পরিবেশের জন্য ভাবনা (Concern About Our Environment) ১. বায়ুমণ্ডলের গঠন (Structure of the Atmosphere) উচ্চতা ও উষ্ণতার পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে বায়ুমণ্ডলকে প্রধানত ছয়টি স্তরে ভাগ করা হয়েছে:
করি বা সার্ক
উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে যে অবতল উপত্যকার সৃষ্টি হয় তা দেখতে অনেকটা ‘হাতলবিহীন আরামকেদারার’ মতো বা ‘চামচের খাতের’ মতো হয়। এই ধরনের আকৃতিবিশিষ্ট ভূমিরূপকে ফরাসিতে সার্ক এবং ইংরেজিতে করি বলে। এককথায় সার্ক হল হিমবাহের ক্ষয়কাজের ফলে সৃষ্টি হওয়া হাতলযুক্ত ডেক চেয়ারের মতো, মাঝখানে গর্ত এমন ভূমিরূপ। উপত্যকা হিমবাহের উৎসক্ষেত্রে ক্ষয়কাজের ফলে সার্কের সৃষ্টি হয়।
পার্বত্য উপত্যকাটি যতদিন পর্যন্ত হিমবাহে চাপা থাকে ততদিন সার্ক দেখা যায় না, হিমবাহ সরে গিয়ে (ইজিচেয়ারের মতো) উপত্যকাটি বরফযুক্ত হলে তবেই সার্ক দেখা যায়।
করি বা সার্কের তিনটি অংশ থাকে। যথা—
(ক) শীর্ষদিকের খাড়া প্রাচীর (Head Wall)– যা খাড়া অবস্থায় থাকে,
(খ) মধ্যভাগের অবতল খাত (Basin)– যা ‘সরার’ মতো দেখতে হয় এবং মাঝে মাঝে হিমবাহ গলা জল জমে হ্রদের সৃষ্টি হয়। এই ধরনের হ্রদকে করি হ্রদ বলে।
(গ) চৌকাঠ বা প্রান্তভাগ (Threshold)– যা কম ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ঢিবির মতো শিলাস্তূপের আকারে অবস্থান করে।
আরও পড়ুন::
Comments
Post a Comment