পরিবেশের জন্য ভাবনা (Concern About Our Environment) ১. বায়ুমণ্ডলের গঠন (Structure of the Atmosphere) উচ্চতা ও উষ্ণতার পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে বায়ুমণ্ডলকে প্রধানত ছয়টি স্তরে ভাগ করা হয়েছে:
হেটেরোস্ফিয়ার
‘হেটেরো’ শব্দের অর্থ ‘ বিষমবৈশিষ্ট্যপূর্ণ। বায়ুমণ্ডলের হোমোস্ফিয়ার স্তরের ওপরের অংশে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত এবং বায়ুমণ্ডলের স্তরগুলো একই রকম থাকে না বলে ভূপৃষ্ঠের ওপরে ৯০ কিলোমিটার থেকে ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে হেটেরোস্ফিয়ার বা বিষমমণ্ডল বলা হয়।
হোমোস্ফিয়ার স্তরে বিভিন্ন গ্যাসের মিশ্রণ যেমন একটি গ্যাসরূপে থাকে, এই স্তরে তা থাকে না। এই স্তরে বিভিন্ন উচ্চতায় বিভিন্ন গ্যাসের প্রাধান্য লক্ষ করা যায়। গ্যাসের প্রাধান্য ও রাসায়নিক গঠন অনুযায়ী এই স্তরকে চারটি উপস্তরে ভাগ করা হয়, যথা—
আণবিক নাইট্রোজেন স্তর (ভূপৃষ্ঠের ৯০ থেকে ২০০ কিমির মধ্যে),
পারমাণবিক অক্সিজেন স্তর (২০০-১১০০ কিমি পর্যন্ত),
হিলিয়াম স্তর (১১০০-৩৫০০ কিমি পর্যন্ত) এবং
হাইড্রোজেন স্তর (৩৫০০-১০,০০০ কিমি পর্যন্ত)।
আয়নিত মাত্রা ও অন্যান্য বৈশিষ্ট্য অনুসারে বিষমমণ্ডলকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা—
আয়নমণ্ডল (১০০-৩০০ কিমি),
বহির্মণ্ডল বা এক্সোস্ফিয়ার (৩০০-১০০০ কিমি) এবং
ম্যাগনেটোস্ফিয়ার (১০০০-প্রায় ১০,০০০ কিমি)।
আরও পড়ুন::
Comments
Post a Comment