আর্যসমাজের মূল ভিত্তি ছিল পরিবার।


৪৮। বৈদিক যুগের শাসনব্যবস্থা কী ধরনের ছিল?

উঃ। বৈদিক যুগের শাসনব্যবস্থা ছিল পিতৃতান্ত্রিক।


৪৯। আর্যদের রাজাকে কী বলা হত?

উঃ। আর্যদের রাজাকে 'রাজন' বলা হত।


৫০। রাজনকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য কারা ছিল?

উঃ। রাজনকে পরামর্শ দিত 'সভা' ও 'সমিতি' নামক দুটো জনপরিষদ।


৫১। আর্যদের গ্রামের প্রধানকে কী বলা হত?

উঃ। আর্যদের গ্রামের প্রধানদের 'গ্রামণী' বলা হত।


৫২। আর্যদের বিশ-এর প্রধান কী নামে পরিচিত ছিল?

উঃ। আর্যদের বিশ-এর প্রধান বিশপতি নামে পরিচিত ছিল।


৫৩। জন-এর অধিকর্তা কী নামে পরিচিত ছিল?

উঃ। আর্যসমাজে জন-এর অধিকর্তাকে গোপ বলা হত।


৫৪। পরবর্তী বৈদিক যুগের দুজন কৃতী মহিলার নাম লেখো।

উঃ। পরবর্তী বৈদিক যুগের দুজন কৃতী মহিলা হলেন- (১) গার্গী, (২) মৈত্রেয়ী।


৫৫। জৈনদের প্রথম তীর্থঙ্কর কে?

উঃ। জৈনদের প্রথম তীর্থঙ্কর হলেন ঋষভদেব।


৫৬। জৈনদের সর্বশেষ তীর্থঙ্কর কে ছিলেন?

উঃ। জৈনদের সর্বশেষ তীর্থঙ্কর হলেন বর্ধমান মহাবীর।


৫৭। জৈনদের মোট কতজন তীর্থঙ্কর আছেন?

উঃ। জৈনদের মোট চব্বিশ জন তীর্থঙ্কর আছেন।


৫৮। পার্শ্বনাথ কে ছিলেন?

উঃ। জৈনদের ত্রয়োবিংশ তীর্থঙ্কর ছিলেন পার্শ্বনাথ।


৫৯। কবে, কোথায় বর্ধমান মহাবীর-এর মৃত্যু হয়?

উঃ। ৭২ বছর বয়সে ৪৬৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রাজগৃহের কাছে পাবা নগরীতে বর্ধমান মহাবীরের মৃত্যু হয়।


৬০। চতুর্যাম-এর প্রবর্তক কে?

উঃ। পার্শ্বনাথ চতুর্যাম প্রবর্তন করেন।


৬১। জৈনধর্মের ত্রিরত্ন কী?

উঃ। আত্মার মুক্তির উদ্দেশ্যে বর্ধমান মহাবীর তিনটি আচারের কথা বলেন। এগুলো হল (১) সৎ কর্ম, (২) সৎ জ্ঞান, (৩) সৎ ব্যবহার। এই তিনটি নীতি বা আচারকে 'ত্রিরত্ন' বলা হয়।


৬২। 'মহাপঞ্চব্রত' কী?

উঃ। জৈনধর্মের মহাপঞ্চব্রত হল- (১) অহিংসা, (২) সত্যবাদিতা, (৩) অচৌর্য, (৪) অপরিগ্রহ, (৫) ব্রহ্মচর্য।


৬৩। জৈনদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থের নাম কী?

উঃ। জৈনদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থের নাম হল-সিদ্ধান্ত বা দ্বাদশ অঙ্গ।


৬৪। প্রথম জৈন শাস্ত্রগ্রন্থ কী?

উঃ। প্রথম জৈন শাস্ত্রগ্রন্থ হল ভদ্রবাহু রচিত 'কল্পসূত্র'।


৬৫। 'আজীবিক' কাদের বলা হত?

উঃ। খিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের প্রতিবাদী শূদ্র সন্ন্যাসীদের 'আজীবিক' বলা হত।


৬৬। জৈনধর্মের কয়টি পন্থা ও কী কী?

উঃ। জৈনধর্মের দুটি পন্থা। এগুলো হল- (১) দিগম্বর, (২) শ্বেতাম্বর।


৬৭। প্রথম জৈন-সংগীতি কোথায় এবং কার নেতৃত্বে হয়?

উঃ। পাটলিপুত্রে প্রথম জৈন-সংগীতি অনুষ্ঠিত হয়। এই সংগীতির নেতৃত্ব দেন স্থূলভদ্র।


৬৮। মহাবীরের পিতা ও মাতার নাম লেখো।

উঃ। মহাবীরের পিতা হলেন–সিদ্ধার্থ এবং মাতার নাম হল ত্রিশলা।


৬৯। মহাবীর-এর স্ত্রী ও কন্যার নাম কী?

