ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ শোষণের বিরুদ্ধে অধিকার সংবিধানের কোন কোন ধারায় উল্লিখিত হয়েছে? উত্তরঃ ২৩-২৪নং ধারা। প্রশ্নঃ ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার সংবিধানের কোন কোন ধারায় উল্লিখিত হয়েছে? উত্তরঃ ২৫-২৮নং।
আবহবিকার বা বিচূর্ণীভবন
সংজ্ঞা
যে প্রক্রিয়ায় আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান, যেমন উষ্ণতা, আর্দ্রতা, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, তুষারপাত প্রভৃতির সংস্পর্শে এসে ভূত্বকের ওপরের অংশের শিলাস্তরগুলো ধীরে ধীরে ভেঙে-চুরে বা চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে মূল শিলাস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মূল শিলাস্তরের ওপরেই পড়ে থাকে, সেই প্রক্রিয়াকে আবহবিকার বা বিচূর্ণীভবন বলা হয়।আবহবিকারের ফলে চূর্ণবিচূর্ণ শিলাজাত পদার্থগুলো মূল শিলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সেখানেই পড়ে থাকে, কিন্তু অন্যত্র অপসারিত হয় না।
প্রকারভেদ
আবহবিকারের মাধ্যমে শিলার ভৌত বা বাহ্যিক গঠন অথবা রাসায়নিক বা অভ্যন্তরীণ গঠনের পরিবর্তন হতে পারে। আবহবিকারের গতি ও প্রকৃতি নির্ভর করে কোনো স্থানে শিলার প্রকৃতি ও জলবায়ুর বৈশিষ্ট্যের ওপর।
শিলাস্তর যান্ত্রিকভাবে বিশ্লিষ্ট হলে তাকে যান্ত্রিক আবহবিকার (যেমন–পিণ্ড বিশরণ, শল্কমোচন, ক্ষুদ্রকণা বিশরণ, তুহিন খণ্ডীকরণ) এবং রাসায়নিকভাবে বিয়োজিত হলে তাকে রাসায়নিক আবহবিকার (যেমন–অঙ্গারযোজন, জারণ, জলযোজন, দ্রবণ প্রভৃতি) বলে।
জীবজগৎ যান্ত্রিক বা রাসায়নিক উপায়ে আবহবিকার ঘটাতে পারে। একে জৈবিক আবহবিকার বলে। আবহবিকার ভূমিরূপের নগ্নীভবনের প্রাথমিক পর্যায়। আবহবিকারের ফলেই মাটির সৃষ্টি, উদ্ভিদ জগতের সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে।
কোনো অঞ্চলের ভূমিরূপ গঠন ও পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আবহবিকারের গতি ও প্রকৃতি প্রভাব বিস্তার করে।
আরও পড়ুন::
Comments
Post a Comment