বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রার তালিকা ১. এশিয়া (Asia) দেশ (Country) রাজধানী (Capital) মুদ্রা (Currency) আফগানিস্তান (Afghanistan) কাবুল (Kabul) আফগান আফগানি আর্মেনিয়া (Armenia) ইয়েরেভান (Yerevan) আর্মেনিয়ান ড্র্যাম আজারবাইজান (Azerbaijan) বাকু (Baku) আজারবাইজানি মানাত বাহরাইন (Bahrain) মানামা (Manama) বাহরাইনি দিনার বাংলাদেশ (Bangladesh) ঢাকা (Dhaka) টাকা ভুটান (Bhutan) থিম্পু (Thimphu) ভুটানিজ গূল্ট্রুম ব্রুনেই (Brunei) বন্দর সেরি বেগাওয়ান ব্রুনেই ডলার কম্বোডিয়া (Cambodia) নমপেন (Phnom Penh) কম্বোডিয়ান রিয়েল চীন (China) বেইজিং (Beijing) রেনমিনবি / ইউয়ান সাইপ্রাস (Cyprus) নিকোশিয়া (Nicosia) ইউরো জর্জিয়া (Georgia) তিবিলিসি (Tbilisi) লারি ...
জৈবিক আবহবিকার
যান্ত্রিক ও রাসায়নিক আবহবিকার বা বিচূর্ণীভবন ছাড়াও উদ্ভিদ ও প্রাণীরা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে শিলাখণ্ডকে চূর্ণবিচূর্ণ করে বিচূর্ণীভবন করে থাকে, একে জৈবিক আবহবিকার বলে। এখানে মনে রাখা দরকার যে, জৈবিক আবহবিকার হল যান্ত্রিক আবহবিকারেরই একটি বিশেষ রূপ।
জৈবিক আবহবিকারকে প্রধানত দু-ভাগে ভাগ করা হয়। যথা–
(ক) জৈব-যান্ত্রিক আবহবিকার এবং
(খ) জৈব রাসায়নিক আবহবিকার
(ক) জৈব-যান্ত্রিক আবহবিকার–
উদ্ভিদ ও প্রাণীর দ্বারা সংঘটিত হয়। শিলাস্তরের মধ্যে উদ্ভিদের শিকড় প্রবেশ করলে তা শিলাস্তরের মধ্যে প্রচণ্ড চাপের সৃষ্টি করে এবং শিলাসমূহ আস্তেআস্তে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়। আবার কিছু প্রাণী রয়েছে যেমন—ইঁদুর, ছুঁচো, কেঁচো, খরগোশ প্রভৃতি শিলার মধ্যে গর্ত খুঁড়ে থাকে। এতে শিলাস্তর দুর্বল ও আলগা হয়ে আবহবিকার প্রাপ্ত হয়।
(খ) জৈব-রাসায়নিক আবহবিকার–
এই আবহবিকারে শিলাসমূহ রাসায়নিকভাবে বিয়োজিত হয়ে থাকে। যেমন—মস, লিচেন, শৈবাল প্রভৃতি ছোটোছোটো উদ্ভিদ শিলার উপরিভাগে জন্মে থাকলে তা বৃষ্টির জলে পচে গিয়ে হিউমাসের সৃষ্টি করে। এই হিউমাস আবার বৃষ্টির জলে হিউমিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়। শিলার মধ্যে অবস্থিত খনিজ এই অ্যাসিডের সংস্পর্শে এলে বিয়োজিত হয় এবং শিলা আবহবিকার প্রাপ্ত হয়।
আরও পড়ুন::
Comments
Post a Comment