উঃ। মহাবীর-এর স্ত্রীর নাম যশোদা এবং কন্যার নাম প্রিয়দর্শনা।


৭০। নির্গ্রন্থনাথ পুত্র কে?

উঃ। নির্গ্রন্থনাথ পুত্র হলেন মহাবীর।


৭১। মহাবীর-এর পিতৃদত্ত নাম কী?

উঃ। মহাবীর-এর পিতৃদত্ত নাম বর্ধমান।


৭২। গৌতম বুদ্ধের বাল্যনাম কী ছিল?

উঃ। গৌতম বুদ্ধের বাল্যনাম ছিল সিদ্ধার্থ।


৭৩। সিদ্ধার্থ কত বছর বয়সে গৃহত্যাগ করেন?

উঃ। সিদ্ধার্থ ২৯ বছর বয়সে গৃহত্যাগ করেন।


৭৪। বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক কে?

উঃ। গৌতম বুদ্ধ হলেন বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক।


৭৫। 'বুদ্ধ' শব্দের অর্থ কী?

উঃ। বুদ্ধ শব্দের অর্থ 'জ্ঞানী'।


৭৬। বৌদ্ধদের ধর্মগ্রন্থের নাম কী?

উঃ। বৌদ্ধদের ধর্মগ্রন্থের নাম 'ত্রিপিটক'।


৭৭। ত্রিপিটক কোন্ ভাষায় রচিত?

উঃ। ত্রিপিটক পালি ভাষায় রচিত।


৭৮। 'মহাভিনিষ্ক্রমণ' কী?

উঃ। বুদ্ধদেবের গৃহত্যাগের ঘটনাকে বৌদ্ধগ্রন্থে 'মহাভিনিষ্ক্রমণ' বলা হয়ে থাকে।


৭৯। 'মহাপরিনির্বাণ' কী?

উঃ। গৌতম বুদ্ধের দেহত্যাগের ঘটনাকে বৌদ্ধগ্রন্থে 'মহাপরিনির্বাণ' বলা হয়েছে।


৮০। জাতক কী?

উঃ। বুদ্ধদেবের পূর্বজন্মের নানা কাহিনি নিয়ে লিপিবদ্ধ গ্রন্থের নাম হল জাতক।


৮১। বুদ্ধদেব কোথায় প্রথম ধর্মপ্রচার করেন?

উঃ। বুদ্ধদেব প্রথম ধর্মপ্রচার করেন বারাণসীর সারনাথের কাছে মৃগশিখাবন-এ।


৮২। বৌদ্ধধর্মের প্রধান তিনটি নীতি কী?

উঃ। বৌদ্ধধর্মের প্রধান তিনটি নীতি হল- (১) বুদ্ধ, (২) ধর্ম, (৩) সংঘ।


৮৩। বৌদ্ধধর্মের প্রধান দুটি সম্প্রদায় কী কী?

উঃ। বৌদ্ধধর্মের প্রধান দুটি সম্প্রদায় হল- (১) হীনযান, (২) মহাযান।


৮৪। বুদ্ধদেব কত বছর বয়সে কোথায় দেহত্যাগ করেন?

উঃ। বুদ্ধদেব ৮০ বছর বয়সে কুশীনগরে দেহত্যাগ করেন।


৮৫। ত্রিপিটকের কয়টি ভাগ ও কী কী?

উঃ। ত্রিপিটকের তিনটি ভাগ-(১) সূত্র পিটক বা সূত্ত পিটক, (২) বিনয় পিটক, (৩) অভিধর্ম পিটক।


৮৬। ‘ধর্মচক্র প্রবর্তন’ কী?

উঃ। বোধিজ্ঞান লাভের পর বুদ্ধদেব সারনাথের কাছে সর্বপ্রথম পাঁচজন ভিক্ষুর কাছে তাঁর ধর্মীয় উপলব্ধি প্রচার করেন। এই ঘটনাকে ‘ধর্মচক্র প্রবর্তন' বলা হয়।


৮৭। প্রাচীন ভারতের কোন্ সময়ে 'গিল্ড' বা 'ব্যবসায়ী সংঘ' গড়ে ওঠে?

উঃ। পরবর্তী বৈদিকযুগে গিল্ড ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।


৮৮। বৌদ্ধধর্মে 'নির্বাণ” বলতে কী বোঝায়?

উঃ। বৌদ্ধধর্মে নির্বাণের অর্থ হল-জাগতিক কামনা-বাসনা ও জন্মচক্র থেকে মুক্তি লাভ করে শাশ্বত শান্তি অর্জন করা।


Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা             ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।            ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়। 

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য

  নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য Sl. No. নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকা 1 মেরু প্রদেশের বরফাবৃত অঞ্চল এবং উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কেবলমাত্র বরফে ঢাকা উঁচু পার্বত্য অঞ্চল এবং হিমশীতল মেরু অঞ্চলেই হিমবাহ উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। 2 পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকা প্রধানত ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো হয়। হিমবাহ উপত্যকা ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়। 3 পার্বত্য ও উচ্চ সমভূমি অঞ্চলে নদী স্রোতের গতিবেগ প্রবল হয়, নিম্নভূমিতে নদী স্রোতের গতি ধীরে ধীরে কমে আসে। বেশিরভাগ সময়েই হিমবাহ অত্যন্ত ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। 4 নদী উপত্যকা আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়। হিমবাহ উপত্যকা সোজা পথে অগ্রসর হয়। 5 সাধারণত নদী উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য বেশি হয়। হিমবাহ উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য কম হয়। 6 নদীর সঞ্চয় কাজের ফলে নদী উপত্যকায় প্লাবনভূমি, স্বাভাবিক বাঁধ, বদ্বীপ প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। ...

আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য

  আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য Sl. No. আবহবিকার ক্ষয়ীভবন 1 আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন—উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, জলীয় বাষ্প, তুষারপাত ও বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান দ্বার শিলাসমূহের চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া বা বিয়োজনকে আবহবিকার বলে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ, ইত্যাদি দ্বারা আবহবিকারপ্রাপ্ত চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহের অপসারণকে ক্ষয়ীভবন বলে। 2 আবহবিকারের ফলে মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের (গঠন, আকৃতি, খনিজের আণবিক সজ্জা প্রভৃতি) পরিবর্তন ঘটে । ক্ষয়ীভবনের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয়। কিন্তু মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন সাধন হয় না। 3 আবহবিকার কোনোভাবে ক্ষয়ীভবনের ওপর নির্ভরশীল নয়। ক্ষয়ীভবন সম্পূর্ণরূপে আবহবিকারের ওপর নির্ভরশীল। আবহবিকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে না। 4 আবহবিকারের ফলে চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহ শিলাস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে। ক্ষয়ীভবনের ফলে আবহবিকার প্রাপ্ত শিলাচূর্ণ স্থানান্তরি...

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

হিমদ্রোণি বা হিমখাত (Glacial trough) বা ‘U’ আকৃতির উপত্যকা

হিমদ্রোণি বা হিমখাত (Glacial trough) বা ‘U’ আকৃতির উপত্যকা               উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহের ক্ষয়কাজের ফলে সৃষ্টি হওয়া অন্যতম এক ভূমিরূপ হল হিমদ্রোণী। হিমবাহ যে উপত্যকার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয় যেখানে হিমবাহের পার্শ্বক্ষয় ও নিম্নক্ষয় সমানভাবে হওয়ার ফলে পার্বত্য উপত্যকাটির আকৃতি ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়ে যায়, একে ‘U’ আকৃতির উপত্যকা বা হিমদ্রোণী বলে।

আয়নবায়ু ও পশ্চিমাবায়ুর পার্থক্য

  আয়নবায়ু ও পশ্চিমাবায়ুর পার্থক্য Sl. No. আয়নবায়ু পশ্চিমাবায়ু 1 আয়নবায়ুর প্রভাবে যতটুকু বৃষ্টিপাত হয় তা মহাদেশের পূর্বভাগে সীমাবদ্ধ থাকায় এই বায়ুর গতিপথে মহাদেশের পশ্চিমভাগে বড়ো বড়ো ক্রান্তীয় মরুভূমির সৃষ্টি হয়েছে। পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে মহাদেশের পশ্চিমভাগে প্রবল, বৃষ্টিপাত হয় এবং পূর্বভাগে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশ কমে যায়। তাই পশ্চিমাবায়ুর গতিপথে মহাদেশের পূর্বভাগে নাতিশীতোষ্ণ তৃণভূমির সৃষ্টি হয়েছে। 2 এটি উষ্ণ মণ্ডলের নিয়ত বায়ুপ্রবাহ। এটি নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডলের নিয়ত বায়ুপ্রবাহ। 3 আয়নবায়ু উত্তর গোলার্ধে কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। পশ্চিমাবায়ু উত্তর গোলার্ধে ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে সুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে কুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। 4 আয়নবায়ুর প্রভাবে খুব কম বৃষ্টিপাত হয...

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা।